Tag: রিয়াল মাদ্রিদ

  • শেষ নিশ্বাসে এমবাপের পেনাল্টি! নাটকীয় জয়ে রায়োকে হারিয়ে পয়েন্টের লড়াইয়ে ফিরল রিয়াল

    শেষ নিশ্বাসে এমবাপের পেনাল্টি! নাটকীয় জয়ে রায়োকে হারিয়ে পয়েন্টের লড়াইয়ে ফিরল রিয়াল

    এবিএনএ: ম্যাচ প্রায় শেষ। নির্ধারিত সময় পেরিয়ে চলছে যোগ করা মিনিট। যে কোনো মুহূর্তে শেষ বাঁশি বাজতে পারে—ঠিক তখনই নাটকীয় মোড় নেয় সান্তিয়াগো বার্ন্যাবুর লড়াই। পেনাল্টি পায় রিয়াল মাদ্রিদ, আর স্পট কিকে কোনো ভুল না করে দলকে জয় এনে দেন ফরাসি সুপারস্টার কিলিয়ান এমবাপে। শেষ মুহূর্তের এই গোলে রায়ো ভায়েকানোর বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানে জিতে মাঠ ছাড়ে লস ব্লাঙ্কোসরা।

    ঘরের মাঠে তুলনামূলক দুর্বল প্রতিপক্ষের বিপক্ষে সহজ জয়ের প্রত্যাশাই ছিল রিয়ালের। ম্যাচের পরিসংখ্যানও সে কথাই বলছে। পুরো ম্যাচে ৫৭ শতাংশ সময় বল দখলে রেখে প্রতিপক্ষের গোলমুখে ২৩টি শট নেয় স্বাগতিকরা।

    অন্যদিকে রায়ো ভায়েকানো ৪৩ শতাংশ সময় বল দখলে রাখলেও আক্রমণে কম সাহস দেখায়নি। তারা রিয়ালের গোলপোস্টে ১৪টি শট নেয়।

    ম্যাচের ১৪তম মিনিটে প্রথম সাফল্য পায় রিয়াল মাদ্রিদ। ব্রাহিম দিয়াজের পাস থেকে নিখুঁত ফিনিশিংয়ে গোল করেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। প্রথমার্ধে ওই এক গোলের লিড নিয়েই বিরতিতে যায় স্বাগতিক দল।

    দ্বিতীয়ার্ধ শুরু হতেই পাল্টা আঘাত হানে রায়ো ভায়েকানো। মাঠে নামার মাত্র চার মিনিটের মাথায় জর্জ ডি ফ্রুটোস গোল করে ম্যাচে সমতা ফেরান। এরপর একের পর এক আক্রমণ চালিয়েও কাঙ্ক্ষিত গোল পাচ্ছিল না রিয়াল। তখন মনে হচ্ছিল, ড্রতেই শেষ হচ্ছে ম্যাচ।

    তবে নাটক তখনও বাকি। যোগ করা সময়ের দশম মিনিটে বক্সের ভেতরে ফাউলের দায়ে হলুদ কার্ড দেখেন আলফোনসো এস্পিনো। সেই ফাউল থেকেই পাওয়া পেনাল্টি কাজে লাগিয়ে গোল করেন এমবাপে, নিশ্চিত হয় রিয়ালের জয়।

    এই জয়ের ফলে লা লিগার শীর্ষে থাকা বার্সেলোনার সঙ্গে পয়েন্ট ব্যবধান কমিয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। ২২ ম্যাচ শেষে ৫৪ পয়েন্ট নিয়ে তারা রয়েছে দ্বিতীয় স্থানে। সমান ম্যাচে ৫৫ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে বার্সেলোনা। তৃতীয় স্থানে থাকা অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের পয়েন্ট ৪৫। আর ২২ পয়েন্ট নিয়ে অবনমন অঞ্চলের কাছাকাছি, ১৭তম স্থানে রয়েছে রায়ো ভায়েকানো।

  • লা লিগার বেতনের রাজা এমবাপ্পে, ভিনি–ইয়ামাল–রাফিনিয়ারা বছরে কত আয় করেন?

    লা লিগার বেতনের রাজা এমবাপ্পে, ভিনি–ইয়ামাল–রাফিনিয়ারা বছরে কত আয় করেন?

