Tag: যুক্তরাষ্ট্র সংবাদ

  • এক বছরে রেকর্ড ৮৫ হাজার মার্কিন ভিসা বাতিল: আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের উদ্বেগ বেড়েছে

    এক বছরে রেকর্ড ৮৫ হাজার মার্কিন ভিসা বাতিল: আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের উদ্বেগ বেড়েছে

    এবিএনএ: চলতি বছরে যুক্তরাষ্ট্রে ভিসা নীতি আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় কঠোর হয়েছে। মার্কিন প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে মোট ৮৫ হাজারেরও বেশি ভিসা বাতিল করা হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য অংশ স্টুডেন্ট ভিসা, যা আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের মধ্যে বড় ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে।

    গত সোমবার মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানায়, গত বছরের তুলনায় ভিসা বাতিলের সংখ্যা এবার দ্বিগুণ হয়েছে। এ সময়ের মধ্যে অন্তত আট হাজার শিক্ষার্থীকে দেওয়া ভিসা বাতিল করা হয়েছে, যা উচ্চশিক্ষার জন্য যুক্তরাষ্ট্রমুখী তরুণদের জন্য অস্বস্তিকর বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

    পররাষ্ট্র দপ্তরের এক কর্মকর্তার বরাতে আরও জানানো হয়, গত এক বছরে যেসব ভিসা বাতিল করা হয়েছে তার প্রায় অর্ধেকের পেছনে রয়েছে মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানো, হামলা বা চুরির মতো অপরাধের অভিযোগ। তবে অবশিষ্ট ভিসা বাতিলের কারণ বিস্তারিতভাবে প্রকাশ করা হয়নি।

    অতিরিক্তভাবে, মেয়াদোত্তীর্ণ ভিসা থাকা, নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকি অথবা ‘সন্ত্রাসে সমর্থন’–সংক্রান্ত অভিযোগও কিছু ভিসা বাতিলের কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছে মার্কিন প্রশাসন।

    নতুন এই কঠোর নীতি আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য আরও বাড়তি চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে, বিশেষ করে যারা যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষার পরিকল্পনা করছেন।

  • বাইডেনকে ‘স্লিপি জো’ খেতাব দেওয়ার পর বৈঠকেই ট্রাম্পের চোখজুড়ানো ঘুমন্ত অবস্থা

    বাইডেনকে ‘স্লিপি জো’ খেতাব দেওয়ার পর বৈঠকেই ট্রাম্পের চোখজুড়ানো ঘুমন্ত অবস্থা

    এবিএনএ: সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ঠাট্টা করে ‘স্লিপি জো’ বলার পরপরই নিজেই বৈঠকে তন্দ্রাচ্ছন্ন হয়ে পড়েন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত দীর্ঘ সময়ের মন্ত্রিসভার সভায় একাধিকবার তার চোখ ঝাপসা হয়ে আসতে দেখা যায়, এমনটাই জানিয়েছে সিএনএন।

    ২ ঘণ্টা ১৭ মিনিটের বৈঠকে ট্রাম্প কয়েক দফা মনোযোগ হারান বলে ধারণা করা হচ্ছে। মন্ত্রিসভার বিভিন্ন সদস্য যখন তার প্রশংসা করে বক্তব্য দিচ্ছিলেন, তখন ট্রাম্পকে বারবার চোখ বন্ধ করে থাকতে দেখা যায়। ক্যামেরায় ধরা পড়ে—চেয়ারে হেলান দিয়ে আধবোজা চোখে বসে আছেন তিনি, কখনও চোখ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।

    সভায় উপস্থিত টেলিভিশন ক্যামেরা পুরো সময়ই ট্রাম্পকে ফোকাস করে রেখেছিল। ফলে তার প্রতিটি ভঙ্গিই স্পষ্টভাবে ধরা পড়ে। ক্যাবিনেট সদস্যদের দীর্ঘ বক্তব্য চলাকালীন ট্রাম্পের বারবার তন্দ্রায় ঢলে পড়ার বিষয়টি দ্রুত আলোচনায় ওঠে আসে।

    বৈঠকের শুরুতেই বাইডেনকে উদ্দেশ্য করে ট্রাম্প বলেন, “স্লিপি জো সত্যিই ঘুমকাতুরে।” এরপরই নিজের চাঙাভাব নিয়ে মন্তব্য করে তিনি দাবি করেন, “আজ আমি ২৫ বছর আগের চেয়েও বেশি উদ্যমী।” তবে বৈঠকে তার আচরণ সেই দাবির সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলেই প্রতীয়মান হয়।

