Tag: যুক্তরাষ্ট্র রাজনীতি

  • ইরানে হামলা নিয়ে ওয়াশিংটনে বিদ্রোহী সুর: ট্রাম্পের সিদ্ধান্তকে অসাংবিধানিক বললেন সিনেটর

    ইরানে হামলা নিয়ে ওয়াশিংটনে বিদ্রোহী সুর: ট্রাম্পের সিদ্ধান্তকে অসাংবিধানিক বললেন সিনেটর

    এবিএনএ: ইরানে সাম্প্রতিক সামরিক অভিযানের পর যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। মার্কিন সিনেটর এডওয়ার্ড জে. মার্কি এই অভিযানের অনুমোদন প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলেছেন, কংগ্রেসের সম্মতি ছাড়া নেওয়া এ ধরনের সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের পরিপন্থী।

    এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, এই ধরনের পদক্ষেপ মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত মার্কিন সেনা ও বেসামরিক নাগরিকদের নিরাপত্তাকে ঝুঁকির মুখে ফেলছে এবং বড় পরিসরের আঞ্চলিক সংঘাতে রূপ নেওয়ার আশঙ্কা বাড়াচ্ছে। তাঁর মতে, সামরিক উত্তেজনা বাড়ালে কূটনৈতিক সমাধানের পথ আরও সংকুচিত হয়।

    সিনেটর মার্কি আরও দাবি করেন, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে ভয়াবহতার মাত্রা অতিরঞ্জিত করা হচ্ছে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, পররাষ্ট্র দপ্তরের শীর্ষ পর্যায় থেকেও স্বীকার করা হয়েছে যে তেহরান বর্তমানে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বাড়াচ্ছে না। তাই সংঘাতের পথে না গিয়ে আলোচনার টেবিলে ফেরার সুযোগ এখনও রয়েছে।

    তিনি সতর্ক করে বলেন, এই সংকট নতুন কোনো যুদ্ধের দিকে ঠেলে দিতে পারে—যা মার্কিন জনগণ চায় না। তাঁর ভাষায়, বিদেশে দীর্ঘমেয়াদি সামরিক অভিযানে তরুণদের পাঠানো এবং দেশে স্বাস্থ্যসেবা সংকটে থাকা পরিবারগুলোর ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করা যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থের সঙ্গে যায় না।

    প্রসঙ্গত, শনিবার ভোরে ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের অভিযানের পর তেহরানও পাল্টা পদক্ষেপ নেয়। সংঘাতের এই ধারাবাহিকতায় আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বাড়ছে এবং কূটনৈতিক উদ্যোগ জোরদারের দাবি উঠছে।

  • গাজা পুনর্গঠনে বৈশ্বিক উদ্যোগ—ট্রাম্পের নেতৃত্বে ‘বোর্ড অব পিস’-এর প্রথম বৈঠক আজ

    গাজা পুনর্গঠনে বৈশ্বিক উদ্যোগ—ট্রাম্পের নেতৃত্বে ‘বোর্ড অব পিস’-এর প্রথম বৈঠক আজ

    এবিএনএ: যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা উপত্যকার পুনর্গঠন ঘিরে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নতুন উদ্যোগ শুরু হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট Donald Trump-এর সভাপতিত্বে ‘বোর্ড অব পিস’-এর প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে, যেখানে ৪৫টিরও বেশি দেশের প্রতিনিধির অংশগ্রহণের সম্ভাবনা রয়েছে।

    এই বৈঠকে গাজার ভবিষ্যৎ কাঠামো, মানবিক সহায়তা প্রবাহ, পুনর্গঠন তহবিলের পরিমাণ এবং সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর নিরস্ত্রীকরণ—এসব ইস্যু গুরুত্ব পাবে বলে জানা গেছে। বিশেষ করে হামাসের অস্ত্রসমর্পণ ও ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার প্রশ্নটি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকতে পারে।

