Tag: যুক্তরাজ্য

  • ব্রিটিশ রাজনীতিতে বড় ধাক্কা! পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার

    ব্রিটিশ রাজনীতিতে বড় ধাক্কা! পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক: চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতা ও ক্রমবর্ধমান চাপের মুখে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী পদ ছাড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন কিয়ার স্টারমার। ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের কাছে তিনি ইতোমধ্যে নিজের পদত্যাগের ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইল।

    রোববার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে সংবাদমাধ্যমটি জানায়, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব ছাড়তে পারেন স্টারমার। তবে তিনি নিজের সুবিধাজনক সময় ও শর্ত অনুযায়ীই এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করতে চান।

    প্রধানমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ একটি সূত্রের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি দীর্ঘ সময় ধরে সামাল দেওয়া সম্ভব নয় বলে মনে করছেন স্টারমার। তাই মর্যাদা বজায় রেখেই সরে দাঁড়ানোর পরিকল্পনা করছেন তিনি। খুব শিগগিরই এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক সময়সূচি ঘোষণা করা হতে পারে বলেও ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।

    এদিকে লেবার পার্টির নেতৃত্বাধীন সরকারের ওপর সাধারণ মানুষের অসন্তোষ বাড়তে থাকায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে বিভিন্ন বিতর্কিত সিদ্ধান্ত ও রাজনৈতিক সমালোচনার কারণে সরকারের জনপ্রিয়তা কমে গেছে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।

    পিটার মেন্ডেলসনকে ঘিরে বিতর্ক এবং শিশু যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টাইনের সঙ্গে তার অতীত যোগাযোগের অভিযোগ নতুন করে আলোচনায় আসে। একই সঙ্গে স্থানীয় নির্বাচনে লেবার পার্টির বড় ধরনের ভরাডুবিও স্টারমারের নেতৃত্বকে প্রশ্নের মুখে ফেলেছে।

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দলীয় অভ্যন্তরীণ চাপ ও জনসমর্থন কমে যাওয়ায় স্টারমারের জন্য পরিস্থিতি ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে। ফলে তার পদত্যাগ এখন ব্রিটিশ রাজনীতির অন্যতম আলোচিত ইস্যুতে পরিণত হয়েছে।

  • হ্যালোইন পার্টি শেষে নির্মম হত্যাকাণ্ড: ব্রিটিশ মডেল লুক হার্ডেনের মৃত্যুর পেছনে চাঞ্চল্যকর তথ্য

    হ্যালোইন পার্টি শেষে নির্মম হত্যাকাণ্ড: ব্রিটিশ মডেল লুক হার্ডেনের মৃত্যুর পেছনে চাঞ্চল্যকর তথ্য

    এবিএনএ:হ্যালোইন পার্টি শেষে বাড়ি ফেরার পথে ভয়াবহ হামলার শিকার হয়ে প্রাণ হারান ব্রিটিশ মডেল লুক হার্ডেন। ঘটনাটি ঘিরে শুরু হয়েছে আদালতে বিচার প্রক্রিয়া, যেখানে তদন্তে উঠে এসেছে বেশ কিছু নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।

    ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি-এর তথ্য অনুযায়ী, হত্যার মাত্র দুই দিনের মধ্যেই ২৬ বছর বয়সী ভেকি সানি মাতাবিসওয়ানা নামের এক যুবককে আটক করে পুলিশ।

    কোথায় এবং কীভাবে ঘটেছিল ঘটনা?

    ঘটনাটি ঘটে ইংল্যান্ডের ল্যাঙ্কাশায়ার অঞ্চলে, গত বছরের ১ নভেম্বর ভোরে। হঠাৎ ও অপ্রত্যাশিত হামলায় হার্ডেন আত্মরক্ষার কোনো সুযোগই পাননি।

    বর্তমানে মামলাটি শুনানি চলছে প্রিস্টন ক্রাউন কোর্ট-এ। বিচার চলাকালে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, অভিযুক্ত ভেকি এবং নিহত হার্ডেন আগে থেকে একে অপরকে চিনতেন না।

    পার্টি থেকে বের হওয়ার পরই বিপর্যয়

    ঘটনার রাতে দুজনই উপস্থিত ছিলেন স্ট্যাকস্টেডস এলাকার ‘রোজমাউন্ট ওয়ার্কিং মেনস ক্লাব’-এ আয়োজিত একটি হ্যালোইন পার্টিতে। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, রাতের দিকে মদ্যপ অবস্থায় ক্লাব ত্যাগ করেন হার্ডেন।

