Tag: বিজেপি

  • সরকারি নির্দেশনায় পশ্চিমবঙ্গে গরুর বাজারে অস্থিরতা

    সরকারি নির্দেশনায় পশ্চিমবঙ্গে গরুর বাজারে অস্থিরতা

    এবিএনএ: ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে পশ্চিমবঙ্গে গরুর বাজারে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। নতুন সরকারি বিধিনিষেধের কারণে কোরবানির পশু কেনাবেচা অনেকটাই কমে গেছে বলে দাবি করছেন ব্যবসায়ীরা। এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়েছেন গরু মোটাতাজাকরণে জড়িত খামারি ও ব্যবসায়ীরা।

    স্থানীয় সূত্রগুলোর দাবি, সাম্প্রতিক নির্দেশনার পর মুসলিম ক্রেতাদের একটি বড় অংশ গরু কেনায় আগ্রহ হারিয়েছেন। ফলে বাজারে বিক্রি কমে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন বহু ব্যবসায়ী, যারা দীর্ঘ সময় ধরে ঈদ উপলক্ষে গরু লালন-পালন করেছেন।

    এ পরিস্থিতি নিয়ে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর বক্তব্য দেন রাজ্যের নারী ও শিশু কল্যাণমন্ত্রী Agnimitra Paul। তিনি জানান, পুরো বিষয়টি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন মুখ্যমন্ত্রী Suvendu Adhikari এবং দ্রুত এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।

    মন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ও বিস্তারিত তথ্য মুখ্যমন্ত্রী নিজেই জানাবেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।

    প্রতি বছর কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে পশ্চিমবঙ্গে বহু খামারি গরু মোটাতাজা করেন এবং এই মৌসুমে বড় ধরনের ব্যবসা হয়ে থাকে। কিন্তু এবার সরকারি নির্দেশনার কারণে বাজারে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

    সম্প্রতি রাজ্য সরকার একটি নির্দেশনা জারি করে জানায়, নির্দিষ্ট অনুমতি ছাড়া গরু ও মহিষ জবাই করা যাবে না। পাশাপাশি পশুর বয়সসংক্রান্ত শর্তও নির্ধারণ করা হয়েছে। এরপর থেকেই কোরবানির পশুর বাজারে এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে বলে দাবি ব্যবসায়ীদের।

    বিশ্লেষকদের মতে, বিষয়টি দ্রুত সমাধান না হলে ঈদকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা পশু বাণিজ্যে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।

  • পশ্চিমবঙ্গে প্রথম দফায় রেকর্ড ভোট, উপস্থিতি প্রায় ৯০%

    পশ্চিমবঙ্গে প্রথম দফায় রেকর্ড ভোট, উপস্থিতি প্রায় ৯০%

    এবিএনএ: ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম ধাপে ব্যাপক ভোটার উপস্থিতি দেখা গেছে। বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত ভোটগ্রহণে বিকেল পর্যন্ত প্রায় ৯০ শতাংশ ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন বলে জানিয়েছে দেশটির নির্বাচন কমিশন।

    নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটের হার দাঁড়ায় ৮৯ দশমিক ৯৩ শতাংশ। এর মধ্যে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় সর্বোচ্চ ৯৩ দশমিক ১২ শতাংশ ভোট পড়েছে, যা এবারের প্রথম ধাপের মধ্যে সবচেয়ে বেশি।

    এবার পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচন দুই ধাপে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। মোট ২৯৪টি আসনের মধ্যে প্রথম ধাপে ভোট হয়েছে ১৫২টি আসনে। এই আসনগুলোতে তিন কোটির বেশি ভোটার রয়েছেন। বিশ্লেষকদের মতে, অন্তত ৮০টি আসনে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা হতে পারে।

    নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপের ভোটগ্রহণ আগামী ২৯ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হবে। তবে সেদিন ফলাফল ঘোষণা করা হবে না। পুরো নির্বাচনের ফল প্রকাশ করা হবে ৪ মে, তখনই জানা যাবে আগামী পাঁচ বছরের জন্য রাজ্যের ক্ষমতায় কে আসছে।