    সম্প্রতি ওয়াশিংটনে অবস্থিত United States Institute of Peace-এর নাম পরিবর্তন করে নিজের নামে যুক্ত করেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। ওই প্রতিষ্ঠানেই বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। অনুষ্ঠানে গাজা পুনর্গঠনের জন্য ৫ বিলিয়ন ডলারের একটি প্রাথমিক তহবিল গঠনের ঘোষণা আসতে পারে বলে মার্কিন সূত্র জানিয়েছে।

    ব্রিটিশ সংবাদ সংস্থা Reuters-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এক মার্কিন কর্মকর্তা বলেন, প্রস্তাবিত তহবিলের মধ্যে উপসাগরীয় আরব মিত্রদের অবদান উল্লেখযোগ্য। এর মধ্যে United Arab EmiratesKuwait প্রত্যেকে প্রায় ১ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

    তবে বোর্ড অব পিসে ইসরায়েলের প্রতিনিধিত্ব থাকলেও ফিলিস্তিনি পক্ষের অনুপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অনেক বিশ্লেষক মনে করছেন, এই নতুন প্ল্যাটফর্ম ভবিষ্যতে বৈশ্বিক কূটনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে, তবে একই সঙ্গে এটি United Nations-এর কার্যকারিতার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে বলেও আশঙ্কা রয়েছে।

    এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা ইঙ্গিত দিয়েছেন, গাজায় একটি আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনী মোতায়েনের পরিকল্পনাও আলোচনায় রয়েছে। কয়েকটি দেশ থেকে হাজার হাজার সেনা পাঠিয়ে শান্তি রক্ষা ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হতে পারে।

    সব মিলিয়ে, বোর্ড অব পিসের এই প্রথম বৈঠক শুধু গাজার পুনর্গঠন নয়, মধ্যপ্রাচ্যের কূটনৈতিক সমীকরণেও বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।

  • গুলিবিদ্ধ মৃত্যুর প্রতিবাদের মাঝেই চমক! ইলহান ওমরের সম্পদ তদন্তের ঘোষণা ট্রাম্পের

    গুলিবিদ্ধ মৃত্যুর প্রতিবাদের মাঝেই চমক! ইলহান ওমরের সম্পদ তদন্তের ঘোষণা ট্রাম্পের

    এবিএনএ: যুক্তরাষ্ট্রের ডেমোক্র্যাট দলীয় কংগ্রেস সদস্য ইলহান ওমরের সম্পদের বিষয়ে তদন্ত শুরুর ঘোষণা দিয়েছেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যে এক বিক্ষোভকারীর গুলিতে মৃত্যুকে ঘিরে যখন ট্রাম্প প্রশাসন তীব্র সমালোচনার মুখে, ঠিক সেই সময় এই ঘোষণা নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

    ট্রাম্প জানান, সীমান্ত নিরাপত্তা সংক্রান্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা টম হোম্যানকে তিনি মিনেসোটায় পাঠাচ্ছেন। সেখানে এক নার্সকে গুলি করে হত্যার ঘটনার পর থেকে রাজ্যজুড়ে টানা বিক্ষোভ চলছে। ওই ঘটনার জেরে ফেডারেল অভিবাসন কর্মকর্তাদের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, মিনেসোটায় ২০ বিলিয়ন ডলারের বেশি কল্যাণ তহবিল জালিয়াতির অভিযোগে একটি বড় তদন্ত চলছে। তার দাবি, এই আর্থিক অনিয়মই সহিংস ও সংগঠিত বিক্ষোভের পেছনে আংশিকভাবে দায়ী।

    একই পোস্টে ট্রাম্প উল্লেখ করেন, বিচার বিভাগ এবং কংগ্রেস ইলহান ওমরের বিষয়টিও খতিয়ে দেখছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, সোমালিয়া থেকে যুক্তরাষ্ট্রে শূন্য হাতে আসা ইলহান ওমরের বর্তমান সম্পদের পরিমাণ নাকি ৪৪ মিলিয়ন ডলারের বেশি। সময়ই এই অভিযোগের সত্যতা প্রমাণ করবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

