Tag: মির্জা আব্বাস

  • সিঙ্গাপুর থেকে মালয়েশিয়ায় নেওয়া হলো মির্জা আব্বাসকে, শারীরিক অবস্থার উন্নতি

    সিঙ্গাপুর থেকে মালয়েশিয়ায় নেওয়া হলো মির্জা আব্বাসকে, শারীরিক অবস্থার উন্নতি

    এবিএনএ: প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর থেকে মালয়েশিয়ায় নেওয়া হয়েছে। তার শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে বলে জানিয়েছে দলীয় সূত্র।

    বুধবার (১৫ এপ্রিল) রাতে বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, চিকিৎসার ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে মির্জা আব্বাসকে মালয়েশিয়ায় স্থানান্তর করা হয়েছে। বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থার উন্নতি হচ্ছে এবং তিনি দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন।

    অসুস্থ হওয়ার পর হাসপাতালে ভর্তি

    গত ১১ মার্চ ইফতারের সময় পানি পান করতে গিয়ে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন মির্জা আব্বাস। পরে তাকে দ্রুত রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় চিকিৎসকদের পরামর্শে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

    এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুর নেওয়া

    পরবর্তীতে ১৫ মার্চ তাকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে সিঙ্গাপুরের একটি বিশেষায়িত হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কয়েকদিন চিকিৎসা নেওয়ার পর তার শারীরিক অবস্থার উন্নতি দেখা যায়। এরপর চিকিৎসা পরিকল্পনার অংশ হিসেবে তাকে মালয়েশিয়ায় স্থানান্তর করা হয়েছে।

    রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট

    এর আগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন মির্জা আব্বাস। অসুস্থতার কারণে তিনি কিছুদিন ধরে সক্রিয় রাজনৈতিক কার্যক্রমের বাইরে ছিলেন।

    দলীয় নেতাকর্মীরা তার দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন এবং চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে তিনি ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন বলে জানানো হয়েছে।

  • মির্জা আব্বাসের মস্তিষ্কে চলছে দ্বিতীয় দফা অস্ত্রোপচার, শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণে চিকিৎসকরা

    মির্জা আব্বাসের মস্তিষ্কে চলছে দ্বিতীয় দফা অস্ত্রোপচার, শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণে চিকিৎসকরা

    এবিএনএ: বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও জ্যেষ্ঠ রাজনীতিক Mirza Abbas গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় রাজধানীর Evercare Hospital Dhaka-এ চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার মস্তিষ্কে প্রথম দফার অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হওয়ার পর শারীরিক জটিলতার কারণে দ্বিতীয় দফার অস্ত্রোপচার শুরু হয়েছে।

    শুক্রবার (১৩ মার্চ) বিকেল প্রায় ৩টার দিকে তার মস্তিষ্কে প্রথম অপারেশন শুরু হয় এবং সন্ধ্যা প্রায় সোয়া ৬টার দিকে সেটি শেষ হয়। পরে চিকিৎসকদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে আবারও দ্বিতীয় দফার অস্ত্রোপচার শুরু করা হয়। সর্বশেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, অপারেশন তখনও চলছিল।

    চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, অস্ত্রোপচার-পরবর্তী অবস্থার উন্নতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এ ক্ষেত্রে সিঙ্গাপুরে নেওয়ার প্রস্তুতি ইতোমধ্যে শুরু করেছে পরিবার। এজন্য বিশেষ এয়ার অ্যাম্বুলেন্সসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

    পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার ইফতারের সময় পানি পান করার মুহূর্তে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে জ্ঞান হারান মির্জা আব্বাস। এরপর দ্রুত তার শারীরিক অবস্থা অবনতির দিকে গেলে ওই রাতেই তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

    অসুস্থ মির্জা আব্বাসকে দেখতে শুক্রবার দুপুরে হাসপাতালে যান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান Tarique Rahman। সেখানে তিনি চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলে তার চিকিৎসার অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।

    এছাড়া বিএনপির মহাসচিব Mirza Fakhrul Islam Alamgir এবং Shafiqur Rahmanসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারাও হাসপাতালে গিয়ে তার শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেন এবং পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনা জানান।

    মির্জা আব্বাসের দ্রুত সুস্থতা কামনা করে তার পরিবার ও দলের পক্ষ থেকে দেশবাসীর কাছে দোয়া চাওয়া হয়েছে।

