Tag: বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন

  • কাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ক্লাস ও পরীক্ষা বন্ধ

    কাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ক্লাস ও পরীক্ষা বন্ধ

    এবিএনএ: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) প্রশাসন ঘোষণা করেছে, আগামীকাল বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল ক্লাস এবং পরীক্ষা বন্ধ থাকবে

    মঙ্গলবার রাতের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। বিজ্ঞপ্তিতে শিক্ষার্থীদের অনুরোধ করা হয়েছে, তারা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়ে পড়াশোনা ও পরীক্ষা সংক্রান্ত কাজ পরিচালনা করবেন।

    বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এই সিদ্ধান্ত সংশ্লিষ্ট সকল শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তাদের অবগত করা হয়েছে।

  • ডাকসু নির্বাচন সামনে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে টানা চারদিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ

    ডাকসু নির্বাচন সামনে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে টানা চারদিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ

    এবিএনএ:  আসন্ন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন-২০২৫ উপলক্ষে চারদিনের জন্য ক্লাস ও পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

    শনিবার (৩০ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মুনসী শামস উদ্দিন আহম্মদের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নির্বাচন চলাকালীন নির্বিঘ্ন পরিবেশ বজায় রাখতে আগামী ৭ সেপ্টেম্বর (রবিবার) থেকে ১০ সেপ্টেম্বর (বুধবার) পর্যন্ত সকল ক্লাস ও পরীক্ষা স্থগিত থাকবে।

    বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, নির্বাচনকেন্দ্রিক কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ সময়ে হল ও ক্যাম্পাস এলাকায় নির্বাচনী প্রক্রিয়ার কাজে প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা নিয়োজিত থাকবেন।

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সর্বশেষ ডাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০১৯ সালে। ছয় বছর পর আবারও নির্বাচনী উত্তাপ ছড়িয়ে পড়েছে ক্যাম্পাসে। শিক্ষার্থীরা নতুন নেতৃত্ব বেছে নিতে মুখিয়ে আছে।

  • কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচন ঘিরে সেনা মোতায়েন গুজব: আইএসপিআরের স্পষ্ট ঘোষণা

    কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচন ঘিরে সেনা মোতায়েন গুজব: আইএসপিআরের স্পষ্ট ঘোষণা

    এবিএনএ: আসন্ন কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সেনাবাহিনী মোতায়েনের গুঞ্জন ছড়ালেও এ নিয়ে কোনো বাস্তবতা নেই বলে জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর (আইএসপিআর)। বৃহস্পতিবার এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে এ তথ্য নিশ্চিত করে আইএসপিআর।

    বিবৃতিতে জানানো হয়, সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারিত সংবাদে দাবি করা হচ্ছে যে ছাত্র সংসদ নির্বাচনে সেনাবাহিনী দায়িত্ব পালন করবে। তবে সরকার এ ধরনের কোনো নির্দেশনা দেয়নি এবং ভবিষ্যতেও সেনাবাহিনীকে এ কাজে সম্পৃক্ত করার কোনো পরিকল্পনা নেই।

    আইএসপিআরের বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে আসন্ন ছাত্র সংসদ নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশেই অনুষ্ঠিত হবে। সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে আশা প্রকাশ করা হয়, অংশগ্রহণকারী সব পক্ষ নিয়ম মেনে নির্বাচন সম্পন্ন করবে।

    এছাড়া সেনাবাহিনী সবাইকে শুভকামনা জানিয়ে বলে, এ ধরনের বিভ্রান্তিকর সংবাদে কান না দিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য একসঙ্গে কাজ করাই হবে সর্বোত্তম পথ।

  • শিবিরের প্রদর্শনীতে রাজাকারদের ছবি! বিতর্কের মুখে ব্যবস্থা নিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন

    শিবিরের প্রদর্শনীতে রাজাকারদের ছবি! বিতর্কের মুখে ব্যবস্থা নিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন

    এবিএনএ:  জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে টিএসসির পায়রা চত্বরে তিন দিনব্যাপী একটি প্রদর্শনীর আয়োজন করে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির। এই প্রদর্শনীতে যুদ্ধাপরাধে দণ্ডিত জামায়াতের কয়েকজন নেতার ছবি স্থান পায়—যার ফলে ক্যাম্পাসে শুরু হয় তীব্র প্রতিক্রিয়া ও প্রতিবাদ। শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে অবশেষে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ব্যানারটি সরিয়ে নেয়।

    মঙ্গলবার দুপুরে সামাজিক মাধ্যমে বিতর্কিত ছবিটি ছড়িয়ে পড়তেই একাধিক শিক্ষার্থী এবং প্রগতিশীল ছাত্রসংগঠন টিএসসিতে এসে প্রতিবাদ জানায়। তাদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সহকারী প্রক্টর রফিকুল ইসলাম শিবির নেতাদের সাথে কথা বলে ব্যানারটি সরিয়ে নেন।

    ছবিতে দেখা যায়, ‘বিচারিক হত্যাকাণ্ড’ শিরোনামে জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতাদের—যেমন নিজামী, কাদের মোল্লা, মুজাহিদ, সাঈদী প্রমুখের ছবি টাঙানো হয়েছে। এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন ছাত্রমৈত্রী ও গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদসহ মুক্তিযুদ্ধপন্থী ছাত্রসংগঠনগুলোর নেতারা।

    ছাত্রমৈত্রীর সাধারণ সম্পাদক জাবির আহমেদ জুবেল তার ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, “এই প্রদর্শনীর মাধ্যমে একাত্তরের ইতিহাস বিকৃতির চেষ্টা চলছে। প্রশাসনকে জানানো হয়েছে, তারা ব্যবস্থা না নিলে আন্দোলন চলবে।”

    গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের আহ্বায়ক আব্দুল কাদের বলেন, “শিবির ২০২৪ সালের ঘটনাকে সামনে এনে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধকে মুছে ফেলার অপচেষ্টা করছে। এটি ঠেকাতেই হবে।”

    অন্যদিকে, ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, এই প্রদর্শনী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের অনুমতি নিয়েই আয়োজন করা হয়েছিল। কিন্তু শৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে তারা প্রশাসনের অনুরোধে ছবি সরিয়ে ফেলেছে।

    শিবিরের প্রচার সম্পাদক সাজ্জাদ হোসাইন খান এক বিজ্ঞপ্তিতে জানান, “একটি মহল বিশৃঙ্খলা তৈরি করার চেষ্টা করছে। বিষয়টি পরিষ্কার করতে জরুরি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে।”

    বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বলছে, শিক্ষার্থীদের আবেগ ও ক্যাম্পাসের পরিবেশ বিবেচনায় এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে এটি শুধু প্রশাসনিক নয়, আদর্শিক বিষয় বলেও মনে করছে শিক্ষার্থীরা।

    এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আবারও সামনে এসেছে রাজাকারদের পুনর্বাসনের অভিযোগ, এবং মুক্তিযুদ্ধের পক্ষ-বিপক্ষ বিভাজনের তীব্রতা। প্রশাসনের কার্যকর ভূমিকা না থাকলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন শিক্ষার্থীরা।