Tag: লতিফ সিদ্দিকী

  • ড. ইউনূসের নেতৃত্বে নিরপেক্ষ নির্বাচন অসম্ভব, জামায়াতই দেশ চালাচ্ছে: ফজলুর রহমানের বিস্ফোরক অভিযোগ

    ড. ইউনূসের নেতৃত্বে নিরপেক্ষ নির্বাচন অসম্ভব, জামায়াতই দেশ চালাচ্ছে: ফজলুর রহমানের বিস্ফোরক অভিযোগ

    এবিএনএ:  জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ঘিরে ফের বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপির স্থগিতকৃত উপদেষ্টা ফজলুর রহমান। তার দাবি, জামায়াত ইসলাম এখন দেশের অর্থনীতি থেকে প্রশাসন—সব কিছু নিয়ন্ত্রণ করছে।

    সম্প্রতি এক গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে কোনো নিরপেক্ষ নির্বাচন হতে পারে না। এনসিপি আসলে তার নিজস্ব দল, আর রাতের আঁধারে তিনি জামায়াতের সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন। বাস্তবে জামায়াতই দেশ চালাচ্ছে।”

    তিনি আরো বলেন, “সমস্ত ব্যাংক, বিশেষ করে ইসলামী ব্যাংক ও আর্থিক খাত জামায়াতের নিয়ন্ত্রণে। শেয়ার বাজারেও তাদের কর্তৃত্ব স্পষ্ট। প্রশাসনে কর্মকর্তা বদলি পর্যন্ত তাদের ইশারায় হচ্ছে। বিএনপি যদি দ্রুত বিষয়টি অনুধাবন না করে তবে নিজেদের অস্তিত্বও ঝুঁকির মুখে ফেলবে।”

    লতিফ সিদ্দিকীর গ্রেপ্তার প্রসঙ্গে ক্ষোভ প্রকাশ করে ফজলুর রহমান বলেন, “মুক্তিযুদ্ধে লতিফ সিদ্দিকীর অবদান অপরিসীম। ৮৭ বছরের একজন মুক্তিযোদ্ধাকে এভাবে গ্রেপ্তার করা দেশ ও মুক্তিযুদ্ধের প্রতি চরম অবমাননা।”

    তিনি বিএনপিকে সতর্ক করে বলেন, “রাজনৈতিক প্রতিরোধ ছাড়া এই দমননীতির অবসান হবে না। আজ লতিফ সিদ্দিকীর ওপর অন্যায় হলো, কাল তা বিএনপির ওপর আসবে।”

    বিএনপি থেকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার হলেও দল ছাড়ার কোনো ইঙ্গিত দেননি তিনি। তার ভাষায়, “আমি এখনো বিএনপির মানুষ। তিন মাস পর হয়তো তারা আমাকে ফের নেবে, আবার আমিও থাকতে পারি। তবে একটি বিষয় স্পষ্ট—এ দেশের স্বাধীনতা ও মুক্তচিন্তার জায়গা ক্রমশ ছোট হয়ে আসছে।”

  • লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জনের গ্রেপ্তার নিয়ে ডেভিড বার্গম্যানের তীব্র সমালোচনা

    লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জনের গ্রেপ্তার নিয়ে ডেভিড বার্গম্যানের তীব্র সমালোচনা

    এবিএনএ:  সাবেক মন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জনকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় তীব্র সমালোচনা করেছেন ব্রিটিশ সাংবাদিক ডেভিড বার্গম্যান। তিনি বলেন, এটি শুধু অযৌক্তিক পদক্ষেপ নয়, বরং দেশের স্বার্থবিরোধী।

    শুক্রবার (২৯ আগস্ট) নিজের ফেসবুক পেজে একটি পোস্ট দিয়ে বার্গম্যান লিখেছেন, “মঞ্চ ৭১ আয়োজিত অনুষ্ঠানে বাধা দেওয়ার পর পরিস্থিতি সামাল দিতে গিয়ে সাবেক মন্ত্রীসহ আয়োজক ও অংশগ্রহণকারীদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কিন্তু এ সিদ্ধান্ত সরকার না পুলিশ—কেউ নিয়েছে তা স্পষ্ট নয়। তবে নিশ্চিতভাবেই এটি দেশের স্বার্থে নেওয়া পদক্ষেপ নয়।”

