Tag: বিসিবি নির্বাচন

  • রাতের ভোটের চেয়েও নাটকীয়! বিসিবি নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগে প্রার্থী সরে দাঁড়ালেন রেদুয়ান

    রাতের ভোটের চেয়েও নাটকীয়! বিসিবি নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগে প্রার্থী সরে দাঁড়ালেন রেদুয়ান

    এবিএনএ:  বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচন ঘিরে আবারও তৈরি হয়েছে নাটকীয় পরিস্থিতি। ভোটের মাত্র একদিন আগে, ঢাকা বিভাগের পরিচালক পদপ্রার্থী জামালপুর জেলা ক্রীড়া সংস্থার কাউন্সিলর আবদুল্লাহ আল ফুয়াদ রেদুয়ান ঘোষণা দিয়েছেন, তিনি নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন না।

    যদিও প্রার্থিতা প্রত্যাহারের আনুষ্ঠানিক সময়সীমা পেরিয়ে গেছে গত বুধবার, তবুও রেদুয়ানের নাম থাকবে ভোটের ব্যালটে।

    রোববার বিসিবি কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন রেদুয়ান। তিনি বলেন,

    “রাতের ভোট তো মানুষ দেখেছে, কিন্তু এরা যেভাবে ই-ব্যালটের নামে কাজ করছে, তাতে সেই ভোটকেও হার মানিয়েছে!”

    রেদুয়ান অভিযোগ করেন, ই–ব্যালট ভোটে অনিয়ম হচ্ছে। তাঁর দাবি,

    “আমি একাধিকবার নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেছি, কিন্তু তারা দেখা করেননি। আমি আবেদন করেছিলাম যেন ই-ব্যালট ভোট শুধু বিদেশে থাকা বা হাসপাতালে ভর্তি ব্যক্তিরা দিতে পারেন। কিন্তু যারা দেশে আছেন, তারাও ই-ব্যালট দিচ্ছেন—এটা স্বচ্ছ নয়।”

    রেদুয়ানের সরে দাঁড়ানোর ফলে ঢাকা বিভাগ থেকে পরিচালক পদে আমিনুল ইসলাম বুলবুলনাজমুল আবেদীন ফাহিম বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।

    বিসিবির এই নির্বাচন ঘিরে আগেই নানা প্রশ্ন উঠেছিল। তবে রেদুয়ানের বক্তব্যে নতুন করে বিতর্কের আগুন জ্বলে উঠেছে ক্রিকেট অঙ্গনে। অনেকের মতে, এই ঘটনা নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।

  • বিসিবি নির্বাচন নিয়ে মুখ খুললেন সাকিব, জানালেন নিজের অবস্থান

    বিসিবি নির্বাচন নিয়ে মুখ খুললেন সাকিব, জানালেন নিজের অবস্থান

    এবিএনএ: বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক প্রভাব ও উত্তাপ নিয়ে নানা আলোচনা চলছে। তবে জাতীয় দলের তারকা ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান এ বিষয়ে খুব একটা সরব নন।

    সমকালকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন,
    “আমি তেমন কিছু ফলো করিনি। যারা দায়িত্বে আসবেন, আশা করব তারা বিসিবির উন্নতির জন্য কাজ করবেন। সবার জন্য শুভকামনা রইল।”

    এর আগে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের অভিযোগ তুলে বিসিবি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবাল। এ বিষয়ে সাকিবকে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান,
    “নির্বাচনের খবর তেমন দেখি না বা পড়ি না। তাই মন্তব্য করাটা আমার জন্য কঠিন। যা জানি না, সে বিষয়ে কিছু বলা ঠিক হবে না।”

    সাম্প্রতিক সময়ে সাকিবের সঙ্গে ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তর্ক-বিতর্ক ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। এর সূত্রপাত হয় ২৮ সেপ্টেম্বর, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে সাকিবের দেওয়া একটি ফেসবুক পোস্ট থেকে। ওই পোস্টে সাকিব লিখেছিলেন, “শুভ জন্মদিন, আপা।”

    এর জবাবে আসিফ মাহমুদ ফেসবুকে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়ে লেখেন, “খুনিদের পক্ষে অবস্থান নেওয়া কাউকে কেবল ভালো ক্রিকেটার বলেই পুনর্বাসন করা যায় না। আইন সবার জন্য সমান।”

