Tag: রাজনৈতিক বৈঠক

  • রাজনীতিতে নতুন বার্তা? প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে প্রায় দুই ঘণ্টার বৈঠকে তারেক রহমান

    রাজনীতিতে নতুন বার্তা? প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে প্রায় দুই ঘণ্টার বৈঠকে তারেক রহমান

    এবিএনএ: অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক শেষে বাসভবন ত্যাগ করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী এই সাক্ষাৎ রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা সৃষ্টি করেছে।

    বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) রাত ৯টা ১১ মিনিটে তারেক রহমান পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনা থেকে বের হন। এর আগে সন্ধ্যা ৬টা ৪২ মিনিটে তিনি গুলশানে অবস্থিত বিএনপি চেয়ারম্যানের কার্যালয় থেকে রওনা হন। কয়েক মিনিটের ব্যবধানে বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত শেষে তিনি যমুনায় পৌঁছান।

    বিএনপির চেয়ারম্যান হিসেবে এটিই তারেক রহমানের প্রথম সরাসরি সাক্ষাৎ অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে। বৈঠকে তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান এবং কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান।

    দীর্ঘ এই আলোচনায় কী বিষয় উঠে এসেছে—সে সম্পর্কে রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত বিএনপি কিংবা সরকারের প্রেস উইং থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেওয়া হয়নি।

    উল্লেখ্য, গত বছরের ২৫ ডিসেম্বর দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশে ফিরে বিমানবন্দরেই ফোনে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে কথা বলেন তারেক রহমান। দেশে ফেরার ২১ দিনের মাথায় এবার সরাসরি সাক্ষাৎ করলেন তিনি। এর আগেও ৩১ ডিসেম্বর সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জানাজায় ড. ইউনূস ও তারেক রহমানের সংক্ষিপ্ত সাক্ষাৎ হয়েছিল।

    এছাড়া, গত বছর ১৩ জুন লন্ডনে ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও তারেক রহমানের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেই বৈঠক শেষে যৌথ বিবৃতির মাধ্যমে ভবিষ্যৎ জাতীয় নির্বাচনের সময়সূচি নির্ধারণের ইঙ্গিত পাওয়া যায়।

  • নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক তৎপরতা: সিইসির সঙ্গে বৈঠকে বসলো বিএনপির প্রতিনিধি দল

    নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক তৎপরতা: সিইসির সঙ্গে বৈঠকে বসলো বিএনপির প্রতিনিধি দল

    এবিএনএ: আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক করেছে বিএনপির তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল। রোববার (২৮ ডিসেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সিইসির কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

    বৈঠকে নির্বাচন কমিশনের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। বৈঠকে বর্তমান নির্বাচন পরিস্থিতি, কমিশনের ভূমিকা এবং রাজনৈতিক দলগুলোর উদ্বেগসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে।

    বিএনপির পক্ষে প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। তার সঙ্গে ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য ইসমাইল জবিউল্লাহ এবং নির্বাচন কমিশনের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সচিব ড. মোহাম্মদ জকরিয়া।

    বৈঠকের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পরবর্তীতে জানানো হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

  • “নির্বাচনের বিকল্প চিন্তা জাতির জন্য হুমকি” : সতর্ক করলেন প্রধান উপদেষ্টা

    “নির্বাচনের বিকল্প চিন্তা জাতির জন্য হুমকি” : সতর্ক করলেন প্রধান উপদেষ্টা

    এবিএনএ:  প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস স্পষ্ট করে বলেছেন, নির্বাচনের কোনো বিকল্প নেই। তিনি সতর্ক করে দেন, কেউ যদি অন্য কোনো বিকল্প চিন্তা করে তবে সেটি হবে জাতির জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক।

    রবিবার (৩১ আগস্ট) রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের পর সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

    প্রেস সচিব বলেন, “প্রধান উপদেষ্টা তার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন—আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধেই অবাধ, সুষ্ঠু এবং উৎসবমুখর পরিবেশে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তিনি স্পষ্ট করেছেন, জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে যে সময়সীমা ঘোষণা করা হয়েছিল, সেই সময়ের মধ্যেই নির্বাচন সম্পন্ন হবে।”

    এসময় বৈঠকে ঐকমত্য কমিশনের প্রধান আলী রীয়াজ জুলাই সনদের অগ্রগতির বিষয়ে নেতাদের অবহিত করেন।

    দুর্গাপূজাকে সামনে রেখে যেন কেউ কোনো অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি না করে সে বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সহযোগিতাও চেয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা।

    জাতীয় পার্টি প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে প্রেস সচিব জানান, এই ইস্যুতে রাজনৈতিক দলগুলোর বক্তব্য মনোযোগ সহকারে শুনেছেন প্রধান উপদেষ্টা।

