Tag: মৌসুমি বায়ু

  • চার বিভাগে ভারী বর্ষণের আশঙ্কা, তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে

    চার বিভাগে ভারী বর্ষণের আশঙ্কা, তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে

    এবিএনএ:  দেশের চারটি বিভাগে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত পূর্বাভাসে বলা হয়, রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেটের বিভিন্ন অঞ্চলে ভারী বর্ষণ হতে পারে। পাশাপাশি অন্যান্য বিভাগেও হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অব্যাহত থাকবে।

    আবহাওয়াবিদ ড. মো. ওমর ফারুক জানান, পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগরে একটি লঘুচাপ সক্রিয় রয়েছে এবং মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের উপর সক্রিয় অবস্থায় আছে। এর প্রভাবে আগামী কয়েকদিন দেশজুড়ে বৃষ্টি চলতে পারে।

    রবিবার সকাল পর্যন্ত পূর্বাভাসে বলা হয়, রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম, বরিশাল ও সিলেটের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা ও খুলনার কিছু এলাকায় বৃষ্টি ও দমকা হাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এর মধ্যে রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেটে মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে।

    সোমবার থেকে বুধবার পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে দেশের আট বিভাগের অধিকাংশ এলাকায় বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কোথাও কোথাও অতি ভারী বর্ষণও হতে পারে। এ সময় দিনের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রাও সামান্য হ্রাস পেতে পারে।

    তবে বর্ধিত পাঁচ দিনের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ধীরে ধীরে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা কিছুটা কমে আসতে পারে।

  • আগামী পাঁচ দিন টানা বৃষ্টি ও ভারি বর্ষণের সতর্কতা, প্রস্তুত থাকুন সবাই

    আগামী পাঁচ দিন টানা বৃষ্টি ও ভারি বর্ষণের সতর্কতা, প্রস্তুত থাকুন সবাই

    এবিএনএ:  আগামী পাঁচ দিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে টানা বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। রোববার (২৪ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টা থেকে প্রকাশিত পূর্বাভাসে জানানো হয়, দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অব্যাহত থাকবে এবং কিছু এলাকায় ভারি থেকে অতিভারি বর্ষণ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    পূর্বাভাস অনুযায়ী, রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক স্থানে বৃষ্টি হতে পারে। একই সঙ্গে রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের কিছু কিছু জায়গাতেও বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। বিশেষ করে রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলের কোথাও কোথাও ভারি থেকে অতিভারি বর্ষণ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    তাপমাত্রার বিষয়ে বলা হয়েছে, দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে তবে রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে।

    ২৫ ও ২৬ আগস্ট দেশের বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষিপ্তভাবে বজ্রসহ বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আর ২৭ আগস্ট থেকে চট্টগ্রাম, সিলেট, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগে বৃষ্টির পরিমাণ আরও বেড়ে ভারি বর্ষণ হতে পারে।

    আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ ও আশপাশের এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপ দুর্বল হয়ে মৌসুমি অক্ষের সাথে যুক্ত হয়েছে। বর্তমানে মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে প্রবল অবস্থায় রয়েছে। এছাড়া, আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে নতুন একটি লঘুচাপ তৈরি হতে পারে, যা দেশের আবহাওয়ায় অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের কারণ হবে।

    তবে পূর্বাভাস অনুযায়ী, পাঁচ দিনের শেষ দিকে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা কিছুটা কমে আসতে পারে।

  • চার বিভাগে ভারী বর্ষণের সতর্কতা, বৃষ্টির সম্ভাবনা বাড়ছে সারাদেশে

    চার বিভাগে ভারী বর্ষণের সতর্কতা, বৃষ্টির সম্ভাবনা বাড়ছে সারাদেশে

    এবিএনএ:   দেশের চারটি বিভাগে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগে মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে, আর দেশের অন্যান্য অংশেও হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির প্রবণতা থাকবে।

    আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হক জানান, মৌসুমি বায়ুর অক্ষ রাজস্থান, হরিয়ানা, উত্তর প্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ হয়ে বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চল পেরিয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত। এর একটি অংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত পৌঁছেছে। বর্তমানে মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর কিছুটা দুর্বল এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে। বুধবারের মধ্যে উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে একটি লঘুচাপ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

    আগামীকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যা পর্যন্ত রংপুর বিভাগের অধিকাংশ জায়গায়, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের বহু স্থানে, আর ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু এলাকায় দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এর মধ্যে কয়েকটি স্থানে ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।

    মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে বুধবার সন্ধ্যা পর্যন্ত রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা ও চট্টগ্রামের অনেক জায়গায় বৃষ্টি হতে পারে। এ সময়ে সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা ১-২ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমে যেতে পারে।

    বুধবার সন্ধ্যা থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্তও দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টির ধারা অব্যাহত থাকবে। বিশেষ করে রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগে বেশি বৃষ্টি হতে পারে।

    বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে শুক্রবার পর্যন্ত রংপুর, ময়মনসিংহ, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগে বেশি বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। শুক্রবারের পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় দেশের কিছু কিছু জায়গায় বৃষ্টি কম হলেও বর্ধিত পাঁচ দিনের শেষের দিকে আবারও বৃষ্টির প্রবণতা বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

  • চার বিভাগে ভারি বৃষ্টির সম্ভাবনা, সারা দেশে তাপমাত্রা কমতে পারে

    চার বিভাগে ভারি বৃষ্টির সম্ভাবনা, সারা দেশে তাপমাত্রা কমতে পারে

    এবিএনএ:  সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে দেশের চারটি বিভাগে মাঝারি থেকে ভারি বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। বৃহস্পতিবার রাতে প্রকাশিত আবহাওয়ার নিয়মিত বুলেটিনে আগামী ২৪ ঘণ্টার জন্য এই সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে।

    আবহাওয়া অফিস জানায়, বর্তমানে মৌসুমি বায়ুর অক্ষ লম্বালম্বিভাবে রাজস্থান, হরিয়ানা, উত্তর প্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। সেই সঙ্গে এই অক্ষের একটি শাখা উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত প্রসারিত হয়েছে। ফলে দেশের ওপর মৌসুমি বায়ু সক্রিয় এবং সাগরে তা মাঝারি মাত্রায় রয়েছে।

    এই প্রেক্ষাপটে শুক্রবার (৮ আগস্ট) সন্ধ্যা পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের বেশিরভাগ জায়গায় এবং ময়মনসিংহ ও সিলেটের অনেক স্থানে হালকা থেকে মাঝারি ও বজ্রসহ বৃষ্টিপাত হতে পারে। এসব এলাকার কিছু কিছু স্থানে ভারি বর্ষণেরও সম্ভাবনা রয়েছে।

    বিশেষ করে ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রামে মাঝারি থেকে ভারি বৃষ্টি হতে পারে বলে উল্লেখ করেছে সংস্থাটি। এতে করে সারাদেশেই তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে।

    পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসেও বলা হয়েছে, বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকবে। তবে এই সময়ের মধ্যে দিনের তাপমাত্রা কিছুটা বৃদ্ধি পেতে পারে। সপ্তাহজুড়েই বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে অধিদফতর।

    আবহাওয়াবিদদের মতে, সামনের দিনগুলোতে পরিকল্পনা গ্রহণের সময় জনগণকে আবহাওয়ার পরিবর্তনের বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে।

  • উত্তাল সাগরে শত শত ট্রলার নিরাপদ আশ্রয়ে, চার সমুদ্রবন্দরে তিন নম্বর সতর্কতা

    উত্তাল সাগরে শত শত ট্রলার নিরাপদ আশ্রয়ে, চার সমুদ্রবন্দরে তিন নম্বর সতর্কতা

    এবিএনএ: বঙ্গোপসাগরে টানা ঝড়ো হাওয়ার প্রভাবে মাছ ধরার শত শত ট্রলার আশ্রয় নিয়েছে সুন্দরবনের বিভিন্ন নিরাপদ খালে। মোংলা, কচিখালী, কটকা, সুপতি ও দুবলা এলাকা থেকে শুরু করে শরণখোলা এবং রাজৈর উপকূলেও দেখা গেছে ট্রলারভর্তি খাল।

    আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর কারণে উত্তর বঙ্গোপসাগর এলাকায় বায়ুচাপের তারতম্য দেখা দিয়েছে। ফলে সমুদ্রজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে ভয়ংকর ঢেউ ও ঝড়ো বাতাস। এরই প্রেক্ষিতে মোংলা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

