Tag: রিশাদ হোসেন

  • রিশাদের নিয়ন্ত্রিত স্পেলে ঘুরে দাঁড়াল হোবার্ট, রেনেগেডসকে উড়িয়ে শীর্ষে হারিকেনস

    রিশাদের নিয়ন্ত্রিত স্পেলে ঘুরে দাঁড়াল হোবার্ট, রেনেগেডসকে উড়িয়ে শীর্ষে হারিকেনস

    এবিএনএ: বিগ ব্যাশ লিগে আবারও জয়ের পথে ফিরেছে হোবার্ট হারিকেনস। মেলবোর্ন রেনেগেডসকে ৭ উইকেটে পরাজিত করে টুর্নামেন্টের পয়েন্ট তালিকায় শীর্ষস্থান দখল করেছে দলটি। এই জয়ে বল হাতে বড় ভূমিকা রাখেন বাংলাদেশের লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেন, যিনি নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে প্রতিপক্ষের রান গতি আটকে দেন।

    ভিক্টোরিয়ায় অনুষ্ঠিত ম্যাচে টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় মেলবোর্ন রেনেগেডস। তবে হোবার্টের বোলিং আক্রমণের সামনে তারা সুবিধা করতে পারেনি। পেসার ক্রিস জর্ডান ও রিশাদের আঁটসাঁট বোলিংয়ে ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে দলটি সংগ্রহ করে ১৪৫ রান। রেনেগেডসের হয়ে টিম সেইফার্ট সর্বোচ্চ ৩৪ এবং মোহাম্মদ রিজওয়ান ৩২ রান করেন।

    হোবার্টের হয়ে ক্রিস জর্ডান দুর্দান্ত বোলিং করে ৪ ওভারে মাত্র ১৯ রান দিয়ে ৪টি উইকেট তুলে নেন। অন্যদিকে রিশাদ হোসেন ৪ ওভারে ২১ রান খরচ করে ১টি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট নেন। তার ইকোনমি রেট ছিল মাত্র ৫.২৫। নিজের প্রথম তিন ওভারে তিনি দেন মাত্র ১০ রান, শেষ ওভারে তুলে নেন প্রতিপক্ষের একটি মূল্যবান উইকেট।

    ১৪৬ রানের লক্ষ্য তাড়ায় নেমে নিখিল চৌধুরির বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে খুব সহজেই জয় নিশ্চিত করে হোবার্ট হারিকেনস। ৩৮ বলে ৭টি চার ও ৪টি ছক্কার সাহায্যে ৭৯ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন নিখিল। হাতে থাকা ৩৭ বল রেখে ম্যাচ শেষ করে দলটি।

    এই জয়ের ফলে ৩ ম্যাচে ৪ পয়েন্ট নিয়ে বিগ ব্যাশ লিগের পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে অবস্থান করছে রিশাদ হোসেনের দল হোবার্ট হারিকেনস।

  • চট্টগ্রামে ধস, হোয়াইটওয়াশের লজ্জা এড়াতে ব্যর্থ বাংলাদেশ

    চট্টগ্রামে ধস, হোয়াইটওয়াশের লজ্জা এড়াতে ব্যর্থ বাংলাদেশ

    এবিএনএ:  চট্টগ্রামের মাটিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে হোয়াইটওয়াশের লজ্জা এড়াতে পারল না বাংলাদেশ। সিরিজের শেষ ম্যাচে ৫ উইকেটের ব্যবধানে হার মেনে নিতে হয়েছে লাল-সবুজের দলকে।

    প্রথমে ব্যাট করে বাংলাদেশ ২০ ওভারে সবকটি উইকেট হারিয়ে তোলে ১৫১ রান। ব্যাট হাতে একাই লড়েছেন ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম। তার ঝড়ো ৮৯ রানের ইনিংস দলকে লড়াইয়ে রাখলেও অন্য প্রান্তে ব্যর্থ ছিলেন সবাই। সাইফ হাসান ২৩ রান করলেও বাকিদের ব্যাট ছিল নীরব।