  • অভিবাসন নীতিতে বড় পরিবর্তনের ঘোষণা ট্রাম্পের: তৃতীয় বিশ্বের দেশ থেকে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার ইঙ্গিত

    অভিবাসন নীতিতে বড় পরিবর্তনের ঘোষণা ট্রাম্পের: তৃতীয় বিশ্বের দেশ থেকে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার ইঙ্গিত

    এবিএনএ: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও অভিবাসন নীতিতে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলো থেকে যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন স্থায়ীভাবে বন্ধ করা হতে পারে। শুধু তাই নয়, যারা এখনো মার্কিন নাগরিকত্ব লাভ করেনি, তাদের জন্য ফেডারেল সুবিধা ও সরকারি ভর্তুকি বন্ধ করে দেওয়ার পরিকল্পনাতেও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।

    ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান জানিয়েছে, স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে পোস্ট দিয়ে ট্রাম্প এসব মন্তব্য করেন। তবে কীভাবে এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা হবে বা কোন প্রক্রিয়ায় তা বাস্তবায়িত হবে— সে বিষয়ে কোনো বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেননি তিনি। ট্রাম্পের পূর্বে করা একই ধরনের নিষেধাজ্ঞার সিদ্ধান্ত আদালত এবং কংগ্রেসে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছিল।

    এর আগে হোয়াইট হাউসের নিকটবর্তী এলাকায় ন্যাশনাল গার্ডের সদস্যদের লক্ষ্য করে গুলির ঘটনা ঘটে। সেই ঘটনার পরই অভিবাসন স্থগিতের বিষয়ে নতুন বার্তা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। সিএনবিসি জানায়, তাঁর পোস্টে তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলো কোনগুলো তা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়নি। সাধারণ ধারণায় ‘তৃতীয় বিশ্ব’ বলতে দরিদ্র, অস্থিতিশীল ও কম মানব উন্নয়ন সূচকসম্পন্ন দেশগুলোকে বোঝানো হয়।

    ওয়ার্ল্ড পপুলেশন রিভিউয়ের তথ্য অনুযায়ী, মানব উন্নয়ন সূচকে সবচেয়ে নিচের অবস্থানে রয়েছে দক্ষিণ সুদান, সোমালিয়া, সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক, চাদ ও নাইজার। এ তালিকায় উন্নয়ন সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ১৩০তম, জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) ২০২৫ সালের প্রতিবেদনে এমন তথ্য উঠে এসেছে।

    হোয়াইট হাউসের ঘটনার পর আটক হয়েছেন একজন আফগান নাগরিক। এ ঘটনা যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসীদের নিরাপত্তা ও নীতিমালা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি করেছে। বিশেষ করে ২০২১ সালে বিশেষ সুবিধায় দেশে প্রবেশ করা আফগান নাগরিকদের অভিবাসন আবেদনও ইতোমধ্যে স্থগিত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার ট্রাম্প জানান, “যারা আমাদের দেশের জন্য কল্যাণকর নয়, তাদের দেশ ছাড়তে হবে।”

    গ্রিন কার্ড পুনর্বিবেচনায় ১৯ দেশ
    বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসন ১৯টি দেশের নাগরিকদের দেওয়া গ্রিন কার্ডগুলো পুনরায় কঠোরভাবে পর্যালোচনা করবে। যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ও অভিবাসন পরিষেবার প্রধান জোসেফ এডলো জানিয়েছেন, উদ্বেগজনক দেশগুলোর নাগরিকদের গ্রিন কার্ড যাচাই করতে প্রেসিডেন্ট বিশেষ নির্দেশ দিয়েছেন।

    অভিবাসন পরিষেবা জানিয়েছে, গত জুনে হোয়াইট হাউসের এক ঘোষণায় যে দেশগুলোর নাম উল্লেখ ছিল, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে আফগানিস্তান, কিউবা, হাইতি, ইরান, সোমালিয়া ও ভেনেজুয়েলা।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ ধরনের পদক্ষেপ শুধু রাজনৈতিক নয়, আন্তর্জাতিক কূটনীতিতেও বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। তবে ট্রাম্পের সমর্থকরা মনে করছেন, এটি যুক্তরাষ্ট্রের সীমান্ত নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য প্রয়োজনীয় একটি পদক্ষেপ।

  • হোয়াইট হাউসের পাশেই গুলিবর্ষণ, আফগান নাগরিক আটক—স্থগিত সব অভিবাসন প্রক্রিয়া!