    তিনি আরও উল্লেখ করেন, সভায় যা বলা হয়েছিল বা বলা হতে পারত, তা কিছু মহলের কাছে উসকানিমূলক মনে হতে পারে। তবে গ্রেপ্তার হওয়া ১৬ জন কোনো অপরাধ করেননি, তারা কেবল অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছিলেন।

    বার্গম্যানের মতে, সরকার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যদি সত্যিই দেশকে নতুন পথে এগিয়ে নিতে চায়, তাহলে তাদের বুঝতে হবে—রাজনৈতিক সুবিধার জন্য কাউকে গ্রেপ্তার বা মানবাধিকার হরণ কোনো সমাধান নয়। আওয়ামী লীগের অতীত ভুলগুলোর একটি বড় কারণও ছিল এই ধরনের দমননীতি।

    তিনি আরও সতর্ক করে বলেন, এভাবে নির্বিচারে গ্রেপ্তার কেবল বিচার প্রক্রিয়ার পরিপন্থীই নয়, বরং এটি মব বা বিশৃঙ্খলাকারীদের উৎসাহিত করে। ফলে ভবিষ্যতে একই ধরনের সভা-সমাবেশে বাধা দেওয়া স্বাভাবিক ঘটনা হয়ে দাঁড়াতে পারে।

  • সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ

    সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ

    এবিএনএ:  রাজধানীর শাহবাগ থানায় দায়ের করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

    শুক্রবার (২৯ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাহ্ ফারজানা হক আসামিদের জামিন আবেদন খারিজ করে কারাগারে প্রেরণের আদেশ দেন।

    কারাগারে যাওয়া অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন—ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক শেখ হাফিজুর রহমান (কার্জন), মো. আব্দুল্লাহ আল আমিন, মঞ্জুরুল আলম পান্না, কাজী এটিএম আনিসুর রহমান বুলবুল, গোলাম মোস্তফা, মো. মহিউল ইসলাম বাবু, মো. জাকির হোসেন, মো. তৌসিফুল বারী খান, মো. আমির হোসেন সুমন, মো. আল আমিন, মো. নাজমুল আহসান, সৈয়দ শাহেদ হাসান, মো. শফিকুল ইসলাম দেলোয়ার, দেওয়ান মোহাম্মদ আলী ও মো. আব্দুল্লাহীল কাইয়ুম।

    শুক্রবার সকালে তদন্ত কর্মকর্তা ও শাহবাগ থানার উপ-পরিদর্শক তৌফিক হাসান আসামিদের আদালতে হাজির করে আটক রাখার আবেদন জানান। তবে তাদের আইনজীবীরা জামিনের আবেদন করলে তা নামঞ্জুর হয়।

    এর আগে বৃহস্পতিবার সকালে ‘মঞ্চ ৭১’ আয়োজিত “আমাদের মহান স্বাধীনতাযুদ্ধ এবং বাংলাদেশের সংবিধান” শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে উপস্থিত হন লতিফ সিদ্দিকী। ওই সভায় আন্দোলনকারীরা তাকে ঘিরে ধরে আওয়ামী লীগের দোসর আখ্যা দিয়ে স্লোগান দিলে পরিস্থিতি উত্তেজিত হয়। পরে পুলিশ এসে তাদের আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

    বিকেলে শাহবাগ থানা থেকে ডিবিতে হস্তান্তরের পর রাতে পুলিশ বাদী হয়ে তাদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করে।

  • জামিন নিতে অস্বীকৃতি, আদালতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে লতিফ সিদ্দিকী

    জামিন নিতে অস্বীকৃতি, আদালতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে লতিফ সিদ্দিকী

