Tag: মানববন্ধন

  • মোংলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অনিয়মের বিস্ফোরণ—ডাক্তারদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও মিথ্যা মামলার অভিযোগে উত্তাল পরিস্থিতি

    মোংলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অনিয়মের বিস্ফোরণ—ডাক্তারদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও মিথ্যা মামলার অভিযোগে উত্তাল পরিস্থিতি

    এবিএনএ,মোংলা:  মোংলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একদল চিকিৎসকের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, সীমাহীন অনিয়ম এবং রোগীদের সাথে চরম দুর্ব্যবহার আর ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীদের নামে মিথ্যা মামলা করায় উত্তাপ্ত হয়ে উঠছে মোংলার রাজনৈতিক অঙ্গন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের এহেন কর্মকান্ড এবং ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীদের মুক্তির দাবীতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন কর্মসুচি পালন করেছে কলেজ ছাত্রছাত্রী, রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও স্থানীয়রা।
    বৃহস্পতিবার সকালে মোংলা সরকারি কলেজের সামনে সাধারণ শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর ব্যানারে এক বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

    মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, মোংলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স বর্তমানে দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত হয়েছে। সাধারণ মানুষ সেখানে চিকিৎসা নিতে গিয়ে প্রতিনিয়ত ডাক্তারদের হাতে লাঞ্ছিত ও দুর্ব্যবহারের শিকার হচ্ছেন। সরকারি ওষুধ রোগীদের না দিয়ে বাইরে পাঠিয়ে দেওয়া, সরকারি ডিউটি ফাঁকি দিয়ে ক্লিনিকে রোগী দেখা এবং নিম্নমানের চিকিৎসা সেবার অভিযোগ দীর্ঘদিনের। এসবের প্রতিবাদ করতে গেলেই সাধারণ মানুষ ও রাজনৈতিক কর্মীদের ওপর চড়াও হওয়ার অভিযোগ উঠেছে একদল চিকিৎসকের বিরুদ্ধে।

    বিক্ষোভ কর্মসুচিতে বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, হাসপাতালের এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ায় ষড়যন্ত্রমূলকভাবে ছাত্রদল ও যুবদল নেতাকর্মীদের নামে মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে এই মামলায় ছাত্রদল নেতা সজিব মিয়া শান্ত এবং যুবদল নেতা মোঃ মানিককে গ্রেপ্তার করে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। বক্তারা এই মামলাকে ‘মিথ্যা ও উদ্দেশ্য প্রনোদিত’ দাবি করে অবিলম্বে নেতাকর্মীদের নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানান।

    আয়োজিত কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারী সাধারণ শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী প্রধানত কয়েকটি দাবি তুলে ধরেন। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে, দুর্নীতিবাজ ও দুর্ব্যবহারকারী চিকিৎসকদের অবিলম্বে অপসারণ ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ, ছাত্রদল ও যুবদল নেতাকর্মীদের নামে দায়ের করা মিথ্যা মামলা দ্রুত প্রত্যাহার ও তাদের মুক্তি এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গরিব অসহায় মানুষের জন্য মানসম্মত চিকিৎসা ও সরকারি ওষুধের নিশ্চয়তা দেওয়া।

    এদিন মোংলা সরকারি কলেজের সামনে অনুষ্ঠিত এই মানববন্ধনে শত শত শিক্ষার্থী, রাজনৈতিক নেতাকর্মী এবং স্থানীয় জনসাধারণ নারী-পুরুষ ও শিশুরা এতে অংশ নেন। তারা স্লোগান দেন, ডাক্তারদের অনিয়ম সইবে না আর মোংলাবাসী” এবং “মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করো, শান্ত-মানিকের মুক্তি দাও”। বক্তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যদি দ্রুততম সময়ের মধ্যে অভিযুক্ত ডাক্তারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া না হয় এবং মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার না করা হয়, তবে আগামীতে মোংলায় আরও কঠোর ও বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।

    এই কর্মসূচির ফলে এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে চিকিৎসকদের কর্মকান্ড ও তাদের ভূমিকা নিয়ে ব্যাপক অসন্তোষ দেখা গেছে।

  • মোংলায় বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফুঁসছে এলাকাবাসী, মানববন্ধন ও বিক্ষোভে সরব জনগণ

    মোংলায় বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফুঁসছে এলাকাবাসী, মানববন্ধন ও বিক্ষোভে সরব জনগণ

    এবিএনএ,মোংলা : মোংলার বুড়িরডাঙ্গা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হাবিবুর রহমান বিশ্বাসের চাঁদাবাজীর প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে ভুক্তভোগীসহ স্থানীয় শতশত নারী-পুরুষ। মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলার বুড়িরডাঙ্গা ইউনিয়নের দিগরাজ রাজারে বিএনপি নেতা হাবিবের বিরুদ্ধে এ মানববন্ধনের আয়োজন করে বুড়িরডাঙ্গা ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণ। এ মানববন্ধনে বুড়িরডাঙ্গা ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে আসা নারী-পুরুষেরা অংশ নেন।