  • নির্বাচন ঘিরে আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের শঙ্কা, ‘শান্তিতে থাকতে দেবে না প্রতিষ্ঠিত শক্তি’—মির্জা আব্বাস

    নির্বাচন ঘিরে আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের শঙ্কা, ‘শান্তিতে থাকতে দেবে না প্রতিষ্ঠিত শক্তি’—মির্জা আব্বাস

    এবিএনএ: আগামী জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র এবং প্রশাসনের একাংশের পক্ষপাতমূলক ভূমিকা নিয়ে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন ঢাকা-৮ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মির্জা আব্বাস। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, বর্তমানে বা ভবিষ্যতে যে সরকারই দায়িত্ব নিক না কেন, বিশ্বের কিছু প্রতিষ্ঠিত শক্তি দেশের মানুষকে শান্তিতে থাকতে দেবে না।

    শনিবার রাজধানীর কাকরাইল এলাকায় হক ক্যাসেল ফ্ল্যাট মালিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভা শেষে গণসংযোগকালে এসব কথা বলেন তিনি। এ সময় নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে নিজের উদ্বেগের কথা তুলে ধরেন সাবেক এই মন্ত্রী।

    মির্জা আব্বাস অভিযোগ করেন, প্রশাসনের উচ্চপর্যায়ে কারও কারও মধ্যে বিশেষ কিছু প্রার্থীর প্রতি দুর্বলতা স্পষ্ট হয়ে উঠছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, একটি প্রভাবশালী মহল আগেই নির্দিষ্ট কিছু প্রার্থীর নাম তালিকাভুক্ত করে রেখেছে, যাদের যেকোনো মূল্যে সংসদে পাঠানো হবে—ভোট পড়ুক বা না পড়ুক। তিনি বলেন, এমন বাস্তবতা গণতন্ত্র ও দেশের ভবিষ্যতের জন্য মারাত্মক হুমকি।

    গণআন্দোলনের ইতিহাস টেনে তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে জেল-জুলুম সহ্য করে বিএনপিই আন্দোলনের পথ তৈরি করেছে। অথচ এখন কেউ কেউ এমন ভঙ্গিতে কথা বলছেন, যেন তারাই এককভাবে পরিবর্তনের নায়ক। তিনি মন্তব্য করেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় কেউ ক্ষমতার দাবি করেনি, অথচ আজ অনেকেই ক্ষমতাকে ব্যক্তিগত সম্পত্তি ভাবছে।

    নির্বাচনী রাজনীতির বর্তমান বাস্তবতা তুলে ধরে মির্জা আব্বাস দাবি করেন, জামায়াতে ইসলামী ও তাদের মিত্র শক্তি পরোক্ষভাবে ক্ষমতার কেন্দ্রে অবস্থান করছে এবং নির্বাচনকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিতে চাইছে। তার মতে, আওয়ামী লীগের পর বিএনপিকেও রাজনীতি থেকে সরিয়ে দেওয়ার একটি অপচেষ্টা দৃশ্যমান।

    নিজের এলাকা ঢাকা-৮ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, গত দেড় দশকের বেশি সময় ধরে এলাকাবাসী জনপ্রতিনিধির কার্যকর উপস্থিতি পায়নি। তবে তিনি সব সময় মানুষের পাশে ছিলেন বলে দাবি করেন। অতীতের অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, দায়িত্বে থাকাকালে সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ বজায় রাখাই ছিল তার নীতি।

    রমনা পার্ক উন্নয়নসহ এলাকার নানা জনস্বার্থমূলক কাজে নিজের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে মির্জা আব্বাস আশ্বাস দেন, ভবিষ্যতেও যেকোনো প্রয়োজনে এলাকার মানুষ তাকে এক ফোনেই পাশে পাবেন।

  • ভোটের মাঠে মিথ্যা নয়, সত্যের রাজনীতি চান মির্জা আব্বাস—ঢাকা-৮ এ কড়া বার্তা

    ভোটের মাঠে মিথ্যা নয়, সত্যের রাজনীতি চান মির্জা আব্বাস—ঢাকা-৮ এ কড়া বার্তা

    এবিএনএ: ঢাকা-৮ আসনে বিএনপির প্রার্থী ও দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, নির্বাচনী প্রতিযোগিতায় ভিন্নমত বা সমালোচনা থাকতেই পারে, তবে ইচ্ছাকৃত মিথ্যা কিংবা বিভ্রান্তিকর বক্তব্য কোনোভাবেই স্বাভাবিক রাজনৈতিক আচরণ নয়।

    বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর মোতালেব প্লাজায় ফ্ল্যাট মালিক সমিতির উদ্যোগে আয়োজিত এক নির্বাচনী মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

    মির্জা আব্বাস বলেন, “আমরা বিশ্বাস করি সততা ও নৈতিকতায়। ধর্মীয় ও মানবিক মূল্যবোধ থেকেই আমরা রাজনীতি করি। তাই ভোটের মাঠে দাঁড়িয়ে মিথ্যার আশ্রয় নেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না।”

    তিনি আরও জানান, নির্বাচনী প্রচারণায় নিজের কাজের হিসাব এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাই জনগণের সামনে তুলে ধরা হবে। অন্য দলের প্রার্থী বা নেতাদের নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য কিংবা অশোভন ভাষা ব্যবহারের পথে তারা যাবেন না।

    ঢাকা-৮ আসনের ধানের শীষ প্রতীকের এই প্রার্থী বলেন, দেশের মানুষ বহু ত্যাগ ও সংগ্রামের মাধ্যমে ভোটাধিকার অর্জন করেছে। তাই প্রত্যেক ভোটার যেন নির্ভয়ে ও সঠিকভাবে তাদের অধিকার প্রয়োগ করেন—এটাই তার প্রত্যাশা।

    ভোটগ্রহণ প্রসঙ্গে তিনি জানান, ফলাফল ঘোষণার আগ পর্যন্ত ভোটকেন্দ্রে দলীয় নেতাকর্মীদের সতর্ক উপস্থিতি থাকবে। একই সঙ্গে তিনি সবাইকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা সংঘাতে জড়ানো যাবে না। তবে প্রয়োজনে গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষায় আন্দোলনের জন্য প্রস্তুত থাকার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

    শেষে এলাকাবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে মির্জা আব্বাস ভোটে সমর্থন ও সহযোগিতা কামনা করেন।

  • নির্বাচনী ফল বদলের ষড়যন্ত্র চলছে, আশঙ্কা প্রকাশ করলেন মির্জা আব্বাস

    নির্বাচনী ফল বদলের ষড়যন্ত্র চলছে, আশঙ্কা প্রকাশ করলেন মির্জা আব্বাস

    এবিএনএ: নির্বাচনী মাঠে নতুন প্রার্থীদের স্বাগত জানালেও ভোটের পরিবেশ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-৮ আসনের প্রার্থী মির্জা আব্বাস। তিনি বলেন, আপাতত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকলেও সামনে কী ঘটবে তা নিয়ে শঙ্কা রয়েছে।

    তার দাবি, কয়েকজন প্রার্থীর আচরণ ও তৎপরতা লক্ষ্য করে মনে হচ্ছে তারা নির্বাচনের ফল প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে। তিনি বলেন, “বাস্তবতা উপলব্ধি করা জরুরি। একটি বিশেষ মহল নির্দিষ্ট কিছু প্রার্থীকে জিতিয়ে আনতে মরিয়া হয়ে উঠেছে।”

    শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) রাজধানীর শান্তিনগরের ইস্টার্ন প্লাস মার্কেটে গণসংযোগ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব মন্তব্য করেন তিনি।

    মির্জা আব্বাস আরও বলেন, রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকা স্বাভাবিক, কিন্তু ব্যক্তিগত আক্রমণ বা অশালীন ভাষা কখনোই গ্রহণযোগ্য নয়। অতীতে কঠিন প্রতিপক্ষের সঙ্গেও তিনি নির্বাচন করেছেন, তবে তখন এমন বিষোদগার হয়নি বলে উল্লেখ করেন।

    তিনি অভিযোগ করেন, বর্তমানে একটি পক্ষ সারাদিন তার নাম নিয়ে কটূক্তি করছে এবং উসকানি দেওয়ার চেষ্টা করছে। তবে এসব কৌশলে তিনি বিচলিত নন বলেও জানান। তিনি বলেন, “আমি বহু নির্বাচন মোকাবিলা করেছি। এ ধরনের আচরণে আমি অভ্যস্ত।”

    বিএনপির এই শীর্ষ নেতা আশা প্রকাশ করে বলেন, জনগণই শেষ পর্যন্ত সঠিক সিদ্ধান্ত নেবে। নির্বাচনী প্রচারণা ঘিরে যে আবেগ ও আগ্রহ তৈরি হয়েছে, তার প্রতিফলন আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির ভোটের দিন দেখা যাবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

