Tag: লা লিগা

  • ‘মেসির জন্য বার্সার দরজা চিরদিন খোলা’—পুনর্নির্বাচিত হয়ে বড় বার্তা দিলেন লাপোর্তা

    ‘মেসির জন্য বার্সার দরজা চিরদিন খোলা’—পুনর্নির্বাচিত হয়ে বড় বার্তা দিলেন লাপোর্তা

    এবিএনএ: স্প্যানিশ ক্লাব বার্সেলোনার সভাপতি পদে আবারও জয়ী হয়েছেন হোয়ান লাপোর্তা। বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়ে ২০৩১ সাল পর্যন্ত ক্লাবের দায়িত্বে থাকছেন তিনি। পুনর্নির্বাচিত হওয়ার পরই ক্লাব কিংবদন্তি লিওনেল মেসিকে নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিয়েছেন এই সভাপতি।

    নির্বাচনে মোট ভোটের ৬৮ শতাংশের বেশি পেয়ে প্রতিদ্বন্দ্বী ভিক্তর ফন্তকে পরাজিত করেন লাপোর্তা। এই জয় তাকে ক্লাবের আর্থিক পুনর্গঠন ও স্টেডিয়াম উন্নয়ন প্রকল্প এগিয়ে নেওয়ার শক্তিশালী সমর্থন দিয়েছে।

    জয়ের পর লাপোর্তা বলেন, মেসির জন্য বার্সেলোনার দরজা সবসময় খোলা। তিনি জানান, মেসি যেভাবে চান সেভাবেই ক্লাবের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারবেন। এমনকি তার সম্মানে একটি বিশেষ বিদায়ী ম্যাচ আয়োজন ও স্টেডিয়ামে ভাস্কর্য স্থাপনের কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

    লাপোর্তার মতে, ক্লাবের ইতিহাসে লাদিস্লাও কুবালা ও ইয়োহান ক্রুইফের মতো কিংবদন্তিদের পাশে মেসির স্থান হওয়া উচিত।

    তবে নির্বাচন ঘিরে কিছু বিতর্কও ছিল। বিশেষ করে সাবেক কোচ শাভি এর্নান্দেজ অভিযোগ করেছিলেন, ২০২৩ সালে মেসির প্রত্যাবর্তন লাপোর্তাই আটকে দিয়েছিলেন। যদিও এই অভিযোগ সরাসরি নাকচ করেন লাপোর্তা।

    তিনি ব্যাখ্যা দেন, মেসির ইন্টার মায়ামিতে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত ছিল সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত। তিনি জানান, মেসির পরিবার ও তার বাবা হোর্হে মেসির সঙ্গে আলোচনা হয়েছিল, তবে শেষ পর্যন্ত মেসি চাপমুক্ত পরিবেশের জন্য মায়ামিকে বেছে নেন।

    সবশেষে লাপোর্তা বার্সা সমর্থকদের আশাবাদী বার্তা দেন। তিনি বলেন, ক্লাবের কঠিন সময় শেষের পথে এবং সামনে সাফল্যের নতুন অধ্যায় অপেক্ষা করছে। তার নেতৃত্বে দল আরও ট্রফি জিতবে এবং স্টেডিয়ামের কাজও নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সম্পন্ন হবে বলে আশা প্রকাশ করেন।

  • শেষ নিশ্বাসে এমবাপের পেনাল্টি! নাটকীয় জয়ে রায়োকে হারিয়ে পয়েন্টের লড়াইয়ে ফিরল রিয়াল

    শেষ নিশ্বাসে এমবাপের পেনাল্টি! নাটকীয় জয়ে রায়োকে হারিয়ে পয়েন্টের লড়াইয়ে ফিরল রিয়াল

    এবিএনএ: ম্যাচ প্রায় শেষ। নির্ধারিত সময় পেরিয়ে চলছে যোগ করা মিনিট। যে কোনো মুহূর্তে শেষ বাঁশি বাজতে পারে—ঠিক তখনই নাটকীয় মোড় নেয় সান্তিয়াগো বার্ন্যাবুর লড়াই। পেনাল্টি পায় রিয়াল মাদ্রিদ, আর স্পট কিকে কোনো ভুল না করে দলকে জয় এনে দেন ফরাসি সুপারস্টার কিলিয়ান এমবাপে। শেষ মুহূর্তের এই গোলে রায়ো ভায়েকানোর বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানে জিতে মাঠ ছাড়ে লস ব্লাঙ্কোসরা।

    ঘরের মাঠে তুলনামূলক দুর্বল প্রতিপক্ষের বিপক্ষে সহজ জয়ের প্রত্যাশাই ছিল রিয়ালের। ম্যাচের পরিসংখ্যানও সে কথাই বলছে। পুরো ম্যাচে ৫৭ শতাংশ সময় বল দখলে রেখে প্রতিপক্ষের গোলমুখে ২৩টি শট নেয় স্বাগতিকরা।