    এবিএনএ: ইউরোপের শীর্ষ ফুটবল লিগগুলোর একটি লা লিগায় খেলোয়াড়দের বেতন কাঠামো প্রকাশ করেছে ট্রান্সফার মার্কেট। তালিকায় সবার শীর্ষে অবস্থান করছেন রিয়াল মাদ্রিদের ফরাসি সুপারস্টার কিলিয়ান এমবাপ্পে। সর্বোচ্চ বেতন পাওয়া খেলোয়াড়দের তালিকায় প্রথম চারটি স্থানই দখল করে রেখেছে রিয়াল মাদ্রিদ।

    তথ্য অনুযায়ী, এমবাপ্পে বছরে বেতন পান ৩১.৩ মিলিয়ন ইউরো, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৪৪৯ কোটি ৪০ লাখ টাকারও বেশি। তার ঠিক পরেই রয়েছেন সতীর্থ ভিনিসিউস জুনিয়র। ব্রাজিলিয়ান এই উইঙ্গারের বাৎসরিক আয় ২৫ মিলিয়ন ইউরো, বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৩৫৮ কোটি ৯৫ লাখ।

    লা লিগায় তৃতীয় সর্বোচ্চ বেতন পান রিয়ালের অস্ট্রিয়ান ডিফেন্ডার ডেভিড আলাবা। তার আয় ২২.৫ মিলিয়ন ইউরো, যা প্রায় ৩২৩ কোটি ৫ লাখ টাকার সমান। একই ক্লাবের ইংলিশ মিডফিল্ডার জুড বেলিংহ্যাম আছেন চতুর্থ স্থানে। তার বাৎসরিক বেতন ২০.৮ মিলিয়ন ইউরো, বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২৯৮ কোটি ৬৪ লাখ টাকা।

    তালিকার পঞ্চম স্থানে রয়েছেন অ্যাথলেটিকো মাদ্রিদের গোলরক্ষক জ্যান ওবলাক। ষষ্ঠ স্থানে বার্সেলোনার অভিজ্ঞ ফরোয়ার্ড রবার্ট লেভানদোভস্কি—দুজনই বেলিংহ্যামের সমপরিমাণ বেতন পান। সপ্তম স্থানে থাকা বার্সার ফ্রেঙ্কি ডি ইয়ং বছরে আয় করেন ১৯ মিলিয়ন ইউরো, যা প্রায় ২৭২ কোটি ৮০ লাখ টাকা।

    ১৬.৭ মিলিয়ন ইউরো বেতন নিয়ে অষ্টম স্থানে আছেন অ্যাথলেটিক বিলবাওয়ের নিকো উইলিয়ামস। একই অঙ্কে নবম থেকে ত্রয়োদশ স্থানে রয়েছেন বার্সেলোনার রাফিনিয়া ও লামিন ইয়ামাল, রিয়ালের ফেদেরিকো ভালভার্দে, রদ্রিগো এবং ট্রেন্ট আলেক্সান্ডার-আর্নল্ড। তাদের প্রত্যেকের আয় বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ২৩৯ কোটি ৭৭ লাখ।

    ১৫.৬ মিলিয়ন ইউরো বেতনে তালিকার ১৪তম স্থানে আছেন জিরোনার মার্ক টের স্টেগেন এবং ১৫তম স্থানে বার্সেলোনার ডিফেন্ডার জুলেস কুন্দে। তাদের বাৎসরিক আয় প্রায় ২২৩ কোটি ৯৮ লাখ টাকা।

  • গোল করেও নির্বিকার রদ্রিগো, রিয়াল মাদ্রিদে কি শেষ অধ্যায়?

    গোল করেও নির্বিকার রদ্রিগো, রিয়াল মাদ্রিদে কি শেষ অধ্যায়?

    এবিএনএ: প্রাক মৌসুমের প্রীতি ম্যাচে অস্ট্রিয়ার ডব্লিউএসজি তাইরোলকে ৪-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। কিলিয়ান এমবাপ্পে করেছেন জোড়া গোল, একটি করে গোল করেছেন ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডার এদার মিলিতাও ও ফরোয়ার্ড রদ্রিগো গোয়েস।

    শেষ গোলটি আসে রদ্রিগোর পা থেকে, এমবাপ্পের অ্যাসিস্টে। তবে গোলের পরও রদ্রিগোর মুখে দেখা যায়নি সামান্যতম হাসি। সতীর্থরা এগিয়ে এসে অভিনন্দন জানালেও তিনি ছিলেন নির্বিকার।

