Tag: ভারী বৃষ্টি

  • টানা বৃষ্টির সতর্কতা, চার বিভাগে ভারী বর্ষণ

    টানা বৃষ্টির সতর্কতা, চার বিভাগে ভারী বর্ষণ

    এবিএনএ: দেশের আবহাওয়ায় বড় ধরনের পরিবর্তনের পূর্বাভাস দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও আশপাশের এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপটি আরও শক্তিশালী হওয়ার সম্ভাবনা থাকায় দেশের কয়েকটি বিভাগে টানা ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

    বিশেষ করে রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগে আগামী কয়েকদিন ধরে ভারী বর্ষণের আশঙ্কা রয়েছে। একই সঙ্গে বজ্রপাত ও দমকা হাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে বলে সতর্ক করা হয়েছে।

    বুধবার (১৩ মে) আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ খো. হাফিজুর রহমান স্বাক্ষরিত পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানানো হয়।

    কোথায় বেশি বৃষ্টি হতে পারে

    আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু এলাকায় এবং খুলনা ও বরিশালের দু-এক জায়গায়ও বৃষ্টি হতে পারে।

    এ সময় দেশের কয়েকটি অঞ্চলে মাঝারি থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। একই সঙ্গে ঝড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোর আশঙ্কাও রয়েছে।

    পাঁচদিনজুড়ে থাকতে পারে বৃষ্টির প্রবণতা

    আবহাওয়া বিভাগ বলছে, বৃহস্পতিবার থেকে শনিবার পর্যন্ত রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগে বৃষ্টির প্রবণতা আরও বাড়তে পারে। কোথাও কোথাও অতি ভারী বর্ষণের সম্ভাবনাও রয়েছে।

    এ সময় দেশের অন্যান্য বিভাগেও বিচ্ছিন্নভাবে বৃষ্টি হতে পারে। তবে ঢাকা ও চট্টগ্রামে তুলনামূলক কম বৃষ্টি হলেও তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।

    রোববার পর্যন্ত পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, উত্তরাঞ্চল ও সিলেট অঞ্চলে ভারী বর্ষণ অব্যাহত থাকতে পারে। অন্যদিকে দেশের কিছু এলাকায় আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া অপেক্ষাকৃত শুষ্ক থাকতে পারে।

    তাপমাত্রায় পরিবর্তনের ইঙ্গিত

    আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, বৃষ্টিপ্রবণ এলাকায় দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে। তবে দেশের অন্যান্য অঞ্চলে তাপমাত্রা কিছুটা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, লঘুচাপটি আরও ঘনীভূত হলে দেশের বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা ও স্বাভাবিক জনজীবনে বিঘ্ন ঘটতে পারে। তাই প্রয়োজন ছাড়া ঝড়-বৃষ্টির সময় বাইরে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

    এদিকে কৃষি সংশ্লিষ্টদেরও আবহাওয়ার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

  • বরফ আর বৃষ্টির তাণ্ডবে বিপর্যস্ত আফগানিস্তান, তিন দিনে প্রাণ গেল অন্তত ৬১ জনের

    বরফ আর বৃষ্টির তাণ্ডবে বিপর্যস্ত আফগানিস্তান, তিন দিনে প্রাণ গেল অন্তত ৬১ জনের

    এবিএনএ: চরম আবহাওয়ার কবলে পড়ে ভয়াবহ বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে আফগানিস্তান। টানা তুষারপাত ও ভারী বৃষ্টিতে দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে অন্তত ৬১ জনের মৃত্যু হয়েছে। গত তিন দিনে ঘটে যাওয়া এই দুর্যোগে আরও বহু মানুষ আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে আফগানিস্তানের জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ।

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে আফগানিস্তান ন্যাশনাল ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অথরিটি (এএনডিএমএ) জানায়, প্রাকৃতিক এই দুর্যোগে এখন পর্যন্ত ১১০ জন আহত হয়েছেন। পাশাপাশি দেশজুড়ে অন্তত ৪৫৮টি বাড়িঘর আংশিক বা সম্পূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

    দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ আশঙ্কা প্রকাশ করে জানিয়েছে, উদ্ধার ও ক্ষয়ক্ষতির হিসাব সম্পূর্ণ না হওয়ায় হতাহতদের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। বিশেষ করে দুর্গম ও প্রত্যন্ত এলাকায় যোগাযোগব্যবস্থা দুর্বল থাকায় সঠিক তথ্য পেতে সময় লাগছে।

