Tag: রাজনৈতিক মামলা

  • সরকারি চাকরিতে বিশাল শূন্যপদ—পৌনে ৫ লাখ পদ খালি, প্রত্যাহার ২৪ হাজার রাজনৈতিক মামলা!

    সরকারি চাকরিতে বিশাল শূন্যপদ—পৌনে ৫ লাখ পদ খালি, প্রত্যাহার ২৪ হাজার রাজনৈতিক মামলা!

    এবিএনএ: দেশে সরকারি চাকরিতে বিপুল সংখ্যক পদ এখনো খালি রয়েছে—এমন তথ্য উঠে এসেছে জাতীয় সংসদে। একইসঙ্গে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে দায়ের করা হাজারো মামলা প্রত্যাহারের বিষয়টিও জানানো হয়েছে।

    সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী Abdul Bari জানান, বর্তমানে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে মোট ৪ লাখ ৬৮ হাজার ২২০টি পদ শূন্য রয়েছে। সর্বশেষ হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী (৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ পর্যন্ত), দেশে মোট কর্মরত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর সংখ্যা ১৪ লাখ ৫০ হাজার ৮৯১ জন।

    পদভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, প্রথম শ্রেণিতে ১ লাখ ৯০ হাজার ৭৭৩ জন, দ্বিতীয় শ্রেণিতে ২ লাখ ৩৩ হাজার ৭২৬ জন, তৃতীয় শ্রেণিতে ৬ লাখ ১৩ হাজার ৮৩৫ জন এবং চতুর্থ শ্রেণিতে ৪ লাখ ৪ হাজার ৫৫৭ জন কর্মরত আছেন। এছাড়া অন্যান্য শ্রেণিতে রয়েছেন প্রায় ৭ হাজার ৯৮০ জন।

    অন্যদিকে শূন্যপদের হিসাব অনুযায়ী, প্রথম শ্রেণিতে ৬৮ হাজার ৮৮৪টি, দ্বিতীয় শ্রেণিতে ১ লাখ ২৯ হাজার ১৬৬টি, তৃতীয় শ্রেণিতে ১ লাখ ৪৬ হাজার ৭৯৯টি এবং চতুর্থ শ্রেণিতে ১ লাখ ১৫ হাজার ২৩৫টি পদ খালি রয়েছে। অন্যান্য ক্যাটাগরিতেও রয়েছে কয়েক হাজার শূন্যপদ।

    এদিকে, আইনমন্ত্রী Asaduzzaman সংসদে জানান, রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত ও হয়রানিমূলক মোট ২৩ হাজার ৮৬৫টি মামলা ইতোমধ্যে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তিনি বলেন, এসব মামলা মূলত জনগণকে হয়রানির উদ্দেশ্যে দায়ের করা হয়েছিল।

    আইনমন্ত্রী আরও জানান, অতীত সরকারের আমলে দায়ের করা এমন আরও অনেক মামলা রয়েছে, যেগুলো যাচাই-বাছাই করে পর্যায়ক্রমে প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

    তিনি উল্লেখ করেন, কোনো ব্যক্তি আদালতে নির্দোষ প্রমাণিত হলে তার সম্মান ও অধিকার রক্ষা করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। একই সঙ্গে অতীতে অস্বাভাবিক কিছু মামলার উদাহরণ তুলে ধরে বলেন, বহু বছর আগে মারা যাওয়া ব্যক্তি কিংবা প্রতিবন্ধীদের বিরুদ্ধেও মামলা করা হয়েছিল।

    এ ধরনের ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে সরকার এখন এসব মামলা পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে বলে জানান তিনি।

    আইনমন্ত্রী সংশ্লিষ্টদের নিজ নিজ মন্ত্রণালয় বা দপ্তরে আবেদন করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যাচাই-বাছাই শেষে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে, কারণ এ বিষয়টি শুধু আইন মন্ত্রণালয়ের একক সিদ্ধান্তে নির্ধারিত হয় না।

    সব মিলিয়ে, একদিকে বিপুল শূন্যপদ পূরণের চ্যালেঞ্জ, অন্যদিকে রাজনৈতিক মামলা প্রত্যাহারের উদ্যোগ—দুই দিকেই সরকারের বড় ধরনের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

  • সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় সাংবাদিক আনিস আলমগীরকে ৫ দিনের রিমান্ডে পাঠালেন আদালত

    সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় সাংবাদিক আনিস আলমগীরকে ৫ দিনের রিমান্ডে পাঠালেন আদালত

    এবিএনএ: রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানায় দায়ের করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় সাংবাদিক আনিস আলমগীরকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। জিজ্ঞাসাবাদের স্বার্থে তাকে পুলিশের হেফাজতে রাখার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

    সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। এদিন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পরিদর্শক মুনিরুজ্জামান আদালতে আনিস আলমগীরকে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক আংশিকভাবে আবেদন মঞ্জুর করে পাঁচ দিনের রিমান্ড অনুমোদন দেন।

    এর আগে রোববার (১৪ ডিসেম্বর) রাতে রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকার একটি জিম থেকে বের হওয়ার সময় আনিস আলমগীরকে হেফাজতে নেয় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়।

    ওই রাতেই জুলাই রেভ্যুলেশনারি এলায়েন্সের কেন্দ্রীয় সংগঠক আরিয়ান আহমেদের করা মামলায় আনিস আলমগীরসহ চারজনকে আসামি করা হয়। মামলার অন্য আসামিরা হলেন— অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওন, ফ্যাশন মডেল মারিয়া কিসপট্টা এবং উপস্থাপক ইমতু রাতিশ ইমতিয়াজ।

    মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের জুলাই মাসে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পর দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে অস্থিতিশীল করতে একটি গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে তৎপরতা চালায়। অভিযোগ অনুযায়ী, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন টেলিভিশন টকশোর মাধ্যমে নিষিদ্ধ সংগঠন পুনরুজ্জীবনের গুজব ও প্রচারণা চালানো হয়।

    এতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের কিছু কর্মী উৎসাহিত হয়ে রাষ্ট্রবিরোধী কার্যক্রম ও সহিংসতায় জড়াচ্ছে বলেও মামলার নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

  • সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় সাংবাদিক আনিস আলমগীরের বিরুদ্ধে ৭ দিনের রিমান্ড চায় পুলিশ

    সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় সাংবাদিক আনিস আলমগীরের বিরুদ্ধে ৭ দিনের রিমান্ড চায় পুলিশ

    এবিএনএ: সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা একটি মামলায় সাংবাদিক আনিস আলমগীরকে সাত দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেছে পুলিশ। সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) বিকেলে উত্তরা পশ্চিম থানার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পরিদর্শক মুনিরুজ্জামান ঢাকার আদালতে এ আবেদন করেন।

    ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালতে রিমান্ড আবেদনের ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। উত্তরা পশ্চিম থানার সাধারণ নিবন্ধন শাখা সূত্রে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

    এর আগে রোববার (১৪ ডিসেম্বর) রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকার একটি জিম থেকে বের হওয়ার সময় আনিস আলমগীরকে হেফাজতে নেয় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়।

    ওই রাতেই জুলাই রেভ্যুলেশনারি এলায়েন্সের কেন্দ্রীয় সংগঠক আরিয়ান আহমেদের দায়ের করা মামলায় আনিস আলমগীরসহ চারজনকে আসামি করা হয়। মামলার অন্য আসামিরা হলেন— অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওন, মডেল মারিয়া কিসপট্টা এবং উপস্থাপক ইমতু রাতিশ ইমতিয়াজ।

    মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, ২০২৪ সালের জুলাই মাসে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পর দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে অস্থিতিশীলতা তৈরির উদ্দেশ্যে একটি গোষ্ঠী গোপনে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, আসামিরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও টেলিভিশনের বিভিন্ন টকশোতে অংশ নিয়ে নিষিদ্ধ সংগঠন পুনর্বাসনের পক্ষে বিভ্রান্তিকর বক্তব্য ও প্রচারণা চালিয়ে আসছিলেন।

    এ ধরনের প্রচারণার ফলে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের কিছু কর্মী রাষ্ট্রবিরোধী তৎপরতা এবং সহিংস কার্যক্রমে উৎসাহিত হচ্ছে বলেও মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

  • লাহোর হাইকোর্টের রায় চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে গেলেন ইমরান খান!

    লাহোর হাইকোর্টের রায় চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে গেলেন ইমরান খান!

    এবিএনএ:  পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) দলের প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খান ২০২৩ সালের ৯ মে সংঘটিত সহিংসতার মামলায় জামিন না পাওয়ায় লাহোর হাইকোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে এবার সুপ্রিম কোর্টের শরণাপন্ন হয়েছেন।

    রবিবার দেশটির সর্বোচ্চ আদালতে জমা দেওয়া আপিল আবেদনে বলা হয়, সরকার পক্ষ ইমরান খানকে ৯ মে’র দাঙ্গার সঙ্গে জড়াতে তিনবার তিন রকম বর্ণনা দিয়েছে, যা বিভিন্ন আদালতে আগেই খারিজ হয়েছে।

    ইমরানের প্রধান আইনজীবী সালমান সাফদার জানান, প্রথমে দাবি করা হয়, ৭ মে জামান পার্কে এক পুলিশ কর্মকর্তা ষড়যন্ত্রের আলাপ শুনেছেন। পরে বলা হয়, ৪ মে রেস্ট হাউস এলাকায় আরেক কর্মকর্তা কিছু শুনেছেন। এরপর অভিযোগ করা হয়, ইমরান মিডিয়ার মাধ্যমে উসকানি দিয়েছেন। তবে প্রতিটি বক্তব্যই আদালত ভিত্তিহীন বলে প্রত্যাখ্যান করেছে।

    তিনি আরও জানান, এই মামলায় একই ধরনের অভিযোগে থাকা ইমরানের স্ত্রী বুশরা বিবি ও পিটিআই নেতা এজাজ চৌধুরী ইতোমধ্যেই জামিন পেয়েছেন। অথচ ইমরানের জামিন বারবার নাকচ করা হচ্ছে।

    অন্যদিকে, ইমরান খানের বোন আলিমা খান অভিযোগ করেন, আদিয়ালা কারাগার কর্তৃপক্ষ মামলার কাগজপত্র আটকে রাখায় পিটিশন দাখিলে বাধা সৃষ্টি হচ্ছে।

    সুপ্রিম কোর্টে নতুন করে দাখিল করা এই আপিলে দাবি করা হয়েছে, গত দুই বছর ধরে ইমরান খান ‘অভূতপূর্ব রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার’ হয়ে কারাবন্দি রয়েছেন। তার বিরুদ্ধে দফায় দফায় মামলা দায়ের করে তাকে চুপ করিয়ে রাখার চেষ্টা করছে ক্ষমতাসীন মহল।

    ইমরান খানের এই আইনি লড়াই পাকিস্তানের রাজনীতিতে নতুন উত্তেজনা তৈরি করেছে।