Tag: মনিকা চাকমা

  • ৭ গোলের ঝড়ে বাহরাইনকে উড়িয়ে এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে বাংলাদেশের নজরকাড়া শুরু

    ৭ গোলের ঝড়ে বাহরাইনকে উড়িয়ে এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে বাংলাদেশের নজরকাড়া শুরু

    এবিএনএ:   এএফসি উইমেনস এশিয়ান কাপ ২০২৬ বাছাইপর্বে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল এক অবিশ্বাস্য সূচনা করেছে। র‍্যাঙ্কিংয়ে অনেক এগিয়ে থাকা বাহরাইনকে ৭-০ গোলে বিধ্বস্ত করে নিজেদের শক্তিমত্তার জানান দিল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।

    রবিবার (২৯ জুন) মিয়ানমারের ইয়াংগুন শহরে অনুষ্ঠিত ‘সি’ গ্রুপের ম্যাচে প্রথমার্ধেই ৫ গোল করে প্রতিপক্ষকে একপ্রকার নাকানিচুবানি খাইয়ে দেয় পিটার জেমস বাটলারের শিষ্যারা। দ্বিতীয়ার্ধে আরও দুই গোল করে ম্যাচের জয় নিশ্চিত করে তারা।

    ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণের ঝড় তোলে বাংলাদেশ। ম্যাচের ১০তম মিনিটে শামসুন্নাহার জুনিয়রের নিখুঁত চিপ শটে এগিয়ে যায় দল। এরপর ১৫ মিনিটে ঋতুপর্ণা চাকমা স্বপ্না রানীর পাস থেকে বাঁকানো শটে দ্বিতীয় গোল করেন।

    ৪০ মিনিটে মনিকার কর্নার থেকে কোহাতি কিসকু ডিফেন্সে টোকা দিয়ে বল পাঠান জালে। প্রথমার্ধের অতিরিক্ত সময়ে দুটি চমৎকার গোল করেন তহুরা খাতুন—প্রথমটি প্রতিপক্ষের ভুলে সুযোগ নিয়ে, দ্বিতীয়টি শামসুন্নাহারের পাস থেকে।

    বিরতির পরেও ছন্দে থাকে বাংলাদেশ। ম্যাচের ৬০ মিনিটে শামসুন্নাহারের শটে বাহরাইনি খেলোয়াড় রাওয়ান আল আলি আত্মঘাতী গোল করেন। এরপর ৭৪তম মিনিটে একক দৌড়ে নিচু শটে ম্যাচের সপ্তম ও শেষ গোলটি করেন মুনকি আক্তার।

    শেষ মুহূর্তে সাগরিকার একটি গোল অফসাইডের কারণে বাতিল হয়। তহুরার আরেকটি শট পোস্টে লেগে ফেরত আসায় ব্যবধান আর বাড়ানো সম্ভব হয়নি।

    আগামী বুধবার বাংলাদেশ তাদের দ্বিতীয় ম্যাচে স্বাগতিক মিয়ানমারের মুখোমুখি হবে, যারা নিজেদের প্রথম ম্যাচে তুর্কমেনিস্তানকে ৮-০ গোলে পরাজিত করেছে।

  • ভুটানের লিগে ইতিহাস গড়ল সাবিনা ও মনিকা

    ভুটানের লিগে ইতিহাস গড়ল সাবিনা ও মনিকা

    এবিএনএ: ভুটানের নারী ফুটবল লিগে বাংলাদেশের দুই ফুটবলার সাবিনা খাতুন মনিকা চাকমা দেখালেন নজিরবিহীন পারফরম্যান্স। স্যামতসের বিপক্ষে তাদের ক্লাব পারো এফসি ২৮-ব্যবধানে জয়লাভ করে ফুটবল অঙ্গনে সৃষ্টি করেছে চাঞ্চল্য।

    এই ম্যাচে সাবিনা একাই করেছেন ৯টি গোল, আর মনিকা করেছেন ৭টি। শুধু তারা নয়, হ্যাটট্রিক করেছেন মাতসুশিমা সুমাইয়াও, যার ঝুলিতে গোল। ঋতুপর্ণা করেছেন আরও ৪টি গোল। চারজন মিলে করেন ম্যাচের ২৫টি গোল!

    খেলা শুরুতেই আক্রমণে ঝাঁপিয়ে পড়ে পারো এফসি। ৮তম মিনিটে সাবিনার প্রথম গোল দিয়ে গোলবন্যার সূচনা হয়। এরপর ২৬ ৩১তম মিনিটে আরও দুটি গোল করে হ্যাটট্রিক পূরণ করেন এই সাফজয়ী তারকা। দ্বিতীয়ার্ধে ৬৩তম মিনিটে ডাবল হ্যাটট্রিক এবং পরে আরও তিনটি গোল করে মোট গোলের মালিক হন তিনি।

    মনিকা প্রথম গোল করেন ১৯তম মিনিটে। এরপর ২৮ ৩৮তম মিনিটে আরও দুটি গোল করে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন। দ্বিতীয়ার্ধে আরও চারবার বল জালে পাঠিয়ে গোলের অসাধারণ কীর্তি গড়েন তিনি।

    সুমাইয়া গোল করেন ৩৬তম মিনিটে। পরে ৩৮ ৫২তম মিনিটে গোল করে হ্যাটট্রিক করেন এবং শেষ দিকে আরও দুটি গোল যোগ করেন।

    ঋতুপর্ণার গোলের শুরু বিরতির পর। ৫৩, ৬৪, ৭৭ এবং ৮১তম মিনিটে গোল করে তিনিও নিজের নাম লেখান দুর্দান্ত স্কোরারদের তালিকায়।

    বাংলাদেশি নারী ফুটবলারদের এই নজিরবিহীন পারফরম্যান্স ভুটানের মাঠে শুধু জয়ই নয়, এক অভাবনীয় ইতিহাস রচনা করে গেল।