Tag: মৃত্যু

  • টাঙ্গাইলে শেষ নির্বাচনী মিছিলে অসুস্থ হয়ে দুইজনের মৃত্যু

    টাঙ্গাইলে শেষ নির্বাচনী মিছিলে অসুস্থ হয়ে দুইজনের মৃত্যু

    এবিএনএ: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারের শেষ দিনে টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থীর গণমিছিলে অংশ নিতে এসে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে দুজন সমর্থকের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার দুপুরে শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যান থেকে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

    নিহতরা সদর উপজেলার সেলিমপুর ইউনিয়নের চর পাকুল্যা গ্রামের জোনাব আলী এবং একই ইউনিয়নের ছোনাট গ্রামের জিয়াউর রহমান। প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মিছিল শুরুর আগে একজন এবং মিছিল চলাকালে আরেকজন হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। একজনের হার্টের জটিলতা দেখা দেয় এবং অন্যজনের ডায়াবেটিসজনিত সমস্যায় শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। দ্রুত টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুজনকেই মৃত ঘোষণা করেন।

    স্বতন্ত্র প্রার্থী অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবাল জানান, প্রচারণার শেষ দিনে উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল ও শহরের অলিগলি থেকে বিপুলসংখ্যক মানুষ মিছিলে অংশ নেয়। এ সময় দুজন কর্মী অসুস্থ হয়ে পড়লে তাৎক্ষণিকভাবে হাসপাতালে পাঠানো হয়। তাদের অকালপ্রয়াণে শোক প্রকাশ করে তিনি পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

    টাঙ্গাইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রুহুল আমিন বলেন, নিহত দুজনই বয়সে প্রবীণ ছিলেন এবং আগে থেকেই শারীরিকভাবে অসুস্থ ছিলেন বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি।

  • ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৩ প্রাণহানি, হাসপাতালে নতুন ৭৮২ রোগী

    ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৩ প্রাণহানি, হাসপাতালে নতুন ৭৮২ রোগী

    এবিএনএ:  সারা দেশে আবারও বাড়ছে ডেঙ্গুর সংক্রমণ। গত ২৪ ঘণ্টায় প্রাণঘাতী এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন নতুন করে ৭৮২ জন রোগী।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুমের সর্বশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। তাদের হিসাবে, চলতি বছর এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২১৫ জনে, আর শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫০ হাজার ৬৮৯ জনে।

    সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল বিভাগে ১৭৪ জন, চট্টগ্রামে ৮৩ জন, ঢাকা বিভাগে ১৪৫ জন (এর মধ্যে উত্তর সিটিতে ১১৮ ও দক্ষিণ সিটিতে ৯০ জন), খুলনায় ৫৭ জন, ময়মনসিংহে ৩৫ জন, রাজশাহীতে ৬৪ জন, রংপুরে ১১ জন এবং সিলেটে পাঁচজন নতুন রোগী ভর্তি হয়েছেন।

    এ সময় মারা যাওয়া তিনজনের মধ্যে দুজনের মৃত্যু হয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় এবং একজনের খুলনা বিভাগে। একই সময়ে ৭৪৫ জন সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। এ নিয়ে মোট ৪৮ হাজার ১ জন রোগী চিকিৎসা শেষে বাসায় ফিরেছেন।

    স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাস ডেঙ্গু বিস্তারের জন্য সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ সময়। এ সময় নাগরিকদের সতর্ক থাকা, জমে থাকা পানি অপসারণ ও নিয়মিত মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের ওপর জোর দিচ্ছে স্বাস্থ্য বিভাগ।

    তথ্য অনুসারে, ২০২৪ সালে দেশে মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছিল ১ লাখ ১ হাজার ২১৪ জন এবং মৃত্যু হয়েছিল ৫৭৫ জনের। তার আগের বছর ২০২৩ সালে রেকর্ড ১ হাজার ৭০৫ জন মারা যান এবং ৩ লাখ ২১ হাজারেরও বেশি মানুষ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হন।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, চলতি বছরও ডেঙ্গুর সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রতিদিন নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। নাগরিক সচেতনতা ও স্থানীয় প্রশাসনের সক্রিয় অংশগ্রহণই এ সংকট মোকাবিলার মূল চাবিকাঠি।