    হোয়াইট হাউসের পাশেই গুলিবর্ষণ, আফগান নাগরিক আটক—স্থগিত সব অভিবাসন প্রক্রিয়া!

    এবিএনএ: যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে হোয়াইট হাউসের কয়েক ব্লক দূরে ঘটে গেলো গুলির ভয়াবহ ঘটনা। স্থানীয় সময় বুধবার দুপুরে ফ্যারাগাট ওয়েস্ট মেট্রো স্টেশনের কাছে এক সশস্ত্র ব্যক্তি গুলি চালালে ন্যাশনাল গার্ডের দু’জন সদস্য আহত হন। দ্রুতই ঘটনাস্থলে থাকা নিরাপত্তা বাহিনী হামলাকারীকে আটক করে। হামলাকারীর পরিচয় নিশ্চিত হয়েছে আফগান নাগরিক হিসেবে।

    প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ ঘটনায় কঠোর নিন্দা জানিয়ে জানিয়েছেন, আটক হামলাকারী রাহমানুল্লাহ লাখানওয়াল ২০২১ সালে আফগানিস্তান থেকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেন। তার বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি আফগানিস্তান থেকে আগত সব অভিবাসীর বসবাসের আবেদন পুনর্মূল্যায়ন করারও নির্দেশ দেন তিনি।

    ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনার পর থেকে সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে সব আফগান নাগরিকের অভিবাসন প্রক্রিয়া। যদিও হামলাকারীর অভিবাসন স্ট্যাটাস এখনো পরিষ্কার নয়, তবু তার নাম নিশ্চিত করা হয়েছে—রাহমানুল্লাহ লাখানওয়াল।

    ঘটনা ঘটার সময় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ফ্লোরিডায় অবস্থান করছিলেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে তিনি ওয়াশিংটন ডিসিতে ন্যাশনাল গার্ডের অতিরিক্ত ৫০০ সদস্য মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছেন। আগে থেকেই ২ হাজার নিরাপত্তা সদস্য মোতায়েন ছিল, যা নিয়ে বিতর্ক চলছিল।

    নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গুলি করার পর হামলাকারী নিজেও আহত হন এবং তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। ফ্যারাগাট ওয়েস্ট মেট্রো স্টেশন থেকে হোয়াইট হাউসের দূরত্ব মাত্র কয়েক ব্লক, যা ঘটনার গুরুত্ব আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

    শহরের মেয়র একে ‘টার্গেটেড শুটিং’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেছেন, এটি কোনো এলোমেলো হামলা নয়—বরং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। পুরো এলাকা ঘিরে ফেলেছে নিরাপত্তা বাহিনী, বাড়ানো হয়েছে উচ্চ সতর্কতা।

    ঘটনার পর দেশজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন নীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকেরা।

  • আলাস্কায় ট্রাম্প-পুতিন বৈঠক: দুই মিনিটে ‘মনোযুদ্ধ’ নাকি কূটনৈতিক ফাঁদ?

    আলাস্কায় ট্রাম্প-পুতিন বৈঠক: দুই মিনিটে ‘মনোযুদ্ধ’ নাকি কূটনৈতিক ফাঁদ?

    এবিএনএ:  আগামী শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কায় বসছে বহুল আলোচিত ট্রাম্প-পুতিন বৈঠক, যা রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাবি, আলোচনার প্রথম দুই মিনিটেই তিনি বুঝে ফেলতে চান পুতিনের আসল পরিকল্পনা। যদি মনে হয় সমঝোতার সুযোগ নেই, তবে তিনি আলোচনা মাঝপথেই থামিয়ে দিতে প্রস্তুত।

    এদিকে রিপাবলিকান দলের কিছু নেতার আশঙ্কা, পুতিন হয়তো দীর্ঘ আলোচনা টেনে ট্রাম্পকে নিজের পক্ষে আনার চেষ্টা করবেন। বিশেষ করে রাশিয়ার বিজয়ের শর্তগুলোতে ট্রাম্পকে রাজি করাতে কৌশলী মনস্তাত্ত্বিক খেলা খেলতে পারেন তিনি। এই বৈঠক হতে যাচ্ছে এমন এক জায়গায়—আলাস্কা—যেটি ১৮৬৭ সালে রাশিয়া ৭২ লাখ মার্কিন ডলারে বিক্রি করেছিল যুক্তরাষ্ট্রের কাছে। ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন, তিনি রাশিয়া-ইউক্রেনের মধ্যে ‘ভূমি বিনিময়’ নিয়েও কথা বলতে চান।