    এএনডিএমএর প্রকাশিত মানচিত্র অনুযায়ী, বুধবার থেকে শুক্রবারের মধ্যে আফগানিস্তানের মধ্য ও উত্তরাঞ্চলের একাধিক প্রদেশে সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ভারী তুষারপাতের কারণে রাজধানী কাবুলসহ বিভিন্ন এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনার ঘটনাও ঘটেছে।

    দুর্বল অবকাঠামো ও প্রতিকূল ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে আফগানিস্তানে প্রায়ই বন্যা, ভূমিধস, তুষারঝড় ও প্রবল বর্ষণে বড় ধরনের প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটে। এসব চরম আবহাওয়া দেশটির স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে আরও ঝুঁকিপূর্ণ ও অসহায় অবস্থার দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

  • বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ ঘনীভূত হওয়ার আভাস, বাড়তে পারে বৃষ্টিপাত

    বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ ঘনীভূত হওয়ার আভাস, বাড়তে পারে বৃষ্টিপাত

    এবিএনএ: উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন উড়িষ্যা উপকূলে অবস্থানরত লঘুচাপটি ধীরে ধীরে ঘনীভূত হচ্ছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। বুধবার সন্ধ্যায় প্রকাশিত সর্বশেষ আবহাওয়া পূর্বাভাসে বলা হয়, আগামী পাঁচ দিনে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টিপাত ও দমকা হাওয়ার প্রবণতা বাড়বে।

    আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্যমতে, আজ বুধবার সন্ধ্যা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেটের কিছু এলাকায় দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। রংপুর, ময়মনসিংহ, ঢাকা ও রাজশাহীর কয়েকটি স্থানে বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টি হতে পারে। এ সময় সারাদেশে কোথাও কোথাও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে।

    বৃহস্পতিবার থেকে ধীরে ধীরে বৃষ্টিপাত আরও বিস্তৃত হতে পারে। শুক্রবার সন্ধ্যার পর থেকে খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেটের বহু স্থানে এবং রংপুর, ঢাকা, রাজশাহী ও ময়মনসিংহের কিছু জায়গায় ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণের আশঙ্কা করা হচ্ছে। একইসঙ্গে দেশের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত কমতে পারে।

    শনিবার ও রবিবারও দেশের বেশিরভাগ অঞ্চলে বৃষ্টি চলবে বলে পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে বিশেষ করে রংপুর, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের মাত্রা তুলনামূলক বেশি হতে পারে।

    আবহাওয়া অফিস আরও জানিয়েছে, আগামী পাঁচ দিনের শেষ দিকে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা আরও বাড়তে পারে, যা সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবন ও কৃষি কার্যক্রমে প্রভাব ফেলবে।

  • চার বিভাগে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা, আবহাওয়া দপ্তরের নতুন পূর্বাভাস

    চার বিভাগে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা, আবহাওয়া দপ্তরের নতুন পূর্বাভাস

    এবিএনএ:  দেশের চারটি বিভাগে স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। পাশাপাশি দেশের অন্যান্য অঞ্চলেও হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অব্যাহত থাকবে।

    মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দেওয়া সর্বশেষ পূর্বাভাসে আবহাওয়াবিদ মো. ওমর ফারুক জানান, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকায় একটি লঘুচাপ অবস্থান করছে। বর্তমানে এটি উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর এবং পশ্চিমবঙ্গ উপকূলের দিকে সরে গেছে। মৌসুমী বায়ু বাংলাদেশের ওপর সক্রিয় রয়েছে এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে প্রবল অবস্থায় রয়েছে। এছাড়া আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগরে আরেকটি নতুন লঘুচাপ সৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

    বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা পর্যন্ত দেওয়া পূর্বাভাসে বলা হয়, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক স্থানে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও ঢাকার কিছু এলাকায়ও একই ধরনের আবহাওয়া বিরাজ করবে। কোথাও কোথাও মাঝারি ভারী বর্ষণও হতে পারে। এ সময় দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।

    এ ছাড়া বুধবার সন্ধ্যা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, দেশের আটটি বিভাগেই কিছু জায়গায় বৃষ্টি হতে পারে। তবে সারাদেশের দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে।

    আবহাওয়া দপ্তর আরও জানিয়েছে, আগামী তিন দিনে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা আরও বাড়তে পারে।

  • চার বিভাগে ভারী বর্ষণের আশঙ্কা, তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে

