Tag: ভাঙচুর

  • শাহ আলী মাজারে হামলা: অজ্ঞাত ১৫০ জামায়াতকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা

    শাহ আলী মাজারে হামলা: অজ্ঞাত ১৫০ জামায়াতকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা

    এবিএনএ: রাজধানীর মিরপুরে অবস্থিত হজরত শাহ আলী (র.) মাজারে হামলা, ভাঙচুর এবং অর্থ লুটের অভিযোগে ৯ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও ১০০ থেকে ১৫০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

    শনিবার সন্ধ্যায় শাহ আলী থানায় মামলাটি করেন মাজারের এক নিয়মিত দর্শনার্থী রেসমি বেগম। মামলায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে হামলা চালিয়ে মাজারের ভক্তদের আহত করা এবং মাজারের অর্থ লুটের অভিযোগ আনা হয়েছে।

    পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে এবং জড়িত সন্দেহে কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে।

    ডিএমপির মিরপুর বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. মোস্তাক সরকার মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে দুজন মামলার এজাহারভুক্ত আসামি।

    মামলায় যাদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে তারা হলেন— মো. আলী আকবর, মো. বাপ্পা, মো. বাবু, মো. কাউসার, আজম, শেখ মো. রাসেল, কাজী জহির, মো. মিজান ও কাজী পনির। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তদের অধিকাংশই শাহ আলী থানা এলাকার বাসিন্দা।

    গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে শেখ মো. রাসেল ও আজম এজাহারে নাম থাকা আসামি। এছাড়া আরমান দেওয়ান নামে আরও একজনকে অজ্ঞাত আসামি হিসেবে আটক করা হয়েছে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হামলার সময় মাজার এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। হামলাকারীরা ভক্তদের ওপর চড়াও হলে কয়েকজন গুরুতর আহত হন। ঘটনার পর এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

    আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, হামলার পেছনের কারণ এবং জড়িতদের পরিচয় নিশ্চিত করতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

  • ঢাকা-১৫: দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের ১৩টি নির্বাচনী বুথে ভাঙচুর, অভিযোগ জামায়াত আমিরের

    ঢাকা-১৫: দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের ১৩টি নির্বাচনী বুথে ভাঙচুর, অভিযোগ জামায়াত আমিরের

    এবিএনএ: ঢাকা-১৫ আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের নির্বাচনী বুথে ১৩টি স্থানে ভাঙচুর হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন জামায়াতে ইসলামী আমির ডা. শফিকুর রহমান।

    বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এই ঘটনার কথা জানিয়ে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। তিনি লিখেছেন, “আজ আমার নির্বাচনী আসনের ১৩টি বুথে ভাঙচুর করা হয়েছে। যারা সন্ত্রাস ও ভয়ভীতি দেখিয়ে আমাদের থামাতে চাচ্ছে, তারা ভুলে যাচ্ছে—এই জাতি বহু প্রতিকূলতা পেরিয়ে এসেছে।”

    জামায়াত আমির আরও বলেছেন, “পেশীশক্তির রাজনীতি শেষ হয়ে গেছে। সাধারণ মানুষকে আর দমিয়ে রাখা যাবে না। যারা দেশের নীতি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনায় ব্যর্থ, তারা এখন সহিংসতার আশ্রয় নিচ্ছে।”

    তিনি আশা প্রকাশ করেন, “ভয়-ভীতির রাজনীতি আর চলবে না। দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের জনপ্রিয়তা জনগণের মধ্যে এতোটাই দৃঢ় যে তার প্রতিফলন আগামী নির্বাচনের ভোটে স্পষ্টভাবে দেখা যাবে, ইনশাআল্লাহ।”