    এবিএনএ:  রাজধানীর শাহবাগ থানায় দায়ের করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় জামিন নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন সাবেক বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী। তিনি আইনজীবীর ওকালতনামায় স্বাক্ষর না করায় তার পক্ষে কোনো জামিন আবেদন করা হয়নি।

    শুক্রবার (২৯ আগস্ট) বিষয়টি আদালতে উপস্থিত হয়ে নিশ্চিত করেন তার আইনজীবী সাইফুল ইসলাম সাইফ। তিনি জানান, জামিন সংক্রান্ত ওকালতনামায় স্বাক্ষরের প্রস্তাব দিলে লতিফ সিদ্দিকী বলেন, “যে আদালতের জামিন দেওয়ার এখতিয়ার নেই, সেখানে আমি কেন আবেদন করব? আমি স্বাক্ষর করব না, জামিনও চাইব না।”

    অন্যদিকে মামলার বাকি আসামিদের জামিন আবেদন করেন তাদের আইনজীবীরা। তবে শুনানি শেষে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাহ্ ফারজানা হক সেসব আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

    কারাগারে প্রেরিতদের মধ্যে রয়েছেন—ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক শেখ হাফিজুর রহমান (কার্জন), মো. আব্দুল্লাহ আল আমিন, মঞ্জুরুল আলম, কাজী এটিএম আনিসুর রহমান বুলবুল, গোলাম মোস্তফা, মো. মহিউল ইসলাম বাবু, মো. জাকির হোসেন, মো. তৌসিফুল বারী খানসহ আরও অনেকে।

    মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহবাগ থানার উপ-পরিদর্শক তৌফিক হাসান আদালতে আসামিদের আটক রাখার আবেদন জানান। তবে আইনজীবীরা তাদের জামিনের চেষ্টা করলেও তা ব্যর্থ হয়।

    এর আগে বৃহস্পতিবার সকালে ‘মঞ্চ ৭১’-এর উদ্যোগে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে ‘আমাদের মহান স্বাধীনতাযুদ্ধ এবং বাংলাদেশের সংবিধান’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। আন্দোলনকারীরা অভিযোগ করেন, এটি আসলে ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের প্ল্যাটফর্ম।

    অনুষ্ঠানে উপস্থিত হন সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীও। তবে তাকে ঘিরে একদল আন্দোলনকারী আওয়ামী লীগের সহযোগী আখ্যা দিয়ে স্লোগান শুরু করলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাদের আটক করে থানায় নিয়ে যায়। পরবর্তীতে রাতেই সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করা হয়।

  • বড় ভাই লতিফ সিদ্দিকীসহ ডিবি হেফাজতে থাকা সবাইকে সম্মানের সঙ্গে মুক্তির দাবি কাদের সিদ্দিকীর

    বড় ভাই লতিফ সিদ্দিকীসহ ডিবি হেফাজতে থাকা সবাইকে সম্মানের সঙ্গে মুক্তির দাবি কাদের সিদ্দিকীর

    এবিএনএ, টাঙ্গাইল: বীর উত্তম ও কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি কাদের সিদ্দিকী বড় ভাই আবদুল লতিফ সিদ্দিকীসহ ডিবি পুলিশের হেফাজতে থাকা সবাইকে সসম্মানে মুক্তির দাবি জানিয়েছেন। বৃহস্পতিবার বিকেলে টাঙ্গাইল শহরের নিজ বাসা ‘সোনার বাংলা’-য় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ দাবি জানান।

    তিনি বলেন, “সকালে ৭১ মঞ্চের আয়োজনে অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে যোগ দিতে গিয়ে লতিফ সিদ্দিকীকে ‘মব’ সৃষ্টি করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। আমরা চাই, তাকে সম্মানের সঙ্গে মুক্তি দেওয়া হোক। যদি কোনো মামলা থাকে, আমরা তা আইনি পথে মোকাবিলা করবো।”