    জানা গেছে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ইলহান ওমরের সম্পদের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে, যেখানে তার বর্তমান স্বামীর আর্থিক অবস্থার প্রভাব রয়েছে বলে ধারণা করা হয়। এর আগেও ট্রাম্প একাধিকবার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরুর আহ্বান জানিয়েছিলেন।

    ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ইলহান ওমরের দ্বন্দ্ব নতুন নয়। সোমালি বংশোদ্ভূত এই মুসলিম কংগ্রেস সদস্য ট্রাম্পের অন্যতম কড়া সমালোচক। মিনিয়াপোলিস থেকে নির্বাচিত ইলহান ওমর অতীতে ট্রাম্পের ইসলামবিদ্বেষী বক্তব্য ও সোমালি সম্প্রদায় নিয়ে তার মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ করেছিলেন।

    প্রসঙ্গত, গত মাসেও ট্রাম্প ইলহান ওমর ও সোমালি সম্প্রদায়কে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করে নতুন করে সমালোচনার মুখে পড়েন।

  • নোবেল না পেলে শুধু শান্তি নয়, জাতীয় স্বার্থও দেখব—গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে ট্রাম্পের কড়া বার্তা

    নোবেল না পেলে শুধু শান্তি নয়, জাতীয় স্বার্থও দেখব—গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে ট্রাম্পের কড়া বার্তা

    এবিএনএ: নোবেল শান্তি পুরস্কার না পাওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আর শুধু শান্তির বিষয়েই ভাবতে বাধ্য নন—এমন মন্তব্য করে আবারও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিতর্ক উসকে দিয়েছেন তিনি। নরওয়ের প্রধানমন্ত্রী জোনাস গাহর স্টোরকে পাঠানো এক চিঠিতে ট্রাম্প স্পষ্টভাবে এই অবস্থান জানানোর পাশাপাশি গ্রিনল্যান্ডের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার দাবিও পুনরায় তুলে ধরেছেন।

    সোমবার (১৯ জানুয়ারি) বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, ট্রাম্পের ওই চিঠির একটি কপি সংস্থাটির হাতে এসেছে এবং তা একাধিক মিত্র দেশেও শেয়ার করা হয়েছে।

    চিঠিতে ট্রাম্প লেখেন, নরওয়ে আটটি যুদ্ধ বন্ধে ভূমিকা রাখার পরও তাঁকে নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনয়ন না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর ফলে তিনি আর কেবল শান্তির প্রশ্নেই সীমাবদ্ধ থাকবেন না। যদিও শান্তি তাঁর অগ্রাধিকারেই থাকবে, তবে যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থে কী করা প্রয়োজন, সেটিও এখন গুরুত্ব পাবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

    এর আগে ইউরোপীয় মিত্রদের ওপর শুল্ক আরোপ এবং গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ট্রাম্পের অবস্থানের বিরোধিতা করে নরওয়ের প্রধানমন্ত্রী ও ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার স্টাব একটি সংক্ষিপ্ত বার্তা পাঠান। ওই বার্তায় উত্তেজনাপূর্ণ বক্তব্য কমানো এবং ফোনালাপের মাধ্যমে আলোচনা করার আহ্বান জানানো হয়েছিল। সেই বার্তার জবাব হিসেবেই ট্রাম্প দ্রুত এই চিঠি পাঠান।

    গ্রিনল্যান্ড প্রসঙ্গে ট্রাম্প চিঠিতে ডেনমার্কের সার্বভৌমত্ব নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তিনি দাবি করেন, রাশিয়া বা চীনের মতো শক্তির হাত থেকে গ্রিনল্যান্ড রক্ষার সক্ষমতা ডেনমার্কের নেই। ফলে ওই ভূখণ্ডের মালিকানা দাবি করার যৌক্তিকতা নিয়েই সন্দেহ প্রকাশ করেন তিনি।