    জবাবে রোস্টন চেজ (৫৭) ও আকিম অগাস্তে (অপরাজিত ৫২) সহজেই দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন ১৬.৫ ওভারে। ব্যাটিং-বোলিং দুই বিভাগেই সম্পূর্ণ আধিপত্য ছিল সফরকারীদের।

    বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে সফল বোলার ছিলেন লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেন। তিনি ৪ ওভারে ৪৩ রান খরচায় নেন ৩টি উইকেট। কিন্তু তার লড়াইও জয়ের মুখ দেখাতে পারেনি দলকে।

    ইনিংসের শুরু থেকেই ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ। পারভেজ ইমন দ্রুত আউট হয়ে ফিরলে চাপ বাড়ে ওপরে। অধিনায়ক লিটন দাসও ব্যর্থ—৯ বলে ৬ রান করে সাজঘরে ফেরেন। এরপর তানজিদ ও সাইফের ৬৩ রানের জুটি কিছুটা আশার আলো দেখালেও, মাঝ ও শেষের ব্যাটারদের ধারাবাহিক ব্যর্থতায় ইনিংস ভেঙে পড়ে।

    একপ্রান্তে অবিচল তানজিদ তুলে নেন তার ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা ইনিংস। ৩৬ বলে ফিফটি পূর্ণ করার পথে তিনি টি-টোয়েন্টিতে দ্রুততম ১০০০ রান পূর্ণ করেন মাত্র ৪২ ইনিংসে। সেঞ্চুরির দোরগোড়ায় গিয়ে ৮৯ রানে আউট হন রোমারিও শেফার্ডের বলে।

    শেষদিকে শরিফুল, রিশাদ, সোহান ও নাসুমের দ্রুত বিদায়ে বড় স্কোর গড়া সম্ভব হয়নি। তাসকিন আহমেদের শেষ ওভারে একটি ছক্কায় স্কোর ১৫১ রানে থামে।

    বোলিংয়ে আলো ছড়ান ওয়েস্ট ইন্ডিজের রোমারিও শেফার্ড। তিনি হ্যাটট্রিকসহ ৩ উইকেট নেন এবং টি-টোয়েন্টিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ইতিহাসে দ্বিতীয় হ্যাটট্রিক বোলার হিসেবে নাম লেখান। এছাড়া পিয়েরে ও হোল্ডার নেন ২টি করে উইকেট, আকিল হোসেন ও রোস্টন চেজ নেন ১টি করে।

    বাংলাদেশের জন্য এই হার কেবল আরেকটি পরাজয় নয়, বরং ধারাবাহিক ব্যাটিং ব্যর্থতার প্রতিফলন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজে লড়াই করেও জয় পাওয়া সম্ভব হয়নি—তানজিদের একার প্রচেষ্টা যেন হারিয়ে গেছে দলের ভুলে ভরা পারফরম্যান্সে।

  • রিশাদের জাদুকরী ঘূর্ণিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজ বিধ্বস্ত, দারুণ জয়ে বাংলাদেশ

    রিশাদের জাদুকরী ঘূর্ণিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজ বিধ্বস্ত, দারুণ জয়ে বাংলাদেশ

    এবিএনএ:  মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেনের ঘূর্ণিতে বিধ্বস্ত হয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। বাংলাদেশের তুলনামূলক স্বল্প রানের ২০৭ রানের সংগ্রহও শেষ পর্যন্ত বড় ব্যবধানের জয়ে পরিণত হয়। রিশাদের অসাধারণ বোলিংয়ে ৭৪ রানের বিশাল জয় তুলে নিয়েছে টাইগাররা।

    বাংলাদেশের হয়ে ক্যারিয়ার সেরা বোলিং করেছেন রিশাদ হোসেন। তিনি ৯ ওভারে ৩৫ রান খরচে তুলে নেন ৬টি উইকেট—যা বাংলাদেশের ওয়ানডে ইতিহাসে তৃতীয় সেরা বোলিং ফিগার। তার আগে মাশরাফি বিন মর্তুজা ও রুবেল হোসেন ছয় উইকেট নেওয়ার কৃতিত্ব দেখিয়েছিলেন যথাক্রমে ২০০৬ ও ২০১৩ সালে।

