Tag: মুস্তাফিজুর রহমান

  • ৯ কোটির চুক্তি বাতিল, তবু এক টাকাও নয়! মুস্তাফিজ ইস্যুতে আইপিএলের ব্যাখ্যা কী?

    ৯ কোটির চুক্তি বাতিল, তবু এক টাকাও নয়! মুস্তাফিজ ইস্যুতে আইপিএলের ব্যাখ্যা কী?

    এবিএনএ: আইপিএল নিলামে বড় অঙ্কে দল পাওয়ার পরও এক ম্যাচ না খেলেই কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর) ছাড়তে হয়েছে বাংলাদেশের পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে। বিসিসিআইয়ের নির্দেশে চুক্তি বাতিল হলেও আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে—এত বড় অঙ্কের চুক্তি থাকা সত্ত্বেও তিনি কেন কোনো ক্ষতিপূরণ পাচ্ছেন না।

    নিলামে ৯ কোটি ২০ লাখ রুপিতে মুস্তাফিজকে দলে নিয়েছিল কেকেআর। তবে টুর্নামেন্ট শুরুর আগেই তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। বিষয়টি আরও বিস্ময়কর কারণ, তার বিরুদ্ধে কোনো শৃঙ্খলাভঙ্গ, ইনজুরি কিংবা পারফরম্যান্স-সংক্রান্ত অভিযোগ ছিল না।

    আইপিএল সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে জানা গেছে, এই ঘটনার মূল কারণ আইপিএলের বিমা কাঠামো। প্রতিটি খেলোয়াড়ের চুক্তি বিমাকৃত হলেও বিদেশি ক্রিকেটারদের ক্ষেত্রে সেই সুবিধা প্রযোজ্য হয় নির্দিষ্ট শর্তে। সাধারণত টুর্নামেন্ট চলাকালে বা ক্যাম্পে যোগ দেওয়ার পর ইনজুরিতে পড়লে বিমা থেকে সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ পর্যন্ত অর্থ পাওয়া যায়।

    কিন্তু মুস্তাফিজের চুক্তি বাতিল হয়েছে টুর্নামেন্ট শুরুর আগেই এবং সেটিও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে। ফলে এটি কোনো ইনজুরি বা ক্রিকেট-সংক্রান্ত কারণে নয়। এ কারণেই বিমা কোম্পানি কিংবা ফ্র্যাঞ্চাইজির পক্ষ থেকে অর্থ পরিশোধের কোনো আইনি বাধ্যবাধকতা তৈরি হয়নি।

    আইনগতভাবে কেকেআর বা বিসিসিআইয়ের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার সুযোগ থাকলেও সেটি সহজ নয়। আইপিএল ভারতীয় আইনের অধীনে পরিচালিত হওয়ায় এবং ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ারের কথা বিবেচনায় রেখে অধিকাংশ বিদেশি ক্রিকেটারই কোর্ট অব আরবিট্রেশন ফর স্পোর্টসে যাওয়ার ঝুঁকি নেন না।

    সব মিলিয়ে, আইপিএলের বিমা নীতির জটিল কাঠামোর কারণেই বড় অঙ্কের চুক্তি থাকা সত্ত্বেও ক্ষতিপূরণবঞ্চিত হচ্ছেন মুস্তাফিজুর রহমান—এমনটাই জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

  • আইপিএল নিলামে ইতিহাস গড়লেন মুস্তাফিজ, ৯ কোটি ২০ লাখ রুপিতে কেকেআরে ‘কাটার মাস্টার’

    আইপিএল নিলামে ইতিহাস গড়লেন মুস্তাফিজ, ৯ কোটি ২০ লাখ রুপিতে কেকেআরে ‘কাটার মাস্টার’

    এবিএনএ: আইপিএল ক্যারিয়ারে নিজের সর্বোচ্চ মূল্য পেয়েছেন বাংলাদেশের তারকা বাঁ-হাতি পেসার মুস্তাফিজুর রহমান। ২ কোটি রুপির ভিত্তিমূল্য থেকে শুরু হয়ে তাকে দলে নিতে কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর) ব্যয় করেছে ৯ কোটি ২০ লাখ রুপি। এর মাধ্যমে আইপিএলের ইতিহাসে সবচেয়ে দামী বাংলাদেশি ক্রিকেটার হিসেবে নতুন রেকর্ড গড়লেন তিনি।