    চিঠির শেষাংশে ট্রাম্প ন্যাটোর প্রতি ক্ষোভ জানিয়ে বলেন, জোটের প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে যুক্তরাষ্ট্রই সবচেয়ে বেশি দায়িত্ব পালন করেছে। এখন ন্যাটোর উচিত যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ রক্ষা করা। তাঁর দাবি, গ্রিনল্যান্ডের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ ছাড়া বৈশ্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।

    তবে বাস্তবতা হলো, ১৮১৪ সালের একটি চুক্তিসহ একাধিক আন্তর্জাতিক আইনি নথির মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ডের ওপর ডেনমার্কের সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠিত। যুক্তরাষ্ট্রও অতীতে একাধিকবার আনুষ্ঠানিকভাবে এই বিষয়টি স্বীকার করেছে।

    উল্লেখ্য, ডোনাল্ড ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরেই নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়ার বিষয়ে প্রকাশ্যে আগ্রহ দেখিয়ে আসছেন। ২০২৫ সালে পাকিস্তানসহ কয়েকটি দেশের সরকারপ্রধান তাঁকে এই পুরস্কারের যোগ্য বলে মন্তব্য করেছিলেন। যদিও সর্বশেষ নোবেল শান্তি পুরস্কার পান ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেত্রী মারিয়া কোরিনা মাচাদো।

    নরওয়ের প্রধানমন্ত্রী এ প্রসঙ্গে আবারও স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, নোবেল পুরস্কার প্রদান করে একটি স্বাধীন কমিটি—নরওয়ের সরকার নয়। এ বিষয়ে নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটির কাছে প্রতিক্রিয়া চাওয়া হলেও সোমবার পর্যন্ত তারা কোনো মন্তব্য করেনি।

  • পুতিনকে আটক করা হবে? সরাসরি প্রশ্নে ট্রাম্পের জবাব ঘিরে আন্তর্জাতিক আলোচনার ঝড়

    পুতিনকে আটক করা হবে? সরাসরি প্রশ্নে ট্রাম্পের জবাব ঘিরে আন্তর্জাতিক আলোচনার ঝড়

    এবিএনএ: ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরোকে যুক্তরাষ্ট্রে তুলে নেওয়ার ঘটনার পর এবার আলোচনায় রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। একই ধরনের কোনো পদক্ষেপ পুতিনের ক্ষেত্রেও নেওয়া হতে পারে কি না—এমন প্রশ্নের মুখে পড়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

    এই বিষয়ে সরাসরি প্রশ্ন করা হলে ট্রাম্প স্পষ্ট করে জানান, রাশিয়ার প্রেসিডেন্টকে আটক করার মতো কোনো পরিস্থিতি তিনি দেখছেন না। তার ভাষায়, “এটার প্রয়োজন হবে বলে আমার মনে হয় না।”

    এর আগে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি মন্তব্য করেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি স্বৈরশাসকদের বিরুদ্ধে এমন পদক্ষেপ নিতে পারে, তাহলে তারা জানে পরবর্তী লক্ষ্য কী হতে পারে। মাদুরোকে তুলে নেওয়ার ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে দেওয়া সেই মন্তব্যের কয়েক দিনের মধ্যেই ট্রাম্পকে এই প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়।

    শুক্রবার হোয়াইট হাউসে জ্বালানি খাতের শীর্ষ নির্বাহীদের সঙ্গে বৈঠকের সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দেন ট্রাম্প। ফক্স নিউজের সাংবাদিক পিটার ডুকি তাকে প্রশ্ন করেন—পুতিনকে ধরতে কখনো কোনো অভিযানের নির্দেশ দেবেন কি না। জবাবে ট্রাম্প বলেন, রাশিয়ার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক বরাবরই কার্যকর ছিল এবং তিনি আশা করছেন ভবিষ্যতেও তা বজায় থাকবে।

