Tag: রকেট

  • ভোগান্তির অবসান: ৪ দিন পর খুলে গেল এমএফএস ও ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ের লেনদেনের তালা

    ভোগান্তির অবসান: ৪ দিন পর খুলে গেল এমএফএস ও ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ের লেনদেনের তালা

    এবিএনএ: জাতীয় নির্বাচনে অর্থের অপব্যবহার ঠেকাতে সাময়িকভাবে সীমিত করা মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) ও ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ের লেনদেন অবশেষে স্বাভাবিক হয়েছে। চার দিনের বিধিনিষেধ শেষে বৃহস্পতিবার রাত ১২টা থেকে সব ধরনের লেনদেনে আগের নিয়ম কার্যকর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা প্রত্যাহারের পর মধ্যরাত থেকেই গ্রাহকেরা পূর্বের সীমা অনুযায়ী লেনদেন করতে পারছেন। এতে বিকাশ, নগদরকেট-এর মতো এমএফএস প্ল্যাটফর্মে টাকা পাঠানো ও গ্রহণের প্রক্রিয়া আগের ছন্দে ফিরেছে। বিধিনিষেধ চলাকালে প্রতিবার এক হাজার টাকার বেশি পাঠানো যাচ্ছিল না এবং দিনে সর্বোচ্চ ১০ বার লেনদেনের সীমা থাকায় অনেক গ্রাহক প্রয়োজনীয় লেনদেনে পড়েছিলেন সমস্যায়।

    গত রোববার রাতে নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এসব ডিজিটাল সেবায় নিয়ন্ত্রণ আরোপের ঘোষণা দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ ছিল, ব্যক্তি থেকে ব্যক্তি লেনদেনের ক্ষেত্রে এমএফএস ও আইবিএফটি ব্যবস্থার অপব্যবহার ঠেকাতেই এই সিদ্ধান্ত। ফলে নির্ধারিত ৯৬ ঘণ্টা সময়জুড়ে পিটুপি লেনদেনের অঙ্ক ও সংখ্যা সীমিত রাখা হয় এবং ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ব্যক্তি থেকে ব্যক্তি লেনদেন সাময়িকভাবে বন্ধ ছিল।

    তবে এই সময়ে মার্চেন্ট পেমেন্ট ও ইউটিলিটি বিল পরিশোধের মতো সেবাগুলো স্বাভাবিক নিয়মেই চালু রাখা হয়েছিল। বিধিনিষেধ উঠে যাওয়ায় ব্যবসায়ী ও সাধারণ গ্রাহকেরা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ভবিষ্যতে এমন সিদ্ধান্তের আগে গ্রাহকদের আগাম জানালে ভোগান্তি কমবে।

  • ভোটের আগেই কড়াকড়ি! ৯৬ ঘণ্টা বিকাশ–নগদ–রকেটে লেনদেনের নতুন সীমা, কী কী বন্ধ থাকছে?

    ভোটের আগেই কড়াকড়ি! ৯৬ ঘণ্টা বিকাশ–নগদ–রকেটে লেনদেনের নতুন সীমা, কী কী বন্ধ থাকছে?

    এবিএনএ: আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মোবাইল ব্যাংকিং লেনদেনে সাময়িক কড়াকড়ি আরোপ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী বিকাশ, নগদ ও রকেটসহ সব মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসে (এমএফএস) ব্যক্তি পর্যায়ের পি-টু-পি লেনদেন নির্দিষ্ট সময়ের জন্য সীমিত থাকবে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেমস ডিপার্টমেন্ট থেকে জানানো হয়, সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাত ১২টা থেকে বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত মোট ৯৬ ঘণ্টা এই বিধিনিষেধ কার্যকর থাকবে। এ সময়ে প্রতিবার লেনদেনের সর্বোচ্চ পরিমাণ হবে ১,০০০ টাকা এবং দিনে সর্বোচ্চ ১০ বার লেনদেন করা যাবে। ফলে একদিনে মোট লেনদেনের সীমা দাঁড়াবে সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ভাষ্য, নির্বাচনী সময়ে পি-টু-পি লেনদেনের অপব্যবহার ঠেকাতেই এই উদ্যোগ। একই সময়ে এমএফএস ও এনপিএসবি’র আওতাধীন আইবিএফটি ব্যবস্থায় ব্যক্তি থেকে ব্যক্তিতে ইন্টারনেট ব্যাংকিং লেনদেন সাময়িকভাবে বন্ধ থাকবে।

    তবে মার্চেন্ট পেমেন্ট ও ইউটিলিটি বিল পরিশোধের ক্ষেত্রে প্রচলিত নিয়মে স্বাভাবিক লেনদেন চালু থাকবে। নির্ধারিত ৯৬ ঘণ্টায় অন্যান্য অনেক ধরনের এমএফএস লেনদেন সাময়িকভাবে স্থগিত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

    বর্তমানে একজন গ্রাহক দিনে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা এবং মাসে সর্বোচ্চ তিন লাখ টাকা পর্যন্ত লেনদেন করতে পারেন। কিন্তু নির্বাচনী সময়ে এই সীমা সাময়িকভাবে কমিয়ে আনা হলো।

    এছাড়া নির্বাচন উপলক্ষে এমএফএস সংক্রান্ত অভিযোগ গ্রহণ ও দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য প্রতিটি মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস প্রোভাইডারকে নিজস্ব কুইক রেসপন্স সেল গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। লেনদেন সার্বক্ষণিক নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখতে হবে এবং সন্দেহজনক বা অস্বাভাবিক লেনদেন শনাক্ত হলে তা দ্রুত সংশ্লিষ্ট থানায় জানাতে হবে।

    নির্বাচন কমিশন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রয়োজন অনুযায়ী এমএফএস প্রোভাইডার ও ব্যাংকগুলোকে সব ধরনের সহযোগিতা প্রদানের কথাও নির্দেশনায় উল্লেখ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।