Tag: রমজান বাজার

  • রমজান এলেই ফলের বাজারে আগুন! ১০ দিনেই আকাশছোঁয়া দাম, নাভিশ্বাস সাধারণ মানুষের

    রমজান এলেই ফলের বাজারে আগুন! ১০ দিনেই আকাশছোঁয়া দাম, নাভিশ্বাস সাধারণ মানুষের

    এবিএনএ: রমজান সামনে রেখে রাজধানীর ফলের বাজারে হঠাৎ করেই মূল্যবৃদ্ধির ঝাঁজ দেখা দিয়েছে। যে ফলগুলো কয়েক দিন আগেও তুলনামূলক নাগালের মধ্যে ছিল, চাহিদা বাড়ার সুযোগ নিয়ে সেগুলোর দাম লাফিয়ে উঠেছে। খেজুর, আঙুর, আপেল ও আনার—ইফতারের জনপ্রিয় এই উপকরণগুলো কিনতে গিয়ে এখন ক্রেতাদের গুনতে হচ্ছে বাড়তি টাকা।

    শুক্রবার সকালে খিলগাঁও তালতলা বাজার ঘুরে দেখা যায়, বাজারে ভিড় তুলনামূলক কম হলেও ক্রেতাদের মুখে হতাশা স্পষ্ট। অনেকে দাম শুনে প্রয়োজনের চেয়ে কম কিনছেন। খুচরা বাজারে মেডজুল খেজুর, মরিয়ম, কালমী ও সুকারীসহ বিভিন্ন ধরনের খেজুরের দাম উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। পাশাপাশি আনার, কালো ও সবুজ আঙুর, গ্রিন আপেল, ফুজি আপেল, নাশপাতি ও কমলার দামও চড়া।

    দেশি ফলের ক্ষেত্রেও স্বস্তি নেই। পেঁপে, বরই, পেয়ারা ও বেলের দাম রমজান উপলক্ষে আগের তুলনায় বেড়েছে বলে জানান ক্রেতারা। কলার বিভিন্ন জাতের দামও ঊর্ধ্বমুখী। অনেকের অভিযোগ, প্রতি বছর রোজা এলেই ফলের বাজারে অতি মুনাফার প্রবণতা দেখা যায়।

    ক্রেতারা বলছেন, মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে নির্দিষ্ট কিছু ফলের দাম ৩০–৪০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে গেছে, যা মধ্যবিত্ত ও নিম্নআয়ের পরিবারের বাজেটে বাড়তি চাপ তৈরি করছে। কেউ কেউ আমদানি ফলের দাম বৃদ্ধির পাশাপাশি বাজারে নজরদারির ঘাটতিকে দায়ী করছেন।

    অন্যদিকে বিক্রেতাদের ভাষ্য, পাইকারি বাজারে দামের ওঠানামা, আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি এবং রমজানে চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় খুচরা দামে প্রভাব পড়ছে। নষ্ট হওয়া ফলের ক্ষতি পোষাতেও তারা দাম কিছুটা বাড়াতে বাধ্য হন বলে দাবি করেন ব্যবসায়ীরা। ক্রেতা ও বিক্রেতা—উভয় পক্ষের এই টানাপোড়েনে নিয়ন্ত্রণমূলক নজরদারি জোরদারের দাবি উঠেছে বাজারে।

  • রমজানে ভোজ্যতেলের বাজারে স্বস্তি: কৃত্রিম সংকট ঠেকাতে আসছে পৌনে ৩ কোটি লিটার সয়াবিন

    রমজানে ভোজ্যতেলের বাজারে স্বস্তি: কৃত্রিম সংকট ঠেকাতে আসছে পৌনে ৩ কোটি লিটার সয়াবিন

    এবিএনএ: পবিত্র রমজান মাসকে সামনে রেখে ভোজ্যতেলের কৃত্রিম সংকট রোধ ও বাজার স্থিতিশীল রাখতে বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আন্তর্জাতিকভাবে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে (ডিপিএম) কানাডার একটি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে প্রায় পৌনে ৩ কোটি লিটার পরিশোধিত সয়াবিন তেল আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

    বুধবার (২১ জানুয়ারি) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।

    বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাব অনুযায়ী, ২ কোটি ৭১ লাখ ৫০ হাজার লিটার পরিশোধিত সয়াবিন তেল আমদানি করা হবে। এতে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৫৭ কোটি ৬২ হাজার ১০০ টাকা। টিসিবির গুদাম পর্যন্ত সব খরচ যোগ করে প্রতি লিটার সয়াবিন তেলের দাম দাঁড়াবে ১৬৩ টাকা ৬ পয়সা।

    সূত্র জানায়, কানাডার এনএসআরআইসি গ্রিন সাপ্লাইস ইনকরপোরেটেড (উৎস দেশ ব্রাজিল) থেকে এই তেল সংগ্রহ করা হবে। চট্টগ্রাম বন্দর পর্যন্ত দুই লিটার পেট বোতলে প্রতি লিটার তেলের মূল্য ধরা হয়েছে ১৩১ টাকা ৪৯ পয়সা।

    সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এই সয়াবিন তেল খোলাবাজারে সরকার নির্ধারিত মূল্যের তুলনায় কম দামে বিক্রি করা হবে। ফলে এ খাতে সরকারের কোনো ভর্তুকির প্রয়োজন হবে না বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।

    এর আগে চলতি মাসের ৬ জানুয়ারি থাইল্যান্ডের একটি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে আরও ১ কোটি ৩৫ লাখ ৭৫ হাজার লিটার সয়াবিন তেল আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল, যার লিটারপ্রতি মূল্য ছিল ১৬২ টাকা ৬৩ পয়সা।