  • দেশ রক্ষায় কঠোর বার্তা মির্জা আব্বাসের: প্রতারক ও ধান্দাবাজদের হাতে ক্ষমতা যেতে দেব না

    দেশ রক্ষায় কঠোর বার্তা মির্জা আব্বাসের: প্রতারক ও ধান্দাবাজদের হাতে ক্ষমতা যেতে দেব না

    এবিএনএ: বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে চলমান অপপ্রচার এবং রাজনৈতিক বিভ্রান্তির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত কাজ করবেন, তবে কোনোভাবেই প্রতারক ও ধান্দাবাজদের হাতে রাষ্ট্রক্ষমতা যেতে দেবেন না।

    মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বিএনপির উদ্যোগে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    সভায় মির্জা আব্বাস অভিযোগ করেন, নির্বাচনী রাজনীতিতে নামার পর বিএনপির বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। তিনি বলেন, যেভাবে কুৎসা ও বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে, তা সহ্য করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

    নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করে তিনি জানান, তিনি কোনোভাবেই পরিচয়হীন রাজনীতিতে বিশ্বাস করেন না। তার ঠিকানা ও পরিচয় স্পষ্ট—এ কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, দায়িত্বশীল রাজনীতিই তার পথ।

    নতুন প্রজন্মের রাজনীতিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, রাজনীতি ধৈর্য ও ত্যাগের জায়গা। অল্প বয়সে ক্ষমতার লোভে অস্থির না হয়ে শেখার মানসিকতা নিয়ে এগোতে হবে। দেশ গঠনের রাজনীতিতে বিএনপি সব সময় সহযোগিতা করবে বলেও জানান তিনি।

    মির্জা আব্বাস আরও বলেন, দেশের প্রয়োজনে রাজপথে থাকার ইতিহাস বিএনপির রয়েছে। স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে অতীতের আন্দোলনের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, বিএনপি কখনো ব্যক্তিস্বার্থে রাজনীতি করেনি।

    আলোচনা সভায় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, ড. আব্দুল মঈন খান, সেলিমা রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু এবং চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলালসহ দলের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

  • নির্বাচন ঠেকাতে গভীর ষড়যন্ত্র চলছে—দেশবিরোধী শক্তির বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা মির্জা আব্বাসের

    নির্বাচন ঠেকাতে গভীর ষড়যন্ত্র চলছে—দেশবিরোধী শক্তির বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা মির্জা আব্বাসের

    এবিএনএ: আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করতে দেশবিরোধী একটি গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে সহিংসতা ও অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করছে—এমন অভিযোগ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। তার মতে, নির্বাচন বানচাল করাই এই অপতৎপরতার মূল লক্ষ্য।

    সোমবার রাজধানীর বারডেম জেনারেল হাসপাতালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় আয়োজিত খতমে কোরআন, দোয়া ও শোকসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

    মির্জা আব্বাস বলেন, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরোধিতাকারী একটি তথাকথিত রাজনৈতিক শক্তি পরিকল্পিতভাবে খুন, সহিংসতা ও নানা ইস্যু সৃষ্টি করছে, যাতে নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হয়। তিনি দাবি করেন, জনগণের সমর্থন হারানোর আশঙ্কায় তারা এই পথ বেছে নিয়েছে।

    তিনি আরও বলেন, নির্বাচনে জামানত হারানোর ভয় থেকেই দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি দেশি-বিদেশি বিপুল অর্থ ব্যয় করে বিএনপির বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণাও চালানো হচ্ছে।

    সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক অবদান স্মরণ করে মির্জা আব্বাস বলেন, আজ দেশের মানুষ যে ভোটাধিকার ও মতপ্রকাশের সুযোগ পাচ্ছে, তা তার ত্যাগেরই ফল। তিনি নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে গণতন্ত্র রক্ষার সংগ্রাম করেছেন বলেও মন্তব্য করেন।

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিএনপির বক্তব্য বিকৃতভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, নিয়ম মেনেই বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করা হলেও তা ভিন্নভাবে প্রচার করা হয়। এ অবস্থায় শুধু লাইক-শেয়ারে সীমাবদ্ধ না থেকে যুক্তি দিয়ে অপপ্রচারের জবাব দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

    ঢাকা-৮ আসনের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী প্রসঙ্গে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করে মির্জা আব্বাস বলেন, অপরিপক্ক নেতৃত্ব সংসদে গেলে তার পরিণতি কী হতে পারে, তা নিয়ে জনমনে উদ্বেগ রয়েছে।

