Tag: রানি মুখার্জি

  • মুখার্জি বাড়ির পূজায় ফের একসঙ্গে কাজল-রানি, ভক্তদের চোখে জীবন্ত স্মৃতি

    মুখার্জি বাড়ির পূজায় ফের একসঙ্গে কাজল-রানি, ভক্তদের চোখে জীবন্ত স্মৃতি

    এবিএনএ:  শরতের হাওয়ায় ভেসে এসেছে দুর্গাপূজার আমেজ। ঢাকের শব্দ, কাশফুলে ভরা মাঠ আর সাদা মেঘের ফাঁকে আলো ছড়িয়ে পড়তেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে মুখার্জি পরিবারের ঐতিহ্যবাহী পূজা। প্রতি বছরের মতো এবারও ভক্ত ও তারকাদের ভিড়ে জমজমাট ছিল এই পূজামণ্ডপ।

    সবার চোখে সবচেয়ে আকর্ষণীয় ছিল বলিউডের দুই জনপ্রিয় মুখ—কাজল ও রানি মুখার্জি। পূজার প্রথম দিনেই প্যান্ডেলে তাদের একসঙ্গে দেখা মিলতেই দর্শকদের মধ্যে উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে পড়ে। অফ-হোয়াইট শাড়ির সঙ্গে লাল ব্লাউজে কাজলকে যেমন দীপ্তিময় লাগছিল, তেমনি সাদা জামদানিতে রাজকীয় রূপে ছিলেন রানি। হালকা টিপ, সরল গয়না আর চেনা হাসিতে তারা যেন পূজার আবহকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলেছিলেন।

    প্রতিমার সামনে বসে প্রার্থনা, ভক্তদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় ও ছবি তোলার প্রতিটি মুহূর্তেই ধরা পড়েছিল পারিবারিক ঐতিহ্যের আবেগ। সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া সেই দৃশ্য ভক্তদের মনে ফিরিয়ে এনেছে কুছ কুছ হোতা হ্যায় ছবির অঞ্জলি-টিনার বন্ধুত্বের স্মৃতি।

    তবে শুধু নস্টালজিয়া নয়, এবারের পূজায় ছিল গভীর আবেগের ছোঁয়াও। কারণ, এই বছর নেই পরিবারের প্রাণপুরুষ দেব মুখার্জি। কাজল-তানিশার কাকা দেব মুখার্জি পূজার প্রাণ ছিলেন। তাঁর অনুপস্থিতিতে প্রথম পূজা হলেও তাঁর স্মৃতি যেন প্রতিটি কোণায় ভেসে উঠছিল। কাজল ও রানির একসঙ্গে উপস্থিতি সেই শূন্যতা অনেকটা পূরণ করেছে।

    রানি পূজার অন্যতম আয়োজক হিসেবে অতিথি আপ্যায়ন থেকে শুরু করে প্রতিটি কাজে সক্রিয় ছিলেন। কাজলও তাঁর পাশে দাঁড়িয়ে পরিবারের এই মিলনমেলায় একাত্ম হয়েছিলেন।

    মুখার্জি বাড়ির দুর্গাপূজা এবারও প্রমাণ করল—এটি কেবল ধর্মীয় আয়োজন নয়, বরং এক আবেগময় মিলনমেলা, যেখানে আনন্দ ও স্মৃতি একসূত্রে বাঁধা থাকে।

  • জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে শাহরুখ-রানির বন্ধুত্বে মুগ্ধ ভক্তরা

    জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে শাহরুখ-রানির বন্ধুত্বে মুগ্ধ ভক্তরা

    এবিএনএ: লিউড কিং শাহরুখ খান ও জনপ্রিয় নায়িকা রানি মুখার্জির বন্ধুত্ব আবারও আলোচনায়। ভারতের ৭১তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে এই তারকা জুটিকে ঘিরে তৈরি হয়েছে উচ্ছ্বাস।

    মঙ্গলবার আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সেরা অভিনেতার পুরস্কার জেতেন শাহরুখ খান তার ব্লকবাস্টার সিনেমা জওয়ান-এর জন্য। আর মিসেস চ্যাটার্জি বনাম নরওয়ে-তে অসাধারণ অভিনয়ের স্বীকৃতি হিসেবে সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার পান রানি মুখার্জি।

    পুরস্কার নিতে গিয়েও পাশাপাশি বসেন শাহরুখ-রানি। মঞ্চে ও আসরে একে অপরকে সহযোগিতা করার কয়েকটি মুহূর্ত দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়। এক ভিডিওতে দেখা যায়, মেডেলের ফিতে নিয়ে বিব্রত শাহরুখকে সাহায্য করছেন রানি। নিজের ফোনের ক্যামেরা চালু করে তিনি দেখিয়ে দেন, মেডেলটি সঠিকভাবে বসেছে কি না।