    ট্রাম্প আরও জানান, রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে চলা সংঘাত বন্ধে তার মধ্যস্থতার প্রচেষ্টা ফলপ্রসূ না হওয়ায় তিনি ব্যক্তিগতভাবে হতাশ।

    এদিকে মাদুরোকে যুক্তরাষ্ট্রে তুলে নেওয়ার ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে রাশিয়া। মস্কোর দাবি, এটি ভেনেজুয়েলার সার্বভৌমত্বের গুরুতর লঙ্ঘন। জাতিসংঘে রাশিয়ার স্থায়ী প্রতিনিধি ভাসিলি নেবেনজিয়া এই ঘটনাকে ‘দস্যুতার শামিল’ বলে উল্লেখ করেন এবং বলেন, এ ধরনের কর্মকাণ্ড বিশ্বব্যবস্থাকে অস্থিরতার দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

  • মধ্যবর্তী নির্বাচনে হার মানলেই বিপদ? অভিশংসনের আশঙ্কায় রিপাবলিকানদের কড়া বার্তা ট্রাম্পের

    মধ্যবর্তী নির্বাচনে হার মানলেই বিপদ? অভিশংসনের আশঙ্কায় রিপাবলিকানদের কড়া বার্তা ট্রাম্পের

    এবিএনএ: মার্কিন রাজনীতিতে মধ্যবর্তী নির্বাচনকে সামনে রেখে উদ্বেগের সুর শোনা গেল প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কণ্ঠে। তিনি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, ২০২৬ সালের মিডটার্ম নির্বাচনে রিপাবলিকানরা জয়ী না হলে ডেমোক্র্যাটরা তাকে অভিশংসনের পথে হাঁটতে পারে।

    মঙ্গলবার ওয়াশিংটনে হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভসের রিপাবলিকান সদস্যদের এক সম্মেলনে ট্রাম্প বলেন, আগামী নভেম্বরে অনুষ্ঠিতব্য মধ্যবর্তী নির্বাচনে জয় নিশ্চিত করতেই হবে। তার ভাষায়, পরাজয় মানেই ডেমোক্র্যাটদের হাতে তাকে চাপে ফেলার সুযোগ তৈরি হওয়া।

    আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই নির্বাচনে ফলাফল প্রতিকূল হলে ট্রাম্পের নীতিগত পরিকল্পনা বাস্তবায়নে বড় বাধা তৈরি হতে পারে। এমনকি কংগ্রেসে একাধিক তদন্তের মুখেও পড়তে পারেন তিনি। সে কারণেই নির্বাচনের আগে দলের ভেতরে ঐক্য জোরদারে জোর দিচ্ছেন ট্রাম্প।

    প্রেসিডেন্ট রিপাবলিকানদের উদ্দেশে বলেন, প্রতিনিধি পরিষদের ৪৩৫টি ও সিনেটে ৩৩টি আসন ধরে রাখা দলের জন্য অত্যন্ত জরুরি। যদিও তিনি নিজে দলের জয়ের বিষয়ে আশাবাদী। ট্রাম্পের দাবি, এবারের মধ্যবর্তী নির্বাচন হবে ঐতিহাসিক, যেখানে রিপাবলিকানরা নতুন রেকর্ড গড়বে।

    তবে সম্মেলনের দীর্ঘ বক্তব্যে জীবনযাত্রার ব্যয় বা মূল্যস্ফীতির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো তেমন গুরুত্ব পায়নি। বরং ট্রাম্প এসব সমস্যার দায় ডেমোক্র্যাটদের ওপর চাপান। বক্তব্যে তিনি বিভিন্ন বিতর্কিত ও বাস্তবতাবিবর্জিত মন্তব্যও করেন, যা নিয়ে ইতোমধ্যেই সমালোচনা শুরু হয়েছে।