    শুরুর একাদশে ফরোয়ার্ড লাইনে ছিলেন এমবাপ্পে, ভিনিসিয়াস ও ব্রাহিম দিয়াজ। রদ্রিগো মাঠে নামেন বদলি হিসেবে শেষ ২১ মিনিটে। ওই সময়ের মধ্যে তিনি একটি গোল ছাড়াও দুটি শট নেন, শতভাগ সফল পাস দেন এবং ড্রিবলিংয়েও থাকেন শতভাগ নিখুঁত।

    কৌতূহল জাগানোর মতো বিষয় হলো, ম্যাচে গোল পাওয়া এমবাপ্পে, মিলিতাও বা গোলে সহায়তা দেওয়া আর্দা গুলারের ছবি রিয়াল মাদ্রিদ তাদের সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করলেও রদ্রিগোর কোনো ছবি প্রকাশ করেনি। এতে আরও জোরালো হয়েছে গুঞ্জন—রদ্রিগোর রিয়াল মাদ্রিদ ক্যারিয়ারের শেষ সময় ঘনিয়ে এসেছে।

  • ক্লাব বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে কোন চার দল? জমবে কারা কার বিরুদ্ধে মহাযুদ্ধ?

    ক্লাব বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে কোন চার দল? জমবে কারা কার বিরুদ্ধে মহাযুদ্ধ?

    এবিএনএ: ২০২৫ সালের ক্লাব বিশ্বকাপ এক নতুন রূপে হাজির হয়েছে ফুটবল দুনিয়ায়—প্রথমবারের মতো ৩২ দলের অংশগ্রহণে। মাসব্যাপী এই প্রতিযোগিতার উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে বিশ্বজুড়ে। এবার নির্ধারিত হয়ে গেছে শেষ চারের লড়াই। চারটি শক্তিশালী ক্লাব জায়গা করে নিয়েছে সেমিফাইনালে, যা হতে যাচ্ছে ফুটবলপ্রেমীদের জন্য এক ভিন্নমাত্রার রোমাঞ্চ।

    প্রথম সেমিফাইনালে মুখোমুখি হবে ইংলিশ জায়ান্ট চেলসি এবং ব্রাজিলিয়ান ক্লাব ফ্লুমিনেন্স। কোয়ার্টার ফাইনালে সৌদি আরবের আল হিলালকে ২-১ গোলে হারিয়ে সেমিতে পৌঁছায় ফ্লুমিনেন্স। অপরদিকে চেলসি সমান ব্যবধানে হারিয়েছে ব্রাজিলের আরেক শক্তিশালী ক্লাব পালমেইরাসকে। এই ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে ৯ জুলাই রাতে ১টায়, যুক্তরাষ্ট্রের মেটলাইফ স্টেডিয়ামে

    অপর সেমিফাইনালটিও হতে যাচ্ছে চোখ ধাঁধানো এক দ্বৈরথ, যেখানে মুখোমুখি হবে ইউরোপীয় দুই পরাশক্তি—রিয়াল মাদ্রিদপ্যারিস সেইঁ জার্মেই (পিএসজি)। ফরাসি ক্লাব পিএসজি বায়ার্ন মিউনিখকে ২-০ গোলে হারিয়ে জায়গা করে নেয় সেমিফাইনালে। অন্যদিকে রিয়াল মাদ্রিদ ৩-২ গোলে পরাজিত করে জার্মান ক্লাব বরুশিয়া ডর্টমুন্ডকে। এই ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে ১০ জুলাই রাত ১টায়, একই ভেন্যু মেটলাইফ স্টেডিয়ামে

    সবশেষে, ১৪ জুলাই অনুষ্ঠিত হবে বহু প্রতীক্ষিত ফাইনাল ম্যাচ—যেখানে বিজয়ীরা লড়বে বিশ্বসেরা ক্লাব হওয়ার জন্য। ফুটবলপ্রেমীদের জন্য এই ম্যাচগুলো হতে যাচ্ছে উত্তেজনায় ভরপুর, যেখানে প্রতিটি মুহূর্তে থাকছে নাটকীয়তা, গতি আর গৌরবের লড়াই।

