Tag: মনোনয়ন

  • সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন বিক্রি শুরু শুক্রবার, ১২ মে ভোট

    সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন বিক্রি শুরু শুক্রবার, ১২ মে ভোট

    এবিএনএ: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে প্রার্থী বাছাইয়ের প্রক্রিয়া শুরু করছে বিএনপি। এ লক্ষ্যে দলীয় মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু হবে শুক্রবার থেকে।

    দলীয় সূত্র জানিয়েছে, রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে ১০ এপ্রিল সকাল ১১টা থেকে মনোনয়ন ফরম বিতরণ করা হবে। একই সঙ্গে ওই দিন থেকেই ফরম সংগ্রহ ও জমা দেওয়ার কার্যক্রম শুরু হবে। এই প্রক্রিয়া চলবে ১২ এপ্রিল পর্যন্ত।

    বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই আগ্রহী প্রার্থীদের ফরম সংগ্রহ ও জমা দিতে হবে। ১২ এপ্রিলই মনোনয়ন ফরম বিক্রি ও জমা দেওয়ার শেষ দিন।

    এদিকে সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনের তফসিল ইতোমধ্যে ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। ঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২১ এপ্রিল। এরপর ২২ ও ২৩ এপ্রিল মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করা হবে।

    নির্বাচন কমিশনের তথ্যমতে, আপিল দাখিল করা যাবে ২৬ এপ্রিল। আপিল নিষ্পত্তি হবে ২৭ ও ২৮ এপ্রিল। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ২৯ এপ্রিল এবং ৩০ এপ্রিল প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১২ মে।

    সংরক্ষিত নারী আসনের বণ্টন অনুযায়ী, বিএনপি ও তাদের জোটের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৬টি আসন। জামায়াতে ইসলামী ও তাদের জোট পাবে ১৩টি আসন। এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জন্য রাখা হয়েছে একটি আসন। সব মিলিয়ে সংরক্ষিত নারী আসনের মোট সংখ্যা ৫০টি।

  • বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনে তুমুল দৌড়ঝাঁপ: কারা পাচ্ছেন দলীয় মনোনয়ন, জল্পনা তুঙ্গে

    বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনে তুমুল দৌড়ঝাঁপ: কারা পাচ্ছেন দলীয় মনোনয়ন, জল্পনা তুঙ্গে

    এবিএনএ: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য বিএনপির ভেতরে শুরু হয়েছে ব্যাপক দৌড়ঝাঁপ। এককভাবে ২০৯টি আসনে জয় পাওয়ায় আসন অনুপাতে দলের ঝুলিতে যাচ্ছে ৩৫টি সংরক্ষিত নারী আসন। এসব আসনে মনোনয়ন পেতে বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বর্তমান ও সাবেক নারী নেত্রীরা শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন, কেউ কেউ বিভিন্ন পর্যায়ে লবিংও চালাচ্ছেন।

    বিধান অনুযায়ী সংসদ সদস্যদের শপথের ৯০ দিনের মধ্যে সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন শেষ করতে হবে। ছয়জন নির্বাচিত সংসদ সদস্যের বিপরীতে একটি করে সংরক্ষিত আসন নির্ধারিত হয়। এই হিসাবে বিএনপির পাশাপাশি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ১১টি এবং জাতীয় নাগরিক পার্টি একটি আসন পাবে। বাকি আসনগুলো স্বতন্ত্রদের সমঝোতা ও জোটের ওপর নির্ভর করছে।

    নির্বাচন কমিশনের কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ জানিয়েছেন, সংরক্ষিত নারী আসনের প্রক্রিয়া কার্যত শুরু হয়েছে। সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী দলগুলো যে নাম প্রস্তাব করবে, নিয়ম অনুযায়ী তারাই নির্বাচিত হবেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই নির্বাচন শেষ করা হবে।

    দলীয় সূত্র বলছে, কারা মনোনয়ন পাবেন কিংবা কোন যোগ্যতাকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হবে—এ নিয়ে আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত এখনো হয়নি। তবে সাধারণ নির্বাচনে যোগ্য হয়েও মনোনয়ন না পাওয়া নারী নেত্রীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হতে পারে। পাশাপাশি আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা রাখা মহিলা দল ও ছাত্রদলের বর্তমান-সাবেক নেত্রীদের গুরুত্ব দেওয়ার কথাও আলোচনায় আছে। দলের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের নেতাদের পরিবারভুক্ত কেউ কেউ মনোনয়ন পেতে পারেন—এমন কথাও ভেতরে ভেতরে শোনা যাচ্ছে।

    মনোনয়ন চূড়ান্ত না হলেও প্রত্যাশীরা বসে নেই। কেউ শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে দেখা করছেন, কেউ অতীতের রাজনৈতিক ত্যাগ-তিতিক্ষার কথা তুলে ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের অবস্থান জানাচ্ছেন।

    দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আলোচনায় থাকা সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন—মাহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহমেদ, বিএনপি মিডিয়া সেলের সদস্য মাহমুদা হাবিবা, বীথিকা বিনতে হোসাইন, নাভীলা চৌধুরী, রেহানা আক্তার রানু, নাদিয়া পাঠান পাপন, আরিফা সুলতানা রুমা, সাবরিনা বিনতে আহমেদ, সাবিনা খান পপি সহ আরও অনেকে।