    এর আগে ক্ষমতায় থাকাকালীন দুই দফা অভিশংসনের মুখোমুখি হওয়া ট্রাম্প এবারও সেই আশঙ্কা উড়িয়ে দিচ্ছেন না। কংগ্রেসে রিপাবলিকানদের ক্ষীণ সংখ্যাগরিষ্ঠতার কারণে নিজের নির্বাহী ক্ষমতা বাড়ানোর দিকেও মনোযোগ দিচ্ছেন তিনি। তবে দলের ভেতরেই এ নিয়ে অসন্তোষ বাড়ছে, যা আসন্ন ভোটাভুটিতে স্পষ্ট হয়ে উঠতে পারে।

  • সাত মাসে যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধ অনুপ্রবেশ শূন্য: ট্রাম্প

    সাত মাসে যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধ অনুপ্রবেশ শূন্য: ট্রাম্প

    এবিএনএ: গত সাত মাসে একজন বিদেশিও অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে পারেননি—এমনই জোরালো দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বুধবার হোয়াইট হাউস থেকে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি অভিবাসন, সীমান্ত নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক নীতির নানা দিক তুলে ধরেন।

    ট্রাম্প বলেন, ভিসা ও সীমান্ত নীতিতে কঠোর অবস্থানের ফলেই অবৈধ অনুপ্রবেশ কার্যত শূন্যে নেমে এসেছে। তার ভাষায়, অনেকেই বলেছিল এটি অসম্ভব, কিন্তু আমরা করে দেখিয়েছি। কংগ্রেসের নতুন আইন ছাড়াই শক্ত সিদ্ধান্ত ও নেতৃত্বের মাধ্যমেই সীমান্ত পরিস্থিতির আমূল পরিবর্তন আনা সম্ভব হয়েছে।

    তিনি আরও দাবি করেন, দায়িত্ব গ্রহণের সময় যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের সবচেয়ে দুর্বল সীমান্ত পরিস্থিতির মুখে ছিল। কিন্তু স্বল্প সময়ের মধ্যেই সেটিকে ইতিহাসের সবচেয়ে শক্তিশালী সীমান্তে রূপ দেওয়া হয়েছে।

    ভাষণে ট্রাম্প শুল্কনীতির কথাও উল্লেখ করেন। তার দাবি, আমদানি শুল্কের কড়াকড়ির কারণে যুক্তরাষ্ট্রে উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে এবং বহু প্রতিষ্ঠান বিদেশ থেকে ফিরে এসেছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও অটোমোবাইল খাতে অভূতপূর্ব অগ্রগতির কথাও তুলে ধরেন তিনি।

    এ ছাড়া শুল্ক প্রয়োগের কৌশল ব্যবহার করে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে একের পর এক সংঘাত থামানো সম্ভব হয়েছে বলেও দাবি করেন ট্রাম্প। তার মতে, এভাবে অন্তত আটটি যুদ্ধ বন্ধ করা গেছে, যা বৈশ্বিক রাজনীতিতে বড় সাফল্য।

  • ট্রাম্পের হুমকি ‘অনিবার্য’ হলেও পিছিয়ে যাব না: নিউ ইয়র্কের নবনির্বাচিত মেয়র জোহরান মামদানি

    ট্রাম্পের হুমকি ‘অনিবার্য’ হলেও পিছিয়ে যাব না: নিউ ইয়র্কের নবনির্বাচিত মেয়র জোহরান মামদানি

    এবিএনএ: নিউ ইয়র্ক সিটির নবনির্বাচিত মেয়র জোহরান মামদানি বলেছেন, শহরটিকে বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল নগরী থেকে সাশ্রয়ী মূল্যের শহরে রূপান্তর করাই তার প্রধান লক্ষ্য। বুধবার এবিসি নিউজকে দেওয়া প্রথম সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, তার বিজয় জনগণের কাছ থেকে পাওয়া এক “স্পষ্ট ম্যান্ডেট”—যা নিউ ইয়র্কবাসীর জন্য বাস্তব পরিবর্তনের প্রতিশ্রুতি বহন করছে।