    অন্যদিকে রায়ো ভায়েকানো ৪৩ শতাংশ সময় বল দখলে রাখলেও আক্রমণে কম সাহস দেখায়নি। তারা রিয়ালের গোলপোস্টে ১৪টি শট নেয়।

    ম্যাচের ১৪তম মিনিটে প্রথম সাফল্য পায় রিয়াল মাদ্রিদ। ব্রাহিম দিয়াজের পাস থেকে নিখুঁত ফিনিশিংয়ে গোল করেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। প্রথমার্ধে ওই এক গোলের লিড নিয়েই বিরতিতে যায় স্বাগতিক দল।

    দ্বিতীয়ার্ধ শুরু হতেই পাল্টা আঘাত হানে রায়ো ভায়েকানো। মাঠে নামার মাত্র চার মিনিটের মাথায় জর্জ ডি ফ্রুটোস গোল করে ম্যাচে সমতা ফেরান। এরপর একের পর এক আক্রমণ চালিয়েও কাঙ্ক্ষিত গোল পাচ্ছিল না রিয়াল। তখন মনে হচ্ছিল, ড্রতেই শেষ হচ্ছে ম্যাচ।

    তবে নাটক তখনও বাকি। যোগ করা সময়ের দশম মিনিটে বক্সের ভেতরে ফাউলের দায়ে হলুদ কার্ড দেখেন আলফোনসো এস্পিনো। সেই ফাউল থেকেই পাওয়া পেনাল্টি কাজে লাগিয়ে গোল করেন এমবাপে, নিশ্চিত হয় রিয়ালের জয়।

    এই জয়ের ফলে লা লিগার শীর্ষে থাকা বার্সেলোনার সঙ্গে পয়েন্ট ব্যবধান কমিয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। ২২ ম্যাচ শেষে ৫৪ পয়েন্ট নিয়ে তারা রয়েছে দ্বিতীয় স্থানে। সমান ম্যাচে ৫৫ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে বার্সেলোনা। তৃতীয় স্থানে থাকা অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের পয়েন্ট ৪৫। আর ২২ পয়েন্ট নিয়ে অবনমন অঞ্চলের কাছাকাছি, ১৭তম স্থানে রয়েছে রায়ো ভায়েকানো।

  • লা লিগার বেতনের রাজা এমবাপ্পে, ভিনি–ইয়ামাল–রাফিনিয়ারা বছরে কত আয় করেন?

    লা লিগার বেতনের রাজা এমবাপ্পে, ভিনি–ইয়ামাল–রাফিনিয়ারা বছরে কত আয় করেন?

    এবিএনএ: ইউরোপের শীর্ষ ফুটবল লিগগুলোর একটি লা লিগায় খেলোয়াড়দের বেতন কাঠামো প্রকাশ করেছে ট্রান্সফার মার্কেট। তালিকায় সবার শীর্ষে অবস্থান করছেন রিয়াল মাদ্রিদের ফরাসি সুপারস্টার কিলিয়ান এমবাপ্পে। সর্বোচ্চ বেতন পাওয়া খেলোয়াড়দের তালিকায় প্রথম চারটি স্থানই দখল করে রেখেছে রিয়াল মাদ্রিদ।

    তথ্য অনুযায়ী, এমবাপ্পে বছরে বেতন পান ৩১.৩ মিলিয়ন ইউরো, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৪৪৯ কোটি ৪০ লাখ টাকারও বেশি। তার ঠিক পরেই রয়েছেন সতীর্থ ভিনিসিউস জুনিয়র। ব্রাজিলিয়ান এই উইঙ্গারের বাৎসরিক আয় ২৫ মিলিয়ন ইউরো, বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৩৫৮ কোটি ৯৫ লাখ।

    লা লিগায় তৃতীয় সর্বোচ্চ বেতন পান রিয়ালের অস্ট্রিয়ান ডিফেন্ডার ডেভিড আলাবা। তার আয় ২২.৫ মিলিয়ন ইউরো, যা প্রায় ৩২৩ কোটি ৫ লাখ টাকার সমান। একই ক্লাবের ইংলিশ মিডফিল্ডার জুড বেলিংহ্যাম আছেন চতুর্থ স্থানে। তার বাৎসরিক বেতন ২০.৮ মিলিয়ন ইউরো, বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২৯৮ কোটি ৬৪ লাখ টাকা।

