Tag: বিটিআরসি

  • মোবাইল ফোনে বড় সুখবর, আমদানি শুল্ক ৬০% কমলো, বৈধ হচ্ছে বাজারের স্টক-লট

    মোবাইল ফোনে বড় সুখবর, আমদানি শুল্ক ৬০% কমলো, বৈধ হচ্ছে বাজারের স্টক-লট

    এবিএনএ: মোবাইল ফোন বাজারে বড় পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আমদানিকৃত মোবাইল ফোনের ওপর কাস্টমস ডিউটি উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে ২৫ শতাংশ থেকে ১০ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে, যা প্রায় ৬০ শতাংশ হ্রাস। একই সঙ্গে ব্যবসায়ীদের হাতে থাকা বৈধভাবে আমদানি করা মোবাইল ফোনগুলোকে অতিরিক্ত শুল্ক ছাড়াই স্টক-লট হিসেবে বৈধ করার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে।

    বৃহস্পতিবার উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে জানিয়েছে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দেশীয় মোবাইল উৎপাদকদের জন্যও কাস্টমস ডিউটি ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হয়েছে। সরকারের আশা, এতে দেশীয় উৎপাদন ও বৈধ আমদানি বাড়বে এবং বাজারে মোবাইল ফোনের দাম সহনীয় হবে।

    সরকারি ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, বিটিআরসির নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আমদানি করা এবং বর্তমানে বাজারে থাকা ফোনগুলো এনইআইআর সিস্টেমে স্টক-লট হিসেবে অনুমোদন পাবে। এর মাধ্যমে বিদ্যমান হ্যান্ডসেটগুলোকে বৈধ করার সুযোগ মিলবে।

    এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে চলতি অর্থবছরে সরকারের রাজস্ব কিছুটা কমতে পারে বলে স্বীকার করা হয়েছে। তবে বাজার স্থিতিশীল রাখা ও অবৈধ আমদানি কমানোর লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

    এ ছাড়া প্রবাসীদের বিষয়টি মানবিকভাবে বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দেশে ফেরার পর তিন মাস পর্যন্ত তাদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন বন্ধ করা হবে না। একইভাবে সাধারণ গ্রাহকদের ফোনও আগামী তিন মাস ব্লক করা হবে না। এই সময়ের মধ্যেই ব্যবসায়ীরা স্টক-লট নিয়মিত করার সুযোগ পাবেন।

    অবৈধ মোবাইল আমদানি ও বিক্রয় ঠেকাতে স্থলবন্দর, বিমানবন্দর ও কাস্টমস হাউজে কঠোর নজরদারি ও অভিযান জোরদার করা হবে বলেও সতর্ক করেছে সরকার।

  • ক্ষুদ্র ইন্টারনেট প্রতিষ্ঠানের ওপর সাইবার হামলা: বাজার দখলে বড় সিন্ডিকেটের চক্রান্ত

    ক্ষুদ্র ইন্টারনেট প্রতিষ্ঠানের ওপর সাইবার হামলা: বাজার দখলে বড় সিন্ডিকেটের চক্রান্ত

    এবিএনএ:  দেশের ক্ষুদ্র ও আঞ্চলিক ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো এখন বড় সংকটে। অভিযোগ উঠেছে—বড় কিছু কোম্পানি পরিকল্পিতভাবে ছোট প্রতিষ্ঠানগুলোর নেটওয়ার্কে সাইবার হামলা চালিয়ে বাজার দখলের চেষ্টা করছে। সরকারের সংশ্লিষ্ট সংস্থা বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে পর্যবেক্ষণ করছে এবং ইতোমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে।

    ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব এক সরকারি বিবৃতিতে জানান, “বড় কিছু ইন্টারনেট সরবরাহকারী বা তাদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট গোষ্ঠী ছোট অপারেটরদের নেটওয়ার্কে ইচ্ছাকৃতভাবে আক্রমণ চালাচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে হামলার মাত্রা এতটাই ভয়াবহ যে, ছোট প্রতিষ্ঠানগুলো ঘণ্টার পর ঘণ্টা নেটওয়ার্ক সচল রাখতে পারছে না।”

