Tag: লঘুচাপ

  • বঙ্গোপসাগরে সক্রিয় লঘুচাপ, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে টানা বৃষ্টি ও ঝড়ের সম্ভাবনা

    বঙ্গোপসাগরে সক্রিয় লঘুচাপ, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে টানা বৃষ্টি ও ঝড়ের সম্ভাবনা

    এবিএনএ: দক্ষিণপশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তার আশপাশের এলাকায় সৃষ্ট লঘুচাপের প্রভাবে আগামী পাঁচ দিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি, বজ্রসহ বৃষ্টি ও দমকা হাওয়ার সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। একইসঙ্গে কয়েকটি অঞ্চলে মৃদু তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে বলেও পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে।

    শনিবার রাতে প্রকাশিত আবহাওয়া বুলেটিনে বলা হয়, বর্তমানে দক্ষিণপশ্চিম ও পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় একটি লঘুচাপ অবস্থান করছে। এছাড়া পশ্চিমবঙ্গ সংলগ্ন এলাকায় আরেকটি লঘুচাপের বর্ধিতাংশ সক্রিয় রয়েছে। এর প্রভাবে দেশের বিভিন্ন স্থানে আবহাওয়ার পরিবর্তন দেখা দিতে পারে।

    বর্তমানে মাদারীপুর, লক্ষ্মীপুর, রাজশাহী ও পাবনা জেলাসহ খুলনা বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। তবে একই সময়ে দেশের উত্তরাঞ্চল ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

    প্রথম দিনের পূর্বাভাস

    ১৬ মে সন্ধ্যা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া ঢাকা, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু এলাকায় অস্থায়ী ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। ময়মনসিংহ ও সিলেটের কোথাও কোথাও ভারী বর্ষণের আশঙ্কাও রয়েছে।

    দ্বিতীয় দিনের পরিস্থিতি

    ১৭ মে দেশের ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগে বৃষ্টির প্রবণতা আরও বাড়তে পারে। রংপুর ও ঢাকার কিছু এলাকাতেও বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, এ সময় দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে।

    তৃতীয় দিনের পূর্বাভাস

    ১৮ মে পর্যন্ত উত্তরাঞ্চলের কয়েকটি বিভাগে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে। বিশেষ করে ময়মনসিংহ ও সিলেট অঞ্চলে মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে। একই সময়ে দেশের অন্যান্য বিভাগেও বিচ্ছিন্নভাবে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে।

    চতুর্থ দিনের আবহাওয়া

    ১৯ মে রংপুর, ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগের বিভিন্ন স্থানে বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সিলেট বিভাগের কিছু এলাকায় ভারী বর্ষণ হতে পারে। এদিন দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমে আসতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

    পঞ্চম দিনের পূর্বাভাস

    ২০ মে ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক এলাকায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া রংপুর, রাজশাহী ও চট্টগ্রামের কিছু এলাকায় বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। একইসঙ্গে ভারী বর্ষণের আশঙ্কাও রয়েছে কয়েকটি অঞ্চলে। এ সময় দেশের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।

    আবহাওয়া অধিদপ্তরের বর্ধিত পাঁচ দিনের পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, দেশের উত্তরাঞ্চলে বৃষ্টিপাতের এই প্রবণতা আগামী দিনগুলোতেও অব্যাহত থাকতে পারে। ফলে সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে জলাবদ্ধতা ও স্থানীয়ভাবে ঝোড়ো হাওয়ার ঝুঁকি থাকতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।

  • টানা বৃষ্টির সতর্কতা, চার বিভাগে ভারী বর্ষণ

    টানা বৃষ্টির সতর্কতা, চার বিভাগে ভারী বর্ষণ

    এবিএনএ: দেশের আবহাওয়ায় বড় ধরনের পরিবর্তনের পূর্বাভাস দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও আশপাশের এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপটি আরও শক্তিশালী হওয়ার সম্ভাবনা থাকায় দেশের কয়েকটি বিভাগে টানা ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

    বিশেষ করে রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগে আগামী কয়েকদিন ধরে ভারী বর্ষণের আশঙ্কা রয়েছে। একই সঙ্গে বজ্রপাত ও দমকা হাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে বলে সতর্ক করা হয়েছে।