    কাদের সিদ্দিকী আরও বলেন, “চব্বিশের আন্দোলন আমি স্বাধীনতার কাছাকাছি মনে করেছিলাম। কিন্তু এখন দেশের মানুষ তাদের আচরণে অতিষ্ঠ। তাদের বিজয় স্থায়ী হবে ভেবেছিলাম, কিন্তু এক বছরের মধ্যেই তা ভেঙে পড়ছে। আওয়ামী দোসর কিংবা বর্তমান সরকারের দোসররা আসলে বড় স্বৈরাচার।”

    তিনি বঙ্গবন্ধুর প্রসঙ্গ টেনে বলেন, “যেমন বঙ্গবন্ধু না হলে দেশ স্বাধীন হতো না, তেমনি লতিফ সিদ্দিকী জন্ম না নিলে টাঙ্গাইল হতো না, আমরাও রাজনীতি করতে পারতাম না।”

    এ সময় তিনি দেশে সুষ্ঠু নির্বাচনী পরিবেশ ও নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদারেরও দাবি জানান।

  • ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে নাটকীয়তা: লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৫ জনকে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে গেল পুলিশ

    ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে নাটকীয়তা: লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৫ জনকে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে গেল পুলিশ

    এবিএনএ: ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠক থেকে সাবেক সংসদ সদস্য আবদুল লতিফ সিদ্দিকী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক শেখ হাফিজুর রহমান (কার্জন)সহ অন্তত ১৫ জনকে পুলিশের হাতে সোপর্দ করা হয়েছে। পরে তাঁদের ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডিবির যুগ্ম কমিশনার (দক্ষিণ) নাসিরুল ইসলাম।

    বৃহস্পতিবার দুপুরের দিকে নিজেদের ‘জুলাই যোদ্ধা’ পরিচয়ে একদল ব্যক্তি অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশ করে অংশগ্রহণকারীদের অবরুদ্ধ করে রাখে। এরপর তাঁরা স্লোগান দিতে দিতে আলোচনার ব্যানার ছিঁড়ে ফেলে এবং অবরুদ্ধদের পুলিশের হাতে তুলে দেয়।

    সকাল ১০টায় শুরু হওয়ার কথা থাকলেও বৈঠকটি শুরু হয় বেলা ১১টার দিকে। ‘আমাদের মহান স্বাধীনতাযুদ্ধ এবং বাংলাদেশের সংবিধান’ শীর্ষক এ গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করেছিল ‘মঞ্চ ৭১’। যদিও প্রধান অতিথি হিসেবে আমন্ত্রিত ড. কামাল হোসেন অনুষ্ঠানে আসেননি।

    প্রথম বক্তৃতায় অধ্যাপক শেখ হাফিজুর রহমান বলেন, দেশের সংবিধানকে বিপথে নেয়ার চেষ্টা চলছে এবং এর সঙ্গে যুক্ত জামায়াত, এনসিপি ও অধ্যাপক ইউনূসের অনুসারীরা। তাঁর বক্তব্যের কিছুক্ষণ পরই হট্টগোল শুরু হয়।

    অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) আসাদুজ্জামান জানান, দুপুর সোয়া ১২টার দিকে লতিফ সিদ্দিকীসহ কয়েকজনকে পুলিশ ভ্যানে করে নিয়ে যাওয়া হয়।

    এ প্রসঙ্গে লতিফ সিদ্দিকী বলেন, “আমি কোনো সমস্যা হবে জানতাম না। আওয়ামী লীগের সঙ্গে আমার কোনো সম্পর্ক নেই। দাওয়াত পেয়েই অনুষ্ঠানে এসেছিলাম।”

    অন্যদিকে, পুলিশের হাতে তুলে দেওয়ার বিষয়ে আল আমিন রাসেল নামে এক ব্যক্তি দাবি করেন, “এখানে পতিত আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কর্মীরা ষড়যন্ত্র করছিল। জুলাই যোদ্ধারা জীবিত থাকতে এটা হতে দেওয়া হবে না।”