    তথ্য অনুযায়ী, এসব হামলার মাত্রা কিছু ক্ষেত্রে ৫০০ থেকে ৭০০ গিগাবাইট পর্যন্ত পৌঁছায়—যা ছোট ইন্টারনেট কোম্পানিগুলোর পক্ষে প্রতিরোধ করা প্রায় অসম্ভব। এর ফলে তারা গ্রাহক হারাচ্ছে, অন্যদিকে বড় প্রতিষ্ঠানগুলো অন্যায্যভাবে বাজারে নিজেদের প্রভাব বাড়াচ্ছে।

    সরকারি বিবৃতিতে আরও বলা হয়, কিছু জাতীয় পর্যায়ের ইন্টারনেট কোম্পানি ‘দূরসংযোগ নেটওয়ার্ক ও অনুমোদন নীতিমালা ২০২৫’-এর ভুল ব্যাখ্যা করে ছোট অপারেটরদের ভয় দেখিয়ে ব্যবসা দখলের চেষ্টা করছে, যা আইনত অপরাধ।

    ফয়েজ আহমদ আরও বলেন, “ছোট ইন্টারনেট প্রতিষ্ঠানগুলো যাতে তাদের সেবা জেলা পর্যায় পর্যন্ত সম্প্রসারণ করতে পারে, সেই সুযোগ রাখা হয়েছে নতুন নীতিমালায়। তাদের স্বার্থরক্ষা সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে।”

    এদিকে, মন্ত্রণালয় ও বিটিআরসি ইতোমধ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তায় তদন্ত শুরু করেছে। সরকার জানায়, সাইবার হামলার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, “ডিজিটাল বাংলাদেশে ইন্টারনেট সেবা কোনো বিলাসিতা নয়, এটি নাগরিক অধিকার। ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের টিকে থাকা মানেই দেশের ডিজিটাল অর্থনীতির ভিত্তি মজবুত হওয়া।”

    বর্তমানে দেশে প্রায় দুই হাজার আঞ্চলিক ইন্টারনেট প্রতিষ্ঠান সক্রিয় রয়েছে, যাদের অধিকাংশ ৫০০ থেকে ৫ হাজার গ্রাহককে স্থানীয়ভাবে সেবা দেয়। গত কয়েক মাসে অন্তত ৩৪টি প্রতিষ্ঠান বড় ধরনের সাইবার হামলার শিকার হয়েছে, যার ফলে অনেকের নেটওয়ার্ক ১২ থেকে ২৪ ঘণ্টা বন্ধ রাখতে হয়েছে এবং গ্রাহকরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।

  • ৩০ অক্টোবরের মধ্যে বাড়তি সিম না কাটালে বন্ধ হয়ে যেতে পারে সংযোগ

    ৩০ অক্টোবরের মধ্যে বাড়তি সিম না কাটালে বন্ধ হয়ে যেতে পারে সংযোগ

    এবিএনএ:   একটি জাতীয় পরিচয়পত্রের বিপরীতে একজন গ্রাহক সর্বোচ্চ ১০টি মোবাইল সিম ব্যবহার করতে পারবেন—এমন নীতিমালা বাস্তবায়নের জন্য বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) সময়সীমা নির্ধারণ করেছে।

    বুধবার (৩০ জুলাই) এক ঘোষণায় বিটিআরসি জানায়, যেসব গ্রাহকের নামে ১০টির বেশি সিম নিবন্ধিত আছে, তাদেরকে আগামী ৩০ অক্টোবরের মধ্যে অতিরিক্ত সিমগুলো সংশ্লিষ্ট মোবাইল অপারেটরের কাস্টমার কেয়ারের মাধ্যমে ডি-রেজিস্ট্রার করতে হবে।

