Tag: ভারতীয় ক্রিকেট দল

  • ২৫৬ রানের পাহাড় গড়ে জিম্বাবুয়েকে উড়িয়ে দিল ভারত, সেমিফাইনালের দৌড়ে টিকে রইল স্বপ্ন

    ২৫৬ রানের পাহাড় গড়ে জিম্বাবুয়েকে উড়িয়ে দিল ভারত, সেমিফাইনালের দৌড়ে টিকে রইল স্বপ্ন

    এবিএনএ: সুপার এইটের সমীকরণে নেট রান রেটের জটিলতা এড়িয়ে বাঁচতে ভারতের সামনে ছিল একটাই পথ—জয়। সেই চ্যালেঞ্জে দুর্দান্ত ব্যাটিং-বোলিংয়ে জিম্বাবুয়েকে ৭২ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়ে ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সেমিফাইনালের আশা বাঁচিয়ে রাখলো ভারত জাতীয় ক্রিকেট দল। এর আগে গ্রুপের আরেক ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকা জাতীয় ক্রিকেট দল জয় পাওয়ায় ভারতের সামনে হিসাবটা সহজ হয়ে যায়—এখন লড়াই কেবল পয়েন্টের।

    গ্রুপ পর্বে অস্ট্রেলিয়া ও শ্রীলঙ্কার মতো শক্ত প্রতিপক্ষকে হারিয়ে চমক দেখালেও সুপার এইটে এসে আর ছন্দ ধরে রাখতে পারেনি জিম্বাবুয়ে জাতীয় ক্রিকেট দল। ওয়েস্ট ইন্ডিজের পর ভারতের বিপক্ষেও বড় ব্যবধানে হেরে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিশ্চিত হয় তাদের। অন্যদিকে দুই ম্যাচ শেষে ভারত ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের পয়েন্ট সমান থাকায় শেষ ম্যাচটাই হয়ে উঠেছে কার্যত কোয়ার্টার ফাইনালের মতো—জিতলেই সেমিফাইনাল।

    চেন্নাইয়ে অনুষ্ঠিত ম্যাচে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই আগ্রাসী ছিল ভারতের ব্যাটিং লাইনআপ। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে তারা তোলে ২৫৬ রান—টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ইতিহাসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ। ওপেনিংয়ে ঝড় তোলেন অভিষেক শর্মা, দ্রুত হাফসেঞ্চুরি হাঁকান হার্দিক পান্ডিয়া। তিলক বার্মা শেষ দিকে রানের গতি আরও বাড়ান। মিডল অর্ডারে সূর্যকুমার যাদব, ইশান কিশান ও সাঞ্জু স্যামসনের ক্যামিওতে স্কোরবোর্ডে জমে ওঠে বড় পুঁজি।

    বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই চাপে পড়ে জিম্বাবুয়ে। প্রয়োজনীয় রানের তুলনায় রানরেট পিছিয়ে থাকায় ম্যাচটা ধীরে ধীরে একপেশে হয়ে ওঠে। তবু দলের হয়ে ওপেনার ব্রায়ান বেনেট খেলেন চোখধাঁধানো ৯৭ রানের অপরাজিত ইনিংস। ৫৯ বলে ৮ চার ও ৬ ছক্কায় সাজানো এই ইনিংসই ছিল জিম্বাবুয়ের বড় প্রাপ্তি। দুর্ভাগ্যজনকভাবে সেঞ্চুরি থেকে মাত্র তিন রান দূরে থামতে হয় তাকে।

    ভারতের বোলিংয়ে সবচেয়ে উজ্জ্বল ছিলেন আর্শদীপ সিং—২৪ রান খরচায় নেন ৩ উইকেট। তাকে সহায়তা করেন বরুণ চক্রবর্তী, অক্ষর প্যাটেল ও শিবাম দুবে। নির্ধারিত ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে জিম্বাবুয়ের রান থামে ১৮৪-এ।

    এই জয়ে সুপার এইটের শেষ ম্যাচে আত্মবিশ্বাসী হয়ে নামবে ভারত। সমীকরণ পরিষ্কার—ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারাতে পারলেই নিশ্চিত হবে শেষ চারের টিকিট। বড় সংগ্রহ গড়া ব্যাটিং আর শৃঙ্খল বোলিং—দুটোর মেলবন্ধনেই সেমিফাইনালের স্বপ্নটা বাঁচিয়ে রাখলো রোহিতদের দল।

  • ভারতের শিরোপা না নেওয়া নিয়ে রহস্য, বললেন বুলবুল—‘সব বলা যায় না’

    ভারতের শিরোপা না নেওয়া নিয়ে রহস্য, বললেন বুলবুল—‘সব বলা যায় না’

    এবিএনএ:  এশিয়া কাপের ফাইনালে রিংকু সিংয়ের ছক্কায় পাকিস্তানকে হারিয়ে ইতিহাস গড়ল ভারত। মাঠে উদযাপন ছিল জমজমাট, সতীর্থদের আনন্দও ভেসে উঠেছিল চোখে-মুখে। তবে ট্রফি বিতরণী পর্বে দেখা গেল এক ভিন্ন চিত্র।

