Tag: ময়মনসিংহ

  • বজ্রপাতের তাণ্ডব: ৬ জেলায় ১২ জনের মৃত্যু, হাওরে ধান কাটতে গিয়ে ঝরে গেল কৃষকের প্রাণ

    বজ্রপাতের তাণ্ডব: ৬ জেলায় ১২ জনের মৃত্যু, হাওরে ধান কাটতে গিয়ে ঝরে গেল কৃষকের প্রাণ

    এবিএনএ: দেশের বিভিন্ন জেলায় আকস্মিক বজ্রপাতে একদিনেই প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) দুপুর থেকে বিকেলের মধ্যে সুনামগঞ্জ, রংপুর, ময়মনসিংহ, নেত্রকোণা, হবিগঞ্জ ও কিশোরগঞ্জে পৃথক ঘটনায় মোট ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় আহত হয়েছেন অন্তত আরও ৯ জন।

    সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি হয়েছে সুনামগঞ্জে, যেখানে হাওরে ধান কাটার সময় পাঁচ কৃষক বজ্রপাতে নিহত হন। এছাড়া রংপুরে দুইজন, ময়মনসিংহে দুইজন, নেত্রকোণায় একজন, হবিগঞ্জে একজন এবং কিশোরগঞ্জে একজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

    সুনামগঞ্জে হাওরে ধান কাটতে গিয়ে ৫ কৃষকের মৃত্যু

    সুনামগঞ্জের তাহিরপুর, জামালগঞ্জ, ধর্মপাশা ও দিরাই উপজেলার বিভিন্ন হাওরে ধান কাটার সময় বজ্রপাতের ঘটনায় পাঁচ কৃষক প্রাণ হারান। দুপুরে হঠাৎ ঝোড়ো হাওয়া ও বৃষ্টির সঙ্গে বজ্রপাত শুরু হলে তারা গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে বা চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়।

    রংপুরে বজ্রপাতে নিহত ২, আহত কয়েকজন

    রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলায় সকালে বৃষ্টি চলাকালে বজ্রপাত হলে মাছ ধরতে যাওয়া কয়েকজন জেলে ও আশপাশের লোকজন আহত হন। তাদের মধ্যে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মিলন মিয়া ও তালেব উদ্দিন নামে দুইজনের মৃত্যু হয়। আহতদের স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

    ময়মনসিংহে দুই উপজেলায় প্রাণহানি

    ময়মনসিংহের গৌরীপুর ও গফরগাঁও উপজেলায় পৃথক ঘটনায় দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। ধানক্ষেত দেখতে যাওয়া এক ব্যক্তি বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই মারা যান। অন্যদিকে নামাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে বজ্রাঘাতে গুরুতর আহত হন আরেক ব্যক্তি; হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    নেত্রকোণায় ঘাস কাটতে গিয়ে নিহত

    নেত্রকোণার আটপাড়া উপজেলায় হাওরে গরুর জন্য ঘাস কাটতে গিয়ে বজ্রপাতে আলতু মিয়া নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। দুপুরের দিকে হঠাৎ বৃষ্টি ও বজ্রপাত শুরু হলে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান বলে স্থানীয়রা জানান।

    হবিগঞ্জে ধান কাটার সময় মৃত্যু

    হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলায় বোরো জমিতে ধান কাটার সময় বজ্রপাতে সুনাম উদ্দিন নামে এক কৃষক নিহত হন। বৃষ্টির মধ্যে কাজ করার সময় বজ্রাঘাতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

    কিশোরগঞ্জেও বজ্রপাতে কৃষকের প্রাণহানি

    কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলার বড় হাওরে ধান কাটতে গিয়ে বজ্রপাতে হলুদ মিয়া নামে এক কৃষক গুরুতর আহত হন। পরে তাকে বাড়িতে নেওয়ার পর মৃত্যু হয়।

    স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, আকস্মিক বজ্রপাতের সময় খোলা মাঠ বা হাওরে কাজ না করার জন্য বারবার সতর্কতা দেওয়া হচ্ছে। তবুও মৌসুমের শেষ সময়ে ধান কাটার তাড়নায় কৃষকরা ঝুঁকি নিয়ে মাঠে নামছেন, ফলে বাড়ছে প্রাণহানির ঘটনা।

  • ময়মনসিংহে ভয়াবহ মুখোমুখি সংঘর্ষে প্রাণ গেল সেনাসদস্য ও বাসচালকের—নিহতদের পরিচয় প্রকাশ