    মামদানি জানান, “উচ্চাকাঙ্ক্ষী সাশ্রয়ী নীতি” বাস্তবায়নে তিনি কর বৃদ্ধি ছাড়া বিকল্প দেখছেন না। তবে তিনি স্পষ্ট করেন, সাধারণ নাগরিকদের নয়, নিউ ইয়র্কের শীর্ষ এক শতাংশ ধনী শ্রেণির ওপর বাড়তি কর আরোপের পরিকল্পনা তার।

    প্রতি বছর এক মিলিয়ন ডলারের বেশি আয়ের ব্যক্তিদের জন্য দুই শতাংশ অতিরিক্ত কর এবং কর্পোরেট কর ১১.৫ শতাংশে উন্নীত করার পরিকল্পনা জানিয়েছেন তিনি। এতে বছরে প্রায় নয় বিলিয়ন ডলার অতিরিক্ত রাজস্ব সংগ্রহ সম্ভব হবে বলে ধারণা তার।

    ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের শহর ছেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা নিয়ে প্রশ্নের জবাবে মামদানি বলেন, “শিশু যত্ন ও জীবনযাত্রার উচ্চ ব্যয়ই কর্মীদের শহর ছাড়তে বাধ্য করছে। কর বৃদ্ধি নয়, বরং মানবিক জীবনযাত্রাই প্রতিভা ধরে রাখার উপায়।”

    নির্বাচনের আগে প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছিলেন, মামদানি জিতলে নিউ ইয়র্কের ফেডারেল তহবিল বন্ধ করে দেওয়া হবে। এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়ায় মামদানি বলেন, “যদি প্রেসিডেন্ট শহরের স্বার্থের বিরুদ্ধে কাজ করেন, আমি তার বিরুদ্ধে দাঁড়াতে প্রস্তুত। ট্রাম্পের হুমকি ‘অনিবার্য’, কিন্তু ভয় পাওয়ার কিছু নেই।”

    নিউ ইয়র্কের নাগরিকরা আশা করছেন, মামদানির নেতৃত্বে শহরটি নতুন অর্থনৈতিক বাস্তবতায় প্রবেশ করবে—যেখানে সমতা, সুযোগ এবং সাশ্রয়ী জীবনযাত্রা অগ্রাধিকার পাবে।

  • সুপ্রিম কোর্টে ট্রাম্পের ক্ষমতার সীমা নির্ধারণে শুরু হচ্ছে বড় আইনি লড়াই

    সুপ্রিম কোর্টে ট্রাম্পের ক্ষমতার সীমা নির্ধারণে শুরু হচ্ছে বড় আইনি লড়াই

    এবিএনএ:  যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টে প্রেসিডেন্টের ক্ষমতার সীমা নির্ধারণ নিয়ে বড় আইনি লড়াই শুরু হয়েছে। কারণ সাম্প্রতিক সময়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যে সব সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, সেগুলো তাকে একের পর এক আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছে।

    গত সপ্তাহে ১১১ বছরের ইতিহাসে প্রথমবার ফেডারেল রিজার্ভের একজন গভর্নরকে বরখাস্ত করেন ট্রাম্প। লিসা কুক নামে ওই গভর্নরের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি মনোনয়ন পাওয়ার আগে বন্ধক-সংক্রান্ত কাগজে ভুয়া তথ্য জমা দিয়েছিলেন। তবে কুক অভিযোগ অস্বীকার করে এটিকে অবৈধ ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত পদক্ষেপ বলে দাবি করেছেন। এ বিষয়ে আদালতে শুনানি হলেও এখনও রায় ঘোষণা হয়নি।

    অর্থনীতিতে ট্রাম্পের আরেকটি বড় পদক্ষেপ হলো নতুন শুল্ক আরোপ। যুক্তরাষ্ট্রে সব ধরনের আমদানির ওপর ১০ শতাংশ অতিরিক্ত কর বসানোর পাশাপাশি কানাডা, মেক্সিকো, ভারত ও চীনের পণ্যের ওপরও বিশেষ শুল্ক আরোপ করেছেন তিনি। কিন্তু ফেডারেল আপিল আদালত এই সিদ্ধান্তকে অবৈধ ঘোষণা করে জানিয়েছে, কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া প্রেসিডেন্ট এককভাবে কর আরোপ করতে পারেন না।