    মানববন্ধন শেষে সেখানে তারা বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন।
    মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন বুড়িরডাঙ্গা ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি মোঃ জুলফিকার আলী, উপজেলা যুবদল নেতা শেখ জিহাদুল ইসলাম মৃদুল, বুড়িরডাঙ্গা ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মনি পাটোয়ারী, উপজেলা মহিলা দলের প্রচার সম্পাদক নুর নাহার বেগম।
    এ সময় বক্তারা বলেন, হাবিব একজন চিহ্নিত চাঁদাবাজ। সে এখানকার ঘের ও জমি দখল করছে। তেল পাম্প, হোটেল ও দেকানপাট থেকে প্রতিনিয়ত চাঁদা নিচ্ছে। আর সে প্রতিনিয়ত মদ্যপান করে মাতাল অবস্থায় থাকে। স্থানীয় নারীদেরকে কুপ্রস্তাবসহ গালিগালাজ ও অপমান অপদস্ত করে থাকে। এই চাঁদাবাজকে আগামী ৪৮ ঘন্টার মধ্যে সভাপতির পদ থেকে বহিস্কৃত করতে হবে। অন্যথায় আমরা বুড়িরডাঙ্গা ইউনিয়নবাসী আগামীতে আরো কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবো। আমরা এ বিষয়ে দ্রুত উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
    এ বিষয়ে উপজেলা বিএনপির সভাপতি আঃ মান্নান হাওলাদার ও সাধারণ সম্পাদক আবু হোসেন পনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও আমাদের মোংলা-রামপালের এমপি এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী লায়ন ডক্টর শেখ ফরিদুল ইসলাম নির্বাচনের আগে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে, কোনভানেই চাঁদাবাজী, দখল, সন্ত্রাসী ও মাদক বরদাস্ত করা হবেনা। আমরা সেই প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন চাই, চাঁদাবাজ হাবিবকে দলীয় পদ থেকে বহিষ্কার চাই।
  • ছাত্রনেতা মাসুম হত্যার প্রতিবাদে শরণখোলায় বিক্ষোভ ও মানববন্ধন

    ছাত্রনেতা মাসুম হত্যার প্রতিবাদে শরণখোলায় বিক্ষোভ ও মানববন্ধন

    এবিএনএ,শরণখোলা(বাগেরহাট): শরণখোলায় ছাত্রদল নেতা আরিফুল ইসলাম মাসুমকে নৃশংসভাবে হত্যা করার প্রতিবাদে এবং হত্যায় জড়িতদের ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী। ৬ মার্চ (শুক্রবার) সকালে উপজেলার সাউথখালী ইউনিয়ন এর খুড়িয়াখালী গ্রামে নিহত মাসুমের বাড়ির সামনে এ বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। বিক্ষোভ মিছিলে প্রায় পাঁচ শতাধিক নারী ও পুরুষ অংশ নেয়। উল্লেখ্য গত ১ মার্চ রাতে মাসুমকে হত্যা করা হলে অভিযুক্তদের মধ্যে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয় এবং বাকী আসামীরা পালিয়ে যায়।

    মানববন্ধনে অংশ নেওয়া এলাকাবাসীরা বলেন, মাসুমের হত্যায় যারা জড়িত তারা পূর্বে বনদস্যুতার সাথে যুক্ত ছিলো। বর্তমানেও পালিয়ে যাওয়া আসামীরা সুন্দরবনে অবস্থান করছে এবং রাতে তারা তাদের নিজেদের বাড়ীতে থাকে। এ ব্যাপারে প্রশাসনের কোনো তৎপরতা নেই বলে এলাকাবাসীরা অভিযোগ করেন।

    নিহত মাসুমের পরিবার জানায়, আসামীর পরিবারের নারীরা সন্ধ্যা হলেই ধারালো দা নিয়ে রাস্তায় বের হয়। গতকাল রাতে নিহত মাসুমের বড় ভাইকে একা পেয়ে দা- বটি নিয়ে তেড়ে আসে অভিযুক্ত আসামী পরিবারের দুই নারী সদস্য। পরবর্তীতে পুলিশ ঘটনাস্থলে আসলে ওই নারীরা পালিয়ে যায় এবং ঘটনাস্থল থেকে একটি ধারালো বটি উদ্ধার করে।

    এ ব্যাপারে শরণখোলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামিনুল হক বলেন, অভিযুক্ত আসামীরা ঘটনার পর থেকে এলাকা থেকে পালিয়েছে। তবে তাদেরকে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে আমাদের বিশেষ অভিযান চলছে।

  • ঘূর্ণিঝড়ের আতঙ্কে দিন কাটছে পাঁচ শতাধিক পরিবারের: টেকসই বেরিবাঁধের দাবিতে শরণখোলায় মানববন্ধন

    ঘূর্ণিঝড়ের আতঙ্কে দিন কাটছে পাঁচ শতাধিক পরিবারের: টেকসই বেরিবাঁধের দাবিতে শরণখোলায় মানববন্ধন