    শনিবার টস হেরে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশের শুরুটা ছিল দুঃস্বপ্নের মতো। ইনিংসের শুরুতেই দুই ওপেনার সাইফ হাসান ও সৌম্য সরকার ফিরলে চাপে পড়ে দল। তবে নাজমুল হোসেন শান্ত ও তাওহীদ হৃদয়ের ৭১ রানের জুটি কিছুটা স্থিতি আনে। শান্ত ৬৩ বলে ৩২ রান ও হৃদয় ৯০ বলে ৫১ রানের ধীর ইনিংস খেলেন।

    অভিষিক্ত মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন ৭৬ বলে ৪৬ রান করে দলের রান দুইশ’র ঘরে তোলেন। ইনিংসের শেষ দিকে রিশাদ হোসেন ব্যাট হাতে ঝড় তোলেন—মাত্র ১৩ বলে ২৬ রান করে ইনিংসে প্রাণ সঞ্চার করেন। ফলে দুই বল বাকি থাকতেই বাংলাদেশ অলআউট হয় ২০৭ রানে।

    জবাবে ব্যাটিংয়ে নামা ওয়েস্ট ইন্ডিজের শুরুটা ছিল ভালোই। তবে রিশাদের স্পিন জাদুতে মাত্র ৯২ রানেই পাঁচ ব্যাটার সাজঘরে ফেরেন। তিনি একে একে ব্রেন্ডন কিং, কেসি কার্টি, শেরফান রাদারফোর্ডসহ শীর্ষ ব্যাটারদের বিদায় করেন। কিং সর্বোচ্চ ৪৪ রান করলেও অন্যরা ছিলেন পুরোপুরি অসহায়।

    মেহেদী হাসান মিরাজ, তানভীর ইসলাম ও মুস্তাফিজুর রহমান একে একে শেষ দিকের উইকেটগুলো তুলে নিলে ১৩৯ রানে গুটিয়ে যায় ক্যারিবীয়রা। দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের সুবাদে ম্যাচসেরা নির্বাচিত হন রিশাদ হোসেন।

  • এশিয়া কাপে ভারতের ঝড়ো ব্যাটিং, বাংলাদেশকে দিল ১৬৯ রানের টার্গেট

    এশিয়া কাপে ভারতের ঝড়ো ব্যাটিং, বাংলাদেশকে দিল ১৬৯ রানের টার্গেট

    এবিএনএ: এশিয়া কাপের সুপার ফোরে বাংলাদেশকে ১৬৯ রানের লক্ষ্য দিয়েছে ভারত। বুধবার দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ভারতীয়রা তোলে ১৬৮ রান।

    টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ছিল সতর্ক। প্রথম তিন ওভারে মাত্র ১৭ রান তুলতে পেরেছিল ভারত। তবে এরপরই বদলে যায় চিত্র। পাওয়ার প্লের শেষ দিকে অভিষেক শর্মা ও শুবমান গিলের ব্যাটে ভারতীয় ইনিংস দ্রুত বড় হতে থাকে। প্রথম ছয় ওভার শেষে ভারতের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৭২ রান, কোনো উইকেট ছাড়াই।

    বাংলাদেশ প্রথম সাফল্য পায় সপ্তম ওভারে। লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেন ফিরিয়ে দেন শুবমান গিলকে (১৯ বলে ২৯)। নবম ওভারে তিনি ফেরান শিবম দুবেকে, যিনি করেন মাত্র ২ রান।

    তবে অপরপ্রান্তে ছিলেন অভিষেক শর্মা। দুর্দান্ত ব্যাটিং করে ৩৭ বলে তুলে নেন ৭৫ রান। শেষ পর্যন্ত মুস্তাফিজুর রহমানের থ্রোতে রান আউটে কাটা পড়েন তিনি।

    ভারত অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদবও বেশি দূর যেতে পারেননি। ১১ বলে ৫ রান করে মুস্তাফিজের বলেই ক্যাচ দেন। একই পথে হেঁটেছেন তিলক ভার্মা (৭ বলে ৫)।