  • সংসদ ভবনের সামনে পুলিশের সঙ্গে ‘জুলাই যোদ্ধাদের’ সংঘর্ষ, গাড়ি ও বাসে ভাঙচুর

    সংসদ ভবনের সামনে পুলিশের সঙ্গে ‘জুলাই যোদ্ধাদের’ সংঘর্ষ, গাড়ি ও বাসে ভাঙচুর

    এবিএনএ: জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় শুক্রবার দুপুরে ‘জুলাই সনদ’ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের আগে চরম উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। অনুষ্ঠানের মঞ্চের সামনে অবস্থান নেওয়া ‘জুলাই যোদ্ধাদের’ সরিয়ে দিলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ বেধে যায়।

    দুপুর সোয়া একটার দিকে ঘটনাটি শুরু হয়। পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে উঠলে ক্ষুব্ধ আন্দোলনকারীরা সংসদ এলাকা থেকে বেরিয়ে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে অবস্থান নেন। সেখানে তারা পুলিশের গাড়ি, ট্রাক ও বাসে ভাঙচুর চালান।

    টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেডে থমথমে পরিস্থিতি

    পুলিশ সদস্যরা আন্দোলনকারীদের ধাওয়া দিলে তারা পাল্টা ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। সংঘর্ষে এলাকা ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে এবং আশপাশের জনসাধারণ আতঙ্কে ছুটোছুটি শুরু করে।

    এক পর্যায়ে আন্দোলনকারীরা সংসদের দক্ষিণ গেটের সামনের সড়কে ও তাবু এলাকায় আগুন ধরিয়ে দেয়। পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে পড়লে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

    সংসদ এলাকা পুলিশের নিয়ন্ত্রণে

    দুপুর ২টার পর পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হয়। পুলিশ পুরো সংসদ এলাকা নিয়ন্ত্রণে নেয় এবং সড়কে যান চলাচল পুনরায় শুরু হয়। পরবর্তীতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা জুলাই সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের মঞ্চ ও আশপাশের এলাকাজুড়ে তল্লাশি অভিযান চালায়।

    অন্যদিকে খামারবাড়ি সড়কেও সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশ সেখানে আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে একাধিক টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে।

    সংঘর্ষের সূত্রপাত

    এর আগে সকাল ১০টার দিকে ‘জুলাই শহীদ পরিবার ও আহত’ সদস্যরা বিভিন্ন দাবিতে সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় অবস্থান নেয়। তারা দাবি করেন, জুলাই আন্দোলনে প্রাণ হারানো ও আহতদের স্বীকৃতি ও পুনর্বাসনের বিষয়ে সরকারের স্পষ্ট ঘোষণা প্রয়োজন।

    জুলাই সনদ স্বাক্ষরের দিন এমন সংঘর্ষের ঘটনায় সংসদ এলাকা এক সময় যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হয়। যদিও বিকেলের দিকে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে আসে, তবু উত্তেজনা পুরোপুরি প্রশমিত হয়নি।

    বিশ্লেষকদের মতে, এই সংঘর্ষ প্রমাণ করে রাজনৈতিক ঐক্যের পাশাপাশি সামাজিক সংলাপ ও সহনশীলতার প্রয়োজন এখন আরও বেশি বেড়েছে।

  • রাজশাহীতে খানকা শরিফে হামলা: পুলিশের উপস্থিতিতেই ভাঙচুর, পীরের অভিযোগ

    রাজশাহীতে খানকা শরিফে হামলা: পুলিশের উপস্থিতিতেই ভাঙচুর, পীরের অভিযোগ

    এবিএনএ:  রাজশাহীর পবা উপজেলায় আজিজ ভাণ্ডারীর খানকা শরিফে ব্যাপক হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) জুমার নামাজের পর বড়গাছি ইউনিয়নের পানিশাইল চন্দ্রপুকুর গ্রামে কয়েকশ মুসল্লি এই হামলায় অংশ নেয়।

    পবা থানার ওসি মুনিরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “তিন-চারশ মানুষ একসঙ্গে হামলা চালিয়েছে, অথচ সেখানে আমরা ছিলাম মাত্র পাঁচজন পুলিশ সদস্য। তাই প্রতিরোধ সম্ভব হয়নি।”