    কিছুক্ষণ পর নিউচার্চ রোডে তার সঙ্গে দেখা হয় ভেকি ও তার বান্ধবীর। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, প্রথমে স্বাভাবিকভাবে কথা বললেও হঠাৎ করেই কোনো কারণ ছাড়াই ভেকি হামলা চালান।

    আকস্মিক হামলা ও মৃত্যুর কারণ

    সিসিটিভি অনুযায়ী, ভেকি হার্ডেনকে মাটিতে ফেলে মাথায় জোরালোভাবে আঘাত করেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গুরুতর আঘাতের কারণে হার্ডেন দ্রুত অচেতন হয়ে পড়েন এবং জরুরি সহায়তা চাওয়ার আগেই তার অবস্থার অবনতি ঘটে।

    ফরেনসিক রিপোর্টে বলা হয়েছে, মাথা ও মুখে গুরুতর আঘাতের ফলে তার খুলিতে ফাটল ধরে এবং মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হয়—যা তার মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

    আদালতে কী বলা হয়েছে?

    রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী নিকোলাস রোডস কেসি আদালতে জানান, খুব অল্প সময়ের মধ্যেই এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়। ধারণা করা হচ্ছে, অভিযুক্ত ব্যক্তি তার বান্ধবীর সঙ্গে হার্ডেনের কথা বলা দেখে উত্তেজিত হয়ে হামলা চালান।

    গ্রেপ্তার ও বর্তমান অবস্থা

    ঘটনার পর অভিযুক্ত ভেকি একাধিকবার দেশ ছাড়ার চেষ্টা করেন। তবে শেষ পর্যন্ত ম্যানচেস্টার বিমানবন্দর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। যদিও তিনি তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

    বর্তমানে মামলার বিচার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং পরবর্তী শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো।

  • ৪ হাজার কিমি দূরের মার্কিন-ব্রিটিশ ঘাঁটি লক্ষ্য করে ইরানের মিসাইল নিক্ষেপ—রহস্যে ঘেরা সক্ষমতা

    ৪ হাজার কিমি দূরের মার্কিন-ব্রিটিশ ঘাঁটি লক্ষ্য করে ইরানের মিসাইল নিক্ষেপ—রহস্যে ঘেরা সক্ষমতা

    এবিএনএ: ভারত মহাসাগরের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটি দিয়েগো গার্সিয়াকে লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক মিসাইল নিক্ষেপ করেছে ইরান। যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের যৌথ ব্যবহৃত এই ঘাঁটি লক্ষ্য করে ছোড়া অন্তত দুটি মিসাইল শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত গন্তব্যে পৌঁছাতে পারেনি বলে জানিয়েছে মার্কিন সূত্র।

    মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাতে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম জানিয়েছে, নিক্ষেপ করা মিসাইলগুলোর একটি মাঝপথেই বিকল হয়ে ভূপাতিত হয়। অপর মিসাইলটি ঠেকাতে যুক্তরাষ্ট্রের একটি যুদ্ধজাহাজ থেকে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করা হয়। তবে সেটি লক্ষ্যভেদ করতে পেরেছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

    তবে নিশ্চিতভাবে বলা হয়েছে—দুটি মিসাইলের একটিও ঘাঁটিতে আঘাত হানতে সক্ষম হয়নি।

    দিয়েগো গার্সিয়া ঘাঁটিটি ইরান থেকে প্রায় ৪ হাজার কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। অথচ ইরানের শীর্ষ কূটনীতিকদের বক্তব্য অনুযায়ী, দেশটির ক্ষেপণাস্ত্রের সর্বোচ্চ পাল্লা প্রায় ২ হাজার কিলোমিটার।

    এই অবস্থায় প্রশ্ন উঠেছে—কীভাবে ইরান এত দীর্ঘ দূরত্বে আঘাত হানার চেষ্টা করল?

    বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিতে সাম্প্রতিক সময়ে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের তথ্য বলছে, দেশটির মধ্যপাল্লার ব্যালিস্টিক মিসাইলগুলো এখন উন্নত পর্যায়ে রয়েছে, যা পূর্বের চেয়ে বেশি দূরত্ব অতিক্রম করতে সক্ষম হতে পারে।

    ভারত মহাসাগরের দ্বীপে অবস্থিত দিয়েগো গার্সিয়া কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ঘাঁটি। এখানে যুক্তরাষ্ট্র তাদের বোমারু বিমান, পারমাণবিক সাবমেরিন এবং গাইডেড মিসাইল সজ্জিত যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করে থাকে।