    হার্দিক পান্ডিয়া ইনিংসের শেষ পর্যন্ত দৃঢ় ছিলেন। শেষ বলে আউট হওয়ার আগে ২৯ বলে করেছেন ৩৮ রান। তার সঙ্গে অপরাজিত ছিলেন অক্ষর প্যাটেল, করেছেন ১০ রান।

    বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে সফল বোলার রিশাদ হোসেন, তিনি নিয়েছেন ২৭ রানে ২ উইকেট। এছাড়া একটি করে উইকেট শিকার করেছেন মুস্তাফিজুর রহমান, তানজিম সাকিব ও মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন।

  • এশিয়া কাপে দুর্দান্ত শুরু: হংকংকে প্রথম আঘাত দিলেন তাসকিন

    এশিয়া কাপে দুর্দান্ত শুরু: হংকংকে প্রথম আঘাত দিলেন তাসকিন

    এবিএনএ:  এশিয়া কাপের টি-২০ আসরে দারুণ সূচনা করেছে বাংলাদেশ। হংকংয়ের বিপক্ষে নিজেদের প্রথম ম্যাচে টস জিতে বোলিং নেয় লিটন দাসের দল। সেই সিদ্ধান্তকে সঠিক প্রমাণ করে ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই সাফল্য এনে দেন পেসার তাসকিন আহমেদ। তিনি আউট করেন হংকং ওপেনার আংশুমান রাঠকে, যিনি মাত্র ৪ রান যোগ করতে সক্ষম হন।

    দুই ওভার শেষে হংকংয়ের সংগ্রহ ১৩ রান, হাতে ১ উইকেট গেছে। ক্রিজে আছেন জিসান আলী ও বাবর হায়াত।

    টস জয়ের পর লিটন দাস জানান, উইকেটের আচরণ পরিষ্কার না হওয়ায় শুরুতে বোলিং নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তারা। একাদশে তিন পেসার—তাসকিন আহমেদ, মুস্তাফিজুর রহমান ও তানজিম সাকিব এবং স্পিন বিভাগে রয়েছেন রিশাদ হোসেন ও অলরাউন্ডার শেখ মাহেদী।

    বাংলাদেশ একাদশে আছেন পারভেজ ইমন, তানজিদ তামিম, লিটন দাস, তাওহীদ হৃদয়, শামীম পাটোয়ারি, জাকের আলী, শেখ মাহেদী, রিশাদ হোসেন, তানজিম সাকিব, তাসকিন আহমেদ ও মুস্তাফিজুর রহমান।

    অন্যদিকে, হংকং একাদশে খেলছেন জিসান আলী, আংশুমান রাঠ, বাবর হায়াত, নিজাকাত খান, কালহান ছাল্লু, কিঞ্চিত শাহ, ইয়াসিম মর্তুজা, আইজাজ খান, এসান খান, আয়ূশ শুকলা ও আতিক ইকবাল।

  • লঙ্কানদের ধ্বংস করে দুর্দান্ত জয়, সমতায় ফিরল বাংলাদেশ টি-২০ সিরিজে!

    লঙ্কানদের ধ্বংস করে দুর্দান্ত জয়, সমতায় ফিরল বাংলাদেশ টি-২০ সিরিজে!

    এবিএনএ: ডাম্বুলার রাঙগিরি আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে শনিবার সিরিজের দ্বিতীয় টি-২০ ম্যাচে শ্রীলঙ্কাকে একেবারে গুড়িয়ে দিয়ে দুর্দান্ত জয় তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ। প্রথম ম্যাচে হারের ধাক্কা ভুলে লঙ্কানদের ৯৪ রানে গুটিয়ে দিয়ে ৮৩ রানের বিশাল ব্যবধানে জয় তুলে নেয় টাইগাররা। এর ফলে তিন ম্যাচের সিরিজে ১-১ সমতায় ফিরেছে সফরকারীরা।