    বিটিআরসি জানায়, *১৬০০১# ডায়াল করে খুব সহজেই নিজের নামে কতটি সিম রয়েছে তা জেনে নেওয়া যাবে।

    পূর্বে একজন ব্যক্তি একটি জাতীয় পরিচয়পত্রের বিপরীতে ১৫টি সিম নিবন্ধন করতে পারতেন। তবে আন্তর্জাতিক অনুশীলন ও জাতীয় নিরাপত্তা বিবেচনায় মে মাসে নেওয়া নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সেই সীমা কমিয়ে ১০টি নির্ধারণ করা হয়েছে। ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ ইতোমধ্যে বিটিআরসির এ সিদ্ধান্তে সম্মতি দিয়েছে।

    সীমা নির্ধারণের ফলে প্রায় ২৬ লাখ গ্রাহকের নামে থাকা অতিরিক্ত ৬৭ লাখ সিম ডি-রেজিস্ট্রার করতে হবে বলে জানিয়েছে বিটিআরসি।

    এখনই জেনে নিন:
    যদি আপনার নামে ১০টির বেশি সিম থাকে, তবে নির্ধারিত সময়ের আগেই অতিরিক্ত সিম বাতিল করুন। অন্যথায়, অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে সেবা বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

    বিটিআরসি বলছে, এই পদক্ষেপ জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষায় সহায়ক হবে এবং সিম ব্যবহারে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করবে।

  • টেলিকম নীতিমালা নিয়ে সরকারের প্রতি সতর্কবার্তা বিএনপির

    টেলিকম নীতিমালা নিয়ে সরকারের প্রতি সতর্কবার্তা বিএনপির

    এবিএনএ:  বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) প্রণীত ‘ড্রাফট টেলিকম নেটওয়ার্ক ও লাইসেন্সিং রিফর্ম পলিসি ২০২৫’ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বিএনপি। দলটির দাবি, এত গুরুত্বপূর্ণ নীতিমালা দ্রুততার সঙ্গে গ্রহণ না করে, প্রয়োজন পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষণ ও অংশগ্রহণমূলক সংলাপ।

    বৃহস্পতিবার রাজধানীর গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

    তিনি বলেন, “নীতিমালার উদ্দেশ্য ভালো হলেও, এর প্রয়োগ পদ্ধতিতে অস্পষ্টতা রয়েছে। SME এবং স্থানীয় উদ্যোক্তারা বড় ধাক্কা খেতে পারেন। এই নীতিমালা একতরফাভাবে না করে সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে আলোচনার প্রয়োজন।”

    বিএনপির অভিযোগ, নীতিমালার প্রস্তাব অনুযায়ী একাধিক সেবাখাতে মালিকানার সীমা তুলে দিলে বড় অপারেটররা বাজারে একচেটিয়া প্রভাব বিস্তার করতে পারবে। এতে ছোট ও মাঝারি প্রতিষ্ঠানগুলো প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়বে এবং বাজারের ভারসাম্য নষ্ট হবে।

    SME ও স্থানীয় অপারেটরদের জন্য অনিশ্চয়তা
    ডি-রেগুলেশনের ফলে SME ও স্থানীয় ISP গুলো আর্থিকভাবে চাপে পড়তে পারে বলে জানায় বিএনপি। নীতিমালায় এদের দায়বদ্ধতা ও সম্পদের নিরাপত্তা সংক্রান্ত দিকনির্দেশনার অভাব রয়েছে।

    বিদেশি মালিকানার অস্পষ্ট সীমা নিয়ে আশঙ্কা
    মির্জা ফখরুল বলেন, বিদেশি মালিকানা নিয়ন্ত্রণে স্পষ্টতা না থাকায় ভবিষ্যতে দেশীয় নিয়ন্ত্রণ দুর্বল হতে পারে এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থা কমে যেতে পারে।

    এসময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান বলেন, “দেশীয় উদ্যোগ ও প্রতিযোগিতামূলক বাজার রক্ষায় সরকারকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে। বড় কোম্পানির একচেটিয়া দখল মানেই ক্ষুদ্র উদ্যোক্তার মৃত্যু।”

    সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইংয়ের কর্মকর্তা শামসুদ্দিন দিদার, মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান প্রমুখ।

    বিএনপি সরকারকে অনুরোধ জানায়, এই গুরুত্বপূর্ণ খাতে যেকোনো নীতিগত পদক্ষেপের আগে আর্থিক ও সামাজিক প্রভাব বিবেচনা করে অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হোক। বিশেষ করে জাতীয় নির্বাচনের প্রাক্কালে এ ধরনের নীতিমালা একতরফাভাবে বাস্তবায়ন সরকারকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারে বলে বিএনপির মন্তব্য।

  • সারাদেশে এক দামে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট: নতুন নির্দেশনায় বড় পরিবর্তন

    সারাদেশে এক দামে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট: নতুন নির্দেশনায় বড় পরিবর্তন

    এবিএনএ: 

    বাংলাদেশের প্রতিটি গ্রাহক এখন থেকে দেশের যেকোনো স্থানেই একই দামে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা পাবেন। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) সম্প্রতি একটি নির্দেশনার মাধ্যমে সকল সরকারি ও বেসরকারি ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারকে (আইএসপি) দেশের সব স্তরে সমান ট্যারিফে সেবা প্রদানের নির্দেশ দিয়েছে।

    নতুন এই নির্ধারিত ট্যারিফ অনুযায়ী, ১:৮ কনটেনশন রেশিওর ভিত্তিতে ৫ এমবিপিএস ইন্টারনেটের মাসিক সর্বোচ্চ মূল্য ৪০০ টাকা, ১০ এমবিপিএস ৭০০ টাকা এবং ২০ এমবিপিএস ১,১০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। মহানগর থেকে শুরু করে ইউনিয়ন পর্যায় পর্যন্ত এই দাম একইভাবে কার্যকর হবে।

    বিটিআরসি জানায়, ইন্টারনেট সেবার মূল্য সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে রাখতেই সরকার এ উদ্যোগ নিয়েছে। প্রস্তাবিত ট্যারিফটি ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের মাধ্যমে সরকার অনুমোদন করেছে এবং এটি ২০২৫ সালের ১ জুলাই থেকে প্রাথমিকভাবে পাঁচ বছরের জন্য কার্যকর হবে।

    📌 ট্যারিফের গুরুত্বপূর্ণ শর্ত:

    • সকল আইএসপি প্রতিষ্ঠানকে এই নির্ধারিত ট্যারিফ মেনে চলতে হবে।

    • গ্রাহকের যদি ৫ দিন টানা ইন্টারনেট না থাকে, তাহলে মাসিক বিলের ৫০%, ১০ দিন না থাকলে ২৫% ফেরত দিতে হবে এবং ১৫ দিনের বেশি না থাকলে সেই মাসে কোনো বিল নেয়া যাবে না।

    • সব সেবা “এ”, “বি”, “সি” গ্রেডে ভাগ করা হবে এবং সেবার মান বজায় রাখতে হবে।

    • অনুমোদিত ট্যারিফ ছাড়া অন্য কোনো সেবা বা প্যাকেজ চালু করা যাবে না; করলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

    • গ্রাহকের অভিযোগ (টিকিট নাম্বারসহ) দ্রুত সমাধান করতে হবে এবং অভিযোগ সংক্রান্ত রেকর্ড অন্তত ছয় মাস সংরক্ষণ করতে হবে।

    • প্রতিটি আইএসপিকে তাদের ওয়েবসাইটে ট্যারিফ তালিকা প্রকাশ করতে হবে।

    এ নির্দেশনার ফলে দেশের সব জায়গায় ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের সেবায় সমতা নিশ্চিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। গ্রাহকের স্বার্থ ও ন্যায্যতার দিক বিবেচনা করেই বিটিআরসি এ পদক্ষেপ নিয়েছে বলে জানায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।