    এছাড়া, উত্তাল সমুদ্রের কারণে উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলেছে কর্তৃপক্ষ।

    বাগেরহাট পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম চৌধুরী জানিয়েছেন, “সাগরে প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে অসংখ্য ট্রলার সুন্দরবনের বিভিন্ন খালে ঠাঁই নিয়েছে। যেহেতু ১ জুন থেকে সুন্দরবনে জনসাধারণের প্রবেশ নিষিদ্ধ, তাই এই ট্রলারগুলোর উপর কড়া নজরদারি চলছে। কেউ আশ্রয়ের অজুহাতে মাছ ধরতে গেলে, তাকে আইন অনুযায়ী গ্রেফতার করা হবে।”

    মোংলা বন্দরে টানা বৃষ্টির কারণে পণ্য ওঠানামাও ব্যাহত হয়েছে। মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের উপ-পরিচালক মো. মাকরুজ্জামান জানিয়েছেন, বৃষ্টির কারণে সাতটি জাহাজে কাজ কিছুটা বিলম্বিত হয়েছে। তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে তারা সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

    আবহাওয়া বিভাগ জানিয়েছে, পরবর্তী কয়েকদিনেও সাগরে ঝড়ো হাওয়া ও দমকা বাতাস অব্যাহত থাকতে পারে। ফলে মাছ ধরার ট্রলার ও সমুদ্রপথে চলাচলকারী সকলকে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের অনুরোধ জানানো হয়েছে।

    এই পরিস্থিতি দেশজুড়ে উপকূলীয় জেলাগুলোতেও সতর্কবার্তা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় প্রস্তুতির জন্য স্থানীয় প্রশাসনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

  • উত্তাল বঙ্গোপসাগর: চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কতা, উপকূলজুড়ে শঙ্কা

    উত্তাল বঙ্গোপসাগর: চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কতা, উপকূলজুড়ে শঙ্কা

    এবিএনএ: সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় ঝড়ো হাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এতে দেশের চারটি সমুদ্রবন্দর—চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রাকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

    শুক্রবার রাতে প্রকাশিত আবহাওয়ার বিশেষ বুলেটিনে জানানো হয়, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও সিলেট অঞ্চলে দক্ষিণ-পূর্ব অথবা পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।

    এই অবস্থায় উল্লিখিত জেলার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত এবং সমুদ্রবন্দরগুলোকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত প্রদর্শনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    আবহাওয়াবিদ হাফিজুর রহমান জানান, সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর কারণে উত্তর বঙ্গোপসাগরে বায়ুচাপের তারতম্যের আধিক্য সৃষ্টি হয়েছে। ফলে উপকূলজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে ঝড়ো হাওয়ার সম্ভাবনা।

    আবহাওয়া অধিদপ্তর আরও জানিয়েছে, বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে উপকূলের কাছাকাছি এসে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত গভীর সমুদ্রে যাওয়া থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।

    এই মুহূর্তে বঙ্গোপসাগর ও উপকূলীয় অঞ্চলজুড়ে সতর্কতা অবলম্বনের সময়, যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত রয়েছে সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলো।

  • সাগরে ৩ নম্বর সংকেত, দেশে আসছে নিয়মিত বৃষ্টির আভাস

    সাগরে ৩ নম্বর সংকেত, দেশে আসছে নিয়মিত বৃষ্টির আভাস

    এবিএনএ: বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে সাগরে সৃষ্ট লঘুচাপের কারণে দেশের চারটি সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত জারি করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি খুলনা, বরিশাল, নোয়াখালীসহ নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

    আবহাওয়াবিদ মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক জানান, লঘুচাপের কারণে উপকূলীয় এলাকায় ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে এবং বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বাড়তে পারে। এর ফলে আগামী এক সপ্তাহ দেশের বিভিন্ন স্থানে থেমে থেমে বৃষ্টি হতে পারে।

    আবহাওয়া অধিদপ্তরের জুলাই মাসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, চলতি মাসে দেশে ১ থেকে ৩টি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে, যার মধ্যে অন্তত একটি মৌসুমি নিম্নচাপে রূপ নিতে পারে। এছাড়া এক থেকে দুটি মৃদু তাপপ্রবাহও বয়ে যেতে পারে।

    তবে এর মধ্যে আশার খবর হলো—এই মাসে সারাদেশে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