    নিলামে মুস্তাফিজের নাম উঠতেই প্রথমে আগ্রহ দেখায় চেন্নাই সুপার কিংস। আগের মৌসুমে দলটির হয়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের কারণে চেন্নাই তাকে ফেরাতে ছিল বেশ দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তবে শুরু থেকেই দৃশ্যপটে ছিল কেকেআর, যারা আগ্রাসী বিডের মাধ্যমে দাম বাড়াতে থাকে।

    এক পর্যায়ে দিল্লি ক্যাপিটালসও বিডে অংশ নেয়, কিন্তু মূল্য চার কোটি ছাড়িয়ে গেলে তারা সরে দাঁড়ায়। শেষ পর্যন্ত কলকাতা ও চেন্নাইয়ের মধ্যে জমে ওঠে মূল লড়াই। উত্তেজনাপূর্ণ এই প্রতিযোগিতায় জয়ী হয়ে মুস্তাফিজকে নিজেদের স্কোয়াডে ভেড়ায় কেকেআর।

    ক্রিকেট বিশ্লেষকদের মতে, মুস্তাফিজের কাটার, ডেথ ওভারের দক্ষতা এবং অভিজ্ঞতা—সব মিলিয়ে কেকেআরের জন্য তিনি হতে পারেন বড় অস্ত্র।

  • ফাইনালের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ, পাকিস্তানের বিপক্ষে টস জিতে বোলিং

    ফাইনালের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ, পাকিস্তানের বিপক্ষে টস জিতে বোলিং

    এবিএনএ: এশিয়া কাপে বাঁচা-মরার লড়াইয়ে আজ মুখোমুখি বাংলাদেশ ও পাকিস্তান। জয়ী দল ফাইনালে খেলবে ভারতের সঙ্গে, আর হার মানেই বিদায়। এমন গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে টস জিতে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক জাকের আলী। তবে ইনজুরির কারণে আবারও দলে নেই লিটন দাস।

    ভারতের বিপক্ষে না খেলা তাসকিন আহমেদকে ফিরিয়ে আনা হয়েছে পাকিস্তানের বিপক্ষে। মূলত এই ম্যাচকে সামনে রেখেই তাঁকে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছিল। একই সঙ্গে একাদশে সুযোগ পেয়েছেন অলরাউন্ডার শেখ মাহেদী। বাদ পড়েছেন ওপেনার তানজিদ তামিম, স্পিনার নাসুম আহমেদ এবং পেসার সাইফউদ্দিন। তাদের জায়গায় নুরুল হাসান সোহান, শেখ মাহেদী ও তাসকিন আহমেদকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

    অন্যদিকে পাকিস্তান অপরিবর্তিত একাদশ নিয়েই মাঠে নামছে।

    ভারত ইতিমধ্যেই দুই ম্যাচে জয় তুলে নিয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করেছে। শ্রীলঙ্কা দুই ম্যাচ হেরে বিদায় নিয়েছে। বাংলাদেশ ও পাকিস্তান দুদলই শ্রীলঙ্কাকে হারিয়েছে, তাই আজকের জয়ী দল ফাইনালে জায়গা করে নেবে।

    বাংলাদেশের একাদশ: সাইফ হাসান, পারভেজ ইমন, তাওহীদ হৃদয়, শামীম হোসেন, জাকের আলী, নুরুল হাসান সোহান, রিশাদ হোসেন, শেখ মাহেদী, তানজিম সাকিব, তাসকিন আহমেদ, মুস্তাফিজুর রহমান।

    পাকিস্তানের একাদশ: শাহিবজাদা ফারহান, ফখর জামান, সাইম আইয়ূব, সালমান আঘা, হুসেইন তালাত, মোহাম্মদ হারিস, মোহাম্মদ নওয়াজ, ফাহিম আশরাফ, শাহিন শাহ আফ্রিদি, হারিস রউফ, আবরার আহমেদ।

  • এশিয়া কাপে ভারতের ঝড়ো ব্যাটিং, বাংলাদেশকে দিল ১৬৯ রানের টার্গেট

    এশিয়া কাপে ভারতের ঝড়ো ব্যাটিং, বাংলাদেশকে দিল ১৬৯ রানের টার্গেট

    এবিএনএ: এশিয়া কাপের সুপার ফোরে বাংলাদেশকে ১৬৯ রানের লক্ষ্য দিয়েছে ভারত। বুধবার দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ভারতীয়রা তোলে ১৬৮ রান।

    টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ছিল সতর্ক। প্রথম তিন ওভারে মাত্র ১৭ রান তুলতে পেরেছিল ভারত। তবে এরপরই বদলে যায় চিত্র। পাওয়ার প্লের শেষ দিকে অভিষেক শর্মা ও শুবমান গিলের ব্যাটে ভারতীয় ইনিংস দ্রুত বড় হতে থাকে। প্রথম ছয় ওভার শেষে ভারতের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৭২ রান, কোনো উইকেট ছাড়াই।

    বাংলাদেশ প্রথম সাফল্য পায় সপ্তম ওভারে। লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেন ফিরিয়ে দেন শুবমান গিলকে (১৯ বলে ২৯)। নবম ওভারে তিনি ফেরান শিবম দুবেকে, যিনি করেন মাত্র ২ রান।

    তবে অপরপ্রান্তে ছিলেন অভিষেক শর্মা। দুর্দান্ত ব্যাটিং করে ৩৭ বলে তুলে নেন ৭৫ রান। শেষ পর্যন্ত মুস্তাফিজুর রহমানের থ্রোতে রান আউটে কাটা পড়েন তিনি।

    ভারত অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদবও বেশি দূর যেতে পারেননি। ১১ বলে ৫ রান করে মুস্তাফিজের বলেই ক্যাচ দেন। একই পথে হেঁটেছেন তিলক ভার্মা (৭ বলে ৫)।

    হার্দিক পান্ডিয়া ইনিংসের শেষ পর্যন্ত দৃঢ় ছিলেন। শেষ বলে আউট হওয়ার আগে ২৯ বলে করেছেন ৩৮ রান। তার সঙ্গে অপরাজিত ছিলেন অক্ষর প্যাটেল, করেছেন ১০ রান।

    বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে সফল বোলার রিশাদ হোসেন, তিনি নিয়েছেন ২৭ রানে ২ উইকেট। এছাড়া একটি করে উইকেট শিকার করেছেন মুস্তাফিজুর রহমান, তানজিম সাকিব ও মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন।

  • এশিয়া কাপে দুর্দান্ত শুরু: হংকংকে প্রথম আঘাত দিলেন তাসকিন

    এশিয়া কাপে দুর্দান্ত শুরু: হংকংকে প্রথম আঘাত দিলেন তাসকিন

    এবিএনএ:  এশিয়া কাপের টি-২০ আসরে দারুণ সূচনা করেছে বাংলাদেশ। হংকংয়ের বিপক্ষে নিজেদের প্রথম ম্যাচে টস জিতে বোলিং নেয় লিটন দাসের দল। সেই সিদ্ধান্তকে সঠিক প্রমাণ করে ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই সাফল্য এনে দেন পেসার তাসকিন আহমেদ। তিনি আউট করেন হংকং ওপেনার আংশুমান রাঠকে, যিনি মাত্র ৪ রান যোগ করতে সক্ষম হন।

    দুই ওভার শেষে হংকংয়ের সংগ্রহ ১৩ রান, হাতে ১ উইকেট গেছে। ক্রিজে আছেন জিসান আলী ও বাবর হায়াত।

    টস জয়ের পর লিটন দাস জানান, উইকেটের আচরণ পরিষ্কার না হওয়ায় শুরুতে বোলিং নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তারা। একাদশে তিন পেসার—তাসকিন আহমেদ, মুস্তাফিজুর রহমান ও তানজিম সাকিব এবং স্পিন বিভাগে রয়েছেন রিশাদ হোসেন ও অলরাউন্ডার শেখ মাহেদী।

    বাংলাদেশ একাদশে আছেন পারভেজ ইমন, তানজিদ তামিম, লিটন দাস, তাওহীদ হৃদয়, শামীম পাটোয়ারি, জাকের আলী, শেখ মাহেদী, রিশাদ হোসেন, তানজিম সাকিব, তাসকিন আহমেদ ও মুস্তাফিজুর রহমান।

    অন্যদিকে, হংকং একাদশে খেলছেন জিসান আলী, আংশুমান রাঠ, বাবর হায়াত, নিজাকাত খান, কালহান ছাল্লু, কিঞ্চিত শাহ, ইয়াসিম মর্তুজা, আইজাজ খান, এসান খান, আয়ূশ শুকলা ও আতিক ইকবাল।