    এবিএনএ,বাগেরহাট: বাগেরহাটের শরণখোলায় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা উদয়ন বাংলাদেশের সহযোগিতায় শরণখোলা বাজার সংলগ্ন খুড়িয়াখালী গ্রামবাসীর আয়োজনে তিন কিলোমিটার টেকসই বেরিবাঁধ এর দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৮ ডিসেম্বর (রবিবার) সকাল সাড়ে ১১ টায় উপজেলার শরণখোলা বাজার সংলগ্ন খুড়িয়াখালী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

    এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগীদের পরিবার সূত্রে জানা যায় , শরণখোলা উপজেলার সাউথখালী ইউনিয়নের শরণখোলা বাজার সংলগ্ন খুড়িয়াখালী ও তেরাবেকা এলাকায় টেকসই বেরিবাঁধ না থাকায় দুই গ্রামের প্রায় পাঁচ শতাধিক পরিবার মানবতার জীবন যাপন করে আসছে। এই দুর্দশা কমাতে তেরাবেকা ও শরণখোলা নদীর তীরবর্তী খুড়িয়াখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে রিংবাঁধ এর উপরে প্রায় তিন শতাধিক গ্রামবাসীর সমন্বয়ে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে। তাদের একটাই দাবি টেকসই বেরিবাঁধ চাই। সিডর ও আইলার মতো ঘূর্ণিঝড় এর আঘাতে বেরিবাঁধ ভেঙে যাওয়ায় ঝড় জলোচ্ছ্বাসে তাদের ভোগান্তির শেষ নেই।

    অমাবস্যা ও পূর্ণিমার জোয়ারে তাদের বাড়ি ঘর তলিয়ে যায় তখন রান্নাবান্না সহ গবাদি পশু নিয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হবে। মাঝে মাঝে তাদের রান্না বান্না ও বন্ধ হয়ে যায়। এই ভোগান্তি থেকে রক্ষা পেতে টেকসই বেরিবাঁধ এর দাবিতেই মুলত মানবববন্ধন করেছে এলাকাবাসী।

    মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন- উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি সহকারী অধ্যাপক আ: মালেক রেজা, বিএনপি নেতা ফরিদ খান, সমাজ সেবক হিরু খান, জাফর খান , পল্লী চিকিৎসক শহিদুল ইসলাম ও ওমর ফারুক প্রমূখ। সকলের একটাই দাবি প্রশাসনের কাছে টেকসই বেরিবাঁধ চাই।

  • টাঙ্গাইলে ছাত্রদের জোর করে এনসিপির পদযাত্রায় নেওয়ার প্রতিবাদে উত্তাল শহর

    টাঙ্গাইলে ছাত্রদের জোর করে এনসিপির পদযাত্রায় নেওয়ার প্রতিবাদে উত্তাল শহর

    এবিএনএ:  টাঙ্গাইলে শিক্ষার্থীদের রাজনৈতিক অনুষ্ঠানে জোরপূর্বক পাঠানোর ঘটনায় বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে উঠেছে শহর। অভিযোগ উঠেছে, বিন্দুবাসিনী সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের ক্লাস চলাকালে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতারা বিদ্যালয়ে প্রবেশ করে ছাত্রদের তাদের পদযাত্রায় নিয়ে যেতে চাপ প্রয়োগ করেন।

    এ ঘটনার প্রতিবাদে বুধবার দুপুরে বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ মিছিল বের করেন এবং শহরের বিভিন্ন সড়ক ঘুরে প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন করেন। এ সময় তাঁরা ‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে রাজনীতি চলবে না’ স্লোগানে পুরো এলাকা মুখর করে তোলেন।

    বক্তব্যে শিক্ষার্থী সাইফুল বারী, সাবেক শিক্ষার্থী তানজিল আহমেদ ও সজিব আহমেদ বলেন, “২৯ জুলাই ক্লাস চলাকালীন সময়ে এনসিপির নেতারা বিদ্যালয়ে ঢুকে ছাত্রদের সমাবেশে যেতে বাধ্য করেন। এতে শিক্ষক ও নেতাদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয় এবং একপর্যায়ে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ক্লাস বাতিল করে ছুটি দিতে বাধ্য হন।”

    তাঁরা আরও বলেন, “শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কোনো রাজনৈতিক দলের খেলার মাঠ নয়। যারা ছাত্রদের রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করেছে, তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই এবং জনসম্মুখে ক্ষমা চাইতে হবে, না হলে কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি রইল।”

    এ বিষয়ে এনসিপির জেলা সমন্বয়কারী মাসুদুর রহমান রাসেল দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, “আমরা শিক্ষার্থীদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করছি এবং প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি ভবিষ্যতে এনসিপির কোনো প্রোগ্রামে তাদের ডাকা হবে না।”

    বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তোফাজ্জল হোসেন জানান, “বিদ্যালয়ে ক্লাস চলাকালে এনসিপির নেতারা ছাত্র চেয়েছিলেন, তবে আমরা তা অস্বীকার করেছি। পরে হয়তো ছুটির পর কেউ স্বেচ্ছায় গিয়েছেন।”

    উল্লেখ্য, মঙ্গলবার দুপুর ১টায় এনসিপির জুলাই পদযাত্রাটি শামছুল হক তোরণ থেকে শুরু হয়ে শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে নিরালা মোড়ে শেষ হয়।