    বুধবার (১৩ মে) আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ খো. হাফিজুর রহমান স্বাক্ষরিত পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানানো হয়।

    কোথায় বেশি বৃষ্টি হতে পারে

    আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু এলাকায় এবং খুলনা ও বরিশালের দু-এক জায়গায়ও বৃষ্টি হতে পারে।

    এ সময় দেশের কয়েকটি অঞ্চলে মাঝারি থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। একই সঙ্গে ঝড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোর আশঙ্কাও রয়েছে।

    পাঁচদিনজুড়ে থাকতে পারে বৃষ্টির প্রবণতা

    আবহাওয়া বিভাগ বলছে, বৃহস্পতিবার থেকে শনিবার পর্যন্ত রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগে বৃষ্টির প্রবণতা আরও বাড়তে পারে। কোথাও কোথাও অতি ভারী বর্ষণের সম্ভাবনাও রয়েছে।

    এ সময় দেশের অন্যান্য বিভাগেও বিচ্ছিন্নভাবে বৃষ্টি হতে পারে। তবে ঢাকা ও চট্টগ্রামে তুলনামূলক কম বৃষ্টি হলেও তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।

    রোববার পর্যন্ত পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, উত্তরাঞ্চল ও সিলেট অঞ্চলে ভারী বর্ষণ অব্যাহত থাকতে পারে। অন্যদিকে দেশের কিছু এলাকায় আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া অপেক্ষাকৃত শুষ্ক থাকতে পারে।

    তাপমাত্রায় পরিবর্তনের ইঙ্গিত

    আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, বৃষ্টিপ্রবণ এলাকায় দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে। তবে দেশের অন্যান্য অঞ্চলে তাপমাত্রা কিছুটা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, লঘুচাপটি আরও ঘনীভূত হলে দেশের বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা ও স্বাভাবিক জনজীবনে বিঘ্ন ঘটতে পারে। তাই প্রয়োজন ছাড়া ঝড়-বৃষ্টির সময় বাইরে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

    এদিকে কৃষি সংশ্লিষ্টদেরও আবহাওয়ার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

  • ফাল্গুনে হঠাৎ বৃষ্টির ইঙ্গিত! তিন বিভাগ ভিজতে পারে—গরমের দাপট কবে শুরু?

    ফাল্গুনে হঠাৎ বৃষ্টির ইঙ্গিত! তিন বিভাগ ভিজতে পারে—গরমের দাপট কবে শুরু?

    এবিএনএ: ফাল্গুনের মাঝামাঝি এসে আবহাওয়ার আচরণে হঠাৎ পরিবর্তনের আভাস মিলছে। বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপের বর্ধিতাংশের প্রভাবে দেশের তিন বিভাগে সাময়িক বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর। একই সঙ্গে তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বাড়ার ইঙ্গিত থাকায় বসন্তের শেষদিকে গরমের দাপট শুরু হওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

    পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টায় খুলনা, বরিশাল ও ঢাকা বিভাগের দু-এক জায়গায় হালকা বৃষ্টি কিংবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। অন্যত্র আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকলেও আকাশ সাময়িকভাবে আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। পশ্চিমবঙ্গ ও আশপাশের এলাকায় লঘুচাপের প্রভাব থাকায় এ অঞ্চলে বৃষ্টির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

    তাপমাত্রা নিয়ে জানানো হয়েছে, আজ রাত ও দিনের তাপমাত্রা সারা দেশে সামান্য বাড়তে পারে। তবে পরদিন রাতের তাপমাত্রা কিছুটা কমার আভাস রয়েছে। এ ধরনের ওঠানামায় সর্দি-কাশি, জ্বরসহ মৌসুমি অসুস্থতা বাড়তে পারে বলে সতর্ক করছেন বিশেষজ্ঞরা।

    সন্ধ্যায় ঢাকায় বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা মাঝামাঝি পর্যায়ে ছিল এবং পশ্চিম/উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে মাঝারি গতিতে বাতাস প্রবাহিত হয়েছে। আবহাওয়াবিদদের মতে, লঘুচাপটি উত্তর-পূর্ব দিকে সরে গিয়ে ধীরে ধীরে দুর্বল হতে পারে। তবে এর রেশ ধরে আগামী কয়েক দিনে তাপমাত্রা আরও বাড়ার ইঙ্গিত মিলছে—যা আসন্ন গ্রীষ্মের আগাম বার্তা হিসেবেও দেখা হচ্ছে।

  • বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ ঘনীভূত হওয়ার আভাস, বাড়তে পারে বৃষ্টিপাত

    বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ ঘনীভূত হওয়ার আভাস, বাড়তে পারে বৃষ্টিপাত

    এবিএনএ: উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন উড়িষ্যা উপকূলে অবস্থানরত লঘুচাপটি ধীরে ধীরে ঘনীভূত হচ্ছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। বুধবার সন্ধ্যায় প্রকাশিত সর্বশেষ আবহাওয়া পূর্বাভাসে বলা হয়, আগামী পাঁচ দিনে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টিপাত ও দমকা হাওয়ার প্রবণতা বাড়বে।

    আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্যমতে, আজ বুধবার সন্ধ্যা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেটের কিছু এলাকায় দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। রংপুর, ময়মনসিংহ, ঢাকা ও রাজশাহীর কয়েকটি স্থানে বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টি হতে পারে। এ সময় সারাদেশে কোথাও কোথাও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে।

    বৃহস্পতিবার থেকে ধীরে ধীরে বৃষ্টিপাত আরও বিস্তৃত হতে পারে। শুক্রবার সন্ধ্যার পর থেকে খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেটের বহু স্থানে এবং রংপুর, ঢাকা, রাজশাহী ও ময়মনসিংহের কিছু জায়গায় ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণের আশঙ্কা করা হচ্ছে। একইসঙ্গে দেশের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত কমতে পারে।

    শনিবার ও রবিবারও দেশের বেশিরভাগ অঞ্চলে বৃষ্টি চলবে বলে পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে বিশেষ করে রংপুর, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের মাত্রা তুলনামূলক বেশি হতে পারে।

    আবহাওয়া অফিস আরও জানিয়েছে, আগামী পাঁচ দিনের শেষ দিকে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা আরও বাড়তে পারে, যা সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবন ও কৃষি কার্যক্রমে প্রভাব ফেলবে।

  • বঙ্গোপসাগরে সুষ্পষ্ট লঘুচাপ, ছয় বিভাগে ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা

    বঙ্গোপসাগরে সুষ্পষ্ট লঘুচাপ, ছয় বিভাগে ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা

    এবিএনএ:  বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপটি ধীরে ধীরে ঘনীভূত হয়ে সুষ্পষ্ট লঘুচাপে রূপ নিয়েছে। এর প্রভাবে দেশের ছয়টি বিভাগে ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে অন্যত্রও হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

    সোমবার (১৮ আগস্ট) দুপুরে দেওয়া পূর্বাভাসে আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবির জানান, পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও সংলগ্ন উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত লঘুচাপটি আরও সক্রিয় হয়েছে। এটি বর্তমানে উত্তর অন্ধ্র-দক্ষিণ উড়িষ্যা উপকূলের নিকটে অবস্থান করছে। পাশাপাশি মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে প্রবল অবস্থায় রয়েছে।

    মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) সকাল পর্যন্ত দেওয়া পূর্বাভাস অনুযায়ী, রংপুর, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেটের বিভিন্ন স্থানে ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া রাজশাহী ও ঢাকা বিভাগের কিছু এলাকায়ও দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। সারাদেশে তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

    পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, দেশের আটটি বিভাগেই বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টির প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। এর মধ্যে কিছু এলাকায় মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতিভারী বর্ষণ হতে পারে।

    অন্যদিকে, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার উপকূলে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। এ কারণে সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের নদীবন্দরগুলোকে এক নম্বর সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

  • সাগরে ৩ নম্বর সংকেত, দেশে আসছে নিয়মিত বৃষ্টির আভাস

    সাগরে ৩ নম্বর সংকেত, দেশে আসছে নিয়মিত বৃষ্টির আভাস

    এবিএনএ: বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে সাগরে সৃষ্ট লঘুচাপের কারণে দেশের চারটি সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত জারি করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি খুলনা, বরিশাল, নোয়াখালীসহ নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