  • ক্লাব বিশ্বকাপের শেষ ষোলো জমে উঠেছে: কোন দল কবে কার মুখোমুখি

    ক্লাব বিশ্বকাপের শেষ ষোলো জমে উঠেছে: কোন দল কবে কার মুখোমুখি

    এবিএনএ: যুক্তরাষ্ট্রে আয়োজিত ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপ ২০২৫-এর গ্রুপ পর্ব শেষে নির্ধারিত হয়েছে শেষ ষোলোতে ওঠা দলগুলো। ব্রাজিলের চারটি ক্লাব—পালমেইরাস, ফ্লামেঙ্গো, ফ্লুমিনেন্স ও বোটাফোগো নিজেদের পারফরম্যান্সে নজর কেড়েছে। পালমেইরাস ও ফ্লামেঙ্গো গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে সরাসরি শেষ ষোলোতে জায়গা করে নিয়েছে। অন্যদিকে, ফ্লুমিনেন্স ও বোটাফোগো রানার্সআপ হিসেবে দ্বিতীয় রাউন্ডে পৌঁছেছে।

    তবে শেষ ষোলোতে প্রতিপক্ষ হিসেবে তারা পাচ্ছে ইউরোপের শীর্ষ শক্তিগুলোর বিরুদ্ধে কঠিন চ্যালেঞ্জ। ফ্লামেঙ্গোকে খেলতে হবে জার্মান জায়ান্ট বায়ার্ন মিউনিখের বিপক্ষে। বোটাফোগো ও পালমেইরাস মুখোমুখি হবে নিজেদের মধ্যেই, ফলে একটি ব্রাজিলিয়ান ক্লাব এখানেই বিদায় নেবে। অন্যদিকে, ফ্লুমিনেন্সের সামনে ইন্টার মিলানের চ্যালেঞ্জ।

    গ্রুপ পর্বে বিশেষ চমক দেখিয়েছে স্বাগতিক ইন্টার মায়ামি এবং মেক্সিকোর ক্লাব মন্টেরি। সৌদি আরবের একমাত্র প্রতিনিধি আল হিলাল শেষ ষোলোয় পৌঁছেছে, যদিও তাদের গ্রুপ থেকে বাদ পড়েছে ইউরোপের ক্লাব সলসবার্গ।

    ইউরোপের শীর্ষ দলগুলোর মধ্যে রিয়াল মাদ্রিদ, ম্যানচেস্টার সিটি, চেলসি, বরুশিয়া ডর্টমুন্ড, বেনফিকা এবং জুভেন্টাস শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে। তিন ম্যাচেই জিতে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ম্যানসিটি, যারা এবার কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিট পেতে খেলবে আল হিলালের বিপক্ষে। আর রিয়াল মাদ্রিদের প্রতিপক্ষ হচ্ছে জুভেন্টাস।

    শেষ ষোলোতে জায়গা পাওয়া দলসমূহ:

    • গ্রুপ A: পালমেইরাস, ইন্টার মায়ামি

    • গ্রুপ B: পিএসজি, বোটাফোগো

    • গ্রুপ C: বেনফিকা, বায়ার্ন

    • গ্রুপ D: ফ্লামেঙ্গো, চেলসি

    • গ্রুপ E: ইন্টার মিলান, মন্টেরি

    • গ্রুপ F: বরুশিয়া ডর্টমুন্ড, ফ্লুমিনেন্স

    • গ্রুপ G: ম্যানচেস্টার সিটি, জুভেন্টাস

    • গ্রুপ H: রিয়াল মাদ্রিদ, আল হিলাল

    শেষ ষোলো: কারা কবে খেলবে (বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী):

    • ২৮ জুন:

      • পালমেইরাস বনাম বোটাফোগো (রাত ১০টা)

      • বেনফিকা বনাম চেলসি (রাত ২টা)

    • ২৯ জুন:

      • পিএসজি বনাম ইন্টার মায়ামি (রাত ১০টা)

      • ফ্লামেঙ্গো বনাম বায়ার্ন মিউনিখ (রাত ২টা)

    • ৩০ জুন:

      • ইন্টার মিলান বনাম ফ্লুমিনেন্স (রাত ১টা)

    • ১ জুলাই:

      • ম্যানসিটি বনাম আল হিলাল (সকাল ৭টা)

      • রিয়াল মাদ্রিদ বনাম জুভেন্টাস (রাত ১টা)

    • ২ জুলাই:

      • বরুশিয়া ডর্টমুন্ড বনাম মন্টেরি (সকাল ৭টা)

    এই ম্যাচগুলোর মাধ্যমে নির্ধারিত হবে কোন আটটি দল কোয়ার্টার ফাইনালে খেলবে। ফুটবল ভক্তদের জন্য এটি নিঃসন্দেহে এক রোমাঞ্চকর সময়।