  • বিএনপি-জামায়াতসহ ৪ দলের সঙ্গে রাতে বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা

    বিএনপি-জামায়াতসহ ৪ দলের সঙ্গে রাতে বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা

    এবিএনএ: রাজধানীর রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে দেশের চলমান সংকট ও আন্দোলন নিয়ে আলোচনার জন্য বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।

    প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে জানানো হয়, মঙ্গলবার রাত ৯টায় এই বৈঠকটি রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে অংশ নেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, জামায়াতের নায়েবে আমীর আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের ও সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ, এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও সদস্য সচিব আখতার হোসেন এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন ও যুগ্ম-মহাসচিব গাজী আতাউর রহমান।

    সূত্র জানায়, বৈঠকে দেশের সর্বশেষ রাজনৈতিক পরিস্থিতি, শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে বিস্তর আলোচনা হয়েছে।

    প্রসঙ্গত, সোমবার রাজধানীর উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমানবাহিনীর যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়ে এখন পর্যন্ত ৩১ জন নিহত এবং ১৬৫ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে অনেকের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

    এই দুর্ঘটনার প্রতিবাদে মঙ্গলবার দিনভর বিক্ষোভ করেন মাইলস্টোন কলেজ ও আশপাশের শিক্ষার্থীরা। ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়ে আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল, শিক্ষা উপদেষ্টা সি আর আবরার ও প্রেস সচিব শফিকুল আলম প্রায় ৯ ঘণ্টা অবরুদ্ধ থাকেন।

    এছাড়াও মাইলস্টোন ও এসএসসিতে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীরা সচিবালয়ের গেটে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ শুরু করে। গেট ভেঙে ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী লাঠিচার্জ করে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এরপর গুলিস্তান ও সচিবালয় এলাকায় উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। সংঘর্ষে সাধারণ মানুষকেও অংশ নিতে দেখা যায়।

    এই পটভূমিতে দেশের স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে এবং ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পদক্ষেপ নির্ধারণে প্রধান উপদেষ্টার এ বৈঠককে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

  • দুই গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে রোডম্যাপ চাইল জামায়াত

    দুই গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে রোডম্যাপ চাইল জামায়াত

    এবিএনএ: 

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান জানিয়েছেন, দেশের বর্তমান রাজনৈতিক অস্থিরতা নিরসনে দুইটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে পরিষ্কার ও বাস্তবসম্মত রোডম্যাপ চেয়েছে তার দল। আজ শনিবার রাতে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

    রাত সাড়ে ৯টার দিকে রাজধানীর সরকারি বাসভবন ‘যমুনা’র সামনে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে জামায়াত আমির বলেন, “আমরা প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক করেছি এবং আমাদের পক্ষ থেকে মূলত দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বিস্তারিত রোডম্যাপ চাওয়া হয়েছে। একটি হলো আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের নির্ধারিত সময়সূচি ও কার্যকরী প্রস্তুতি এবং অন্যটি হলো প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করা।”

    তিনি বলেন, দেশের মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনতে নির্বাচন এবং প্রশাসন—এই দুই ক্ষেত্রেই স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।

    এ বৈঠকে জামায়াতের প্রতিনিধি দলে নেতৃত্ব দেন আমির ডা. শফিকুর রহমান। সঙ্গে ছিলেন নায়েবে আমির সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। তারা রাত ৮টার দিকে যমুনা ভবনে প্রবেশ করেন।

    প্রসঙ্গত, এর আগে সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে একই ভবনে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকে অংশ নেয় বিএনপির একটি প্রতিনিধি দল। বিএনপির প্রতিনিধি দলে ছিলেন ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. আব্দুল মঈন খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও সালাহউদ্দিন আহমদ।

    জামায়াতের পক্ষ থেকে জানানো হয়, দেশের গণতান্ত্রিক ধারা সুসংহত করতে হলে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে নিরপেক্ষ আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান আসতে হবে। সেই লক্ষ্যে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে আলোচনায় অংশ নিয়েছে দলটি।

  • ডিসেম্বরে নির্বাচনের রোডম্যাপ ও উপদেষ্টা পরিষদে পরিবর্তন চায় বিএনপি

    ডিসেম্বরে নির্বাচনের রোডম্যাপ ও উপদেষ্টা পরিষদে পরিবর্তন চায় বিএনপি

    এবিএনএ: 

    ডিসেম্বরে মধ্যে একটি নিরপেক্ষ জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের জন্য পরিষ্কার রোডম্যাপ চেয়ে এবং বিতর্কিত উপদেষ্টাদের বাদ দিয়ে উপদেষ্টা পরিষদের পুনর্গঠনের আহ্বান জানিয়েছে বিএনপি। প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে আলোচনায় এই দুটি বিষয়কে অগ্রাধিকার দিয়েছে দলটি।