    আবহাওয়াবিদ মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক জানান, লঘুচাপের কারণে উপকূলীয় এলাকায় ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে এবং বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বাড়তে পারে। এর ফলে আগামী এক সপ্তাহ দেশের বিভিন্ন স্থানে থেমে থেমে বৃষ্টি হতে পারে।

    আবহাওয়া অধিদপ্তরের জুলাই মাসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, চলতি মাসে দেশে ১ থেকে ৩টি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে, যার মধ্যে অন্তত একটি মৌসুমি নিম্নচাপে রূপ নিতে পারে। এছাড়া এক থেকে দুটি মৃদু তাপপ্রবাহও বয়ে যেতে পারে।

    তবে এর মধ্যে আশার খবর হলো—এই মাসে সারাদেশে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

    অন্যদিকে, জুন মাসে দেশে গড় বৃষ্টিপাত হয়েছে স্বাভাবিকের তুলনায় প্রায় ১৯.৩ শতাংশ কম। সবচেয়ে কম বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে সিলেট বিভাগে, যেখানে স্বাভাবিকের তুলনায় প্রায় ৪৯ শতাংশ কম বৃষ্টি হয়েছে। ঢাকাতেও কমেছে ৩৩ শতাংশ বৃষ্টিপাত। খুলনা ও বরিশাল বিভাগ ছাড়া বাকি ছয়টি বিভাগেই বৃষ্টির পরিমাণ স্বাভাবিকের নিচে ছিল।

    আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আষাঢ় মাসে এমন কম বৃষ্টিপাত জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবের অংশ হতে পারে। তবে জুলাই মাসে স্বাভাবিক বর্ষণ আবার ফিরে আসবে বলেই পূর্বাভাস।

    এদিকে মৎস্যজীবী ও উপকূলবর্তী বাসিন্দাদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে এবং সমুদ্রগামী নৌযানগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত গভীর সাগরে বিচরণ না করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

    সাধারণ জনগণকে প্রয়োজনীয় সাবধানতা অবলম্বনের পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার পরামর্শ দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

  • বঙ্গোপসাগরে সুস্পষ্ট লঘুচাপ: সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত, ভারি বৃষ্টির পূর্বাভাস

    বঙ্গোপসাগরে সুস্পষ্ট লঘুচাপ: সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত, ভারি বৃষ্টির পূর্বাভাস

    এবিএনএ, ঢাকা:

    বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট সুস্পষ্ট লঘুচাপটি ঘনীভূত হয়ে নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে, যা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ঝোড়ো হাওয়া ও ভারি বৃষ্টির আশঙ্কা তৈরি করেছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর ইতিমধ্যে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলেছে।

    এই নিম্নচাপের প্রভাবে ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় ভারি থেকে অতি ভারি বৃষ্টি হতে পারে। চট্টগ্রাম, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবন ও কক্সবাজার জেলার পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধসের আশঙ্কা রয়েছে।

    আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, উত্তর–পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও কাছাকাছি এলাকায় লঘুচাপটি সৃষ্টি হয়েছে এবং এটি ঘনীভূত হতে পারে। এর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

    ভারি বৃষ্টির কারণে দেশের উত্তর, উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও পূর্বাঞ্চলের চার বিভাগের নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে বলে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে। বিশেষ করে ফেনী জেলার মুহুরী নদী, সিলেটের সারিগোয়াইন, সুনামগঞ্জের যাদুকাটা, হবিগঞ্জের খোয়াই ও নেত্রকোনা জেলার সোমেশ্বরী নদীর পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি প্রবাহিত হতে পারে।

    আবহাওয়া অধিদপ্তর জনগণকে সতর্ক করে বলেছে, ভারি বৃষ্টির কারণে ঢাকা ও চট্টগ্রাম শহরে অস্থায়ীভাবে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হতে পারে। সুতরাং, উপকূলীয় অঞ্চলের বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে অবস্থান করতে এবং সমুদ্রপথে চলাচলকারী সকলকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

    আবহাওয়া পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে পরবর্তী নির্দেশনা দেওয়া হবে। জনগণকে আবহাওয়া অধিদপ্তরের নির্দেশনা অনুসরণ করতে এবং প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিতে অনুরোধ করা হচ্ছে।