    চার বিভাগে ভারী বর্ষণের আশঙ্কা, তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে

    এবিএনএ:  দেশের চারটি বিভাগে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত পূর্বাভাসে বলা হয়, রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেটের বিভিন্ন অঞ্চলে ভারী বর্ষণ হতে পারে। পাশাপাশি অন্যান্য বিভাগেও হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অব্যাহত থাকবে।

    আবহাওয়াবিদ ড. মো. ওমর ফারুক জানান, পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগরে একটি লঘুচাপ সক্রিয় রয়েছে এবং মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের উপর সক্রিয় অবস্থায় আছে। এর প্রভাবে আগামী কয়েকদিন দেশজুড়ে বৃষ্টি চলতে পারে।

    রবিবার সকাল পর্যন্ত পূর্বাভাসে বলা হয়, রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম, বরিশাল ও সিলেটের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা ও খুলনার কিছু এলাকায় বৃষ্টি ও দমকা হাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এর মধ্যে রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেটে মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে।

    সোমবার থেকে বুধবার পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে দেশের আট বিভাগের অধিকাংশ এলাকায় বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কোথাও কোথাও অতি ভারী বর্ষণও হতে পারে। এ সময় দিনের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রাও সামান্য হ্রাস পেতে পারে।

    তবে বর্ধিত পাঁচ দিনের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ধীরে ধীরে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা কিছুটা কমে আসতে পারে।

  • তিন বিভাগে ভারী বৃষ্টির আভাস, সারাদেশেই হতে পারে বৃষ্টি

    তিন বিভাগে ভারী বৃষ্টির আভাস, সারাদেশেই হতে পারে বৃষ্টি

    এবিএনএ:  বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর আগামী কয়েক দিনে টানা বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিয়েছে। বিশেষ করে রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগে ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা করা হচ্ছে। পাশাপাশি দেশের প্রায় সব বিভাগেই হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি হতে পারে বলে জানানো হয়েছে।

    বুধবার আবহাওয়া অফিসের আবহাওয়াবিদ খো. হাফিজুর রহমান জানান, বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা পর্যন্ত রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের বহু এলাকায় বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া রাজশাহী, ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং খুলনা ও বরিশালের দু’এক স্থানে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি হতে পারে।

    আগামী শুক্রবার থেকে রোববার পর্যন্ত একই ধারা অব্যাহত থাকবে। এসব দিনে রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে সারাদেশের দিন ও রাতের তাপমাত্রা খুব বেশি পরিবর্তিত হবে না, কেবল শুক্রবার দিনে তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।

    রবিবার সকাল ৯টা থেকে সোমবার সকাল পর্যন্ত রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেটের অধিকাংশ জায়গায় এবং ঢাকা, রাজশাহী ও চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক স্থানে বৃষ্টিপাত বাড়বে। এ সময় বরিশাল ও খুলনা বিভাগের কিছু এলাকাও বৃষ্টির আওতায় আসতে পারে।

    আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী পাঁচদিনের শুরুতে সারাদেশেই বৃষ্টির প্রবণতা আরও বৃদ্ধি পাবে। এর ফলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে স্বাভাবিক জনজীবন ও পরিবহন ব্যবস্থায় প্রভাব পড়তে পারে।

  • বঙ্গোপসাগরে সুষ্পষ্ট লঘুচাপ, ছয় বিভাগে ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা

    বঙ্গোপসাগরে সুষ্পষ্ট লঘুচাপ, ছয় বিভাগে ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা

    এবিএনএ:  বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপটি ধীরে ধীরে ঘনীভূত হয়ে সুষ্পষ্ট লঘুচাপে রূপ নিয়েছে। এর প্রভাবে দেশের ছয়টি বিভাগে ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে অন্যত্রও হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

    সোমবার (১৮ আগস্ট) দুপুরে দেওয়া পূর্বাভাসে আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবির জানান, পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও সংলগ্ন উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত লঘুচাপটি আরও সক্রিয় হয়েছে। এটি বর্তমানে উত্তর অন্ধ্র-দক্ষিণ উড়িষ্যা উপকূলের নিকটে অবস্থান করছে। পাশাপাশি মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে প্রবল অবস্থায় রয়েছে।

    মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) সকাল পর্যন্ত দেওয়া পূর্বাভাস অনুযায়ী, রংপুর, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেটের বিভিন্ন স্থানে ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া রাজশাহী ও ঢাকা বিভাগের কিছু এলাকায়ও দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। সারাদেশে তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

    পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, দেশের আটটি বিভাগেই বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টির প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। এর মধ্যে কিছু এলাকায় মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতিভারী বর্ষণ হতে পারে।

    অন্যদিকে, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার উপকূলে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। এ কারণে সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের নদীবন্দরগুলোকে এক নম্বর সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

  • চার বিভাগে ভারী বর্ষণের সতর্কতা, বৃষ্টির সম্ভাবনা বাড়ছে সারাদেশে

    চার বিভাগে ভারী বর্ষণের সতর্কতা, বৃষ্টির সম্ভাবনা বাড়ছে সারাদেশে

    এবিএনএ:   দেশের চারটি বিভাগে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগে মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে, আর দেশের অন্যান্য অংশেও হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির প্রবণতা থাকবে।

    আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হক জানান, মৌসুমি বায়ুর অক্ষ রাজস্থান, হরিয়ানা, উত্তর প্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ হয়ে বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চল পেরিয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত। এর একটি অংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত পৌঁছেছে। বর্তমানে মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর কিছুটা দুর্বল এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে। বুধবারের মধ্যে উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে একটি লঘুচাপ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

    আগামীকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যা পর্যন্ত রংপুর বিভাগের অধিকাংশ জায়গায়, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের বহু স্থানে, আর ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু এলাকায় দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এর মধ্যে কয়েকটি স্থানে ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।

    মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে বুধবার সন্ধ্যা পর্যন্ত রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা ও চট্টগ্রামের অনেক জায়গায় বৃষ্টি হতে পারে। এ সময়ে সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা ১-২ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমে যেতে পারে।

    বুধবার সন্ধ্যা থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্তও দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টির ধারা অব্যাহত থাকবে। বিশেষ করে রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগে বেশি বৃষ্টি হতে পারে।

    বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে শুক্রবার পর্যন্ত রংপুর, ময়মনসিংহ, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগে বেশি বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। শুক্রবারের পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় দেশের কিছু কিছু জায়গায় বৃষ্টি কম হলেও বর্ধিত পাঁচ দিনের শেষের দিকে আবারও বৃষ্টির প্রবণতা বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

  • হিমাচলে ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ, মৃত ৬৩ ছাড়ালো, নিখোঁজ বহু, জারি অরেঞ্জ অ্যালার্ট

    হিমাচলে ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ, মৃত ৬৩ ছাড়ালো, নিখোঁজ বহু, জারি অরেঞ্জ অ্যালার্ট

    এবিএনএ: ভারতের হিমাচল প্রদেশে অব্যাহত ভারী বর্ষণে চরম বিপর্যয় নেমে এসেছে। পাহাড়ি এলাকা জুড়ে ধসে পড়েছে একাধিক গ্রাম, বহু জায়গায় দেখা দিয়েছে ভয়াবহ বন্যা। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত রাজ্যে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬৩ জনে, নিখোঁজ রয়েছেন আরও বহু মানুষ।

    ভারতীয় আবহাওয়া দপ্তর (IMD) হিমাচলের মান্ডি, কাংড়া, চম্বা, শিমলা সহ পার্বত্য অঞ্চলে আগামী ৭ জুলাই পর্যন্ত ‘অরেঞ্জ অ্যালার্ট’ জারি করেছে। বিশেষভাবে মান্ডি জেলা সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত, যেখানে এখন পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ১৭ জনের, নিখোঁজ অন্তত ৪০ জন। এছাড়া কাংড়ায় ১৩, চম্বায় ৬ ও শিমলায় ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।

    বাকি জেলাগুলোর মধ্যে বিলাসপুর, কুল্লু, কিন্নর, লাহৌল-স্পিতি, সিরমোর, সোলান, হামিরপুর ও উনাতেও প্রাণহানির খবর মিলেছে।

    প্রদেশজুড়ে আহতের সংখ্যা অন্তত ১০০ ছাড়িয়েছে। ধ্বসে পড়েছে শতাধিক ঘরবাড়ি, পানির তোড়ে ভেসে গেছে ১৪টি সেতু। প্রায় ৫০০টি রাস্তা বন্ধ হয়ে পড়েছে, যা যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে ফেলেছে বহু অঞ্চলকে।

    পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এরমধ্যেই হিমাচলের রাজ্য বিপর্যয় দপ্তর জানিয়েছে, প্রায় ৪০০ কোটি টাকার সম্পত্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যদিও প্রকৃত ক্ষতির পরিমাণ আরও বেশি হতে পারে।

