Tag: শপথ গ্রহণ

  • শপথের রাতেই আবেগঘন শ্রদ্ধা—প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গেলেন বাবা–মায়ের কবর জিয়ারতে

    শপথের রাতেই আবেগঘন শ্রদ্ধা—প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গেলেন বাবা–মায়ের কবর জিয়ারতে

    এবিএনএ: প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পরপরই পারিবারিক আবেগের এক বিশেষ মুহূর্ত কাটালেন তারেক রহমান। মঙ্গলবার রাতে তিনি পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে গিয়ে বাবা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া-র কবর জিয়ারত করেন।

    সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের পর ফাতেহা পাঠ ও বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন নতুন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান, কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান এবং প্রয়াত ভাই আরাফাত রহমান কোকো-র স্ত্রী শর্মিলা রহমান

    দলীয় সূত্র জানায়, কবর জিয়ারত শেষে পরিবারের সদস্য ও উপস্থিত নেতাকর্মীদের সঙ্গে তিনি দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় দোয়া করেন। শপথের পর প্রথম কর্মসূচি হিসেবে এমন পারিবারিক শ্রদ্ধা নিবেদনকে অনেকেই আবেগঘন মুহূর্ত হিসেবে দেখছেন।

    এর আগে বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন তারেক রহমান। একই আয়োজনে নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরাও শপথ গ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীদের শপথবাক্য পাঠ করান।

  • ভোটারদের নিয়ে নিজেই শপথ নেব: মেয়র পদে হুঁশিয়ারি ইশরাক হোসেনের

    ভোটারদের নিয়ে নিজেই শপথ নেব: মেয়র পদে হুঁশিয়ারি ইশরাক হোসেনের

    এবিএনএ, ঢাকা:

    ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়রপদে শপথ গ্রহণ নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা নতুন মোড় নিয়েছে। বিএনপি নেতা ও ডিএসসিসির নির্বাচিত মেয়র হিসেবে ঘোষিত ইশরাক হোসেন জানিয়েছেন, সরকার যদি দ্রুত শপথ গ্রহণের সুযোগ না করে, তবে তিনি নিজেই ঢাকার ভোটারদের নিয়ে নগর ভবনে প্রবেশ করে চেয়ারে বসবেন এবং শপথ নেবেন।

    মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর গুলিস্তানে অবস্থিত নগর ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে এ কথা বলেন ইশরাক।

    তিনি বলেন, “নগর ভবন কিভাবে চলবে সেটা ঠিক করবে ঢাকাবাসী, কোনো অনির্বাচিত উপদেষ্টা বা নিয়োগপ্রাপ্ত প্রশাসক নয়। জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধি হিসেবেই আমি দায়িত্ব পালন করবো।”

    ইশরাক আরও অভিযোগ করেন, “মেয়র পদে শপথে বিলম্ব করে সরকার জনগণের রায় অস্বীকার করছে। এটা নির্বাচন ব্যবস্থার প্রতি অবিশ্বাস বাড়াচ্ছে।”

    এ নিয়ে নগর ভবনের প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে বিক্ষোভ চালিয়ে যাচ্ছে বিএনপি সমর্থকরা। ফলে ডিএসসিসির হোল্ডিং ট্যাক্স, ট্রেড লাইসেন্স, জন্ম নিবন্ধনের মতো গুরুত্বপূর্ণ সেবা কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।

    প্রসঙ্গত, ২০২০ সালের ১ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ব্যাপক অনিয়ম ও জালিয়াতির অভিযোগ তোলে বিএনপি। ইশরাক হোসেন সে সময় বিএনপির প্রার্থী ছিলেন। দীর্ঘ আইনি লড়াই শেষে চলতি বছরের ২৭ মার্চ নির্বাচনি ট্রাইব্যুনাল তাঁকে বিজয়ী ঘোষণা করে এবং ২৭ এপ্রিল নির্বাচন কমিশন গেজেট প্রকাশ করে।

    তবে ওই গেজেট ও রায় স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট করা হয়, যা আদালত খারিজ করে দেয় ২২ মে। পরে ‘লিভ টু আপিল’ দাখিল করা হলে ২৯ মে আদালত তা নিষ্পত্তি করে বলে নির্বাচন কমিশন পরবর্তী ব্যবস্থা নিতে স্বাধীন।

    এই অবস্থায় বিএনপি ও ইশরাক হোসেনের দাবি—গেজেট প্রকাশের পর আর বিলম্বের সুযোগ নেই, অবিলম্বে শপথ গ্রহণের ব্যবস্থা করতে হবে।

  • যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব গ্রহণ করলেন সজীব ওয়াজেদ জয়, বিতর্কের জন্ম শপথ অনুষ্ঠান ঘিরে

    যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব গ্রহণ করলেন সজীব ওয়াজেদ জয়, বিতর্কের জন্ম শপথ অনুষ্ঠান ঘিরে

    এবিএনএ:  যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব গ্রহণ করেছেন বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রীর ছেলে এবং এক সময়ের তথ্য প্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। গত শনিবার ওয়াশিংটন ডিসির একটি ইউএস সিটিজেনশিপ সেন্টারে আনুষ্ঠানিকভাবে নাগরিকত্বের শপথ নেন তিনি।

    নির্ভরযোগ্য একাধিক সূত্রে জানা গেছে, শপথ গ্রহণের পর জয় মার্কিন নাগরিকত্বের সার্টিফিকেট হাতে পান এবং এরপর যুক্তরাষ্ট্রের পাসপোর্টের আবেদনও করেন। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের মোট ২২ জন ব্যক্তি নাগরিকত্ব লাভ করেন। তাদের মধ্যেই ছিলেন সজীব ওয়াজেদ জয়সহ তিনজন বাংলাদেশি।

    অনুষ্ঠানে উপস্থিত একজন প্রত্যক্ষদর্শী জানান, জয় একজন আইনজীবীকে সঙ্গে নিয়ে অনুষ্ঠানে আসেন। শপথ অনুষ্ঠানে দেশের নাম অনুসারে উপস্থিতদের নাম ডাকা হয় এবং বাংলাদেশের নাম ডাকার পর জয় দ্বিতীয় বাংলাদেশি হিসেবে শপথ নেন।

    এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে, কারণ মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগেই সজীব ওয়াজেদ জয় তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্টে জানিয়েছিলেন যে, তার কোনো বিদেশি পাসপোর্ট নেই এবং তিনি সবসময় বাংলাদেশি পাসপোর্টেই যাতায়াত করেন।

    তবে তার যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের অনুমতি (গ্রিন কার্ড) ছিল বলেও আগেই জানানো হয়েছিল। বর্তমান নাগরিকত্ব গ্রহণের তথ্যটি তার পূর্ব ঘোষণার সঙ্গে সাংঘর্ষিক হওয়ায় নতুন করে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।