    রবিবার ট্রাম্প প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, তিনি এই রায় সুপ্রিম কোর্টে চ্যালেঞ্জ করবেন। আদালতের রায়কে তিনি ‘র‍্যাডিকাল লেফটের ষড়যন্ত্র’ বলে অভিহিত করে দাবি করেন, “শুল্ক ছাড়া যুক্তরাষ্ট্র টিকতে পারবে না, ধ্বংস হয়ে যাবে।”

    এদিকে বিদেশি সহায়তা আটকে রাখার বিষয়েও ট্রাম্প প্রশাসন নতুন জটিলতার মুখে পড়েছে। সবকিছু মিলিয়ে, সুপ্রিম কোর্টের সামনে এখন অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হলো—মার্কিন প্রেসিডেন্টের নির্বাহী ক্ষমতার প্রকৃত সীমা কোথায় নির্ধারণ হবে তা স্থির করা।

  • লস অ্যাঞ্জেলেসকে ‘মুক্ত করার’ ঘোষণা ট্রাম্পের, কারফিউ-সহ উত্তাল শহরজুড়ে সংঘর্ষ

    লস অ্যাঞ্জেলেসকে ‘মুক্ত করার’ ঘোষণা ট্রাম্পের, কারফিউ-সহ উত্তাল শহরজুড়ে সংঘর্ষ

    এবিএনএ:

    যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেস শহরজুড়ে আবারও উত্তাল পরিস্থিতি। অভিবাসনবিরোধী অভিযানকে ঘিরে শহরের বিভিন্ন স্থানে গণবিক্ষোভ, গণগ্রেফতার ও কারফিউ জারি হয়েছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক বিস্ময়কর মন্তব্যে জানিয়েছেন, তিনি ‘লস অ্যাঞ্জেলেসকে স্বাধীন’ করবেন।

    বিক্ষোভের পঞ্চম দিনেও উত্তপ্ত পরিস্থিতি অব্যাহত রয়েছে। শহরের মেয়র কারেন বাস ডাউনটাউনের একটি অংশে রাতভর কারফিউ ঘোষণা করেছেন। ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, “শহরের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।”

    এদিকে, ন্যাশনাল গার্ড এবং মেরিন সেনা মোতায়েনের মাধ্যমে ফেডারেল বাহিনী এখন অভিবাসন নিয়ন্ত্রণ সংস্থাগুলোর সহায়তায় কাজ করছে। সীমান্ত নিরাপত্তায় মোতায়েন এসব সেনাদের হাতে গ্রেফতারের ক্ষমতা না থাকলেও, তাদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে শুধুমাত্র ফেডারেল স্থাপনা এবং কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

    ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্ত ক্যালিফোর্নিয়া রাজ্য সরকারের সঙ্গে তার বিরোধ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এই পদক্ষেপকে গণতন্ত্রের ওপর হুমকি হিসেবে আখ্যা দিয়ে বলেন, “ট্রাম্প আবারও উসকানিমূলক পথ বেছে নিয়েছেন, যা রাজ্যগুলোর মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করছে।”

    মঙ্গলবার রাত ৮টা থেকে কারফিউ কার্যকর হতেই শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষ শুরু হয়। পুলিশ রাবার বুলেট ছুড়ে ভিড় ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করে। এরপরও বহু বিক্ষোভকারী ডাউনটাউনে অবস্থান করে।

    ট্রাম্পের ভাষায়, “লস অ্যাঞ্জেলেস যেন বিদেশি শত্রুদের কবলে চলে গেছে। আমি এ শহরকে উদ্ধার করব।” তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এটি আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে উত্তেজনা ছড়ানোর কৌশল।