Tag: মানিক মিয়া এভিনিউ

  • মঙ্গলবার শপথের দিন রাজধানীতে ট্রাফিক সতর্কতা: কোন কোন সড়ক বন্ধ, জেনে নিন বিকল্প পথ

    মঙ্গলবার শপথের দিন রাজধানীতে ট্রাফিক সতর্কতা: কোন কোন সড়ক বন্ধ, জেনে নিন বিকল্প পথ

    এবিএনএ: নতুন সরকারের শপথগ্রহণ উপলক্ষে রাজধানীতে বিশেষ ট্রাফিক ব্যবস্থা নিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ। অনুষ্ঠানের মূল আয়োজন হবে জাতীয় সংসদ ভবন প্রাঙ্গণে এমপিদের শপথ এবং দক্ষিণ প্লাজায় নবগঠিত মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠান। এতে বিপুল মানুষের সমাগম হতে পারে বলে সকাল ৮টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত আশপাশের কয়েকটি সড়কে যান চলাচল সীমিত রাখা হবে।

    ডিএমপি জানায়, খেজুর বাগান ক্রসিং থেকে মানিক মিয়া এভিনিউ এবং জুলাই স্মৃতি জাদুঘর সংলগ্ন গণভবন ক্রসিং থেকে উড়োজাহাজ ক্রসিং পর্যন্ত লেকরোডে চলাচল নিয়ন্ত্রণ থাকবে। যানজট এড়াতে নির্ধারিত ডাইভারশন ও বিকল্প সড়ক ব্যবহার করতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

    বিকল্প পথের নির্দেশনা (সংক্ষেপে):

    • মিরপুর রোড → ফার্মগেট: প্রতিরক্ষা গ্যাপ–চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র–উড়োজাহাজ ক্রসিং–বিজয় সরণি হয়ে প্রবেশ।

    • ধানমন্ডি → ফার্মগেট: আসাদগেট–প্রতিরক্ষা গ্যাপ–চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র–উড়োজাহাজ ক্রসিং–বিজয় সরণি পথ ব্যবহার।

    • এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে/ইন্দিরা রোড → ধানমন্ডি: খেজুর বাগান–উড়োজাহাজ ক্রসিং–চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র–প্রতিরক্ষা গ্যাপ–আসাদগেট।

    • ফার্মগেট এক্সিট এড়িয়ে চলুন: হাতিরঝিলের এফডিসি র‌্যাম্প ব্যবহার করতে বলা হয়েছে।

    ডিএমপি নগরবাসীর কাছে সহযোগিতা চেয়ে জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মানিক মিয়া এভিনিউ ও লেকরোড এড়িয়ে চললে ভোগান্তি কমবে। জরুরি প্রয়োজনে ট্রাফিক সদস্যদের নির্দেশনা অনুসরণ করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

  • লাখো মানুষের চোখের জলে শেষ বিদায়: রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা সম্পন্ন

    লাখো মানুষের চোখের জলে শেষ বিদায়: রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা সম্পন্ন

    এবিএনএ: লাখো মানুষের ভালোবাসা, অশ্রু ও গভীর শ্রদ্ধায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার শেষ বিদায় সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার বিকেল ৩টায় রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউয়ে অনুষ্ঠিত জানাজায় অংশ নেন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা অসংখ্য মানুষ। জাতীয় সংসদ ভবন এলাকা ছাড়িয়ে কয়েক কিলোমিটারজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে জনসমুদ্র।

    জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি আবদুল মালেক জানাজার নামাজে ইমামতি করেন। জানাজায় অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ দেশের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, তিন বাহিনীর প্রধান, বিশিষ্ট নাগরিক ও বিদেশি অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

    বিদেশি অতিথিদের মধ্যে পাকিস্তানের স্পিকার সরদার আইয়াজ সাদিক, ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর এবং নেপাল, ভুটান ও শ্রীলঙ্কার পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা জানাজায় অংশ নেন। দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনের প্রতিনিধিদের মধ্যে ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

    জানাজার আগে বেগম খালেদা জিয়ার জীবনসংগ্রাম ও রাজনৈতিক অবদান তুলে ধরে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। পরিবার ও দলের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

    বুধবার সকাল থেকেই ঢাকা ও আশপাশের জেলা থেকে মানুষ মানিক মিয়া এভিনিউ অভিমুখে আসতে থাকেন। খামারবাড়ি, ফার্মগেট, আসাদগেট, কারওয়ান বাজার থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত এলাকায় সৃষ্টি হয় নজিরবিহীন জনজট। মূল স্থানে পৌঁছাতে না পেরে হাজারো মানুষ রাস্তাতেই দাঁড়িয়ে জানাজায় শরিক হন।

    বেলা ১১টা ৫০ মিনিটে জাতীয় পতাকায় মোড়ানো মরদেহ জানাজাস্থলে আনা হলে আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। পরিবারের সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন তারেক রহমান, ডা. জুবাইদা রহমান, কন্যা জাইমা রহমানসহ স্বজনরা।

    নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংসদ ভবন এলাকা ও মানিক মিয়া এভিনিউজুড়ে পুলিশ, র‍্যাব ও ২৭ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়। জানাজা শেষে মরদেহ শেরেবাংলা নগরে নেওয়া হয়। বিকেল সাড়ে ৩টায় শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বেগম খালেদা জিয়ার দাফন সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে।

  • শেষ বিদায়ে প্রস্তুত দেশ, বুধবার বাদ জোহর মানিক মিয়া এভিনিউতে খালেদা জিয়ার জানাজা

    শেষ বিদায়ে প্রস্তুত দেশ, বুধবার বাদ জোহর মানিক মিয়া এভিনিউতে খালেদা জিয়ার জানাজা

    এবিএনএ: বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা আগামীকাল বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) বাদ জোহর রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউতে অনুষ্ঠিত হবে। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, জানাজা শেষে তাকে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধির পাশেই দাফন করা হবে।

    মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) বিএনপির একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের ঢল নামতে পারে—এমন প্রস্তুতিও নেওয়া হচ্ছে জানাজার স্থান ঘিরে।

    এর আগে মঙ্গলবার ভোর ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন খালেদা জিয়া। তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেন ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮০ বছর।

    মৃত্যুর সময় হাসপাতালে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান, কন্যা জাইমা রহমান, পরিবারের অন্যান্য সদস্য ও স্বজনরা। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং চিকিৎসার জন্য গঠিত মেডিকেল বোর্ডের সদস্যরা।

    দীর্ঘদিন ধরেই নানা জটিল শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী। কিডনি ও যকৃতের জটিলতা, ডায়াবেটিস, রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিসসহ বার্ধক্যজনিত একাধিক রোগে আক্রান্ত ছিলেন তিনি।

    খালেদা জিয়ার ইন্তেকালে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া।