    ময়মনসিংহে ভয়াবহ মুখোমুখি সংঘর্ষে প্রাণ গেল সেনাসদস্য ও বাসচালকের—নিহতদের পরিচয় প্রকাশ

    এবিএনএ:ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলায় সেনাবাহিনীর একটি থ্রি টন ট্রাকের সঙ্গে যাত্রীবাহী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে প্রাণ হারিয়েছেন দুইজন। নিহতদের পরিচয় নিশ্চিত করেছে পুলিশ প্রশাসন। তারা হলেন অষ্টম বেঙ্গল রেজিমেন্টের সার্জেন্ট রেজাউল করিম এবং শেরপুর সদর উপজেলার কানাশাহখোলা এলাকার বাসিন্দা বাসচালক আব্দুল বাসেত (৫০)।

    বুধবার বিকেলে জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা জানান, দুর্ঘটনায় ট্রাক ও বাসের দুই চালকই ঘটনাস্থলে গুরুতর আহত হন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

    প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ফুলপুর উপজেলার শেরপুর-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বালিয়া মোড় এলাকায় কাকলি রাইস মিলের সামনে দুর্ঘটনাটি ঘটে। ফুলপুর থেকে ময়মনসিংহের দিকে ফিরছিল সেনাবাহিনীর গাড়িটি। বিপরীত দিক থেকে আসা শেরপুরগামী যাত্রীবাহী বাসটির সঙ্গে মুখোমুখি ধাক্কা লাগলে উভয় গাড়ির সামনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে যায়।

    এই দুর্ঘটনায় কমপক্ষে ১৫ জন যাত্রী আহত হন। তাদের মধ্যে কয়েকজনকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এর বিভিন্ন ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে। গুরুতর আহত কয়েকজনকে ময়মনসিংহ সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল-এ চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। আহতদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

    দুর্ঘটনার পরপরই ময়মনসিংহ-হালুয়াঘাট সড়কে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। সেনাবাহিনী, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের যৌথ উদ্ধার তৎপরতায় দুর্ঘটনাকবলিত যানবাহন সরিয়ে নেওয়ার পর সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। স্থানীয়রা দ্রুতগতির যানবাহন নিয়ন্ত্রণ ও মহাসড়কে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন।

  • মেয়ের খাবার পৌঁছে ফেরার পথে ইউপি সদস্যকে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা ময়মনসিংহে

    মেয়ের খাবার পৌঁছে ফেরার পথে ইউপি সদস্যকে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা ময়মনসিংহে

    এবিএনএ: ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলায় এক ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্যকে পিটিয়ে হত্যা করেছে প্রতিপক্ষের লোকজন। মেয়ের জন্য খাবার পৌঁছে ফেরার পথে এই নৃশংস হামলার শিকার হন তিনি।

    নিহত ইউপি সদস্যের নাম জামাল উদ্দিন (৬০)। তিনি বানিহালা ইউনিয়নের ৮ নম্বর নলচাপড়া ওয়ার্ডের নির্বাচিত সদস্য ছিলেন।

    রোববার রাতের এই ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দু’জনকে আটক করেছে। আটকরা হলেন— কছিম উদ্দিন (৫৫)আনোয়ার হোসেন (৪৫)

    ময়মনসিংহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন) আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, স্থানীয় পুকুরে বিষ ঢেলে মাছ নষ্ট করার অভিযোগ নিয়ে জামাল উদ্দিনের সঙ্গে প্রতিবেশীদের দীর্ঘদিনের বিরোধ ছিল। সেই বিরোধের জেরেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    এলাকাবাসীর বরাতে পুলিশ জানায়, রোববার রাতে জামাল উদ্দিন মাদ্রাসায় পড়ুয়া মেয়ের জন্য খাবার নিয়ে যাচ্ছিলেন। ফেরার পথে দুর্বৃত্তরা তার গতিরোধ করে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করায়।

    কিন্তু রাত সাড়ে ৯টার দিকে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান বলে জানিয়েছেন হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই মো. শফিকুল ইসলাম

    স্থানীয়রা বলছেন, বহুদিনের জমি ও পুকুরসংক্রান্ত বিরোধই এই হত্যাকাণ্ডের মূল কারণ হতে পারে। পুলিশ বলছে, এ ঘটনায় আরও কয়েকজন জড়িত থাকতে পারে, তাদের গ্রেফতারের অভিযান চলছে।

    পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত করছে এবং দ্রুত দোষীদের আইনের আওতায় আনার আশ্বাস দিয়েছে।

    মর্মান্তিক এই হত্যাকাণ্ডে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়রা দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

  • তিন বিভাগে ভারী বৃষ্টির আভাস, সারাদেশেই হতে পারে বৃষ্টি

    তিন বিভাগে ভারী বৃষ্টির আভাস, সারাদেশেই হতে পারে বৃষ্টি

    এবিএনএ:  বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর আগামী কয়েক দিনে টানা বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিয়েছে। বিশেষ করে রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগে ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা করা হচ্ছে। পাশাপাশি দেশের প্রায় সব বিভাগেই হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি হতে পারে বলে জানানো হয়েছে।

    বুধবার আবহাওয়া অফিসের আবহাওয়াবিদ খো. হাফিজুর রহমান জানান, বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা পর্যন্ত রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের বহু এলাকায় বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া রাজশাহী, ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং খুলনা ও বরিশালের দু’এক স্থানে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি হতে পারে।

    আগামী শুক্রবার থেকে রোববার পর্যন্ত একই ধারা অব্যাহত থাকবে। এসব দিনে রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে সারাদেশের দিন ও রাতের তাপমাত্রা খুব বেশি পরিবর্তিত হবে না, কেবল শুক্রবার দিনে তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।

    রবিবার সকাল ৯টা থেকে সোমবার সকাল পর্যন্ত রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেটের অধিকাংশ জায়গায় এবং ঢাকা, রাজশাহী ও চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক স্থানে বৃষ্টিপাত বাড়বে। এ সময় বরিশাল ও খুলনা বিভাগের কিছু এলাকাও বৃষ্টির আওতায় আসতে পারে।

    আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী পাঁচদিনের শুরুতে সারাদেশেই বৃষ্টির প্রবণতা আরও বৃদ্ধি পাবে। এর ফলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে স্বাভাবিক জনজীবন ও পরিবহন ব্যবস্থায় প্রভাব পড়তে পারে।

  • সারাদেশে আবারও বাড়ছে ডেঙ্গুর প্রকোপ, একদিনেই হাসপাতালে ভর্তি ৩৪৩ জন

    সারাদেশে আবারও বাড়ছে ডেঙ্গুর প্রকোপ, একদিনেই হাসপাতালে ভর্তি ৩৪৩ জন

    এবিএনএ:  বাংলাদেশে ডেঙ্গুর সংক্রমণ আবারও চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ৩৪৩ জন ডেঙ্গু রোগী। তবে এ সময়ের মধ্যে মৃত্যুর কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

    রোববার (৩ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বিভিন্ন বিভাগে নতুন আক্রান্তের সংখ্যা নিচের মতো:

    • বরিশাল বিভাগ (সিটি করপোরেশনের বাইরে): ১১১ জন

    • চট্টগ্রাম বিভাগ (সিটি করপোরেশনের বাইরে): ৫১ জন

    • ঢাকা বিভাগ (সিটি করপোরেশনের বাইরে): ৫৪ জন

    • ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন: ৬৪ জন

    • ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন: ৫৯ জন

    • ময়মনসিংহ বিভাগ (সিটি করপোরেশনের বাইরে): ৩ জন

    এছাড়া একই সময়ে ৩৩৭ জন রোগী চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত মোট ২০ হাজার ২৫৭ জন ডেঙ্গু রোগী সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ৩ আগস্ট পর্যন্ত সারাদেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২১ হাজার ৬৭০ জন। আক্রান্তদের মধ্যে ৫৮.৮% পুরুষ এবং ৪১.২% নারী

    ডেঙ্গুতে চলতি বছর এখন পর্যন্ত মোট মৃত্যু হয়েছে ৮৪ জনের। যদিও গত ২৪ ঘণ্টায় কোনো মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি।

    তুলনামূলকভাবে ২০২৪ সালে মোট আক্রান্ত হয়েছিলেন ১ লাখ ১ হাজার ২১৪ জন এবং মৃত্যুর সংখ্যা ছিল ৫৭৫ জন। আর ২০২৩ সালে ছিল সবচেয়ে ভয়াবহ চিত্র—তখন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছিলেন ৩ লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন এবং মৃত্যু হয়েছিল ১ হাজার ৭০৫ জনের।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তর দেশের নাগরিকদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে এবং মশা নিয়ন্ত্রণে ব্যক্তিগত ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান জানিয়েছে।