Tag: ভাইরাল ভিডিও

  • গভীর রাতে নারীর ঘরে এএসআই: গণপিটুনি, উঠল পরকীয়ার অভিযোগ

    গভীর রাতে নারীর ঘরে এএসআই: গণপিটুনি, উঠল পরকীয়ার অভিযোগ

    এবিএনএ: ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় গভীর রাতে এক নারীর ঘরে ঢুকে স্থানীয়দের হাতে আটক ও মারধরের শিকার হয়েছেন পুলিশের এক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই)। আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) দিবাগত রাত ৩টার দিকে উপজেলার রামকান্তপুর ইউনিয়নের বলিভদ্রদিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

    আহত পুলিশ কর্মকর্তা এএসআই ইমরান ওই ইউনিয়নের সহকারী বিট কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তবে ঘটনাটি নিয়ে দুই পক্ষের ভিন্ন দাবি সামনে এসেছে। পুলিশ সদস্যের বক্তব্য—তিনি আসামি ধরতে গিয়েছিলেন। অন্যদিকে সংশ্লিষ্ট পরিবারের অভিযোগ—এটি পরকীয়ার ঘটনা।

    ভাইরাল ভিডিওতে যা দেখা গেছে

    সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ১ মিনিট ১৯ সেকেন্ডের একটি ভিডিওতে দেখা যায়, এএসআই ইমরান সাদা পোশাকে রয়েছেন। তাঁর মাথায় কাপড় বাঁধা এবং মুখে রক্তের চিহ্ন দেখা যায়। ভিডিওতে কয়েকজন তাকে ঘিরে প্রশ্ন করছেন এবং মারধর করছেন। এ সময় তাকে বলতে শোনা যায়, “তুই আমার ভাই না, মারিস কেন?” ভিডিও ধারণকারী ব্যক্তি দাবি করেন, তার পকেট থেকে জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রীর প্যাকেট পাওয়া গেছে।

    এলাকাবাসীর দাবি

    স্থানীয় সূত্র জানায়, বলিভদ্রদিয়া গ্রামের মো. মেহেদী হাসান নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে সালথা ও বোয়ালমারী থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রয়েছে। ওই মামলার সূত্রে এএসআই ইমরানের যাতায়াত ছিল মেহেদীর বাড়িতে। পরে মেহেদীর স্ত্রীর সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক গড়ে ওঠে বলে অভিযোগ করা হয়।

    শুক্রবার গভীর রাতে মেহেদী হাসানের বাড়িতে প্রবেশ করলে স্থানীয়রা তাকে হাতেনাতে আটক করে মারধর করেন। পরে খবর পেয়ে সালথা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়।

    এএসআইয়ের বক্তব্য

    এএসআই ইমরান দাবি করেন, তিনি মাদক মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিকে ধরতে সেখানে গিয়েছিলেন। তবে গভীর রাতে সাদা পোশাকে একা যাওয়ার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি স্পষ্ট কোনো উত্তর দেননি।

    আসামির পরিবারের অভিযোগ

    মেহেদী হাসান বলেন, তিনি ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি হলেও প্রায়ই বাইরে থাকেন। সেই সুযোগে এএসআই ইমরান তার বাড়িতে গিয়ে স্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করতেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। এ বিষয়ে কথোপকথনের অডিও ও ভিডিও সংগ্রহ করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর ভাষ্য, গভীর রাতে ঘরে ঢুকলে এলাকাবাসী তাকে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।

    পুলিশের বক্তব্য

    সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাবলুর রহমান খান জানান, মাদক মামলার আসামি ধরতে গেলে পরিবারের লোকজন ওই পুলিশ সদস্যকে আটক করে মারধর করেছে। তবে কেন তিনি গভীর রাতে একা এবং পুলিশের পোশাক ছাড়া সেখানে গিয়েছিলেন, সেটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ঘটনাটি নিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানান তিনি।

  • বাগেরহাটে কুমিরের মুখে কুকুরের মৃত্যু: তদন্তের নির্দেশ প্রতিমন্ত্রীর, দোষীদের শাস্তির আশ্বাস

    বাগেরহাটে কুমিরের মুখে কুকুরের মৃত্যু: তদন্তের নির্দেশ প্রতিমন্ত্রীর, দোষীদের শাস্তির আশ্বাস