    অন্যদিকে, জুন মাসে দেশে গড় বৃষ্টিপাত হয়েছে স্বাভাবিকের তুলনায় প্রায় ১৯.৩ শতাংশ কম। সবচেয়ে কম বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে সিলেট বিভাগে, যেখানে স্বাভাবিকের তুলনায় প্রায় ৪৯ শতাংশ কম বৃষ্টি হয়েছে। ঢাকাতেও কমেছে ৩৩ শতাংশ বৃষ্টিপাত। খুলনা ও বরিশাল বিভাগ ছাড়া বাকি ছয়টি বিভাগেই বৃষ্টির পরিমাণ স্বাভাবিকের নিচে ছিল।

    আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আষাঢ় মাসে এমন কম বৃষ্টিপাত জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবের অংশ হতে পারে। তবে জুলাই মাসে স্বাভাবিক বর্ষণ আবার ফিরে আসবে বলেই পূর্বাভাস।

    এদিকে মৎস্যজীবী ও উপকূলবর্তী বাসিন্দাদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে এবং সমুদ্রগামী নৌযানগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত গভীর সাগরে বিচরণ না করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

    সাধারণ জনগণকে প্রয়োজনীয় সাবধানতা অবলম্বনের পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার পরামর্শ দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

  • আগামী পাঁচদিন সারাদেশে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা, সতর্ক থাকার পরামর্শ

    আগামী পাঁচদিন সারাদেশে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা, সতর্ক থাকার পরামর্শ

    এবিএনএ:  জুলাই মাসের শুরুতেই দেশের আবহাওয়া বৈচিত্র্যে ভরপুর হয়ে উঠেছে। একদিকে যেমন মৌসুমি বায়ুর সক্রিয়তায় মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে, তেমনি দেশের কোথাও কোথাও বয়ে যেতে পারে মৃদু তাপপ্রবাহ। আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী পাঁচ দিন দেশের প্রায় সব বিভাগেই হালকা থেকে ভারী বর্ষণের আশঙ্কা রয়েছে।

    বুধবার আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, বঙ্গোপসাগরে ১ থেকে ৩টি লঘুচাপ তৈরি হতে পারে, যার একটি মৌসুমি নিম্নচাপে রূপ নিতে পারে। একইসঙ্গে পাঁচ-ছয়দিন বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে।

    পরিচালক মো. মমিনুল ইসলাম বলেন, “জুলাই মাসে একাধিক এলাকায় মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। রাত ও দিনের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে কিছুটা বেশি থাকতে পারে।”

    প্রথমার্ধে দেশের প্রধান নদ-নদীতে পানির স্তর বাড়বে বলে জানা গেছে। জুন মাসে দেশে স্বাভাবিকের তুলনায় ১৯.৩ শতাংশ কম বৃষ্টিপাত হয়েছে, ঢাকায় এই ঘাটতি প্রায় ৩৩ শতাংশ।

    অধিদপ্তরের নিয়মিত বুলেটিনে আরও জানানো হয়েছে, মৌসুমি বায়ু এখন দেশের উপর সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থানে রয়েছে। এর ফলে খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম, রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগে ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে।

    বিশেষ করে বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগে অধিকাংশ জায়গায় এবং অন্যান্য বিভাগেও কিছু এলাকায় দমকা হাওয়াসহ বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। শনিবারও একই ধারা অব্যাহত থাকতে পারে।

    আবহাওয়া অফিস জানায়, ২৪ ঘণ্টায় ১-১০ মিমি বৃষ্টিকে হালকা, ১১-২২ মিমি মাঝারি, ২৩-৪৩ মিমি মাঝারি ধরনের ভারি, ৪৪-৮৮ মিমি ভারি এবং ৮৮ মিলিমিটারের বেশি হলে অতি ভারি বৃষ্টিপাত হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

    গত শুক্রবার সাগরে লঘুচাপ তৈরি হওয়ায় তিন নম্বর সতর্ক সংকেত জারি হয়েছিল, যা বুধবার তুলে নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে ঝড়ো হাওয়ার সম্ভাবনা না থাকায় দেশের সব সমুদ্রবন্দরকে সংকেত নামিয়ে ফেলতে বলা হয়েছে।