    তবে খানকা শরিফের পীর আজিজুল ইসলাম অভিযোগ করেন, আগেই গোয়েন্দা সংস্থা হামলার সতর্কতা দিলেও পুলিশ তা আমলে নেয়নি। তার দাবি, “অনুষ্ঠানের অনুমতি পুলিশ নিজেই দিয়েছে। অথচ তাদের উপস্থিতিতেই খানকা শরিফ গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো। পুলিশ চাইলে এটি প্রতিরোধ করতে পারত।”

    প্রতি বছর ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে তিন দিনের দোয়া মাহফিল আয়োজন করে আসছিল খানকা শরিফ কর্তৃপক্ষ। শুক্রবার ছিল সেই অনুষ্ঠানের প্রথম দিন। কিন্তু দুপুরে জুমার নামাজ শেষে গ্রামবাসীকে উসকে দিয়ে হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ তুলেছেন ভক্তরা।

    পীর আজিজুল ইসলাম ওসি-সহ পুলিশের ভূমিকার কঠোর সমালোচনা করেন। তবে ওসি মুনিরুল ইসলাম জানিয়েছেন, ভুক্তভোগীরা থানায় লিখিত অভিযোগ করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    এ ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।

  • গোয়ালন্দে তাণ্ডব: দরবারে হামলার পর কবর থেকে তুলে পোড়ানো হলো ‘নুরাল পাগলা’র মরদেহ

    গোয়ালন্দে তাণ্ডব: দরবারে হামলার পর কবর থেকে তুলে পোড়ানো হলো ‘নুরাল পাগলা’র মরদেহ

    এবিএনএ: রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে সহিংসতায় উত্তাল হয়ে ওঠে জুরান মোল্লাপাড়া এলাকা। নিজেকে ‘ইমাম মাহাদি’ দাবি করা নুরুল হক ওরফে ‘নুরাল পাগলা’র কবর থেকে মরদেহ তুলে তা আগুনে পোড়ায় বিক্ষুব্ধ জনতা।

    শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) জুমার নামাজের পরপরই শতাধিক মানুষ গোয়ালন্দ পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ওই দরবার শরীফে হামলা চালায়। প্রথমে দরবার ও বাড়িঘরে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়। এরপর মরদেহ কবর থেকে তুলে মাটিতে ফেলে পুড়িয়ে দেওয়া হয়।

    এই হামলায় দরবার শরীফের অনুসারী ও ভক্তসহ অন্তত ৫০ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। স্থানীয়রা জানান, বহুদিন ধরে নুরাল পাগলার দাবিকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা বাড়ছিল, যা শুক্রবার বড় সহিংসতায় রূপ নেয়।

    গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাহিদুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চলছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঘটনাস্থলে মোতায়েন রয়েছে।

  • বিজয়নগরে জাতীয় পার্টির কার্যালয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগে উত্তেজনা

    বিজয়নগরে জাতীয় পার্টির কার্যালয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগে উত্তেজনা

    এবিএনএ:  রাজধানীর বিজয়নগরে জাতীয় পার্টির (জাপা) কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় মুহূর্তেই এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

    ফায়ার সার্ভিস কন্ট্রোল রুমের ডিউটি অফিসার রোজিনা আক্তার জানান, সন্ধ্যা ৭টার দিকে আগুন লাগার খবর পাওয়া যায়। তিনি বলেন, “এটি সহিংসতার কারণে সৃষ্ট আগুন, তাই ঘটনাস্থলে যেতে অনুমতির প্রয়োজন রয়েছে। আমাদের টিম প্রস্তুত আছে।”

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, সন্ধ্যা সাতটার পর বিক্ষোভকারীরা প্রথমে অফিসের ভেতরে ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। পরে কার্যালয়ে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। খবর পেয়ে সাড়ে ৭টার দিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়।

    পুলিশ আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে টিয়ার গ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। এসময় বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।

    উল্লেখ্য, এর আগে গত ৩১ আগস্ট কাকরাইলে জাতীয় পার্টির আরেকটি কার্যালয়ে বিক্ষোভকারীরা একইভাবে হামলা ও ভাঙচুর চালিয়েছিল।