    এবিএনএ: বাগেরহাটে হজরত খানজাহান (রহ.)-এর মাজারসংলগ্ন দিঘিতে কুমিরের আক্রমণে একটি কুকুরের মৃত্যুর ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ঘটনাস্থলে উপস্থিত অনেকেই ভিডিও ধারণ করলেও প্রাণীটিকে বাঁচাতে কেউ এগিয়ে না আসায় মানবিকতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

    ঘটনাটি নজরে আসার পর মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু সুষ্ঠু তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে দায়ীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার কথাও জানান তিনি।

    প্রতিমন্ত্রীর প্রতিক্রিয়া

    মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ঘটনাটি প্রতিমন্ত্রীর দৃষ্টিগোচর হওয়ার পর তিনি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, এ ধরনের অমানবিক আচরণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় এবং বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হবে।

    প্রতিমন্ত্রী জানান, এই ঘটনায় তিনি ব্যক্তিগতভাবেও মর্মাহত। ভবিষ্যতে যাতে এমন পরিস্থিতি তৈরি না হয় সে জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    তদন্ত কমিটি গঠন

    প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশনার পর বাগেরহাট জেলা প্রশাসন দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। বাগেরহাট সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা আতিয়া খাতুনকে প্রধান করে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

    কমিটিতে সহকারী কমিশনার (ভূমি) এম. শরীফ খান, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. পলাশ কুমার দাস এবং সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মাহামুদ-উল-হাসান সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

    পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস

    প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনার প্রকৃত কারণ ও দায়ীদের শনাক্ত করতে দ্রুত তদন্ত সম্পন্ন করা হবে। তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা রোধে অতিরিক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  • বাগেরহাটে চাঞ্চল্য: খান জাহান আলীর দিঘিতে কুমিরের আক্রমণে কুকুর নিহত, ভাইরাল ভিডিও ঘিরে তোলপাড়

    বাগেরহাটে চাঞ্চল্য: খান জাহান আলীর দিঘিতে কুমিরের আক্রমণে কুকুর নিহত, ভাইরাল ভিডিও ঘিরে তোলপাড়

    এবিএনএ,বাগেরহাট: বাগেরহাটের ঐতিহাসিক খান জাহান আলী (রহ.) মাজার সংলগ্ন দিঘিতে এক কুমিরের আক্রমণে একটি কুকুরের মৃত্যুর ঘটনা দেশব্যাপী আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ঘটনাটি ঘটে গত বুধবার (৮ এপ্রিল) বিকেলে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ‘ধলা পাহাড়’ নামে পরিচিত কুমিরটি দিঘির প্রধান ঘাট এলাকা থেকে কুকুরটিকে টেনে পানির নিচে নিয়ে যায়। এই ঘটনার একটি ভিডিও দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে শুরু হয় নানা বিতর্ক।

    অনলাইনে অনেকেই দাবি করেন, কুকুরটিকে ইচ্ছাকৃতভাবে কুমিরের সামনে ফেলা হয়েছে। আবার কেউ অভিযোগ তোলেন, কুমিরকে নিয়মিতভাবে প্রাণী খাওয়ানো হয়। তবে প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য ও ভিডিও পর্যবেক্ষণে এসব দাবির সত্যতা মেলেনি।

    জানা গেছে, কুকুরটি অসুস্থ ছিল এবং ঘটনার আগে কয়েকজন মানুষকে কামড় দেয়। পরে নিজেই ঘাটের দিকে গিয়ে পানিতে নামে। এ সময় কুমিরটি সুযোগ বুঝে আক্রমণ চালায়।

    ঘটনার সময় সেখানে অনেক দর্শনার্থী উপস্থিত ছিলেন। নিরাপত্তাকর্মী ফোরকান হাওলাদার জানান, কুকুরটি প্রথমে তাকে কামড় দেয় এবং পরে আশপাশে থাকা লোকজনের দিকে তেড়ে যায়। পরে পানিতে নামার পর কুমিরটি তাকে ধরে ফেলে। কিছু সময় পর দিঘির অন্য পাশে কুকুরটির মরদেহ ভেসে ওঠে।

    স্থানীয় ব্যবসায়ী বিনা আক্তার বলেন, কুকুরটি তার দোকানের সামনে কয়েকজনকে আক্রমণ করে এবং একটি শিশুকেও কামড় দেয়। এছাড়া তার কয়েকটি মুরগিও মেরে ফেলে।

