Tag: ভিটামিন সি

  • একটা জাম্বুরার চার ভাগের এক ভাগেই পূরণ হবে দৈনিক ভিটামিন সি’র চাহিদা!

    একটা জাম্বুরার চার ভাগের এক ভাগেই পূরণ হবে দৈনিক ভিটামিন সি’র চাহিদা!

    এবিএনএ:  চলছে জাম্বুরার মৌসুম, আর বাজারে সহজেই মিলছে পুষ্টিগুণে ভরপুর এই ফলটি। জাম্বুরা কেবল ভিটামিন সি-এর ভাণ্ডার নয়, এতে রয়েছে ভিটামিন বি১, বি২, ফোলেট, কপার ও পটাশিয়ামের মতো গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।

    গড়ে একটি মাঝারি জাম্বুরার ওজন ৫০০ থেকে ৬০০ গ্রাম হয়ে থাকে। পুষ্টিবিদদের মতে, এই পরিমাণ জাম্বুরায় দৈনিক ভিটামিন সি-এর প্রয়োজনীয়তার ৪০০ শতাংশেরও বেশি পাওয়া যায়। ফলে প্রতিদিন মাত্র এক চতুর্থাংশ জাম্বুরা খেলেই একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের ভিটামিন সি’র চাহিদা মিটে যাবে।

    তবে ভিটামিন সি দেহে জমা থাকে না। তাই একদিন বেশি খেয়ে কয়েকদিনের ঘাটতি পূরণের সুযোগ নেই। শরীরে বাড়তি ভিটামিন সি প্রস্রাবের মাধ্যমে বের হয়ে যায়।

    ভিটামিন সি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এবং ত্বককে টানটান রাখতে অপরিহার্য। এটি কোলাজেন উৎপাদনে সাহায্য করে, যা শরীরকে ভেতর থেকে তরুণ রাখে। অন্যদিকে, জাম্বুরার আঁশ অন্ত্রের উপকারী ব্যাকটেরিয়াকে পুষ্টি জোগায়, খারাপ চর্বি নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।

    ওজন নিয়ন্ত্রণ ও ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য জাম্বুরা বেশ কার্যকর হলেও দীর্ঘমেয়াদি কিডনি রোগীদের জন্য এটি উপযুক্ত নয়। এছাড়া, রক্তে খারাপ চর্বি কমানোর ওষুধ খাওয়ার সঙ্গে জাম্বুরা খেলে ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। তাই এ ধরনের ক্ষেত্রে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

  • নারীদের রক্তস্বল্পতা দূর করার সহজ উপায়: কোন খাবারে মিলবে পর্যাপ্ত আয়রন ও ভিটামিন?

    নারীদের রক্তস্বল্পতা দূর করার সহজ উপায়: কোন খাবারে মিলবে পর্যাপ্ত আয়রন ও ভিটামিন?

    এবিএনএ:  দেশের নারীদের মধ্যে রক্তস্বল্পতা বা অ্যানিমিয়া একটি বহুল প্রচলিত স্বাস্থ্যসমস্যা। রক্তে লোহিত কণিকা বা হিমোগ্লোবিনের মাত্রা কমে গেলে শরীর দ্রুত ক্লান্ত হয়ে পড়ে, ক্ষুধামন্দা দেখা দেয়, ত্বক ফ্যাকাসে হয়ে যায় এবং শ্বাসকষ্ট বা হৃদকম্পন বেড়ে যায়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নিয়মিত কিছু খাবার খেলে শরীরে হিমোগ্লোবিনের ঘাটতি পূরণ করা সম্ভব।

    ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার:
    ভিটামিন সি না থাকলে শরীর আয়রন শোষণ করতে পারে না। তাই কমলা, লেবু, আমলকী, পেঁপে, বাতাবিলেবু, স্ট্রবেরি, ব্রোকোলি, টমেটো ও আঙুর খেলে রক্তস্বল্পতা কমাতে সাহায্য করে।

    আয়রন সমৃদ্ধ খাবার:
    হিমোগ্লোবিন তৈরিতে লোহা অপরিহার্য। দেশি মুরগির কলিজা, পালংশাক, কচুশাক, লাল মাংস, চিংড়ি, আমন্ড, বিট, খেজুর ও বেদানায় প্রচুর আয়রন পাওয়া যায়। এগুলো ক্যালসিয়াম, কার্বোহাইড্রেট ও ফাইবারেরও ভালো উৎস।

    মধু ও অন্যান্য খাবার:
    মধু শুধু আয়রন নয়, বরং কপার ও ম্যাঙ্গানিজেও সমৃদ্ধ, যা হিমোগ্লোবিন তৈরিতে কার্যকর ভূমিকা রাখে। নিয়মিত দুধ ও ডিম খাওয়াও রক্তস্বল্পতা প্রতিরোধে সহায়ক।

    বিশেষজ্ঞরা আরও জানান, অ্যানিমিয়ার কারণে শরীরের অক্সিজেন ও পুষ্টি উৎপাদনের চাহিদা বাড়ে, ফলে হৃদপিণ্ড অতিরিক্ত চাপের মুখে পড়ে। সময়মতো চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে হিমোগ্লোবিন পরীক্ষা করা এবং প্রয়োজনীয় খাবার ও ওষুধ গ্রহণ করা জরুরি।