Tag: রাজনৈতিক খবর

  • বাগেরহাট-১ আসনের ভোট নিয়ে নতুন মোড়: পুনর্গণনার নির্দেশ দিল হাইকোর্ট

    বাগেরহাট-১ আসনের ভোট নিয়ে নতুন মোড়: পুনর্গণনার নির্দেশ দিল হাইকোর্ট

    এবিএনএ: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাগেরহাট-১ (চিতলমারী, ফকিরহাট ও মোল্লাহাট) সংসদীয় আসনের প্রাপ্ত ভোট পুনর্গণনার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। এই আসনের বিএনপির প্রার্থী কপিল কৃষ্ণের করা আবেদনের শুনানি নিয়ে বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) বিচারপতি জাকির হোসেনের একক নির্বাচনি ট্রাইব্যুনাল বেঞ্চ এ নির্দেশ দেন। আদালতে আজ কপিল কৃষ্ণের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট গাজী মোস্তাক ও অ্যাডভোকেট হাসানুল আলম।

    আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেন অ্যাডভোকেট হাসানুল আলম আরো জানান, গত ১২ ফেব্রæয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাগেরহাট-১ ( ফকিরহাট, মোল্লাহাট ও চিতলমারী) আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাওলানা মশিউর রহমান ১ লাখ ১৭ হাজার ৯৬৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্ব›দ্বী বিএনপির প্রার্থী কপিল কৃষ্ণ পান ১ লাখ ১৪ হাজার ৫৯০ ভোট। তিন উপজেলা নিয়ে গঠিত এই আসনটিতে মোট ভোট কেন্দ্র ছিল ১৪৭টি। ভোটের ফল প্রকাশের পর ওই আসনের ১৫, ১৭, ২১, ২২, ২৫, ২৬, ২৭, ১১৬, ১১৭, ১২৮ ও ১৩৫ নম্বর কেন্দ্রের ঘোষিত ফলাফল নিয়ে আপত্তি তুলে নির্বাচন কমিশন সংক্রান্ত বিভিন্ন দপ্তরে যান বিএনপির প্রার্থী। প্রতিকার না পেয়ে তিনি হাইকোর্টের নির্বাচনি ট্রাইব্যুনালে ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ করে আবেদন করেন। ওই আবেদনের শুনানি নিয়ে আদালত (আজ) ভোট পুনর্গণনার আদেশ দেন।

    ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে বাগেরহাটের চারটি সংসদীয় আসনের মধ্যে তিনটিতেই জয় পায় জামায়াতের প্রার্থীরা। এরমধ্যে বাগেরহাট-৩ (রামপাল-মোংলা) আসনে বিএনপির ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম ধানের শীষ প্রতীকে বিজয়ী হন।

     

  • দলীয় শৃঙ্খলা ভাঙায় বাগেরহাটে বিএনপির ৬ নেতা বহিষ্কার

    দলীয় শৃঙ্খলা ভাঙায় বাগেরহাটে বিএনপির ৬ নেতা বহিষ্কার

    এবিএনএ: দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য ও সংগঠনবিরোধী কার্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগে বাগেরহাট জেলার ছয়জন নেতাকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এ ঘটনায় স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা ও প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।

    মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই বহিষ্কারের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বহিষ্কৃত নেতারা দলীয় নীতি, আদর্শ ও শৃঙ্খলার পরিপন্থি কর্মকাণ্ডে যুক্ত ছিলেন। এজন্য তাদের বিএনপির প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব ধরনের পদ-পদবি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

    বহিষ্কৃত নেতারা হলেন— জেলা বিএনপির সদস্য অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান আসাদ এবং মেহেবুবুল হক কিশোর। এছাড়া বাগেরহাট পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য মাহবুবুর রহমান টুটুল, ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য শেখ রফিকুল ইসলাম, ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য রনি মিনা এবং যাত্রাপুর ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য শেখ সোহেল হোসেন।

    দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষায় ভবিষ্যতেও এ ধরনের সিদ্ধান্ত অব্যাহত থাকবে বলে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

  • কলকাতা থেকে গোপন বাসায় ফেরানো হলো ওবায়দুল কাদেরকে—কেমন আছে তাঁর শারীরিক অবস্থা?