    স্থানীয়দের মতে, কুমিরটি সম্প্রতি ডিম পাড়ায় আরও আক্রমণাত্মক হয়ে উঠেছে। ফলে ঘটনাটি ঘটে থাকতে পারে।

    মাজারের প্রধান খাদেম ফকির তারিকুল ইসলাম জানান, ঘটনাটি অনাকাঙ্ক্ষিত এবং সামাজিক মাধ্যমে ভুল তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। কুকুরটিকে কেউ বেঁধে পানিতে ফেলেছে—এমন কোনো প্রমাণ নেই। এ বিষয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে।

    এদিকে জেলা প্রশাসন ইতোমধ্যে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। পাশাপাশি কুকুরটির ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে এবং নমুনা পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

    জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন বলেন, কুমিরকে কখনোই কুকুর খাওয়ানো হয় না এবং কুসংস্কার বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

  • অফিসেই নাকি প্রভা সবচেয়ে প্রোডাক্টিভ! ভাইরাল ভিডিওতে জানালেন বদলে যাওয়া রুটিনের গল্প

    অফিসেই নাকি প্রভা সবচেয়ে প্রোডাক্টিভ! ভাইরাল ভিডিওতে জানালেন বদলে যাওয়া রুটিনের গল্প

    এবিএনএ: মডেল ও অভিনেত্রী সাদিয়া আক্তার প্রভা নিয়মিতই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের ব্যক্তিজীবনের টুকরো মুহূর্ত শেয়ার করেন। এবার এক ভিডিও বার্তায় জানালেন, কাজের চাপের কারণে নয়—বরং অফিসে থাকলেই তার দিন সবচেয়ে গুছিয়ে কাটে। ভিডিওটি প্রকাশের পর থেকেই ভক্তদের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে।

    ভিডিওতে প্রভাকে দেখা যায় চনমনে মুডে। তিনি জানান, অফিসে এলে সময়ানুবর্তিতা বজায় রাখা সহজ হয়। সময়মতো নামাজ, খাবার ও বিশ্রাম—সবকিছুই নিয়মের মধ্যে চলে আসে। তার কথায়, অফিসে থাকলে পুরো দিনটা পরিকল্পনা অনুযায়ী কাটে এবং দিনটি হয় বেশি ফলপ্রসূ।

    অন্যদিকে বাড়িতে থাকার দিনগুলো একেবারেই ভিন্ন রকম যায় বলে খোলামেলা স্বীকার করেছেন এই অভিনেত্রী। বাসায় থাকলে বেশিরভাগ সময় শুয়ে-বসে কাটে, কফির কাপের পর কাপ চলে, মোবাইলে স্ক্রলিং বাড়ে। এমনকি দৈনন্দিন রুটিন মানতেও আলসেমি ভর করে বলে জানান তিনি।

    খাবারের বিষয়েও নিজের পছন্দের কথা শেয়ার করেছেন প্রভা। অফিসে থাকলে পছন্দমতো হালকা খাবার—কখনো সালাদ, কখনো স্যুপ—সহজেই পাওয়া যায়। বিকেলের নাশতার ঝলক দেখিয়ে তিনি বলেন, স্বাস্থ্যকর খাবার পেলে সেটাই বেছে নেন, ডেজার্ট খেলেও চিনি কমানোর চেষ্টা করেন।

    সব মিলিয়ে প্রভার মতে, নিজের রুটিন ঠিক রাখতে ও প্রোডাক্টিভ থাকতে অফিসেই তার স্বাচ্ছন্দ্য বেশি। এই স্বীকারোক্তিমূলক ভিডিওটি ইতোমধ্যে ভক্তদের মধ্যে বেশ সাড়া ফেলেছে।

  • “আমি গোয়েন্দা কমিটিতে ছিলাম”—তারযুক্ত হেডফোন নিয়ে কমলা হ্যারিসের সতর্কবার্তা ঘিরে বিতর্ক

    “আমি গোয়েন্দা কমিটিতে ছিলাম”—তারযুক্ত হেডফোন নিয়ে কমলা হ্যারিসের সতর্কবার্তা ঘিরে বিতর্ক