    এই ঘটনার পর আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি কেবল একটি সামরিক ঘটনা নয়, বরং বৈশ্বিক নিরাপত্তা ও শক্তির ভারসাম্যের ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে।

  • ফেব্রুয়ারির নির্বাচন ঘিরে সতর্কতা! বাংলাদেশ ভ্রমণে নাগরিকদের জন্য যুক্তরাজ্যের বিশেষ নির্দেশনা

    ফেব্রুয়ারির নির্বাচন ঘিরে সতর্কতা! বাংলাদেশ ভ্রমণে নাগরিকদের জন্য যুক্তরাজ্যের বিশেষ নির্দেশনা

    এবিএনএ: বাংলাদেশে আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নিজ দেশের নাগরিকদের জন্য ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেছে যুক্তরাজ্য সরকার। সম্ভাব্য রাজনৈতিক উত্তেজনা, জনসমাগম ও নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকির কথা উল্লেখ করে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

    যুক্তরাজ্যের ফরেন অফিস জানায়, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। ইতোমধ্যে ২২ জানুয়ারি থেকে সারা দেশে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হয়েছে। এ সময় রাজনৈতিক সভা-সমাবেশ ও মিছিলের সংখ্যা বাড়তে পারে, যার ফলে বড় ধরনের জনসমাগম, নিরাপত্তা বাহিনীর অতিরিক্ত উপস্থিতি এবং যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা রয়েছে।

    এ অবস্থায় ব্রিটিশ নাগরিকদের চলাফেরায় বাড়তি সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছে লন্ডন। একই সঙ্গে যেকোনো ধরনের অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিকল্প ভ্রমণ পরিকল্পনা রাখার কথাও বলা হয়েছে।

    নির্বাচনসংক্রান্ত সতর্কতার পাশাপাশি পার্বত্য চট্টগ্রামের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়েও বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছে যুক্তরাজ্য। নিয়মিত সহিংসতা ও অপরাধমূলক ঘটনার প্রতিবেদনের কারণে রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান জেলায় জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ভ্রমণ না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে দুর্গম এলাকাগুলোতে ঝুঁকি তুলনামূলক বেশি বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

    সতর্কবার্তায় আরও জানানো হয়, সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় ভ্রমণ করলে ভ্রমণ বিমা বাতিল হতে পারে। পাশাপাশি নিষিদ্ধ এলাকাগুলোতে ব্রিটিশ নাগরিকদের জরুরি সহায়তা দেওয়ার সক্ষমতাও সীমিত থাকবে বলে জানিয়েছে যুক্তরাজ্য সরকার।

  • ইরান সংকটে ট্রাম্পকে সতর্ক করলেন কিয়ের স্টারমার, শান্তির পথেই সমাধান চাই

    ইরান সংকটে ট্রাম্পকে সতর্ক করলেন কিয়ের স্টারমার, শান্তির পথেই সমাধান চাই

    এবিএনএ:  যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমার ইরান ইস্যুতে মার্কিন সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সামরিক পদক্ষেপ থেকে পিছু হটতে অনুরোধ করেছেন। তিনি বলেছেন, এই অঞ্চলে সংঘাত বৃদ্ধি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যা বিপজ্জনক হতে পারে।

    স্টারমার আরও জানান, কূটনৈতিক পথই ইরান সমস্যার সফল সমাধান। তিনি উল্লেখ করেন, এর আগে মার্কিন সরকারের সঙ্গে বহুবার আলোচনা হয়েছে এবং তাঁর মতে, এই ধরনের সংলাপই উত্তেজনা কমানোর একমাত্র উপায়।

    এই সময়ে যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডেভিড ল্যামি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন। তার লক্ষ্য মধ্যপ্রাচ্যের সংকট কমানোর জন্য কূটনৈতিক আলোচনায় অংশ নেওয়া। ওয়াশিংটনে তিনি মার্কো রুবিওর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন, যিনি ট্রাম্পের শীর্ষ কূটনীতিক হিসেবে পরিচিত।

    বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ল্যামি ও রুবিও মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবেন, যাতে উত্তেজনা প্রশমিত করা যায় এবং শান্তিপূর্ণ সমাধানের পথ খোঁজা যায়।

    বিশ্লেষকরা মনে করছেন, যুক্তরাজ্যের এই কূটনৈতিক উদ্যোগ ইরান সংকট মেটাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। তবে পরিস্থিতি এখনও সংকটাপন্ন এবং দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপের প্রয়োজন বলে জানান বিশেষজ্ঞরা।