    পাকিস্তানের মহসিন নাকভির হাত থেকে শিরোপা নিতে রাজি হয়নি ভারতীয় ক্রিকেট দল। প্রায় আধা ঘণ্টা ড্রেসিংরুমে অপেক্ষার পরও তারা মাঠে ফিরে আসেনি। ফলে শিরোপা থেকে বঞ্চিত থাকে বিজয়ী ভারত। এর বদলে রানার্সআপ পাকিস্তান বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলের হাত থেকে প্রাইস মানি গ্রহণ করে। তবে পাকিস্তানি ক্রিকেটার সালমান প্রাপ্ত অর্থ মঞ্চেই ছুড়ে ফেলে দিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

    এই ঘটনা ঘিরে শুরু হয় বিতর্ক। স্টেডিয়ামের বাইরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বুলবুল জানান, এসিসি ও বিসিসিআই আলোচনায় বসবে। কেন ভারত শিরোপা নেয়নি—সে প্রশ্নে তিনি সংক্ষেপে বলেন, ‘কিছু ব্যাপার প্রেসে বলা যাবে না।’ তবে তিনি আশাবাদী, আলোচনার মাধ্যমে ট্রফি ভারতীয় দলের হাতে পৌঁছে যাবে।

    অন্যদিকে এসিসির চেয়ারম্যান নাকভি ট্রফি নিয়ে চলে যান হোটেলে, যা নিয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান বিসিসিআইয়ের সেক্রেটারি দেভজিৎ সাইকিয়া। তিনি বলেন, ‘তাদের সঙ্গে মাঠে লড়াই হয়েছে, তবে তিনি তো পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও। তাঁর কাছ থেকে শিরোপা নেওয়া সম্ভব হয়নি, কিন্তু সেটি তার নিজের কাছে রাখারও সুযোগ নেই। আশা করি, দ্রুত আমাদের ট্রফি ও মেডেল ফেরত দেওয়া হবে।’

    এশিয়া কাপের ফাইনালের এই অস্বাভাবিক পরিস্থিতি এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। ভক্তরা যেমন ভারতের অর্জিত শিরোপা দেখতে চায়, তেমনি ক্রিকেট বোর্ডগুলোর ওপর চাপ বাড়ছে দ্রুত সমাধানের জন্য।

  • নিয়মরক্ষার ম্যাচে টসে হারল ভারত, ব্যাটিংয়ে নামছে সূর্যকুমারের দল

    নিয়মরক্ষার ম্যাচে টসে হারল ভারত, ব্যাটিংয়ে নামছে সূর্যকুমারের দল

    এবিএনএ: এশিয়া কাপ ২০২৫-এর ফাইনালিস্ট ইতোমধ্যেই নির্ধারিত—ভারত ও পাকিস্তান। তাই সুপার ফোরে ভারত ও শ্রীলঙ্কার ম্যাচটি কেবল নিয়মরক্ষার। দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে টসে হেরে ফিল্ডিংয়ে নামে শ্রীলঙ্কা, ফলে ব্যাট হাতে মাঠে নামছে সূর্যকুমার যাদবের ভারত।

    ভারত এর আগেই দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে প্রথম দল হিসেবে ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে। অন্যদিকে, শ্বাসরুদ্ধকর লড়াইয়ে বাংলাদেশকে হারিয়ে পাকিস্তানও নিশ্চিত করেছে শিরোপা লড়াই। আগামী রোববার এই দুই দল শিরোপার জন্য মুখোমুখি হবে।

    শ্রীলঙ্কা এরই মধ্যে ফাইনালের দৌড় থেকে ছিটকে গেছে। তাই বিদায়ী ম্যাচে জয় নিয়ে দেশে ফিরতে চাইছে আসালাঙ্কার দল। অন্যদিকে, ভারত এই ম্যাচটিকে দেখছে ফাইনালের আগে নিজেদের কম্বিনেশন ঝালিয়ে নেওয়ার বড় সুযোগ হিসেবে।

    ভারতের একাদশ: সূর্যকুমার যাদব (অধিনায়ক), অভিষেক শর্মা, শুভমান গিল, তিলক ভার্মা, সঞ্জু স্যামসন (উইকেটরক্ষক), হার্দিক পান্ডিয়া, আক্সার প্যাটেল, হর্ষিত রানা, কুলদীপ যাদব, আর্শদীপ সিং, বরুণ চক্রবর্তী।

    শ্রীলঙ্কার একাদশ: চারিথ আসালাঙ্কা (অধিনায়ক), পাথুম নিসাঙ্কা, কুসল মেন্ডিস (উইকেটরক্ষক), কুসল পেরেরা, কামিন্দু মেন্ডিস, দাসুন শানাকা, ওয়ানিন্দু হাসরাঙ্গা, জেনিথ লিয়ানাগে, দুশমন্থ চামেরা, মহিসা থেকশানা, নুয়ান থুসারা।