    বৈঠক শেষে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, “আমরা প্রধান উপদেষ্টার আমন্ত্রণে এসেছিলাম। আলোচনার জন্য পূর্বে কোনো নির্দিষ্ট এজেন্ডা জানানো হয়নি, তবে আমরা বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির আলোকে একটি লিখিত প্রস্তাবনা নিয়ে এসেছি।”

    তিনি আরও জানান, “গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বিএনপি শুরু থেকেই একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের রূপরেখা দাবি করে আসছে। এ ছাড়া সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ তৈরিতে বিতর্কিত উপদেষ্টাদের বাদ দেওয়া জরুরি।”

    বিএনপি মনে করে, আওয়ামী লীগের শাসনামলে দলটির নেতাকর্মীরা বহুমাত্রিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ড. মোশাররফ বলেন, “বিচারের প্রক্রিয়া অসম্পূর্ণ থাকলে আগামীতে বিএনপি সরকারে গেলে স্বাধীন বিচার ব্যবস্থার মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ বিচার করা হবে।”

    বিএনপির পক্ষ থেকে আরও দাবি করা হয়েছে, নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সকল সংস্কার দ্রুত সম্পন্ন করে ডিসেম্বরের মধ্যেই নির্বাচন আয়োজনের সময়সূচি ঘোষণা করতে হবে।

    স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, “আমরা আমাদের দাবি জানিয়েছি, এখন উনারা প্রেস ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানাবেন বলে আশা করছি।”

    অন্যদিকে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানান, আলোচনার মূল বিষয় ছিল সংস্কার, বিচার ও নির্বাচন। তিনি বলেন, “সব পক্ষ সংস্কার নিয়ে একমত হয়েছে, এটি দ্রুত বাস্তবায়ন সম্ভব।”

    ড. আব্দুল মঈন খান বলেন, “সংস্কার, বিচার ও নির্বাচন – এই তিনটি বিষয় আলাদা। একটির সঙ্গেও অন্যটির সরাসরি সম্পর্ক নেই।”

    এর আগে শনিবার সন্ধ্যায় বিএনপির চার সদস্যের প্রতিনিধিদল রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রবেশ করে। প্রতিনিধি দলে ছিলেন ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. আব্দুল মঈন খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও সালাহউদ্দিন আহমদ।

  • জাতীয় সংকটে ইউনূসের পাশে দাঁড়ালেন নাহিদ ইসলাম — পদত্যাগ না করার আহ্বান

    জাতীয় সংকটে ইউনূসের পাশে দাঁড়ালেন নাহিদ ইসলাম — পদত্যাগ না করার আহ্বান

    এবিএনএ: 

    জাতীয় সংকটময় পরিস্থিতিতে দেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে দায়িত্বে থাকার অনুরোধ জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় দু’জনের মধ্যে এই গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

    বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, এই বৈঠকে নাহিদ ইসলাম দেশের চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতা, সার্বভৌমত্বের চ্যালেঞ্জ এবং অভ্যুত্থানের শঙ্কার প্রেক্ষাপটে ইউনূসের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার অনুরোধ জানান। তিনি বলেন, “এ মুহূর্তে আপনার দায়িত্ব থেকে সরে যাওয়া রাষ্ট্র ও জাতির জন্য নেতিবাচক বার্তা দিতে পারে।”

    সাক্ষাতের বিষয়ে এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব জানান, প্রধান উপদেষ্টাকে শুধু অনুরোধ নয়, বরং একটি দায়িত্বশীল রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে এই সময়ে আরও দৃঢ় থাকার প্রস্তাব দেন নাহিদ ইসলাম।

    উল্লেখ্য, এর আগে ড. ইউনূস তাঁর সঙ্গে থাকা দুই ছাত্র উপদেষ্টাকে সতর্ক করে বলেছিলেন, তাঁরা সংযত না হলে তিনি পদত্যাগ করবেন। যদিও তারা সংযত থাকার প্রতিশ্রুতি দেন। এমনকি বৃহস্পতিবার উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকেও ইউনূস নিজের পদত্যাগের সম্ভাবনার কথা জানান, যা শুনে উপস্থিত উপদেষ্টারা তাকে ওই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার পরামর্শ দেন।

    দেশ এখন এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও জাতীয় ঐক্যের প্রশ্নে এমন এক সময় এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হলো, যখন একটানা নেতৃত্ব ও দূরদর্শী সিদ্ধান্তের প্রয়োজনীয়তা সবচেয়ে বেশি। তাই নাহিদ ইসলামের অনুরোধ অনেকের কাছেই গুরুত্বপূর্ণ বার্তা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।