    পশ্চিমবঙ্গে সর্বশেষ বিধানসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০২১ সালে। সে সময় মমতা ব্যানার্জির নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেস এককভাবে ২১৫টি আসনে জয় পেয়ে সরকার গঠন করে। অন্যদিকে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী বিজেপি পেয়েছিল ৭৭টি আসন।

    সেই নির্বাচনের মাধ্যমে টানা তৃতীয়বারের মতো ক্ষমতায় আসে তৃণমূল কংগ্রেস। এবারও দলটি ক্ষমতা ধরে রাখতে মাঠে রয়েছে। অন্যদিকে বিজেপিও নিজেদের অবস্থান শক্ত করতে ব্যাপক প্রচারণা চালাচ্ছে। নির্বাচনী প্রচারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিসহ দলটির শীর্ষ নেতারা অংশ নিয়েছেন।

    প্রথম ধাপের ভোটে উচ্চ উপস্থিতি নির্বাচনকে আরও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ করে তুলেছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। এখন দ্বিতীয় ধাপের ভোট এবং চূড়ান্ত ফলাফলের দিকেই নজর সবার।

  • দুই বছর পর অশান্ত মণিপুরে মোদির সফর: শান্তির বার্তা ও উন্নয়নের আশ্বাস

    দুই বছর পর অশান্ত মণিপুরে মোদির সফর: শান্তির বার্তা ও উন্নয়নের আশ্বাস

    এবিএনএ:  দীর্ঘ দুই বছর পর অবশেষে সহিংসতায় ক্ষতবিক্ষত মণিপুরে পা রাখলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শনিবার মিজোরামের আইজলে রেল প্রকল্প উদ্বোধনের পর তিনি মণিপুরের চূড়াচাঁদপুরে পৌঁছে শান্তি ও উন্নয়নের বার্তা দেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “শান্তি না থাকলে উন্নয়ন সম্ভব নয়। মণিপুরের মানুষ শান্তির পথ বেছে নিলে ভবিষ্যৎ হবে আরও উজ্জ্বল।”

    ২০২৩ সালের মে মাসে মেইতেই ও কুকি সম্প্রদায়ের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হওয়ার পর থেকে এই রাজ্যে রক্তক্ষয়ী সহিংসতায় প্রায় ২৬০ জন নিহত ও হাজারো মানুষ বাস্তুচ্যুত হন। সেই থেকে বিরোধীরা বারবার দাবি জানালেও এতদিন সেখানে যাননি মোদি।

    চূড়াচাঁদপুরের ত্রাণ শিবিরে আশ্রিত পরিবারগুলোর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে মোদি বলেন, মণিপুর সাহস ও দৃঢ়তার ভূমি। তিনি সবাইকে অতীতের বিভেদ ভুলে শান্তির পথে একসাথে এগিয়ে যেতে আহ্বান জানান।

    প্রধানমন্ত্রী আরও দাবি করেন, গত ১১ বছরে বিজেপি সরকারের আমলে মণিপুরে যোগাযোগ, স্বাস্থ্য ও অবকাঠামো খাতে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। তিনি জানান, ২২ হাজার কোটি টাকার রেল প্রকল্প চালু হয়েছে এবং গ্রাম-শহরে সমানভাবে রাস্তা ও বিদ্যুৎ সুবিধা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

    তবে মোদির সফর ঘিরে ইম্ফলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। কংগ্রেসের কর্মীরা প্ল্যাকার্ড হাতে বিক্ষোভ করেন এবং বিজেপি শাসনকে দায়ী করে স্লোগান দেন। কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে এক্সে লিখেছেন, “প্রধানমন্ত্রী বিদেশ সফরে ব্যস্ত থেকেছেন, অথচ মণিপুরবাসীর দুঃসময় পাশে ছিলেন না।” প্রিয়াঙ্কা গান্ধীও অভিযোগ করেন, “এত দেরিতে আসা অত্যন্ত দুঃখজনক।”

    উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের জাতিগত সংঘাতের পর মুখ্যমন্ত্রী এন. বিরেন সিং পদত্যাগ করেন এবং বর্তমানে মণিপুর রাষ্ট্রপতির শাসনে পরিচালিত হচ্ছে।