    তালিকার পঞ্চম স্থানে রয়েছেন অ্যাথলেটিকো মাদ্রিদের গোলরক্ষক জ্যান ওবলাক। ষষ্ঠ স্থানে বার্সেলোনার অভিজ্ঞ ফরোয়ার্ড রবার্ট লেভানদোভস্কি—দুজনই বেলিংহ্যামের সমপরিমাণ বেতন পান। সপ্তম স্থানে থাকা বার্সার ফ্রেঙ্কি ডি ইয়ং বছরে আয় করেন ১৯ মিলিয়ন ইউরো, যা প্রায় ২৭২ কোটি ৮০ লাখ টাকা।

    ১৬.৭ মিলিয়ন ইউরো বেতন নিয়ে অষ্টম স্থানে আছেন অ্যাথলেটিক বিলবাওয়ের নিকো উইলিয়ামস। একই অঙ্কে নবম থেকে ত্রয়োদশ স্থানে রয়েছেন বার্সেলোনার রাফিনিয়া ও লামিন ইয়ামাল, রিয়ালের ফেদেরিকো ভালভার্দে, রদ্রিগো এবং ট্রেন্ট আলেক্সান্ডার-আর্নল্ড। তাদের প্রত্যেকের আয় বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ২৩৯ কোটি ৭৭ লাখ।

    ১৫.৬ মিলিয়ন ইউরো বেতনে তালিকার ১৪তম স্থানে আছেন জিরোনার মার্ক টের স্টেগেন এবং ১৫তম স্থানে বার্সেলোনার ডিফেন্ডার জুলেস কুন্দে। তাদের বাৎসরিক আয় প্রায় ২২৩ কোটি ৯৮ লাখ টাকা।

  • ১৮ বছরেই ইতিহাস! ড্রিবলিংয়ে মেসিকে ছাড়িয়ে ফুটবল বিশ্বে ঝড় তুললেন লামিনে ইয়ামাল

    ১৮ বছরেই ইতিহাস! ড্রিবলিংয়ে মেসিকে ছাড়িয়ে ফুটবল বিশ্বে ঝড় তুললেন লামিনে ইয়ামাল

    এবিএনএ: বার্সেলোনার বিস্ময়বালক লামিনে ইয়ামালকে ঘিরে তুলনা আর প্রশংসার শেষ নেই। কেউ তাঁর খেলায় খুঁজে পান লিওনেল মেসির ঝলক, আবার কারও চোখে তিনি নেইমারের উত্তরসূরি। তবে মাত্র ১৮ বছর বয়সেই পরিসংখ্যানের দিক থেকে এক গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় ইতিহাস গড়ে ফেলেছেন এই স্প্যানিশ উইঙ্গার।

    এক বর্ষপঞ্জিকায় সফল ড্রিবলিংয়ের সংখ্যায় ইউরোপের শীর্ষ পাঁচ লিগে ইয়ামাল ছাড়িয়ে গেছেন সর্বকালের অন্যতম সেরা ফুটবলার লিওনেল মেসিকেও। এই তালিকায় তাঁর সামনে আছেন কেবল ব্রাজিলিয়ান তারকা নেইমার।

    পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০১৭ সালে বার্সেলোনা ও পিএসজির জার্সিতে এক বছরে সর্বোচ্চ ৩৩৫টি সফল ড্রিবলিং করে শীর্ষে আছেন নেইমার। দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছেন ইয়ামাল, যিনি ২০২৫ সালে বার্সেলোনার হয়ে সফল ড্রিবলিং করেছেন ৩০৭ বার। উল্লেখযোগ্যভাবে, এই তালিকার শীর্ষ দশে পাঁচবার জায়গা করে নিয়েছেন লিওনেল মেসি।

    চোট ও মাঠের বাইরের আলোচনায় চলতি বছরে কিছুটা ছন্দ হারালেও খুব দ্রুতই নিজের সেরা রূপে ফিরেছেন ইয়ামাল। এল ক্লাসিকোতে রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে হারলেও পরবর্তী ম্যাচগুলোতে তাঁর পারফরম্যান্সে মুগ্ধ হয়েছেন সমর্থকরা।

    নিয়মিত গোল ও অ্যাসিস্টের পাশাপাশি গোল না পেলেও ড্রিবলিং, গতি এবং সৃজনশীলতায় প্রতিপক্ষ রক্ষণকে ব্যতিব্যস্ত করে তুলছেন তিনি। মাঠে তাঁর উপস্থিতিই হয়ে উঠছে বার্সেলোনার আক্রমণের বড় অস্ত্র।

    চলতি মৌসুমে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ২০ ম্যাচে ৯ গোলের সঙ্গে ১০টি অ্যাসিস্ট করেছেন ইয়ামাল। লা লিগায় এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ অ্যাসিস্ট তাঁরই দখলে। সতীর্থদের দিয়ে সাতটি গোল করিয়ে কাতালান ক্লাবটির আক্রমণভাগের অন্যতম প্রধান ভরসা হয়ে উঠেছেন এই তরুণ ফুটবলার।