  • অক্টোবরে ডেঙ্গুর ভয়াবহ বিস্তার আশঙ্কা: পূজার ছুটিতে বেড়েছে সংক্রমণের ঝুঁকি

    অক্টোবরে ডেঙ্গুর ভয়াবহ বিস্তার আশঙ্কা: পূজার ছুটিতে বেড়েছে সংক্রমণের ঝুঁকি

    এবিএনএ: দেশজুড়ে ডেঙ্গুর প্রভাব ভয়াবহ আকার নিচ্ছে। চলতি বছরের অক্টোবর মাসেই ডেঙ্গু পরিস্থিতি সবচেয়ে খারাপ হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা। আবহাওয়া ও পূজার ছুটির কারণে এডিস মশার বংশবিস্তার বেড়ে যাওয়াই এর প্রধান কারণ বলে তারা মনে করছেন।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্যে দেখা গেছে, এখন পর্যন্ত সারাদেশে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ৫০ হাজারে পৌঁছেছে এবং মৃত্যু ২১২ জনে দাঁড়িয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে মারা গেছেন আরও ৯ জন, হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এক হাজার ৪২ জন রোগী।

    সেপ্টেম্বর মাসে এককভাবে ১৫ হাজার ৮৬৬ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এবং মারা গেছেন ৭৬ জন। আক্রান্তের হার অনুযায়ী, সেপ্টেম্বর মাসই ছিল বছরের সবচেয়ে ভয়াবহ সময়। তবে অক্টোবরের শুরুতেই রোগীর সংখ্যা আরও বাড়ছে।

    আইইডিসিআরের উপদেষ্টা ডা. মুশতাক হোসেন বলেন, “এখন রোদ-বৃষ্টি মিলিয়ে যে আবহাওয়া চলছে, তাতে এডিস মশার বিস্তার রোধ করা কঠিন। বৃষ্টি থেমে গেলেও আগামী দুই মাস ডেঙ্গুর ঝুঁকি রয়ে যাবে।”

    জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কীটতত্ত্ববিদ অধ্যাপক ড. কবিরুল বাশার বলেন, “অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহের শেষ দিক থেকে ডেঙ্গুর প্রকোপ আরও বাড়বে। পূজার ছুটিতে ফাঁকা বাসাবাড়ি ও জমে থাকা পানি থেকে মশা জন্ম নিচ্ছে। ফলে সংক্রমণ দ্রুত ছড়াতে পারে।”

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ডেঙ্গু মোকাবিলায় হাসপাতালগুলোকে ১২ দফা নির্দেশনা দিয়েছে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, কেবল ধোঁয়া দিয়ে নয়—জনসচেতনতা ও স্থানীয়ভাবে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন কার্যক্রম জোরদার করলেই ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব।

  • দেশজুড়ে ডেঙ্গুর ভয়াবহতা বেড়েই চলেছে: ২৪ ঘণ্টায় ৯ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১০৪২ জন

    দেশজুড়ে ডেঙ্গুর ভয়াবহতা বেড়েই চলেছে: ২৪ ঘণ্টায় ৯ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১০৪২ জন

    এবিএনএ: সারা দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতি ক্রমেই ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় (শনিবার সকাল ৮টা থেকে রবিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) মশাবাহিত এই রোগে আরও ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ১০৪২ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। স্বাস্থ্য অধিদফতরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এ বছর এখন পর্যন্ত মোট মৃত্যু দাঁড়িয়েছে ২১২ জনে এবং আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৪৯ হাজার ৯০৭ জন।

    রবিবার স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো নিয়মিত প্রতিবেদনে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে ঢাকায় সর্বাধিক রোগী শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ১৯৮ জন, দক্ষিণ সিটিতে ১২১ জন এবং সিটি করপোরেশনের বাইরে আরও ২০১ জন ভর্তি হয়েছেন।

    এছাড়া বিভাগভিত্তিক হিসেবে বরিশালে ১৯৫ জন, চট্টগ্রামে ১০৪ জন, খুলনায় ৭২ জন, ময়মনসিংহে ৪১ জন, রাজশাহীতে ৮২ জন, রংপুরে ২৩ জন এবং সিলেটে ৫ জন নতুন করে ভর্তি হয়েছেন।

    অন্যদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় ৮৯৮ জন ডেঙ্গুরোগী সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। চলতি বছর এখন পর্যন্ত মোট ৪৭ হাজার ২৫৬ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর।

    ২০২৪ সালে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছিল ১ লাখ ১ হাজার ২১৪ জন, মারা যান ৫৭৫ জন। এর আগের বছর অর্থাৎ ২০২৩ সালে রেকর্ড ১ হাজার ৭০৫ জনের মৃত্যু ঘটে, আক্রান্ত হয়েছিলেন ৩ লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন। বর্তমান বছরের পরিসংখ্যান ইঙ্গিত দিচ্ছে, এবারও ডেঙ্গুর ভয়াবহতা উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে।