    এই সফরে শান্তি ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিলেও বিরোধীদের অভিযোগ ও স্থানীয় বিক্ষোভ দেখিয়ে দিয়েছে—মণিপুরে রাজনৈতিক উত্তেজনা এখনো প্রশমিত হয়নি।

  • ট্রাম্পের শুল্ক নীতি ঘিরে ভারতে মার্কিন ব্র্যান্ড বর্জনের ঝড়

    ট্রাম্পের শুল্ক নীতি ঘিরে ভারতে মার্কিন ব্র্যান্ড বর্জনের ঝড়

    এবিএনএ: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক শুল্ক বৃদ্ধির সিদ্ধান্তে ভারত-যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক সম্পর্কে নতুন উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। ট্রাম্প ভারতীয় পণ্যে ৫০% শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেন, যা রপ্তানিকারক মহলে উদ্বেগ ও রাজনৈতিক মহলে অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। এর পরপরই বিজেপি-সমর্থিত কয়েকটি সংগঠন ও ব্যবসায়ী গোষ্ঠী মার্কিন ব্র্যান্ড বর্জনের আন্দোলনে নেমেছে।

    বয়কট সমর্থকরা হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে দেশীয় বিকল্প ব্র্যান্ডের তালিকা ছড়িয়ে দিচ্ছেন, যেখানে আমেরিকান জনপ্রিয় ব্র্যান্ডের বদলে ভারতীয় সাবান, টুথপেস্ট ও কোমল পানীয়ের নাম রয়েছে।

    দীর্ঘদিন ধরে ভারত ছিল ম্যাকডোনাল্ডস, কোকা-কোলা, অ্যাপল, অ্যামাজন, স্টারবাক্সসহ মার্কিন কোম্পানিগুলোর অন্যতম লাভজনক বাজার। হোয়াটসঅ্যাপের সর্বাধিক ব্যবহারকারীও রয়েছে ভারতে। তবে শুল্ক বৃদ্ধির পর অনেক ক্রেতা মার্কিন ব্র্যান্ড এড়িয়ে দেশীয় পণ্যের প্রতি আগ্রহ দেখাচ্ছেন।

    ‘ওয়াও স্কিন সায়েন্স’-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা মণীষ চৌধুরী বলেন, “আমরা বিদেশি পণ্যের জন্য লাইনে দাঁড়াই, অথচ নিজের দেশের পণ্যকে অবহেলা করি।” একইভাবে, ড্রাইভইউ-এর সিইও রহম শাস্ত্রি মনে করেন, ভারতকেও চীনের মতো নিজস্ব প্রযুক্তি প্ল্যাটফর্ম গড়ে তুলতে হবে।

    বেঙ্গালুরুতে এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, “ভারতীয় প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো বিশ্বে পণ্য সরবরাহ করছে, কিন্তু এখন দেশীয় চাহিদাকেও অগ্রাধিকার দেওয়া জরুরি।”

    তবে এই আন্দোলনের মাঝেও মার্কিন টেসলা নয়াদিল্লিতে দ্বিতীয় শোরুম চালু করেছে। বিজেপি-সমর্থিত ‘স্বদেশি জাগরণ মঞ্চ’ দেশজুড়ে আমেরিকান ব্র্যান্ড বর্জনের প্রচারণা চালাচ্ছে। দলের সহ-সমন্বয়ক আশ্বিনী মহাজন বলেন, “মানুষ ধীরে ধীরে দেশীয় পণ্যের দিকে ঝুঁকছে—এটি দেশপ্রেমের প্রতীক।”

    তবে সাধারণ ক্রেতাদের অনেকে শুল্কবিষয়ক এই উত্তেজনাকে গুরুত্ব দিচ্ছেন না। লখনউয়ের রাজাত গুপ্তা ম্যাকডোনাল্ডসে কফি খেতে খেতে বলেন, “শুল্কনীতি কূটনৈতিক বিষয়, আমার কফির সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই।”