  • সিলেটে ডাচদের ব্যাটিং ধস, একশ’র কিছু পরেই অলআউট

    সিলেটে ডাচদের ব্যাটিং ধস, একশ’র কিছু পরেই অলআউট

    এবিএনএ:  সিলেটে অনুষ্ঠিত সিরিজের দ্বিতীয় টি-২০ ম্যাচে বাংলাদেশ আবারও দেখালো দুর্দান্ত বোলিং শক্তি। টস জিতে নেদারল্যান্ডসকে আগে ব্যাটিংয়ে পাঠায় স্বাগতিকরা। তবে ব্যাট হাতে নামার পর থেকেই চাপে পড়ে যায় ডাচরা। মাত্র ১৭.৩ ওভারে সবকটি উইকেট হারিয়ে ১০৩ রানে থামে তাদের ইনিংস।

    ইনিংসের শুরুতে বল হাতে দারুণ ছন্দে ছিলেন নাসুম আহমেদ। তৃতীয় ওভারেই পরপর দুই উইকেট তুলে নেন তিনি। এরপর তাসকিন আহমেদ ও মুস্তাফিজুর রহমানের আগুনঝরা বোলিংয়ে একের পর এক উইকেট হারিয়ে ধসে পড়ে অতিথি দলের ব্যাটিং লাইনআপ।

    ওপেনার বিক্রমজিৎ সিং কিছুটা লড়াই করার চেষ্টা করলেও (১৭ বলে ২৪ রান), তার সঙ্গী ম্যাক্স ওডাউড মাত্র ৮ রান করে ফিরে যান। অধিনায়ক স্কট এডওয়ার্ড (৯), শারিজ আহমেদ (১২) রান করে বিদায় নিলে বিপর্যয় আরও প্রকট হয়। ১০ ওভারের আগেই ৬১ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে বসে নেদারল্যান্ডস।

    শেষ দিকে কিছুটা লড়াই করেন নয়ে নামা বোলার আরিয়ান দত্ত। ২৪ বলে ৩০ রানের ইনিংসে তিনটি চার ও একটি ছক্কা মারেন তিনি। তার ব্যাটেই একশ’র ঘর পেরোয় ডাচরা।

    বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে নাসুম ছিলেন সেরা, ৪ ওভারে ২১ রান খরচায় নেন ৩ উইকেট। তাসকিন ৪ ওভারে ২২ রান দিয়ে ও মুস্তাফিজ ৩ ওভারে ১৮ রান দিয়ে নিয়েছেন ২টি করে উইকেট। শেখ মাহেদী হাসান ও তানজিম সাকিবও একটি করে উইকেট শিকার করেন।

  • মিরপুরে ইতিহাস গড়ে পাকিস্তানকে উড়িয়ে দিল বাংলাদেশ

    মিরপুরে ইতিহাস গড়ে পাকিস্তানকে উড়িয়ে দিল বাংলাদেশ

    এবিএনএ: ২০১৬ সালের পর প্রথমবারের মতো আবারও পাকিস্তানকে টি-টোয়েন্টিতে হারানোর গৌরব অর্জন করল বাংলাদেশ। মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সিরিজের প্রথম ম্যাচে দারুণ পারফরম্যান্সে পাকিস্তানকে হেসেখেলে হারিয়েছে টাইগাররা।

    টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে একের পর এক উইকেট হারিয়ে মাত্র ১১০ রানে অলআউট হয় পাকিস্তান। জবাবে ব্যাট হাতে নেমে ৩ উইকেট হারিয়ে ১৫ ওভার ৩ বলে সহজেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় লিটন দাসের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ।

    বাংলাদেশের ইনিংসে শুরুটা ভাল না হলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন পারভেজ ইমন ও তাওহিদ হৃদয়। দ্বিতীয় উইকেটে ৭৩ রানের জুটি গড়ে বাংলাদেশের জয়ের ভিত্তি গড়ে দেন তাঁরা। হৃদয় ৩৬ রান করে ফিরলেও ইমন করেন অপরাজিত ৫৬ রান। তাকে সঙ্গ দেন জাকের আলি, যিনি ১৫ রানে অপরাজিত থাকেন।

    এর আগে, মুস্তাফিজুর রহমান ৪ ওভারে মাত্র ৬ রান দিয়ে ২ উইকেট তুলে নেন এবং গড়েন আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের সবচেয়ে কম রান খরচ করে বোলিংয়ের রেকর্ড। তাসকিন আহমেদ ২২ রানে পান ৩ উইকেট।