    আবহাওয়াবিদ বজলুর রশীদ জানান, “জুলাই মাসে মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে সাধারণত বৃষ্টি হয়। এখন বৃষ্টিপাত বাড়ছে, আগামী পাঁচ দিনও এই প্রবণতা বজায় থাকবে।” বুধবার সন্ধ্যা পর্যন্ত কক্সবাজারে সর্বোচ্চ ৭৩ মিলিমিটার বৃষ্টি এবং ঢাকায় ৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। সৈয়দপুরে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৪.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

    সপ্তাহজুড়ে এই বৃষ্টিপ্রবণ আবহাওয়া অব্যাহত থাকতে পারে, ফলে জনসাধারণকে সতর্ক ও প্রস্তুত থাকার পরামর্শ দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

  • বঙ্গোপসাগরে ঘনীভূত মৌসুমি বায়ু, চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত

    বঙ্গোপসাগরে ঘনীভূত মৌসুমি বায়ু, চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত

    এবিএনএ: বঙ্গোপসাগরে সক্রিয় হয়ে উঠেছে মৌসুমি বায়ু। এর ফলে সৃষ্টি হয়েছে ঘন বজ্রমেঘ, যা উপকূলীয় এলাকায় ঝড়ো হাওয়া ও ভারী বর্ষণের আশঙ্কা তৈরি করেছে।

    বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, এই আবহাওয়া পরিস্থিতির কারণে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা—এই চারটি সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

    শুক্রবার, ২০ জুন, আবহাওয়াবিদ শাহিনুল ইসলামের স্বাক্ষরিত এক সতর্কবার্তায় জানানো হয়, উত্তর বঙ্গোপসাগরজুড়ে বায়ুচাপের তারতম্য ও সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর ফলে বজ্রমেঘ ঘনীভূত হচ্ছে। এর প্রভাবে দমকা কিংবা ঝড়ো হাওয়ার সঙ্গে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।

    এছাড়া, বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে চলাচল করতে বলা হয়েছে। তাদের প্রতি বিশেষ সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানানো হয়েছে যেন দুর্ঘটনা এড়ানো যায়।

    আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, সামুদ্রিক ঝুঁকি আরও কয়েকদিন স্থায়ী হতে পারে। তাই উপকূলীয় জনপদ ও মৎস্যজীবীদের নিরাপদে থাকতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

  • সোমবার থেকে শুরু ভারি বর্ষণের ঝড়, সতর্ক বার্তা আবহাওয়া অধিদপ্তরের

    সোমবার থেকে শুরু ভারি বর্ষণের ঝড়, সতর্ক বার্তা আবহাওয়া অধিদপ্তরের

    এবিএনএ:

    সোমবার (১৬ জুন) সকাল থেকে দেশের বিভিন্ন এলাকায় ভারি থেকে অতি ভারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু সক্রিয় হয়ে উঠায় বর্ষার তীব্রতা আরও বাড়বে বলে পূর্বাভাসে বলা হয়েছে।

    শনিবার প্রকাশিত এক বিশেষ সতর্কবার্তায় জানানো হয়, আগামী ৭২ ঘণ্টা ধরে চট্টগ্রাম, বরিশাল, খুলনা, ঢাকা, ময়মনসিংহ, সিলেট, রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের বিভিন্ন অঞ্চলে ভারি থেকে অতি ভারি বর্ষণ হতে পারে।

    বিশেষ করে চট্টগ্রাম, রাঙ্গামাটি, বান্দরবন, খাগড়াছড়ি ও কক্সবাজারের পাহাড়ি এলাকায় প্রবল বৃষ্টির কারণে ভূমিধ্বসের ঝুঁকি রয়েছে। এ ছাড়া, বৃষ্টির কারণে ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরীর কিছু এলাকায় সাময়িক জলাবদ্ধতা দেখা দিতে পারে বলে সতর্কবার্তায় উল্লেখ করা হয়েছে।

    আবহাওয়া অধিদপ্তর আরও জানায়, শনিবার সন্ধ্যার মধ্যে দেশের সাতটি অঞ্চলে বজ্রবৃষ্টি ও দমকা হাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

    আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা নাগরিকদের সতর্ক থাকার এবং প্রয়োজন ছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ি এলাকায় না যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। একই সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসনকে প্রস্তুত থাকার জন্য বলা হয়েছে।

    সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায়, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও উদ্ধার কার্যক্রম চালাতে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।