    এই ভার্চুয়াল দ্বন্দ্ব নিয়ে প্রশ্ন করা হলেও সাকিব কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। বরং তিনি রাজনীতি এড়িয়ে বলেন,
    “রাজনীতি নিয়ে কিছু বলার মানে নেই। আমি ক্রিকেটেই থাকি।”

    উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের সময় সাকিব ছিলেন দেশের বাইরে। যদিও দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে তিনি নৌকা প্রতীক নিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। এরপর দেশে ফিরতে না পারলেও বর্তমানে তার বিরুদ্ধে হত্যা মামলা, শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারি এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলা চলছে।

  • বিসিবি সভাপতির চিঠি নিয়ে নতুন মোড়, হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করল চেম্বার আদালত

    বিসিবি সভাপতির চিঠি নিয়ে নতুন মোড়, হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করল চেম্বার আদালত

    এবিএনএ:  বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) আসন্ন নির্বাচনে জেলা ও বিভাগীয় এডহক কমিটি থেকে কাউন্সিলর মনোনয়ন চেয়ে সভাপতির পাঠানো চিঠি নিয়ে সৃষ্টি হওয়া জটিলতা নতুন মোড় নিয়েছে। হাইকোর্টের স্থগিতাদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের প্রেক্ষিতে চেম্বার আদালত সোমবার বিকেলে হাইকোর্টের আদেশ ২৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত স্থগিত করেছে।

    চেম্বার বিচারপতি ফারাহ মাহবুব এই আদেশ দেন। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল আরশাদুর রউফ এবং বিসিবির পক্ষে উপস্থিত ছিলেন আইনজীবী ব্যারিস্টার মাহিন এম রহমান।

    এর আগে দুপুরে হাইকোর্ট বিসিবি সভাপতির চিঠির কার্যক্রম ১৫ দিনের জন্য স্থগিত করেছিলেন এবং কেন চিঠিটিকে অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে রুল জারি করেন। দশ দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্টদের জবাব দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

    রিট আবেদনের শুনানি করেছিলেন ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল। রিটটি দায়ের করেছিলেন চারজন – রাজবাড়ীর মঞ্জুরুল আলম, গোপালগঞ্জের জসিম উদ্দিন খসরু, লক্ষ্মীপুরের মঈনুদ্দিন চৌধুরী এবং টাঙ্গাইলের আলী ইমাম।

    গত ১৮ সেপ্টেম্বর বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল নির্বাচনের জন্য এডহক কমিটি থেকে কাউন্সিলর মনোনয়নের অনুরোধ জানিয়ে চিঠি পাঠান। সেই চিঠির বৈধতাকে কেন্দ্র করে আদালতে আইনি লড়াই চলছে, যা বিসিবি নির্বাচনের প্রক্রিয়াকে আরও অনিশ্চয়তার মধ্যে ঠেলে দিয়েছে।

  • বিসিবি নির্বাচন ঘিরে উত্তাপ: ‘আমি ক্রিকেটার, সন্ত্রাসী নই’—বুলবুলকে হুমকি অভিযোগে তামিমের জবাব

    বিসিবি নির্বাচন ঘিরে উত্তাপ: ‘আমি ক্রিকেটার, সন্ত্রাসী নই’—বুলবুলকে হুমকি অভিযোগে তামিমের জবাব

    এবিএনএ: বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) আসন্ন নির্বাচন ঘিরে উত্তাপ বাড়ছে প্রতিদিন। সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন বর্তমান সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল এবং সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবাল। এরই মধ্যে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে একটি অভিযোগ—অজ্ঞাত নম্বর থেকে হুমকিমূলক ফোন পেয়েছেন বলে দাবি করেছেন বুলবুল।

    বৃহস্পতিবার বুলবুল জানান, তাকে নির্বাচনে না দাঁড়ানোর জন্য ফোনে চাপ দেওয়া হয়েছে। এ নিয়ে তিনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে গানম্যান চেয়ে চিঠি দিয়েছেন বিসিবির পক্ষ থেকে। যদিও চিঠিতে সরাসরি হুমকির বিষয়টি উল্লেখ করা হয়নি। পরে এক বেসরকারি টেলিভিশনে বুলবুল বলেন, ফোনে তাকে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে, যা তাকে উদ্বিগ্ন করেছে।