    কলকাতা থেকে গোপন বাসায় ফেরানো হলো ওবায়দুল কাদেরকে—কেমন আছে তাঁর শারীরিক অবস্থা?

    এবিএনএ: জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর ক্ষমতাচ্যুত হয়ে ভারতে আশ্রয় নেওয়া নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের শারীরিক অবস্থা নিয়ে নতুন তথ্য জানা গেছে। বয়সজনিত নানা জটিলতায় ভোগা এই রাজনৈতিক নেতাকে সম্প্রতি কলকাতার অ্যাপোলো হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হলেও বর্তমানে তিনি হাসপাতালে নেই।

    সোমবার দুপুরে তাকে অ্যাপোলো হাসপাতাল থেকে কলকাতার নিউটাউনের একটি গোপন বাসায় নিয়ে যাওয়া হয় বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে। জানা গেছে, হাসপাতালে থাকার সময় তিনি স্বস্তিবোধ করছিলেন না। সে কারণে চিকিৎসকদের পরামর্শে বাসায় রেখেই চিকিৎসা চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    সূত্র অনুযায়ী, গত বৃহস্পতিবার গভীর রাতে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় কাদেরকে ইএম বাইপাস সংলগ্ন অ্যাপোলো হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে ভেন্টিলেশন সাপোর্টেও রাখা হয়েছিল। কয়েকদিনের চিকিৎসায় শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলে সোমবার তাকে হাসপাতাল থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়।

    জানা গেছে, নিউটাউনের বাসায় থাকাকালীনও তাকে নিয়মিত অক্সিজেন দেওয়া হচ্ছিল। হঠাৎ শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটায় দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়। বর্তমানে বাসায় প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

    উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর আত্মগোপনে থাকার দাবি করেছিলেন ওবায়দুল কাদের। পরবর্তীতে একই বছরের নভেম্বরে তিনি ভারতে চলে যান বলে এক সাক্ষাৎকারে জানান।

  • খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যে স্বস্তির বার্তা: আগের চেয়ে স্থিতিশীল অবস্থায় বিএনপি চেয়ারপারসন

    খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যে স্বস্তির বার্তা: আগের চেয়ে স্থিতিশীল অবস্থায় বিএনপি চেয়ারপারসন

    এবিএনএ: সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা বর্তমানে আগের চেয়ে স্থিতিশীল রয়েছে বলে জানিয়েছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। তিনি জানান, গত এক মাসের চিকিৎসা পর্যবেক্ষণে তার অবস্থার কোনো অবনতি হয়নি।

    শুক্রবার সন্ধ্যায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ডা. জাহিদ বলেন, ২৩ নভেম্বর থেকে বেগম খালেদা জিয়া এই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। দেশি ও বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে গঠিত মেডিকেল বোর্ডের তত্ত্বাবধানে তার চিকিৎসা চলছে।

    তিনি আরও জানান, শুক্রবার তার শরীরে একটি ছোট চিকিৎসা প্রক্রিয়া (প্রসিডিউর) সম্পন্ন করা হয়েছে, যা তিনি সফলভাবে গ্রহণ করেছেন। বর্তমানে তিনি ক্রিটিক্যাল কেয়ার সুবিধাসম্পন্ন একটি কেবিনে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

    খালেদা জিয়ার সামগ্রিক স্বাস্থ্যের বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে ডা. জাহিদ বলেন, তার বর্তমান অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে এবং নতুন করে কোনো জটিলতা দেখা দেয়নি। তিনি দেশবাসীর কাছে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান ও পরিবারের পক্ষ থেকে দোয়া কামনা করেন, যেন এই স্থিতিশীল অবস্থা আরও উন্নতির দিকে এগিয়ে যায়।