    টস হেরে আগে ব্যাট করতে নামে বাংলাদেশ। শুরুটা হতাশাজনক হলেও, লিটন দাস ও তাওহীদ হৃদয়ের দায়িত্বশীল জুটিতে ঘুরে দাঁড়ায় দল। উদ্বোধনী দুই ব্যাটার পারভেজ ইমন (০) ও তানজিদ তামিম (৫) দ্রুত আউট হলেও, তৃতীয় উইকেটে ৬৯ রানের জুটি গড়েন লিটন-হৃদয়। হৃদয় ২৫ বলে করেন ৩১ রান, যার মধ্যে ছিল দুটি চার ও একটি ছক্কা।

    অফ ফর্ম কাটিয়ে ফিরে আসা লিটন দাস তুলে নেন ঝকঝকে এক অর্ধশতক। তার ৫০ বলে ৭৬ রানের ইনিংসে ছিল পাঁচটি ছক্কা ও একটি চার। অপরদিকে শামীম হোসেনের ব্যাট থেকে আসে ২৭ বলে ৪৮ রান, যার মধ্যে পাঁচটি ছক্কা ও দুটি চার ছিল। এই দুই ইনিংসেই বড় সংগ্রহ পায় বাংলাদেশ, স্কোর দাঁড়ায় ১৭৮ রান।

    লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে স্বাগতিক শ্রীলঙ্কা। মাত্র ৩০ রানের মধ্যেই চার উইকেট হারায় দলটি। ওপেনার কুশল মেন্ডিস (৮) রানআউট হন। কুশল পেরেরা (০), আভিস্কা ফার্নান্দো (২) ও আশালঙ্কা (৫) দ্রুত সাজঘরে ফেরেন।

    তবুও একমাত্র ওপেনার নিশাঙ্কা কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন। তবে রিশাদ হোসেনের ঘূর্ণিতে তিনিও ফেরেন ২৯ বলে ৩২ রান করে। এরপর দাশুন শানাকার ২০ রানের ইনিংসটি ছিল লঙ্কানদের শেষ প্রতিরোধ।

    বাংলাদেশি বোলারদের দাপটে শতরানও ছুঁতে পারেনি শ্রীলঙ্কা। শরিফুল ইসলাম মাত্র ১২ রান খরচায় দুই উইকেট নেন, রিশাদ হোসেন ৩.২ ওভারে ১৮ রানে ৩ উইকেট, সাইফউদ্দিন ২১ রানে ২ উইকেট তুলে নেন। মুস্তাফিজ ও মেহেদী হাসান মিরাজও একটি করে উইকেট দখল করেন।

    তৃতীয় ও সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে ১৬ জুলাই, একই ভেন্যুতে।

  • জ্বরে ছিটকে পড়তে পারেন রিশাদ, তানভীরের অভিষেকের সুযোগ প্রথম ওয়ানডেতেই?

    জ্বরে ছিটকে পড়তে পারেন রিশাদ, তানভীরের অভিষেকের সুযোগ প্রথম ওয়ানডেতেই?

    এবিএনএ:  শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজের প্রথম ওয়ানডে ম্যাচ শুরু হওয়ার আগেই দুশ্চিন্তার মুখে পড়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেন হঠাৎ জ্বরে আক্রান্ত হয়ে ম্যাচের একাদশ থেকে ছিটকে পড়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

    সূত্র জানায়, অতিরিক্ত গরম ও আর্দ্র আবহাওয়ার কারণে রিশাদ হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। আগের দিন দুপুর পর্যন্ত অনুশীলনে থাকলেও হোটেলে ফেরার পর থেকেই শরীর খারাপ অনুভব করেন তিনি। বর্তমানে তাকে বিশ্রামে রাখা হয়েছে এবং দলের সঙ্গে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতেও তিনি ছিলেন না।

    রিশাদের শারীরিক অবস্থা ম্যাচের দিন সকালে চূড়ান্তভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে। তবে অবস্থার উন্নতি না হলে তাকে ছাড়াই শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে মাঠে নামতে হবে বাংলাদেশকে। এই পরিস্থিতিতে একাদশে তার পরিবর্তে সুযোগ পেতে পারেন বাঁহাতি স্পিনার তানভীর ইসলাম

    🔺 বাংলাদেশ ওয়ানডে দল (প্রথম ম্যাচের জন্য সম্ভাব্য স্কোয়াড):

