Tag: মিডিয়া সমালোচনা

  • মা হারানোর কষ্টও পরিণত হয়েছিল বিনোদনে, শ্রীদেবীকে হারানোর স্মৃতি শোনালেন জাহ্নবী কাপুর

    মা হারানোর কষ্টও পরিণত হয়েছিল বিনোদনে, শ্রীদেবীকে হারানোর স্মৃতি শোনালেন জাহ্নবী কাপুর

    এবিএনএ:  বলিউড অভিনেত্রী জাহ্নবী কাপুরের ক্যারিয়ার শুরু হয়েছিল জীবনের সবচেয়ে বড় আঘাতের পরপরই। ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে মা কিংবদন্তি অভিনেত্রী শ্রীদেবী মৃত্যুবরণ করেন। সেই শোক সামলাতেই ব্যস্ত থাকা অবস্থায় মুক্তি পায় তার প্রথম ছবি ধড়ক

    সম্প্রতি ভোগ-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জাহ্নবী জানালেন, মাকে হারানোর ব্যথার পাশাপাশি মানুষের নিষ্ঠুর আচরণকেও সহ্য করতে হয়েছিল তাকে ও বোন খুশি কাপুরকে। তার ভাষায়, “আমরা ভেতরে ভেতরে ভেঙে পড়লেও বাইরের লোকদের সামনে তা প্রকাশ করিনি। অথচ মানুষ মনে করেছিল, আমাদের দিকে কাদা ছোড়া যায়, যেন আমরা অনুভূতিহীন।”

    জাহ্নবীর অভিযোগ, মায়ের মৃত্যু শুধু ব্যক্তিগত ক্ষতিই নয়, সেই সঙ্গে মিডিয়া ও সোশ্যাল মিডিয়ার তীব্র নজরদারিও ছিল অসহনীয়। তিনি বলেন, “সিনেমার প্রচারে গিয়ে যদি হাসতাম, বলা হতো খুব দ্রুত স্বাভাবিক হয়ে গেছি। আবার নীরব থাকলে বলা হতো আমি ঠাণ্ডা মনের। এসব নিয়েও মিম বানানো হয়েছিল, যা ছিল অকল্পনীয়। ভাবা যায়! মাকে হারানোই যথেষ্ট কষ্টের, কিন্তু সেটিকে পুরো দেশের বিনোদনে পরিণত করা ছিল আরও ভয়াবহ।”

    তিনি আরও জানান, এই অভিজ্ঞতা তাকে মানুষের সহানুভূতি ও মানবিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে বাধ্য করেছে।

    ব্যক্তিগত শোক ও সমালোচনার ঝড় পেরিয়েও জাহ্নবী অভিনয় থেকে সরে দাঁড়াননি। বর্তমানে তার অভিনীত পরম সুন্দরী সিনেমা প্রেক্ষাগৃহে চলছে, যেখানে তার সঙ্গে অভিনয় করেছেন সিদ্ধার্থ মালহোত্রা।

  • রাজশাহীতে এনসিপি নেতার বিতর্কিত হুমকি: সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ বক্তব্য

    রাজশাহীতে এনসিপি নেতার বিতর্কিত হুমকি: সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ বক্তব্য

    এবিএনএ,রাজশাহী :
    রাজশাহীতে এক রাজনৈতিক পদযাত্রা শেষে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক এবং জুলাই আন্দোলনের অন্যতম নেতা হাসনাত আব্দুল্লাহ সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। রোববার রাতে রেলগেট থেকে শুরু হয়ে জিরো পয়েন্টে গিয়ে শেষ হওয়া এনসিপির এই কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে তিনি ওই বক্তব্য দেন।

    জিরো পয়েন্টে আয়োজিত সমাবেশে তিনি বলেন, “বসুন্ধরা গ্রুপের মালিকানাধীন মিডিয়া যেভাবে খুনি হাসিনার পক্ষ নিয়ে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে, তা জাতি ভুলে যাবে না। আজ আবারও তারা মাঠে নেমেছে এক-এগারোর ষড়যন্ত্র বাস্তবায়নে। আমরা সাংবাদিক নামধারী এই ষড়যন্ত্রকারীদের প্রতিহত করব। জনগণ তাদের ছাড় দেবে না।”

    তিনি আরও বলেন, “জুলাই আন্দোলন চলবে জনগণের ভোটাধিকার ও ন্যায্য অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে। আমাদের এই লড়াই শেষ হবে তখনই, যখন গণতন্ত্র সত্যিকার অর্থেই ফিরে আসবে।”

    সাংবাদিকদের উদ্দেশে এ ধরনের মন্তব্য ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে বিতর্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেকে এটিকে গণমাধ্যমের স্বাধীনতার ওপর হুমকি হিসেবে দেখছেন। তবে এই বিষয়ে এনসিপির পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।

    পদযাত্রা ও সমাবেশে এনসিপির কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন। পুরো কর্মসূচিতে জুলাই আন্দোলনের বিভিন্ন স্লোগান, পোস্টার এবং ব্যানার ব্যবহার করা হয়।

    এই ঘটনায় সাংবাদিক সমাজের নেতৃবৃন্দ এবং পেশাজীবী সংগঠনগুলো প্রতিবাদ জানিয়েছে এবং অবিলম্বে দুঃখপ্রকাশ ও ব্যাখ্যার দাবি জানিয়েছে।

    এনসিপি’র এই বক্তব্য শুধু বিতর্কই নয়, রাজনৈতিক পরিবেশকেও উত্তপ্ত করে তুলেছে। বিশেষ করে, মিডিয়া ও রাজনৈতিক সংগঠনের মধ্যে উত্তেজনা নতুন মাত্রায় পৌঁছেছে।