    পাকিস্তানের হয়ে ফখর জামান একমাত্র উজ্জ্বল ছিলেন, তিনি ৪৬ রান করলেও রান আউট হয়ে যান। বাকি ব্যাটাররা একে একে ব্যর্থ হন বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণের সামনে।

    বাংলাদেশের এই জয় শুধু একটি ম্যাচ জয় নয়, বরং এটি আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে দেওয়ার মতো বড় এক সাফল্য। দীর্ঘ ৯ বছর পর পাকিস্তানকে হারানোর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ যেন আবারও টি-টোয়েন্টি মর্যাদার জায়গায় ফিরে আসার বার্তা দিল।

    ক্রিকেটবিশ্লেষকদের মতে, এই ম্যাচটি বাংলাদেশের জন্য একটি টার্নিং পয়েন্ট হতে পারে। সিরিজে এগিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি বিশ্বমঞ্চে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে এটি একটি শক্ত ভিত তৈরি করল টাইগাররা।

  • মাত্র ১১০ রানে গুটিয়ে পাকিস্তান, মুস্তাফিজের দুর্দান্ত রেকর্ডে উল্লসিত বাংলাদেশ

    মাত্র ১১০ রানে গুটিয়ে পাকিস্তান, মুস্তাফিজের দুর্দান্ত রেকর্ডে উল্লসিত বাংলাদেশ

    এবিএনএ:  টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে শুরু থেকেই দাপট দেখালো বাংলাদেশ। পাকিস্তানকে মাত্র ১১০ রানে গুটিয়ে দিল টাইগাররা। এই সংস্করণে বাংলাদেশের বিপক্ষে এটিই পাকিস্তানের সর্বনিম্ন দলীয় সংগ্রহ। আগের রেকর্ডটি ছিল ২০১৬ সালে মিরপুরে ১২৯ রান।

    ইনিংসের শেষ ওভারে তাসকিন আহমেদ একাই তিনটি উইকেট তুলে নিয়ে পাকিস্তানের ইনিংসে শেষ ছাপ টানেন। মাত্র ২২ রানে ৩ উইকেট নিয়ে ম্যাচের সেরা বোলারদের একজন হয়ে ওঠেন তিনি। তবে আলোচনার কেন্দ্রে মুস্তাফিজুর রহমান। ৪ ওভার বোলিং করে মাত্র ৬ রান দিয়ে ২ উইকেট শিকার করে তিনি আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে কম রান দেওয়া বোলিংয়ের রেকর্ড গড়েন।

    এর আগে, পাকিস্তানের শুরুটা ছিল হতাশাজনক। ৫০ রান পূরণের আগেই তারা হারায় ৫ উইকেট। ফখর জামান ৪৪ রান করলেও রান আউট হয়ে ফিরতে হয় তাকে। খুশদিল শাহ করেন ১৭ রান। বাকিরা ছিলেন নড়বড়ে। শেখ মেহেদী, তানজিম সাকিব ও রিশাদ হোসেনের সুশৃঙ্খল বোলিংয়ে ধসে পড়ে পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইনআপ।

    বাংলাদেশের অধিনায়ক লিটন দাস টস জিতে পাকিস্তানকে ব্যাটিংয়ে আমন্ত্রণ জানান। নিজের সিদ্ধান্ত যে সঠিক ছিল, তা প্রমাণ করে দিয়েছেন তার বোলাররা। নতুন বল হাতে শেখ মেহেদী প্রথম ওভারেই সুযোগ তৈরি করেন, যদিও ক্যাচ ছাড়েন তাসকিন। পরের ওভারেই সেই ভুলের শোধ নেন তিনি সাইম আইয়ুবকে ফিরিয়ে।

    পাকিস্তানের অধিনায়ক সালমান আগা ৯ বলে করেন মাত্র ৩ রান। মোহাম্মদ হারিস, হাসান নওয়াজরা ছিলেন আরও ব্যর্থ। রান আউট, ক্যাচ আউট আর দুর্দান্ত ফিল্ডিংয়ের কারণে একের পর এক উইকেট হারায় সফরকারীরা।