    এই প্রসঙ্গে মুখ খুলেছেন তামিম ইকবাল। টেলিভিশনের এক টকশোতে তিনি বলেন, “আমি বিষয়টি খুব একটা ফলো করিনি। তবে যদি এমন ঘটনা ঘটে থাকে, এটা দুঃখজনক। আমি একজন ক্রিকেটার, সন্ত্রাসী নই। বুলবুল ভাই যখন কিছু বলেন, তখন সেটি স্পষ্টভাবে বলা উচিত। মাঝেমধ্যে উনার বক্তব্যে প্রশ্ন থেকে যায়।”

    তিনি আরও যোগ করেন, “যদি সত্যিই হুমকির ফোন আসে, তাহলে নম্বর প্রকাশ করা উচিত। আমাদের দেশে পর্যাপ্ত গোয়েন্দা সংস্থা আছে, সহজেই বের করা সম্ভব কল কোথা থেকে এসেছে। লুকোচুরি না করে আইনের আশ্রয় নেওয়াই সবচেয়ে ভালো। না হলে স্পষ্ট জানানো হোক যে এরকম কিছু ঘটেনি।”

    উল্লেখ্য, বুলবুল আগের মন্তব্যে সরাসরি “হুমকি” শব্দটি ব্যবহার না করে বলেছিলেন, ফোনে তাকে জিজ্ঞেস করা হয়—“ইলেকশনে না গেলে হয় না?” না গেলে ভালো হয়। এতে তিনি নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন।

    প্রসঙ্গত, বিসিবির পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৪ অক্টোবর। সভাপতি ও পরিচালক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ঘোষণা দিয়েছেন সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবাল, সাবেক সভাপতি ফারুক আহমেদসহ কয়েকজন প্রার্থী। এর মাঝেই হুমকির অভিযোগে নির্বাচন আরও সরগরম হয়ে উঠেছে।

  • বিসিবি সভাপতি নির্বাচন: বুলবুল বনাম তামিমের সম্ভাব্য লড়াই জমে উঠছে

    বিসিবি সভাপতি নির্বাচন: বুলবুল বনাম তামিমের সম্ভাব্য লড়াই জমে উঠছে

    এবিএনএ:  বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) আসন্ন নির্বাচনে সভাপতির আসন ঘিরে তৈরি হয়েছে নতুন আলোচনা। সাবেক ক্রিকেটার তামিম ইকবাল সম্প্রতি ঘোষণা দিয়েছেন, তিনি বিসিবি সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চান। এর মাধ্যমে বোঝা যাচ্ছে, তার লক্ষ্য সরাসরি বোর্ডের শীর্ষ পদটি।

    তবে নিয়ম অনুযায়ী, তামিমকে প্রথমে কাউন্সিলর হতে হবে। এরপর পরিচালক নির্বাচনে জিততে হবে। পরে পরিচালকদের ভোটেই সভাপতি পদ নির্ধারিত হবে। ইতিমধ্যে দুটি ক্লাবের সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে তামিম নিজেকে ক্রিকেট সংগঠক হিসেবে গড়ে তুলেছেন, যা তার কাউন্সিলর হওয়ার পথে সহায়ক হতে পারে।

    অন্যদিকে, বর্তমান সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলও নির্বাচন নিয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, দেশের ক্রিকেটে অবদান রাখতে তিনি আরও কাজ করতে চান। তবে বুলবুল সরাসরি ক্লাব পর্যায়ে যুক্ত না থাকায় তার কাউন্সিলরশিপের সুযোগ নেই। পরিবর্তে বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থা কিংবা জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের মনোনয়ন থেকে পরিচালক হয়ে তিনি সভাপতি নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন।

    বিসিবির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, ২৩ জন পরিচালক নির্বাচিত হন ক্লাব ও বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থা থেকে, আর ২ জন আসেন জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের মনোনয়নে। এই ২৫ জন পরিচালকই সভাপতির জন্য ভোট দেন।

    ইতিমধ্যেই বুলবুল ও তামিম নির্বাচনে অংশগ্রহণের ইঙ্গিত দিয়েছেন। ফলে ক্রিকেট অঙ্গনে জোরালোভাবে আলোচনা হচ্ছে—আগামী বিসিবি নির্বাচন কি বুলবুল বনাম তামিমের লড়াইয়ে পরিণত হতে যাচ্ছে?