  • ‘দুই দল যা বলে, সরকার তা-ই করে’ — কঠোর সমালোচনায় মির্জা আব্বাস

    ‘দুই দল যা বলে, সরকার তা-ই করে’ — কঠোর সমালোচনায় মির্জা আব্বাস

    এবিএনএ: সরকারের কার্যক্রমে স্বাধীনতার অভাব রয়েছে—এমন অভিযোগ তুলেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। তাঁর দাবি, বর্তমান সরকার নিজস্ব কোনো শক্তির ওপর নয়, বরং দুটি রাজনৈতিক দলের প্রভাবে টিকে আছে।

    মঙ্গলবার রাজধানীর নয়াপল্টনের আনন্দ কমিউনিটি সেন্টারে বিএনপির প্রয়াত নেতা ও সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত স্মরণসভায় তিনি এসব কথা বলেন। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি এ আয়োজন করে।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে মির্জা আব্বাস বলেন, “এই সরকার দুই দলের ওপর নির্ভর করে চলছে—একটি তাদের নিজেদের সৃষ্টি, আরেকটি পুরনো দল। এই দুটি দল যা বলে, সরকার তা-ই বাস্তবায়ন করে। নির্বাচনী প্রতীক নিয়েও এর প্রমাণ আমরা দেখেছি।”

    তিনি আরও বলেন, “যারা একসময় মুখ খুলতে সাহস পেত না, তারাই আজ চোখে চোখ রেখে কথা বলছে। এ সাহস তারা কোথা থেকে পেল? তাদের কোনো গণভিত্তি নেই। যদি সুষ্ঠু নির্বাচন হতো, তাহলে বোঝা যেত কার আসল জনসমর্থন কতটুকু।”

    মির্জা আব্বাস আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, “এই দলগুলোকে জেতানোর জন্য সরকার হয়তো অবৈধ উপায় অবলম্বন করতে পারে। আগের মতো রাতের ভোট দিনে, দিনের ভোট রাতে হতে পারে। দেশের জনগণ এসব অনাকাঙ্ক্ষিত দলকে চায় না, তবুও তারা আজ বড় বড় কথা বলছে—এটা বিস্ময়কর।”

    জামায়াতে ইসলামীকে লক্ষ্য করে তিনি বলেন, “যারা একসময় বাংলাদেশের স্বাধীনতারই বিরোধিতা করেছিল, আজ তারাই শাসনভার চায়! ইতিহাসে দেখা যায়, ১৯৭১ সালে তারা মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষে ছিল, আর এখন ধর্মের নামে দেশ ও জাতিকে বিভক্ত করার চেষ্টা করছে। এই গোষ্ঠীই দেশের ক্ষতি করেছে।”

    বিএনপির এই নেতা আরও বলেন, “বাংলাদেশের মানুষ কখনো এমন পরিস্থিতি মেনে নেবে না। জাতিকে বিভক্ত করে ফায়দা লুটতে চাওয়া শক্তিকে বিএনপি কখনোই পুনর্বাসনের সুযোগ দেবে না।”

    সভায় বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন এবং প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকার প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

  • ডাকসু নির্বাচনে আঁতাতের অভিযোগ: আওয়ামী লীগ-শিবিরকে দায় দিলেন মির্জা আব্বাস

    ডাকসু নির্বাচনে আঁতাতের অভিযোগ: আওয়ামী লীগ-শিবিরকে দায় দিলেন মির্জা আব্বাস

    এবিএনএ:  বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস অভিযোগ করেছেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাকসু নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সহযোগিতায় জামায়াত শিবির বিজয়ী হয়েছে। তার দাবি, ছাত্রলীগের ভোট জামায়াতকে দিয়ে নির্বাচনকে প্রভাবিত করা হয়েছে।

    বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে চট্টগ্রামের পাঁচলাইশ এলাকায় প্রয়াত বিএনপি ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমানের স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব অভিযোগ তোলেন তিনি।

    মির্জা আব্বাস বলেন, “ডাকসুর নির্বাচনে বিএনপি হেরেছে বলা যেতে পারে। কিন্তু আমি বলতে চাই, এত ভোট জামায়াত কোথা থেকে পেল? আসলে আওয়ামী লীগের সঙ্গে গোপন আঁতাতের মাধ্যমেই ছাত্রলীগের ভোট তারা নিয়েছে। দেশে ও দেশের বাইরে বিএনপির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চলছে।”