    বাংলাদেশ একাদশে একমাত্র পরিবর্তন ছিল শরিফুল ইসলামের বদলে তাসকিন আহমেদের প্রত্যাবর্তন। সেই সিদ্ধান্তই দলের পক্ষে বড় সুবিধা বয়ে আনে। স্পিনারদের সঙ্গে পেসারদের দুর্দান্ত সমন্বয়ে গড়া একাদশ পাকিস্তানকে রীতিমতো ধসিয়ে দেয়।

    এই ম্যাচের আগে বাংলাদেশ ২১টি টি-টোয়েন্টিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে মাত্র ৩টি জয় পেয়েছিল। তবে শ্রীলঙ্কা সফরের সাফল্যের পর আত্মবিশ্বাসী বাংলাদেশ এবার শুরুতেই বার্তা দিল—তারা এবার ভিন্ন কিছু করতে প্রস্তুত।

    বাংলাদেশ একাদশ: লিটন দাস (অধিনায়ক), তানজিদ হাসান, পারভেজ হোসেন, তাওহিদ হৃদয়, শামীম হোসেন, জাকের আলি, শেখ মেহেদী, রিশাদ হোসেন, মুস্তাফিজ, তাসকিন, তানজিম।

    পাকিস্তান একাদশ: ফখর জামান, সাইম আইয়ুব, মোহাম্মদ হারিস, হাসান নওয়াজ, সালমান আগা (অধিনায়ক), মোহাম্মদ নওয়াজ, খুশদিল শাহ, ফাহিম আশরাফ, আব্বাস আফ্রিদি, সালমান মির্জা, আবরার আহমেদ।

  • টস হারলেও শুরুতেই ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ, একাদশে নেই মুস্তাফিজ ও জাকের! চমক নাঈম-সাইফউদ্দিন

    টস হারলেও শুরুতেই ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ, একাদশে নেই মুস্তাফিজ ও জাকের! চমক নাঈম-সাইফউদ্দিন

    এবিএনএ: টেস্টে শান্ত, ওয়ানডেতে মিরাজ—দুই সিরিজেই হারের মুখ দেখেছে বাংলাদেশ। এবার টি-২০ ফরম্যাটে বাংলাদেশ দলের দায়িত্ব লিটন দাসের কাঁধে। তবে পাল্লেকেলেতে সিরিজের প্রথম ম্যাচেই টসের সময় ভাগ্য সহায় হয়নি লিটনের, জিতেছে শ্রীলঙ্কা, আর বাংলাদেশকে দেওয়া হয়েছে আগে ব্যাট করার আমন্ত্রণ।

    এই ম্যাচের একাদশে রয়েছে বেশ কিছু চমক। অভিজ্ঞ পেসার মুস্তাফিজুর রহমান ও মিডল অর্ডার ব্যাটার জাকের আলী একাদশের বাইরে। পরিবর্তে দলে জায়গা পেয়েছেন নাঈম শেখ ও অলরাউন্ডার মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন।

    বাংলাদেশ এদিন চার অলরাউন্ডার নিয়ে মাঠে নেমেছে—শামীম পাটোয়ারি, মেহেদী হাসান মিরাজ, তানজিম সাকিব ও লেগস্পিনার রিশাদ হোসেন। ওপেনিংয়ে খেলছেন তানজিদ তামিম, পারভেজ ইমন, লিটন দাস ও ফিরতি ম্যাচে সুযোগ পাওয়া নাঈম শেখ। মিডল অর্ডারে থাকছেন তাওহীদ হৃদয়।

    শ্রীলঙ্কা তাদের দলে এনেছে কিছু পরিবর্তন। ইনজুরির কারণে দলের বাইরে থাকা ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গার স্থানে জায়গা পেয়েছেন স্পিনার জেফরি ভ্যান্ডারসে। আবার একাদশে ফিরেছেন অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার দাশুন শানাকা। তবে পেস আক্রমণে মাথিশা পাথিরানার অনুপস্থিতি লক্ষণীয়।

    🔹 বাংলাদেশ একাদশ:
    তানজিদ তামিম, পারভেজ ইমন, লিটন দাস (অধিনায়ক), নাঈম শেখ, তাওহীদ হৃদয়, শামীম পাটোয়ারি, মেহেদী হাসান মিরাজ, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, রিশাদ হোসেন, তানজিম সাকিব, তাসকিন আহমেদ।