    এবিএনএ:  যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট ও ডেমোক্রেটিক দলের নেত্রী কমলা হ্যারিস সম্প্রতি প্রযুক্তি ব্যবহারে নিরাপত্তা বিষয়ে একটি মন্তব্য করে ভাইরাল হয়ে উঠেছেন। স্টিফেন কোলবার্টের জনপ্রিয় টক শো-তে অংশ নিয়ে তিনি বলেন, “আমি কখনোই ওয়্যারলেস ইয়ারফোন ব্যবহার করি না, বিশেষ করে গোপন বা গুরুত্বপূর্ণ ফোনকলে।”

    কমলা ব্যাখ্যা করেন, “আমি সিনেট ইন্টেলিজেন্স কমিটির সদস্য ছিলাম এবং গোপন নথি সম্পর্কিত ব্রিফিংয়ে অংশ নিয়েছি। আমি জানি, ট্রেনে বসে AirPods দিয়ে ফোন করা কতটা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।” তিনি আরও বলেন, “তারযুক্ত হেডফোন তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি নিরাপদ।”

    এই মন্তব্যের ভিডিও ক্লিপ সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়। কেউ বলেছেন, এমন একজন উচ্চপদস্থ রাজনীতিবিদের কাছ থেকে এই ধরনের সতর্কতা প্রযুক্তির নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে ভাবার সুযোগ তৈরি করেছে। অনেকে বিষয়টিকে গ্রহণযোগ্য সতর্কবার্তা হিসেবে দেখলেও, কেউ কেউ ব্যঙ্গও করেছেন।

    একজন টুইটার ব্যবহারকারী লিখেছেন, “সরকার যদি আমার AirPods দিয়ে কথা শুনতে চায়, তাহলে তারা শুধু শুনবে আমি এক সপ্তাহ ধরে এক গান বাজিয়ে চলেছি!”

    অন্যদিকে, একই সাক্ষাৎকারে কমলা হ্যারিস জানান, তিনি ক্যালিফোর্নিয়ার আসন্ন গভর্নর নির্বাচনে প্রার্থী হচ্ছেন না। বর্তমান রাজনৈতিক ব্যবস্থাকে তিনি ‘ভঙ্গুর’ হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেন, “এই ব্যবস্থায় আমি আপাতত আর ফিরতে চাই না।”

    তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগে ব্যক্তিগত ও জাতীয় নিরাপত্তা—দুটোই হুমকির মুখে পড়তে পারে বলেই মনে করছেন সাবেক এই গোয়েন্দা কমিটির সদস্য। তাঁর এই সতর্কতা এখনো আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

  • মঞ্চে হঠাৎ পড়ে গেলেন শাকিরা, মুহূর্তেই উঠে গান-নাচে ফিরলেন—ভক্তরা বললেন ‘রানী তুমি!’

    মঞ্চে হঠাৎ পড়ে গেলেন শাকিরা, মুহূর্তেই উঠে গান-নাচে ফিরলেন—ভক্তরা বললেন ‘রানী তুমি!’

    এবিএনএ, বিনোদন ডেস্ক:


    আন্তর্জাতিক সংগীতশিল্পী ও কলম্বিয়ান পপ তারকা শাকিরা আবারও প্রমাণ করলেন কেন তিনি বিশ্বমানের একজন পারফর্মার। সম্প্রতি কানাডার মন্ট্রিলে চলমান কনসার্টে ‘লাস মুহেরেস ইয়্যা নো লোরান’ (বাংলায়: মেয়েরা আর কাঁদবে না) অনুষ্ঠানে হঠাৎ মঞ্চে পড়ে যান শাকিরা। মুহূর্তেই দর্শকদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে উৎকণ্ঠা।

    তবে সবাইকে অবাক করে দিয়ে শাকিরা কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই নিজেকে সামলে নিয়ে আবার দাঁড়ান এবং স্বাভাবিকভাবেই গান ও নাচ শুরু করেন। এমন পেশাদার আচরণে মুগ্ধ ভক্তরা সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রশংসার বন্যা বইয়ে দিয়েছেন।

    একজন টুইটার ব্যবহারকারী লেখেন, “তুমি সত্যিকারের কুইন!”
    অন্যজন লেখেন, “এটাই পেশাদারিত্বের প্রকৃত উদাহরণ।”

    ভিডিও ভাইরাল, সমর্থনে সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে আলোড়ন