    নিউ ইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, সোমবার হোয়াইট হাউসে সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প বলেছেন, পুতিনের মনোভাব যাচাই করাই তাঁর মূল লক্ষ্য। যদি চুক্তির সম্ভাবনা না দেখেন, তবে তিনি বৈঠক শেষ না করেই সরে আসবেন এবং রাশিয়া-ইউক্রেন নিজেদের মতো করে যুদ্ধ চালিয়ে যাবে।

    তবে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, যেকোনো সমঝোতা অবশ্যই যুদ্ধবিরতি দিয়ে শুরু হওয়া উচিত, যাতে আলোচনার সময় হামলা বা ভূমি দখল না ঘটে। এই আলোচনায় তাঁকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি।

    হোয়াইট হাউস এই বৈঠক আয়োজন করছে বেশ তড়িঘড়ি করে, যা ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে করছেন অনেকে। এখনো ঠিক হয়নি আলাস্কার কোন স্থানে বৈঠক হবে কিংবা কতক্ষণ চলবে। সমালোচকরা বলছেন, পুতিন প্রশংসা ও কৌশলের মাধ্যমে ট্রাম্পকে প্রভাবিত করতে পারেন, বিশেষ করে যখন ট্রাম্প এর আগে ইউক্রেনের ওপর রুশ আগ্রাসনের জন্য কিয়েভকেই দায়ী করেছিলেন এবং জাতিসংঘে রাশিয়ার বিরুদ্ধে ভোট দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেন।

    যুদ্ধের সমাধান বা ইউক্রেনের সার্বভৌমত্ব নিয়ে ট্রাম্প কিছু না বললেও তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন—চুক্তি করা তাঁর প্রধান লক্ষ্য। এই বৈঠকের ফলাফল নিয়ে উদ্বেগ ও কৌতূহল উভয়ই তুঙ্গে বিশ্বজুড়ে।

  • বন্যায় বিপর্যস্ত টেক্সাসে ট্রাম্পের তাৎক্ষণিক সফর, নিখোঁজ শতাধিক

    বন্যায় বিপর্যস্ত টেক্সাসে ট্রাম্পের তাৎক্ষণিক সফর, নিখোঁজ শতাধিক

    এবিএনএ:  যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস রাজ্য ভয়াবহ বন্যার কবলে পড়েছে। প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২০ জনে, এবং এখনও নিখোঁজ রয়েছেন অন্তত ১৬১ জন। এমন দুর্যোগের মধ্যে পরিস্থিতি সরেজমিনে দেখতে হঠাৎ করেই টেক্সাসে হাজির হলেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

    শুক্রবার ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পকে সঙ্গে নিয়ে এয়ারফোর্স ওয়ানে করে তিনি পৌঁছান সান অ্যান্টোনিওর কাছের একটি বিমানঘাঁটিতে। সেখান থেকে সড়কপথে কেরভিল শহরে যান। স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠকে বসেন এবং বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা ঘুরে দেখেন।

    গত এক সপ্তাহ ধরে টানা ভারি বৃষ্টির ফলে নদ-নদীর পানি বিপদসীমা অতিক্রম করে। এতে বহু ঘরবাড়ি পানির নিচে তলিয়ে গেছে, বন্যার স্রোতে ভেসে গেছে শিশুদের সামার ক্যাম্প, যানবাহন এবং অসংখ্য মানুষ। উদ্ধার তৎপরতা এখনো চলছে।

    বন্যার শুরু থেকেই ট্রাম্প প্রশাসনের প্রস্তুতি ও দ্রুত প্রতিক্রিয়া নিয়ে জনমনে প্রশ্ন দেখা দেয়। বিরোধীরা অভিযোগ করে, সরকারি তৎপরতা ছিল শ্লথ। এ অবস্থায় প্রেসিডেন্টের এই সফর অনেকটাই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং জনগণের আস্থা ফেরাতেই উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

    প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার ছয় মাসের মধ্যেই এটি ট্রাম্পের জন্য সবচেয়ে বড় প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলার চ্যালেঞ্জ। স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠকে তিনি দ্রুত ত্রাণ বিতরণ, আশ্রয়কেন্দ্রের উন্নয়ন এবং নিখোঁজদের উদ্ধারে প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোগের আশ্বাস দেন।

    বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো এখন সহায়তার আশায় তাকিয়ে রয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের দিকে। ট্রাম্পের এ সফর ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে কিছুটা হলেও স্বস্তি এনে দিয়েছে বলে মনে করছে স্থানীয় প্রশাসন।