Tag: মুস্তাফিজ

  • আইসিসি র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশিদের চমক: মুস্তাফিজের দুর্দান্ত অগ্রগতি, তামিম-জাকেরের বড় লাফ

    আইসিসি র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশিদের চমক: মুস্তাফিজের দুর্দান্ত অগ্রগতি, তামিম-জাকেরের বড় লাফ

    এবিএনএ:  পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ জিতে মন জয় করেছিল বাংলাদেশ দল। এবার সেই সাফল্যের পুরস্কার মিলেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) সর্বশেষ টি-টোয়েন্টি র‍্যাঙ্কিংয়ে। উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি দেখা গেছে টাইগারদের পারফরমারদের মধ্যে।

    সবচেয়ে বড় আলোড়ন তুলেছেন মুস্তাফিজুর রহমান। দুর্দান্ত বোলিংয়ের সুবাদে তিনি ১৭ ধাপ এগিয়ে উঠে এসেছেন বোলারদের র‍্যাঙ্কিংয়ে যৌথভাবে নবম স্থানে। পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজে মাত্র ৭ রান গড়ে ৩ উইকেট শিকার করে তিনি দলের জয়ে বড় অবদান রেখেছেন।

    বাকি বোলাররাও পিছিয়ে নেই। শেখ মেহেদী হাসান ৯ ধাপ এগিয়ে এখন ১৬ নম্বরে। দ্বিতীয় ম্যাচে ২৫ রানে ২ উইকেট নিয়ে জয়ের নায়ক ছিলেন তিনি। একইভাবে তানজিম সাকিবও ৯ ধাপ এগিয়ে যৌথভাবে ৩৭তম স্থানে জায়গা করে নিয়েছেন, যেখানে আছেন ভারতের কুলদীপ যাদবও।

    তাসকিন আহমেদ ১ ধাপ এগিয়ে ২৭তম স্থানে অবস্থান করছেন, শরিফুল ইসলাম ১৪ ধাপ এগিয়ে পৌঁছেছেন ৪৩ নম্বরে। রিশাদ হোসেন যদিও ৩ ধাপ পিছিয়ে গেছেন, তবুও তিনি রয়েছেন ২০তম স্থানে। হাসান মাহমুদ নেমে এসেছেন ৪০ নম্বরে।

    ব্যাটিং বিভাগেও এসেছে ইতিবাচক খবর। তানজিদ হাসান তামিম ১৮ ধাপ এগিয়ে পৌঁছেছেন ৩৭ নম্বরে, জাকের আলী ১৭ ধাপ অগ্রগতি দেখিয়ে এখন ৫৩ নম্বরে, আর পারভেজ হোসেন ইমন ২২ ধাপ লাফিয়ে উঠেছেন ৬৩ নম্বরে।

    তাওহিদ হৃদয়ও দুই ধাপ এগিয়ে যৌথভাবে ৩৯ নম্বরে অবস্থান করছেন দক্ষিণ আফ্রিকার কুইন্টন ডি ককের সঙ্গে। যদিও লিটন দাস এক ধাপ পিছিয়ে ৪৫ নম্বরে নেমে গেছেন এবং স্কোয়াডে না থাকা নাজমুল হোসেন শান্ত ৬ ধাপ পিছিয়ে ৭৩ নম্বরে রয়েছেন।

    বাংলাদেশ দলের এই অগ্রগতি প্রমাণ করে, তরুণ ও অভিজ্ঞদের সম্মিলিত পারফরম্যান্স আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের অবস্থান আরও দৃঢ় করছে।

  • পাকিস্তানকে রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে হারিয়ে সিরিজ নিশ্চিত করলো বাংলাদেশ

    পাকিস্তানকে রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে হারিয়ে সিরিজ নিশ্চিত করলো বাংলাদেশ

    এবিএনএ: মিরপুরে আয়োজিত দ্বিতীয় টি-২০ ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করে মাত্র ১৩৩ রান তুলেছিল বাংলাদেশ। মনে হচ্ছিল, জয়ের পথটা সহজ হবে। কিন্তু সেই সহজ লক্ষ্যও কঠিন হয়ে দাঁড়ায় ফাহিম আশরাফের একক প্রতিরোধে। শেষ পর্যন্ত রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ে ৮ রানের জয় পায় লাল-সবুজ বাহিনী এবং এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ জয় নিশ্চিত করে।

    মঙ্গলবার মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে খেলাটি শুরু হয় মাইলস্টোন কলেজে বিমান বিধ্বস্তে নিহতদের স্মরণে শোক জানিয়ে। একাদশে ছিল দুটি পরিবর্তন—নাঈম শেখ সুযোগ পান তানজিদ তামিমের পরিবর্তে, জাকের আলী ফিরেন দলে। কিন্তু শুরুটা হতাশাজনক ছিল ব্যাটিংয়ে। লিটন দাস, হৃদয়, ইমন কেউই দাঁড়াতে পারেননি। ২৫ রানের মধ্যেই ৪ উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়ে বাংলাদেশ।

    তবে শেখ মেহেদি ও জাকের আলীর ৫৩ রানের জুটি কিছুটা স্বস্তি এনে দেয়। মেহেদি ২৫ বলে ৩৩ রান করেন, আর জাকের শেষ পর্যন্ত ৪৮ বলে ৫৫ রানের মূল্যবান ইনিংস খেলেন। তার ইনিংসে ছিল ৫টি ছক্কা ও ১টি চার। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১৩৩ রান।

    জবাবে পাকিস্তান ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে শুরুতেই। মাত্র ১৫ রানেই ৫ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় তারা। শরিফুল ইসলাম ও তানজিম সাকিবের আগুনঝরা স্পেলে পাকিস্তানের টপ অর্ডার ছিন্নভিন্ন হয়ে যায়। এক পর্যায়ে ৭ উইকেটে ৪৭ রানে পরিণত হয় সফরকারীরা।

    তবে পেস অলরাউন্ডার ফাহিম আশরাফ একাই লড়াই চালিয়ে যান। আব্বাস আফ্রিদিকে নিয়ে ৪১ রানের জুটি গড়েন। ফাহিম ৩২ বলে ৫১ রান করে রিশাদের বলে বোল্ড হন। শেষ ওভারে পাকিস্তানের প্রয়োজন ছিল ১৩ রান। প্রথম বলেই মুস্তাফিজ চার খেয়ে চাপে পড়লেও পরের বলেই উইকেট তুলে নিয়ে জয় এনে দেন বাংলাদেশকে।

    বাংলাদেশের পক্ষে শরিফুল ৩ উইকেট, তানজিম ও মেহেদি ২টি করে উইকেট নেন। ম্যাচসেরা হন জাকের আলী।