    সুলতানা আহমেদ বলেন, দীর্ঘদিন দলের সঙ্গে যুক্ত থেকে আন্দোলন-সংগ্রামে অংশ নিয়েছেন তিনি এবং নানা নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। দল তার ত্যাগের মূল্যায়ন করবে—এমন প্রত্যাশা তার।


    ছাত্রদলের সাবেক নেত্রী নাদিয়া পাঠান পাপন জানান, দীর্ঘ সময় মাঠের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন এবং দুঃসময়ে দলের পাশে দাঁড়িয়েছেন—সে বিবেচনায় তিনি মনোনয়ন প্রত্যাশা করেন।


    বীথিকা বিনতে হোসাইন বলেন, সংগঠনের মাধ্যমে মানবিক ও আইনি সহায়তায় যুক্ত ছিলেন তিনি; সাম্প্রতিক সময়ে দলের কার্যক্রমেও সক্রিয় রয়েছেন।


    সাবেক সংরক্ষিত সংসদ সদস্য রেহানা আক্তার রানু বলেন, আগেও দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা রয়েছে—দল চাইলে আবারও সে দায়িত্ব নিতে প্রস্তুত তিনি।

    সব মিলিয়ে, সংরক্ষিত নারী আসন ঘিরে বিএনপির ভেতরে প্রতিযোগিতা এখন তুঙ্গে। চূড়ান্ত তালিকা ঘোষণার আগ পর্যন্ত জল্পনা-কল্পনাও থামছে না।

  • দেশে ফিরেই প্রার্থী ঘোষণা করবেন তারেক রহমান, বিএনপির মনোনয়ন তালিকা প্রায় চূড়ান্ত!

    দেশে ফিরেই প্রার্থী ঘোষণা করবেন তারেক রহমান, বিএনপির মনোনয়ন তালিকা প্রায় চূড়ান্ত!

    এবিএনএ:  আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বড় রাজনৈতিক দলগুলো এখন প্রার্থী বাছাইয়ের শেষ পর্যায়ে রয়েছে। অনিশ্চয়তা থাকা সত্ত্বেও ভোটের প্রস্তুতি জোরদার করেছে বিএনপি। দলটির শীর্ষ সূত্র জানিয়েছে, ৩০০ আসনের প্রাথমিক প্রার্থী তালিকা প্রস্তুত হয়েছে, আর এখন চলছে যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া।

    জানা গেছে, বিএনপি এবার শরিক দলগুলোকে সঙ্গে নিয়ে নির্বাচনি জোট গঠনের পরিকল্পনা করছে। ইতোমধ্যে শরিক দলগুলোর কাছ থেকে আসনবণ্টনের তালিকা চাওয়া হয়েছে এবং কয়েকটি দল তাদের প্রার্থী তালিকাও বিএনপির হাইকমান্ডের হাতে তুলে দিয়েছে। সব তালিকা যাচাইয়ের পর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান নিজে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন।

    বিএনপির স্থায়ী কমিটির এক সদস্য জানিয়েছেন, তারেক রহমান দেশে ফিরেই আনুষ্ঠানিকভাবে দলীয় প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করবেন। তবে তার আগেই যোগ্য প্রার্থীদের অনানুষ্ঠানিকভাবে সবুজ সংকেত দেওয়া হবে বলে জানা গেছে।

    সূত্রে জানা গেছে, তারেক রহমান মনোনয়ন বাছাইয়ের জন্য পাঁচটি মূল মাপকাঠি নির্ধারণ করেছেন—

    1. এলাকায় ক্লিন ইমেজ: যেসব প্রার্থীর বিরুদ্ধে কোনো ধরনের অনিয়ম, দখল বা দুর্নীতির অভিযোগ নেই, তারা অগ্রাধিকার পাবেন।

    2. জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতা: সারা দেশে চালানো জরিপে স্থানীয়ভাবে জনপ্রিয় প্রার্থীদের বেছে নেওয়া হবে।

    3. দল ও দেশের জন্য ত্যাগ: যারা আন্দোলনে সক্রিয় ছিলেন, কারাবরণ করেছেন বা পরিবার থেকে কেউ নিখোঁজ বা নিহত হয়েছেন, তাদের প্রাধান্য দেওয়া হবে।

    4. সংগঠনে অবদান: দীর্ঘ সময় ধরে দলের সঙ্গে থেকে যারা সাংগঠনিক কার্যক্রমে সক্রিয় ছিলেন, তারা অগ্রাধিকার পাবেন।

    5. কোন্দলমুক্ত নেতৃত্ব: যেসব প্রার্থী এলাকায় গ্রুপিং বা অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব থেকে দূরে ছিলেন, তারাও গুরুত্ব পাবেন।

    এই পাঁচটি মানদণ্ডে প্রাথমিকভাবে মনোনয়ন তালিকা তৈরি করা হয়েছে বলে জানায় বিএনপির নীতিনির্ধারণী মহল। তবে যেখানে একাধিক যোগ্য প্রার্থী রয়েছেন, সেখানে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন তারেক রহমান নিজেই।

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, এবারের নির্বাচনে প্রার্থী নির্বাচনের মানদণ্ডই নির্ধারণ করবে বিএনপির মাঠপর্যায়ের শক্তি ও ভোটারদের আস্থা পুনরুদ্ধারের সুযোগ।