Tag: রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান

  • স্বাধীনতা দিবসে স্মৃতিসৌধে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা—ভোরেই শুরু রাষ্ট্রীয় কর্মসূচি

    স্বাধীনতা দিবসে স্মৃতিসৌধে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা—ভোরেই শুরু রাষ্ট্রীয় কর্মসূচি

    এবিএনএ: মহান স্বাধীনতা দিবসকে ঘিরে রাষ্ট্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে আগামীকাল ভোরেই সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, ভোর ৫টা থেকে ৬টার মধ্যে তিনি সেখানে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন।

    স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে রাজধানীতে ফেরার পথে সকাল ৭টার মধ্যে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তম এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিতে ফুল দিয়ে সম্মান জানাবেন তিনি।

    এরপর দিনের আনুষ্ঠানিকতার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটে জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী। এই আয়োজনের মধ্য দিয়ে স্বাধীনতা দিবসের রাষ্ট্রীয় উদযাপন আরও বর্ণাঢ্য হয়ে উঠবে।

    প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এবং জানিয়েছেন, দিনব্যাপী কর্মসূচি যথাযথ মর্যাদায় পালনের জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

  • বড়দিনের বার্তায় সম্প্রীতির ডাক: ধর্মীয় নেতাদের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের শুভেচ্ছা বিনিময়

    বড়দিনের বার্তায় সম্প্রীতির ডাক: ধর্মীয় নেতাদের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের শুভেচ্ছা বিনিময়

    এবিএনএ: বড়দিন উপলক্ষে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে শুভেচ্ছা ও সৌহার্দ্য বিনিময় করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) রাজধানীর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে ধর্মীয় সম্প্রীতি ও জাতীয় ঐক্যের বার্তা তুলে ধরা হয়।

    অনুষ্ঠানে ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন, বাংলাদেশের ক্যাথলিক খ্রিস্টানদের প্রধান ধর্মগুরু আর্চবিশপ বিজয় এন ডি’ক্রুজ, ন্যাশনাল ক্রিশ্চিয়ান ফেলোশিপ অব বাংলাদেশের সভাপতি বিশপ ফিলিপ পি অধিকারী, খ্রিস্টান ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি ড. বেনেডিক্ট আলো ডি রোজারিও এবং জাতীয় চার্চ পরিষদ বাংলাদেশের সভাপতি খ্রিস্টোফার অধিকারীসহ খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

    খ্রিস্টান ধর্মীয় নেতারা তাঁদের বক্তব্যে বিশ্বজুড়ে অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সুনাম ও দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং সামগ্রিক স্থিতিশীলতায় তাঁর ভূমিকার প্রশংসা করেন। একই সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বে আসন্ন জাতীয় নির্বাচন অবাধ ও শান্তিপূর্ণ হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তাঁরা।

    আর্চবিশপ বিজয় এন ডি’ক্রুজ বড়দিনের তাৎপর্য তুলে ধরে বলেন, যিশু খ্রিস্টের ক্ষমা, মানবপ্রেম ও সেবার আদর্শ অনুসরণ করেই বিশ্বজুড়ে এ উৎসব উদযাপিত হচ্ছে। তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর দেশের পুনর্গঠনে জনগণের আস্থা নিয়ে প্রধান উপদেষ্টা দায়িত্ব পালন করছেন এবং একটি সুন্দর নির্বাচনের মধ্য দিয়ে সে প্রচেষ্টা সফল হবে বলে তিনি প্রার্থনা করেন।

    প্রধান উপদেষ্টা তাঁর বক্তব্যে উপস্থিত সকলকে বড়দিন ও আসন্ন নববর্ষের শুভেচ্ছা জানান। তিনি বলেন, ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ সমাজের আয়না; তাঁদের অবস্থান দেখেই সমাজের সার্বিক পরিস্থিতি অনুধাবন করা যায়।

    তিনি আরও বলেন, একটি সুস্থ ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গড়তে গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ধারণ করে জুলাই সনদ প্রণয়ন করা হয়েছে। আসন্ন নির্বাচনের সঙ্গে গণভোট আয়োজনের কথাও উল্লেখ করে তিনি জানান, জনগণের রায়ের ভিত্তিতেই পরবর্তী সংস্কার কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

    নির্বাচন ও গণভোট বিষয়ে জনগণকে সচেতন করতে ধর্মীয় নেতাদের সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান প্রধান উপদেষ্টা।

    অনুষ্ঠানে খ্রিস্টান ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের নেতারা বড়দিন উপলক্ষে আড়াই কোটি টাকা অনুদান দেওয়ায় অন্তর্বর্তী সরকারকে ধন্যবাদ জানান। তাঁরা জানান, দেশজুড়ে প্রায় ৮০০টি চার্চে ধাপে ধাপে এ অনুদান বিতরণ করা হচ্ছে।

    অনুষ্ঠান শেষে বড়দিন উদযাপনের অংশ হিসেবে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে নিয়ে কেক কাটেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।