    শাকিরার ওই মুহূর্তের ভিডিও ইতোমধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে গেছে। ভিডিওতে স্পষ্ট দেখা যায়, পড়ে গিয়েও তিনি কষ্ট সহ্য করে মঞ্চে পারফর্ম চালিয়ে যাচ্ছেন। অনেকেই ভিডিও দেখে বুঝতে পেরেছেন, তিনি হয়তো আঘাত পেয়েছেন, তাই শাকিরার দ্রুত সুস্থতা কামনা করে মন্তব্য করেছেন ভক্তরা।

    শিল্পীর পেশাদারিত্বে মুগ্ধ জনতা

    গানের মাঝখানে পড়ে যাওয়ার মতো কঠিন পরিস্থিতিতেও মঞ্চে পারফর্ম চালিয়ে যাওয়া খুবই দুর্লভ এবং প্রশংসনীয়। শাকিরার এই ঘটনাই আবারও প্রমাণ করে, বিশ্বমানের তারকারা কীভাবে পেশাদারিত্বকে সর্বোচ্চ স্থানে নিয়ে যান।

  • ক্রিকেট মাঠে মোবাইল ফোন! টম বেইলির ‘পকেট কান্ডে’ তোলপাড় সোশ্যাল মিডিয়া

    ক্রিকেট মাঠে মোবাইল ফোন! টম বেইলির ‘পকেট কান্ডে’ তোলপাড় সোশ্যাল মিডিয়া

    এবিএনএ:  ইংল্যান্ডের ওল্ড ট্রাফোর্ডে কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপে এক অভূতপূর্ব ঘটনা ঘটেছে, যা হতবাক করেছে ক্রিকেটপ্রেমীদের। ল্যাঙ্কাশায়ার ও গ্লস্টারশায়ারের মধ্যকার খেলায় টম বেইলির পকেট থেকে খেলার সময় হঠাৎই পড়ে যায় একটি মোবাইল ফোন!

    ঘটনাটি ঘটে ম্যাচের দ্বিতীয় দিনে, যখন ল্যাঙ্কাশায়ার ব্যাটিং করছিল। অষ্টম উইকেট পতনের পর ব্যাট করতে নামেন টেলএন্ডার টম বেইলি। রান নেওয়ার সময় তার পকেট থেকে একটি আয়তাকার বস্তু পড়ে যায়, যা পরে দেখা যায় আসলে একটি মোবাইল ফোন। ঘটনাটি সরাসরি সম্প্রচারে ধরা পড়ে এবং মুহূর্তেই ভাইরাল হয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।

    ধারাভাষ্যকাররাও এই দৃশ্য দেখে অবাক হয়ে যান। একজন তো বলে ফেলেন, “এমন কিছু আগে কখনো দেখিনি!”

    এই ঘটনার পর অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, কীভাবে একজন খেলোয়াড় খেলার সময় পকেটে মোবাইল ফোন রাখেন? বিশেষত তখন যখন আইসিসির ও কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপের নিয়ম অনুযায়ী মাঠে মোবাইল ফোন বহন নিষিদ্ধ, যদি তা যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

    ৪১.৫ ধারা অনুযায়ী, খেলোয়াড়রা শুধু নির্দিষ্ট অনুমোদিত প্রযুক্তিই মাঠে ব্যবহার করতে পারবেন। যদিও এখনো জানা যায়নি বেইলি ফোনটি ব্যবহার করছিলেন কিনা, কিন্তু শুধুমাত্র তার সঙ্গে থাকা নিয়ে শুরু হয়েছে আলোচনা।

    ইতোমধ্যেই কর্তৃপক্ষ ফোনটি মাঠ থেকে সরিয়ে নিয়েছে। তবে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে, এই ভুলের জন্য কি টম বেইলিকে শাস্তির মুখে পড়তে হবে?

    উল্লেখযোগ্যভাবে, ক্রিকেট মাঠে মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশের ঘটনা এটাই প্রথম নয়। কিংবদন্তি আম্পায়ার ডিকি বার্ড একবার বলেছিলেন, ইংল্যান্ডের অ্যালান ল্যাম্ব একবার ভুল করে মোবাইল নিয়ে মাঠে চলে এসেছিলেন।

    টম বেইলির এই ঘটনা ক্রিকেট ইতিহাসে একটি ব্যতিক্রমী অধ্যায় হয়ে থাকবে—যা স্মরণীয় হয়ে থাকবে ক্রিকেট ভক্তদের কাছে।