    🔹 শ্রীলঙ্কার একাদশ:
    পাথুম নিশাঙ্কা, কুশল মেন্ডিস, কুশল পেরেরা, আভিস্কা ফার্নান্দো, চারিথ আশালঙ্কা, দাশুন শানাকা, চামিকা করুনারত্নে, জেফরি ভ্যান্ডারসে, মহেশ থিকসানা, নুয়ান থুসারা, বিনোরা ফার্নান্দো।

    এই ম্যাচ দিয়েই শুরু হচ্ছে টি-২০ সিরিজের উত্তাপ। পরিবর্তিত একাদশের বাজি কতটা কাজে আসে, এখন সেটিই দেখার বিষয়।

  • শেষ মুহূর্তে আইপিএলে ৬ কোটিতে মুস্তাফিজ! আবারও দিল্লির জার্সিতে মাঠে নামছেন ‘দ্য ফিজ’

    শেষ মুহূর্তে আইপিএলে ৬ কোটিতে মুস্তাফিজ! আবারও দিল্লির জার্সিতে মাঠে নামছেন ‘দ্য ফিজ’

    এবিএনএ:  শেষ মুহূর্তে দারুণ এক চমক দিয়ে চলতি আইপিএল ২০২৫-আবারও মাঠে ফিরছেন বাংলাদেশি তারকা পেসার মুস্তাফিজুর রহমান। ব্যক্তিগত কারণে আইপিএল থেকে সরে দাঁড়ানো অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটার জ্যাক ফ্রেজার-ম্যাকগার্কের পরিবর্তে মুস্তাফিজকে দলে নিয়েছে দিল্লি ক্যাপিটালস। তাকে দলে নিতে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি গুনেছে কোটি রুপি।

    নিলামে মুস্তাফিজের ভিত্তিমূল্য ছিল কোটি রুপি, তবে সেখান থেকে কেউ আগ্রহ দেখায়নি। কিন্তু ভারত-পাকিস্তান সংঘাত এবং হঠাৎ করে একাধিক খেলোয়াড়ের ছিটকে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে নতুন করে মূল্যায়ন করা হয় তার দক্ষতাকে। সেই সুবাদেই দিল্লির হয়ে আবারও মাঠে ফিরছেন ‘দ্য ফিজ’।

    বুধবার আইপিএল কর্তৃপক্ষ এক আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তিতে এই চুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করে। আইপিএলের নিয়ম অনুযায়ী, তাকে সাময়িক বিকল্প হিসেবে নেওয়া হয়েছে, ফলে এই মৌসুম শেষ হলে তাকে ধরে রাখতে পারবে না দিল্লি ক্যাপিটালস।

    এই চুক্তির ফলে মুস্তাফিজ এখন আইপিএলে বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি অর্থমূল্যে দল পাওয়া ক্রিকেটার। এর আগে ২০০৯ সালে মাশরাফি বিন মর্তুজাকে লাখ ডলারে (প্রায় কোটি টাকা) দলে নিয়েছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স।

    চলমান আসরে দিল্লি ক্যাপিটালস এখন পর্যন্ত ১১ ম্যাচে ১৩ পয়েন্ট অর্জন করে টেবিলের নম্বরে অবস্থান করছে। শেষ চারে জায়গা করে নেওয়ার দারুণ সম্ভাবনা আছে তাদের। প্লে-অফের আগে এখনও চারটি ম্যাচ বাকি, সেখানে মুস্তাফিজের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার সুযোগ রয়েছে।

    আইপিএলে এর আগেও দুর্দান্ত পারফর্ম করেছেন মুস্তাফিজ। এখন পর্যন্ত ৫৭ ম্যাচে ৬১ উইকেট নেওয়ার অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের হয়ে খেলেছেন ১০৬ ম্যাচ, উইকেট সংখ্যা ১৩২।

    ২০১৬ সালে সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদের হয়ে আইপিএলে যাত্রা শুরু হয় তার। এরপর খেলেছেন মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স, রাজস্থান রয়্যালস, দিল্লি ক্যাপিটালস এবং সর্বশেষ ২০২৪ মৌসুমে ছিলেন চেন্নাই সুপার কিংসের হয়ে। ২০২৫ সালে আবারও পুরোনো দল দিল্লির হয়ে নতুন করে মঞ্চে ফিরছেন তিনি।

    এবার দিল্লির হয়ে আইপিএলের রঙিন মঞ্চে মুস্তাফিজ কতটা আলো ছড়াতে পারেন, তা দেখার অপেক্ষায় তার ভক্ত-সমর্থকরা।