    সোশ্যাল মিডিয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি জানিয়েছেন, গুজরাট, হিমাচল, উত্তরাখণ্ড ও ছত্তিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে তার যোগাযোগ হয়েছে এবং এনডিআরএফ-এর একাধিক দল ইতিমধ্যেই মোতায়েন রয়েছে।

    রাজ্য প্রশাসন, জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী (NDRF), পুলিশ ও সেনা যৌথভাবে উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

    পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত হিমাচলের মানুষদের জন্য এটি এক দীর্ঘ ও কঠিন লড়াই হয়ে উঠতে চলেছে।

  • আগামী পাঁচদিন সারাদেশে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা, সতর্ক থাকার পরামর্শ

    আগামী পাঁচদিন সারাদেশে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা, সতর্ক থাকার পরামর্শ

    এবিএনএ:  জুলাই মাসের শুরুতেই দেশের আবহাওয়া বৈচিত্র্যে ভরপুর হয়ে উঠেছে। একদিকে যেমন মৌসুমি বায়ুর সক্রিয়তায় মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে, তেমনি দেশের কোথাও কোথাও বয়ে যেতে পারে মৃদু তাপপ্রবাহ। আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী পাঁচ দিন দেশের প্রায় সব বিভাগেই হালকা থেকে ভারী বর্ষণের আশঙ্কা রয়েছে।

    বুধবার আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, বঙ্গোপসাগরে ১ থেকে ৩টি লঘুচাপ তৈরি হতে পারে, যার একটি মৌসুমি নিম্নচাপে রূপ নিতে পারে। একইসঙ্গে পাঁচ-ছয়দিন বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে।

    পরিচালক মো. মমিনুল ইসলাম বলেন, “জুলাই মাসে একাধিক এলাকায় মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। রাত ও দিনের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে কিছুটা বেশি থাকতে পারে।”

    প্রথমার্ধে দেশের প্রধান নদ-নদীতে পানির স্তর বাড়বে বলে জানা গেছে। জুন মাসে দেশে স্বাভাবিকের তুলনায় ১৯.৩ শতাংশ কম বৃষ্টিপাত হয়েছে, ঢাকায় এই ঘাটতি প্রায় ৩৩ শতাংশ।

    অধিদপ্তরের নিয়মিত বুলেটিনে আরও জানানো হয়েছে, মৌসুমি বায়ু এখন দেশের উপর সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থানে রয়েছে। এর ফলে খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম, রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগে ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে।

    বিশেষ করে বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগে অধিকাংশ জায়গায় এবং অন্যান্য বিভাগেও কিছু এলাকায় দমকা হাওয়াসহ বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। শনিবারও একই ধারা অব্যাহত থাকতে পারে।

    আবহাওয়া অফিস জানায়, ২৪ ঘণ্টায় ১-১০ মিমি বৃষ্টিকে হালকা, ১১-২২ মিমি মাঝারি, ২৩-৪৩ মিমি মাঝারি ধরনের ভারি, ৪৪-৮৮ মিমি ভারি এবং ৮৮ মিলিমিটারের বেশি হলে অতি ভারি বৃষ্টিপাত হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

    গত শুক্রবার সাগরে লঘুচাপ তৈরি হওয়ায় তিন নম্বর সতর্ক সংকেত জারি হয়েছিল, যা বুধবার তুলে নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে ঝড়ো হাওয়ার সম্ভাবনা না থাকায় দেশের সব সমুদ্রবন্দরকে সংকেত নামিয়ে ফেলতে বলা হয়েছে।

    আবহাওয়াবিদ বজলুর রশীদ জানান, “জুলাই মাসে মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে সাধারণত বৃষ্টি হয়। এখন বৃষ্টিপাত বাড়ছে, আগামী পাঁচ দিনও এই প্রবণতা বজায় থাকবে।” বুধবার সন্ধ্যা পর্যন্ত কক্সবাজারে সর্বোচ্চ ৭৩ মিলিমিটার বৃষ্টি এবং ঢাকায় ৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। সৈয়দপুরে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৪.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

    সপ্তাহজুড়ে এই বৃষ্টিপ্রবণ আবহাওয়া অব্যাহত থাকতে পারে, ফলে জনসাধারণকে সতর্ক ও প্রস্তুত থাকার পরামর্শ দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।