    তিনি আরও বলেন, “ডাকসুর নির্বাচন থেকে আমাদের শিক্ষা নিতে হবে। ২০০৮ সালের মতো আবারও ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং হয়েছে। তখন যেমন হয়েছিল, এবারও তাই ঘটেছে। জামায়াত একটি ‘মোনাফেকের দল’, অথচ আওয়ামী লীগের সঙ্গে তাদের আঁতাত থেকেই এসব সম্ভব হয়েছে।”

    নির্বাচিতদের অভিনন্দন জানিয়ে মির্জা আব্বাস বলেন, “যেভাবেই হোক তারা জয়ী হয়েছে। আমি এই কমিটিকে স্বাগত জানাই। আশা করি তারা দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ভূমিকা রাখবে।”

    আওয়ামী লীগকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, “তারা সবসময় প্রতিপক্ষকে ধ্বংস করতে চায়। আজও সেই ষড়যন্ত্র চলছে। জামায়াত ও আওয়ামী লীগ মিলে বিএনপিকে রাজনৈতিকভাবে দুর্বল করার চেষ্টা করছে। অথচ দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব নিরাপদ আছে শুধু বিএনপির হাতেই।”

    সভায় সভাপতিত্ব করেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা গোলাম আকবর খন্দকার। এ সময় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের আরও কয়েকজন নেতা বক্তব্য দেন।

  • সরকারের বিরুদ্ধে তোপ: ‘দেশের চব্বিশটা বাজিয়ে দিয়েছে’—মির্জা আব্বাস

    সরকারের বিরুদ্ধে তোপ: ‘দেশের চব্বিশটা বাজিয়ে দিয়েছে’—মির্জা আব্বাস

    এবিএনএ: বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস অভিযোগ করেছেন, অন্তর্বর্তী সরকার দেশের পরিস্থিতি আরও অবনতির দিকে নিয়ে গেছে। তার ভাষায়, “আগে শেখ হাসিনা বারোটা বাজিয়েছে, আর এই সরকার চব্বিশটা বাজিয়ে দিয়েছে।”

    শনিবার বিকেলে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস) ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখার আয়োজিত আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন। এ অনুষ্ঠানটি গণঅভ্যুত্থানের এক বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজন করা হয়।

    মির্জা আব্বাস বলেন, “দেশে কত দিক দিয়ে ক্ষতি হয়েছে, কারা লুটপাট করেছে, কীভাবে অর্থ আত্মসাৎ হয়েছে—সব প্রমাণ আমার কাছে আছে। তবে এই অবস্থান থেকে এখনই তা প্রকাশ করতে চাই না।”

    তিনি অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে বিএনপিকে নানা ঘটনার জন্য দায়ী করা হচ্ছে। “যেখানেই খুন, লুটপাট, চাঁদাবাজি—সেখানেই বিএনপির নাম বলে একদল মানুষ। এভাবে জনগণের চোখে বিএনপিকে আসামির কাঠগড়ায় দাঁড় করানোর চেষ্টা হচ্ছে,” বলেন তিনি।

    নতুন রাজনৈতিক দল এনসিপিকে উদ্দেশ করে মির্জা আব্বাস বলেন, “আপনাদের যেমন ক্ষমতায় যাওয়ার ইচ্ছা আছে, আমাদেরও তেমন আছে। তবে ক্ষমতায় যাওয়ার একটাই উপায়—জনগণের ভোট। ভোট পেলে ক্ষমতায় যাব, না পেলে মেনে নেব।”

    তিনি আরও অভিযোগ করেন, কিছু রাজনৈতিক দল নির্বাচনের কথা মুখে বললেও মনে মনে চায় না নির্বাচন হোক, কারণ তারা মনে করে বিএনপি জিতবে। “বিএনপি দেশ শাসন করে না, দেশ পরিচালনার চেষ্টা করে,” বলেন তিনি।

    সভায় সভাপতিত্ব করেন জাসাস ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শওকত আজিজ। বক্তব্য দেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব আব্দুস সালাম, জনশক্তিবিষয়ক সম্পাদক এম এ মালেক, জাসাস কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক হেলাল উদ্দীন, গণঅভ্যুত্থানে নিহত মিরাজের বাবা আব্দুর রব মিয়াসহ অনেকে। আলোচনা শেষে জাসাস শিল্পীদের পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়।