Tag: রিটার্নিং কর্মকর্তা

  • বাগেরহাটে ভোটের চূড়ান্ত ফল: চার আসনে ক্ষমতার পালাবদল, জামায়াতের তিনটিতে জয়, বিএনপির একটিতে সাফল্য

    বাগেরহাটে ভোটের চূড়ান্ত ফল: চার আসনে ক্ষমতার পালাবদল, জামায়াতের তিনটিতে জয়, বিএনপির একটিতে সাফল্য

    এবিএনএ, বাগেরহাট: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গণনা শেষে বাগেরহাট জেলার চারটি সংসদীয় আসনের বেসরকারি ফল প্রকাশ করা হয়েছে। শুক্রবার ভোরে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা গোলাম মো. বাতেন তার দপ্তরে ফল ঘোষণা করেন। ঘোষিত ফলাফলে জেলার তিনটি আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীরা এবং একটি আসনে বিএনপির প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন।

    বাগেরহাট-১ (চিতলমারী–ফকিরহাট–মোল্লাহাট) আসনে জামায়াতে ইসলামীর মাওলানা মশিউর রহমান দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ১ লাখ ১৭ হাজার ৯৬৬ ভোট পেয়ে এগিয়ে থেকে জয় পান। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির কপিল কৃষ্ণ ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ১৪ হাজার ৫৯০ ভোট সংগ্রহ করেন।

    বাগেরহাট-২ (সদর–কচুয়া) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-এর প্রার্থী শেখ মঞ্জুরুল হক রাহাদ দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ১ লাখ ১৬ হাজার ৩৭০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। এই আসনে বিএনপির ব্যারিস্টার শেখ মোহাম্মাদ জাকির হোসেন ধানের শীষ প্রতীকে পান ৬৬ হাজার ২৭৪ ভোট।

    বাগেরহাট-৩ (মোংলা–রামপাল) আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল মনোনীত প্রার্থী ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৩ হাজার ৭১১ ভোট পেয়ে জয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের অ্যাডভোকেট আব্দুল ওয়াদুদ দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পান ৮৩ হাজার ৭০৫ ভোট।

    অন্যদিকে বাগেরহাট-৪ (মোরেলগঞ্জ–শরণখোলা) আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আব্দুল আলিম দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। এ আসনে বিএনপির প্রার্থী সোমনাথ দে ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৯৮ হাজার ৩২৬ ভোট।

    ফল ঘোষণার পর সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে সমর্থকদের মধ্যে উচ্ছ্বাস দেখা যায়। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং আনুষ্ঠানিক গেজেট প্রকাশের পর ফল চূড়ান্ত রূপ পাবে।

  • সরকারি পদে থাকলে নির্বাচন নিষিদ্ধ: কঠোর বার্তা নির্বাচন কমিশনের

    সরকারি পদে থাকলে নির্বাচন নিষিদ্ধ: কঠোর বার্তা নির্বাচন কমিশনের

    এবিএনএ: আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচন কমিশন স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, সরকারের যেকোনো পদে দায়িত্ব পালনরত কেউ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না। শুধু প্রার্থী হওয়াই নয়, নির্বাচনী প্রচারণাতেও তাঁরা সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ থাকবেন—এমন মন্তব্য করেছেন নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।

    মঙ্গলবার রাজধানীতে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপচারিতায় তিনি বলেন, নির্বাচন আয়োজনের সব প্রস্তুতিই সম্পন্ন করা হয়েছে। তফসিল ঘোষণার প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা। আসন বিন্যাস, রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাদের তালিকা, এবং নির্বাচন সম্পর্কিত প্রজ্ঞাপন ও নির্দেশনা—সবকিছুই প্রস্তুত রেখেছে নির্বাচন কমিশন।

    তিনি আরও জানান, তফসিল ঘোষণা হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা, নির্বাহী ও বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ, ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি কমিটি গঠন এবং আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ সেলসহ প্রায় ২০ ধরনের নির্দেশনা ধারাবাহিকভাবে প্রকাশ করা হবে।

    নির্বাচনী আচরণবিধির বিষয়টি ব্যাখ্যা করে নির্বাচন কমিশনার বলেন, সরকারি পদে থেকে কেউ যদি প্রচারণায় অংশ নিতে না পারেন, তবে প্রার্থী হওয়ার সুযোগও থাকছে না। সুতরাং সরকারি পদধারীদের জন্য নির্বাচন ও প্রচারণা—দুটিই নিষিদ্ধ।

  • ডাকসু নির্বাচনে রেকর্ড সংখ্যক রিটার্নিং কর্মকর্তা নিয়োগ: দায়িত্বে থাকছেন ১০ শিক্ষক

    ডাকসু নির্বাচনে রেকর্ড সংখ্যক রিটার্নিং কর্মকর্তা নিয়োগ: দায়িত্বে থাকছেন ১০ শিক্ষক

    এবিএনএ: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে পুরোদমে। এই নির্বাচনে স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে এবার রিটার্নিং কর্মকর্তার সংখ্যা বাড়িয়ে ১০ জন করা হয়েছে। নেতৃত্বে রয়েছেন উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন, যিনি প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

    সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় এই নিয়োগের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দেওয়া হয়। ডাকসু সংবিধানের ৮(এফ) ধারা অনুযায়ী উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমদ খান এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।

    বাকি নয়জন রিটার্নিং কর্মকর্তার তালিকায় রয়েছেন—

    • ড. এ এস এম মহিউদ্দিন (মৃত্তিকা, পানি ও পরিবেশ বিভাগ),

    • ড. গোলাম রব্বানী (সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট),

    • ড. কাজী মোস্তাক গাউসুল হক (তথ্যবিজ্ঞান ও গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা বিভাগ),

    • ড. কাজী মারুফুল ইসলাম (উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগ),

    • ড. নাসরিন সুলতানা (স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউট),

    • ড. মো. শহিদুল ইসলাম (ব্যাংকিং অ্যান্ড ইন্স্যুরেন্স বিভাগ),

    • ড. তারিক মনজুর (বাংলা বিভাগ),

    • ড. এস এম শামীম রেজা (গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ),

    • এবং সহযোগী অধ্যাপক শারমীন কবীর (শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট)।

    প্রসঙ্গত, পূর্ববর্তী ডাকসু নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনের সদস্য সংখ্যা ছিল মাত্র ৬। এবার সেটি বাড়িয়ে ১০ জন করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের মতে, এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে যাতে নির্বাচন পরিচালনায় আরও স্বচ্ছতা, অংশগ্রহণমূলক পরিবেশ এবং নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করা যায়।

    বিশ্ববিদ্যালয়জুড়ে এই ঘোষণাকে স্বাগত জানানো হচ্ছে এবং শিক্ষার্থীরা আশা করছেন, দীর্ঘ প্রতীক্ষিত এই ডাকসু নির্বাচন কার্যকর ও গ্রহণযোগ্য হবে সবার কাছে।