  • নির্বাচন নিয়ে ভারতের পরামর্শ মানবে না ঢাকা, কড়া বার্তা পররাষ্ট্র উপদেষ্টার

    নির্বাচন নিয়ে ভারতের পরামর্শ মানবে না ঢাকা, কড়া বার্তা পররাষ্ট্র উপদেষ্টার

    এবিএনএ: বাংলাদেশের আসন্ন নির্বাচন নিয়ে ভারতের দেওয়া পরামর্শকে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন। তার ভাষায়, বাংলাদেশ এখন একটি ভালো নির্বাচনের দিকেই অগ্রসর হচ্ছে, এ বিষয়ে ভারতের নসিহতের কোনো প্রয়োজন নেই।

    বুধবার বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। এর কয়েক ঘণ্টা আগেই নয়াদিল্লিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার এম রিয়াজ হামিদুল্লাহকে তলব করে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, যা নিয়ে কূটনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়।

    ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত বিবৃতিতে বাংলাদেশে আসন্ন নির্বাচন এবং নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগের কথা বলা হয়। সেখানে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অবাধ, সুষ্ঠু, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের আহ্বান জানানো হয়।

    এ প্রসঙ্গে তৌহিদ হোসেন বলেন, গত দেড় দশকে নির্বাচন নিয়ে ভারতের এমন বক্তব্য আগে দেখা যায়নি। এখন হঠাৎ করে দেওয়া এই পরামর্শ বাংলাদেশ গ্রহণ করতে আগ্রহী নয়। তিনি আরও বলেন, ভারত চাইলে শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার বন্ধ করতে পারে। কারণ, তিনি ভারতে অবস্থান করেই গণমাধ্যমে কথা বলে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছেন।

    বাংলাদেশে অবস্থানরত বিদেশি মিশনগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে ভারতের আহ্বানের প্রসঙ্গে উপদেষ্টা জানান, ভারতীয় হাইকমিশনের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে। কোনো কর্মসূচি থাকায় আগে থেকেই সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

    এদিকে বাংলাদেশের বিজয় দিবসে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দেওয়া একটি পোস্ট নিয়েও সাম্প্রতিক বিতর্কের কথা উঠে আসে। তৌহিদ হোসেন বলেন, ভারত প্রায়ই মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশের ভূমিকা খাটো করে উপস্থাপন করে। অথচ মুক্তিযোদ্ধাদের সহায়তা ছাড়া ভারতের পক্ষে দ্রুত বিজয় অর্জন সম্ভব হতো না।

    তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের হাইকমিশনারকে তলব করা অস্বাভাবিক কিছু নয়। দুই দেশই প্রয়োজনে একে অপরের কূটনীতিকদের ডাকে। অন্তর্বর্তী সরকারের শুরু থেকেই ভারতের সঙ্গে কিছুটা টানাপোড়েন থাকলেও বাংলাদেশ বরাবরই কার্যকর ও বাস্তবভিত্তিক সম্পর্ক বজায় রাখতে চেয়েছে।

    তারেক রহমানের দেশে ফেরার বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা জানান, মঙ্গলবার পর্যন্ত তিনি কোনো ট্রাভেল ডকুমেন্ট চাননি। পাসপোর্টের মাধ্যমে দেশে ফিরলে বিষয়টি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নজরে আসবে।

  • ইশরাক হোসেনের শপথ নিয়ে সিদ্ধান্তের দ্বারপ্রান্তে ইসি, আদেশের কপি হাতে পেল কমিশন

    ইশরাক হোসেনের শপথ নিয়ে সিদ্ধান্তের দ্বারপ্রান্তে ইসি, আদেশের কপি হাতে পেল কমিশন

    এবিএনএ, ঢাকা:

    ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র পদে বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেনের শপথ গ্রহণ প্রসঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হয়েছে। আজ সন্ধ্যায় নির্বাচন কমিশন (ইসি) আদালতের দেওয়া আদেশের অনুলিপি হাতে পেয়েছে। এই আদেশ পর্যালোচনা করে আগামীকাল (রবিবার) কমিশনে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে, যেখানে শপথ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।

    নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, “আদালতের আদেশের অনুলিপি আমরা হাতে পেয়েছি। পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারণে কমিশনে আলোচনা হবে।”

    এর আগে বিকেলে আখতার আহমেদ সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, “ইশরাক হোসেনের বিষয়েও আদালতের নির্দেশনা পাওয়া গেলে তা অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

    ইসি সূত্রে জানা গেছে, কালকের বৈঠকে আদেশের সারসংক্ষেপ ও আইনি দিক বিবেচনা করে গেজেট প্রকাশ, শপথ গ্রহণসহ আনুষঙ্গিক বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

    এর আগে, ২৯ মে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ এক আবেদনের নিষ্পত্তি করে ইশরাক হোসেনের শপথ নিতে আর বাধা নেই বলে পর্যবেক্ষণ দেয়। আদালত স্পষ্টভাবে জানায়, এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব পালনে গাফিলতি রয়েছে।

    শীর্ষ আদালত আরও বলেছে, সংবিধান অনুযায়ী ইসি স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারলেও তারা আইন মন্ত্রণালয়ের মতামত চেয়েছে, যা তাদের সাংবিধানিক ক্ষমতার ব্যত্যয়। বরং সংবিধানের বিধান অনুযায়ী আইন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব ছিল ইসিকে সহযোগিতা করা, বাধা নয়।

    সবমিলিয়ে, আদালতের রায়ের আলোকে এখন সবার নজর ইসির আগামী দিনের পদক্ষেপের দিকে। ইশরাক হোসেন কবে নাগাদ শপথ নিতে পারবেন, সে বিষয়ে সম্ভাব্য ঘোষণা আসতে পারে আগামীকাল।

  • এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে দেশে ফিরছেন খালেদা জিয়া

    এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে দেশে ফিরছেন খালেদা জিয়া

    এবিএনএ:  চার মাস চিকিৎসা শেষে বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া অবশেষে দেশে ফিরছেন, তবে সাধারণ যাত্রীবাহী বিমানে নয়—তিনি ফিরছেন কাতারের আমিরের বিশেষভাবে পাঠানো এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে।

    আগামী ৫ মে, সোমবার, তিনি লন্ডন থেকে ঢাকায় পৌঁছাবেন বলে নিশ্চিত করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আজ শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান তিনি।

    প্রাথমিকভাবে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের সাধারণ ফ্লাইটে তার ফেরার পরিকল্পনা থাকলেও, শেষ মুহূর্তে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করা হয়। এখন তিনি কাতারের রয়েল এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে দেশে ফিরছেন, সঙ্গে থাকবেন তার দুই পুত্রবধূও।

    মির্জা ফখরুল জানান, “বিএনপি চেয়ারপারসনের আগমনে নেতাকর্মীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ কাজ করছে। তাঁকে অভ্যর্থনা জানাতে সবাই প্রস্তুত।”

    তাঁর আরামের জন্য এবং ট্রাফিক চাপ এড়াতে বিমানবন্দর থেকে কাকলী পর্যন্ত রাস্তা এড়িয়ে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবহারের জন্য সাধারণ জনগণকে আহ্বান জানান তিনি।

    তিনি আরও বলেন, গত চার মাস ধরে বেগম জিয়া যুক্তরাজ্যের এক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন এবং পরবর্তীতে তারেক রহমানের বাসায় চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে থেকে ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে ওঠেন।

    ভালো পরিবেশ, পরিবারের সান্নিধ্য এবং উন্নত চিকিৎসার ফলে তাঁর শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে বলেও জানান ফখরুল। এ কারণেই তিনি দেশে ফিরে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

    বিএনপি চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইং সদস্য শায়রুল কবির খান জানান, “ম্যাডাম সোমবার কাতারের আমিরের পাঠানো এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে দেশে ফিরবেন। তবে নির্দিষ্ট সময় এখনো চূড়ান্ত হয়নি।”