    অন্য এক ভিডিওতে দেখা যায়, রানি দাঁড়ানোর সময় তার শাড়ির আঁচল আটকে যায়। তখন শাহরুখ এগিয়ে এসে সেটি ছাড়িয়ে দেন। এমনকি একটি ছবিতে শাহরুখকে রানির গালে স্নেহের চুম্বন দিতেও দেখা যায়।

    এসব দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভক্তদের হৃদয় ছুঁয়েছে। একজন লিখেছেন, “ভদ্রলোক নামের প্রকৃত সংজ্ঞা যদি কারও মধ্যে খুঁজে পাওয়া যায়, তবে তিনি শাহরুখ খান।” আরেকজনের মন্তব্য, “নারীদের প্রতি শাহরুখের সম্মানই তাকে সত্যিকারের পুরুষ করে তোলে।”

    শুধু ভক্তরাই নয়, শাহরুখের স্ত্রী গৌরী খানও ইনস্টাগ্রামে স্বামী ও রানির ছবি শেয়ার করে প্রশংসা করেছেন।

    অনস্ক্রিনে বহুবার একসঙ্গে দর্শকদের মাতানো এই জুটি বাস্তবেও যে গভীর বন্ধুত্ব ভাগাভাগি করেন, জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের মঞ্চে তা আরও একবার প্রমাণ হলো।

  • ৮ ঘণ্টা কাজের দাবিতে দীপিকার পাশে এবার রুবিনা দিলাইক, বললেন—‘আমি চাই না কেউ অতিরিক্ত কাজ করুক’

    ৮ ঘণ্টা কাজের দাবিতে দীপিকার পাশে এবার রুবিনা দিলাইক, বললেন—‘আমি চাই না কেউ অতিরিক্ত কাজ করুক’

    এবিএনএ:  বলিউডে কর্মঘণ্টা নির্ধারণ নিয়ে বিতর্ক এখন তুঙ্গে। ৮ ঘণ্টার কাজকে ন্যায্য দাবি হিসেবে তুলে ধরেছেন একের পর এক তারকা। এবার দীপিকা পাড়ুকোনের পক্ষে মুখ খুললেন ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী ও ‘বিগ বস ১৪’ বিজয়ী রুবিনা দিলাইক।

    সম্প্রতি পিটিআইকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রুবিনা বলেন, “শুরুর দিনগুলোতে ১৭ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে কাজ করেছি। কিন্তু আমি চাই না কেউ এমন শ্রমসাধ্য সময় পেরিয়ে যাক। একজন প্রযোজক হলে আমি নিশ্চিত করতাম—৮ ঘণ্টার মধ্যে কাজ শেষ হয়।”

    তিনি আরও বলেন, “কম সময়ে কাজ করলে মান ভালো হয়, মানসিক চাপও কমে। যদিও কিছু পেশায়—যেমন পুলিশ বা চিকিৎসা পেশায় দীর্ঘ সময় কাজ করতেই হয়, কিন্তু অভিনয় জগতে তা বাধ্যতামূলক হওয়া উচিত নয়।”

    রুবিনা স্পষ্ট করে বলেন, “যদি কেউ ইচ্ছায় অতিরিক্ত কাজ করেন, তাহলে সেটা ভিন্ন ব্যাপার। কিন্তু সেই সময়ের জন্য যদি অর্থ না দেওয়া হয়, তাহলে সেটা অবশ্যই অনৈতিক।”

    এই আলোচনার সূত্রপাত হয় যখন অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোন, সন্দীপ রেড্ডি ভাঙ্গার পরিচালনায় ‘স্পিরিট’ সিনেমা থেকে বেরিয়ে আসেন। দীপিকার দাবি ছিল, তিনি দিনে ৮ ঘণ্টার বেশি কাজ করতে চান না। পরিচালকের আপত্তিতে তিনি প্রজেক্ট ত্যাগ করেন।

    এর আগেও অভিনেত্রী কাজল, রানি মুখার্জি এবং নির্মাতা সিদ্ধার্থ পি মালহোত্রা দীপিকার পক্ষে কথা বলেছেন। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হলো রুবিনার নামও।

    তবে ভিন্ন সুরে কথা বলেন দক্ষিণ ভারতীয় তারকা রাশমিকা মান্দানা। তিনি বলেন, “৮ না, সিনেমার প্রয়োজনে আমি ১২ ঘণ্টাও কাজ করতে রাজি।” রাশমিকার এমন মন্তব্যে বলিউডে নতুন করে বিতর্কের জন্ম নিয়েছে।

    একদিকে যখন স্বাস্থ্যবান কর্মপরিবেশের পক্ষে কণ্ঠ জোরালো হচ্ছে, অন্যদিকে বলিউডের পুরোনো কাজের ধারা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।