    • মেহেদী হাসান মিরাজ (অধিনায়ক)

    • তানজিদ হাসান তামিম

    • পারভেজ হোসেন ইমন

    • নাঈম শেখ

    • নাজমুল হোসেন শান্ত

    • তাওহীদ হৃদয়

    • লিটন দাস

    • জাকের আলি অনিক

    • শামীম হোসেন পাটোয়ারী

    • রিশাদ হোসেন

    • তানভীর ইসলাম

    • মুস্তাফিজুর রহমান

    • তানজিম হাসান সাকিব

    • তাসকিন আহমেদ

    • নাহিদ রানা

    • হাসান মাহমুদ

    বাংলাদেশ দলের সামনে এই হঠাৎ পরিবর্তন একপ্রকার কৌশলগত পরীক্ষাও হতে পারে। এখন দেখা যাক, তানভীর ইসলাম সুযোগ পেলে কেমন পারফর্ম করেন প্রথম ওয়ানডেতেই।

  • নাহিদ রানা যাচ্ছেন না পাকিস্তান সফরে – শেষ মুহূর্তে চমক ক্রিকেট দলে

    নাহিদ রানা যাচ্ছেন না পাকিস্তান সফরে – শেষ মুহূর্তে চমক ক্রিকেট দলে

    এবিএনএ: 

    আসন্ন পাকিস্তান সফরের জন্য ঘোষিত তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে স্কোয়াডে থাকলেও, শেষ মুহূর্তে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছেন বাংলাদেশ দলের উদীয়মান পেসার নাহিদ রানা। নিরাপত্তা সংশয়ের কারণে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি—এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের চেয়ারম্যান নাজমূল আবেদীন ফাহিম।

    নাহিদের পাশাপাশি, দলের ফিল্ডিং কোচ জেমস প্যামেন্ট ও টিম ট্রেনারও পাকিস্তানে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। অন্যদিকে, বর্তমানে আইপিএলে খেলা মোস্তাফিজুর রহমান দলীয় সফরে অংশ নেবেন বলে নিশ্চিত করা হয়েছে।

    এর আগে, পাকিস্তান সুপার লিগ (পিএসএল) চলাকালে পেশোয়ার জালমির হয়ে খেলার সময় পাকিস্তানেই অবস্থান করছিলেন নাহিদ। একই সময় লাহোর কালান্দার্সের হয়ে খেলছিলেন রিশাদ হোসেনও। কিন্তু সীমান্ত উত্তেজনা ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ফলে টুর্নামেন্টটি স্থগিত হয়ে গেলে, উভয় খেলোয়াড়কে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনা হয়।

    এ বিষয়ে ফাহিম বলেন,

    “পাকিস্তানে নাহিদের অভিজ্ঞতা খুব একটা স্বস্তিদায়ক ছিল না। সম্ভবত সেই কারণেই সে সরে দাঁড়িয়েছে। তার মধ্যে মানসিক অস্থিরতা রয়েছে।”

    তিনি আরও জানান,

    “প্যামেন্ট ও ট্রেনারও একই পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি চান না। তবে পাকিস্তান সর্বোচ্চ নিরাপত্তা দিচ্ছে এবং বাংলাদেশের পক্ষ থেকেও একটি পর্যবেক্ষণ দল পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করবে।”

    অন্যদিকে, রিশাদ হোসেন পাকিস্তানে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন দলের স্বার্থে, যদিও তিনিও একই রকম পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছেন পিএসএল চলাকালে।

    বোলিং বিভাগ নিয়ে কিছুটা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ফাহিম।

    “ব্যাটিং দারুণ হচ্ছে। তবে বোলিং নিয়ে এখনো কিছু কাজ করতে হবে। আশা করছি ভালো একটা সিরিজ হবে।”

    উল্লেখ্য, পাকিস্তান সফরের সূচি অনুযায়ী প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে ২৮ মে, এরপর ৩০ মে ও ১ জুন দ্বিতীয় ও তৃতীয় ম্যাচ। তিনটি ম্যাচই লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে রাত ৯টায় শুরু হবে (বাংলাদেশ সময়)।