  • ডেঙ্গুতে আরও ৩ প্রাণহানি, একদিনে নতুন ভর্তি ৬৮৫ রোগী

    ডেঙ্গুতে আরও ৩ প্রাণহানি, একদিনে নতুন ভর্তি ৬৮৫ রোগী

    এবিএনএ:  দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতি আবারও ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় (শনিবার সকাল ৮টা থেকে রবিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৫০ জনে।

    স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের সর্বশেষ প্রতিবেদনে জানানো হয়, গত একদিনে নতুন করে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ৬৮৫ জনকে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    প্রতিবেদনে বলা হয়, নতুন ভর্তি রোগীদের মধ্যে শুধু ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২৪৪ জন। এছাড়া ঢাকা বিভাগের অন্যান্য এলাকায় ১২২ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৮৯ জন, খুলনায় ৩৫ জন, রাজশাহীতে ৩৯ জন, বরিশালে ১২৫ জন, ময়মনসিংহে ২১ জন, রংপুরে ছয়জন এবং সিলেটে চারজন ভর্তি হয়েছেন।

    চলতি বছর ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত ৩৭ হাজার ৮৯১ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রোগীর সংখ্যা ও মৃত্যুর হার বাড়তে থাকায় সচেতনতা ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা জোরদার করা এখন জরুরি হয়ে পড়েছে।

  • একদিনে ডেঙ্গু কেড়ে নিল ২ প্রাণ, করোনায় আরও এক মৃত্যু, সতর্কবার্তা বিশেষজ্ঞদের

    একদিনে ডেঙ্গু কেড়ে নিল ২ প্রাণ, করোনায় আরও এক মৃত্যু, সতর্কবার্তা বিশেষজ্ঞদের

    এবিএনএ: ডেঙ্গু ও করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। রবিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত হিসেব অনুযায়ী, ডেঙ্গুতে ঢাকায় এক তরুণী এবং চট্টগ্রামে ষাটোর্ধ্ব এক ব্যক্তি মারা যান। পাশাপাশি চট্টগ্রামেই করোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন ৪৫ বছর বয়সী এক ব্যক্তি।

    ঢাকার কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২৩ বছর বয়সী তরুণী মারা যান, তিনি রাজধানীর কালশীর বাসিন্দা ছিলেন। অন্যদিকে, চট্টগ্রামের পটিয়ার বাসিন্দা নুরুল আলম (৬৫) শুক্রবার ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে ভর্তি হন এবং শনিবার রাতে মারা যান।

    করোনায় মৃত্যু হওয়া ব্যক্তি চট্টগ্রাম বিভাগের বাসিন্দা। তিনি স্থানীয় একটি সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, ওই দিন ২১৮ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হলেও নতুন করে করোনা আক্রান্তের কোনো তথ্য মেলেনি।

    চলতি মাসের প্রথম ১৩ দিনে ডেঙ্গুতে মারা গেছেন ১৪ জন, যা বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড় করিয়েছে ৫৬-তে।

    রবিবার একদিনেই সারা দেশে ৪২০ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হন। চলতি বছরে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪ হাজার ৮৮০ জনে। জুলাই মাসের প্রথম ১২ দিনেই ভর্তি হয়েছেন ৪ হাজার ৫৮৪ জন।

    বিভাগভিত্তিক মৃত্যু

    ঢাকা বিভাগে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে সবচেয়ে বেশি, ৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এরপর বরিশালে মৃত্যু হয়েছে ১৪ জনের। বাকি বিভাগগুলোতে মোট মৃত্যু ১২ জন।

    ডেঙ্গু নিয়ে সতর্কবার্তা

    রোগতত্ত্ববিদরা জানিয়েছেন, জুলাইয়ের শেষভাগ থেকে আগস্টে ডেঙ্গুর প্রকোপ আরও বাড়তে পারে। তাই এখন থেকেই সতর্কতা ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

    চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, “ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আমরা স্থানীয় স্বাস্থ্যকর্মীদের মাধ্যমে হালনাগাদ তথ্য সংগ্রহ করছি এবং আক্রান্তদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিশ্চিত করছি।”

    করোনা: শনাক্ত নেই, মৃত্যু আছে

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত দেশে মোট ২০ লাখ ৫২ হাজার ২২০ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন এবং ২৯ হাজার ৫২৬ জন মৃত্যুবরণ করেছেন। ২০২৫ সালে এখন পর্যন্ত ৬৭৫ জন আক্রান্ত ও ২৭ জন মৃত্যুবরণ করেছেন।

    দেশে ২০২০ সালের ৮ মার্চ প্রথম করোনা শনাক্ত হয় এবং ১৮ মার্চ প্রথম মৃত্যু হয়।