  • বিজেপি-বিরোধী বিক্ষোভে দিল্লি পুলিশের হাতে আটক রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী

    বিজেপি-বিরোধী বিক্ষোভে দিল্লি পুলিশের হাতে আটক রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী

    এবিএনএ:   ভারতের রাজধানী দিল্লিতে বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে বিরোধী দলগুলোর বিক্ষোভ মিছিলে অংশ নিয়ে আটক হয়েছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ভদ্রা। তাদের সঙ্গে শিবসেনা (ইউবিটি) নেতা সঞ্জয় রাউতসহ ইন্ডিয়া জোটের আরও কয়েকজন সিনিয়র সংসদ সদস্যকেও আটক করেছে পুলিশ।

    সোমবার (১১ আগস্ট) সকালে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ জানাতে পার্লামেন্ট ভবন থেকে নির্বাচন কমিশনের সদর দপ্তরের দিকে পদযাত্রা শুরু করেন ইন্ডিয়া জোটের নেতারা। তবে পুলিশ তাদের থামিয়ে দেয় এবং মিছিল থেকে আটক করে নিকটবর্তী থানায় নিয়ে যায়।

    যুগ্ম পুলিশ কমিশনার দীপক পুরোহিত জানান, এই বিক্ষোভের জন্য কোনো অনুমতি ছিল না। নির্বাচন কমিশন কেবল ৩০ জন সংসদ সদস্যকে অভিযোগ জমা দেওয়ার অনুমতি দিয়েছিল, কিন্তু মিছিলে ২০০ জনেরও বেশি অংশ নেয়। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির আশঙ্কায় পুলিশ বাধা দেয় এবং কিছু নেতা ব্যারিকেড ভেঙে ঢোকার চেষ্টা করলে তাদের আটক করা হয়।

    বিক্ষোভস্থলে দেখা গেছে, নেতারা ও কর্মীরা প্ল্যাকার্ড হাতে স্লোগান দিচ্ছেন এবং পুলিশ ব্যারিকেডের সামনে প্রতিরোধ গড়ে তুলছেন। এ সময় সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদবকে ব্যারিকেড টপকাতে দেখা যায়। তৃণমূল কংগ্রেসের দাবি, বিশৃঙ্খলার মধ্যে মহুয়া মৈত্রসহ দুই সাংসদ অজ্ঞান হয়ে পড়েন।

    আটকের সময় রাহুল গান্ধী বলেন, “আমরা নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে কথা বলতে পারি না—এটাই সত্য। এই লড়াই রাজনৈতিক নয়, এটি সংবিধান ও এক ব্যক্তি এক ভোটের অধিকারের জন্য।” প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বলেন, “ওরা ভয়ে আছে, সরকার কাপুরুষ।”

    বিহারের ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) ও নির্বাচনী অনিয়মের অভিযোগে এই বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলের অগ্রভাগে ছিলেন রাহুল গান্ধী, আর পেছনে ছিলেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে, যিনি ঘটনাস্থলেই বসে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন।

  • গাজায় নীরব ভারত এবার ইসরায়েলের সঙ্গে সামরিক জোট আরও শক্ত করছে

    গাজায় নীরব ভারত এবার ইসরায়েলের সঙ্গে সামরিক জোট আরও শক্ত করছে

    এবিএনএ:  গাজায় মানবিক বিপর্যয়ের মধ্যেও ইসরায়েলের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সামরিক সম্পর্ক আরও মজবুত করছে ভারত। নয়াদিল্লিতে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে ভারতের প্রতিরক্ষা সচিব রাজেশ কুমার সিং এবং ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপ-সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল আমির বারাম সামরিক সহযোগিতা জোরদার করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন।

    দ্য মিডলইস্ট আই–এর এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, দুই দেশের মধ্যে এই বৈঠক এমন এক সময়ে অনুষ্ঠিত হলো, যখন গাজায় ইসরায়েলের অবরোধে দুর্ভিক্ষ ও মৃত্যু মিছিল চলছে। তবুও নয়াদিল্লি মুখে কুলুপ এঁটে রেখেছে।

    বৈঠকে জানানো হয়, ‘দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত সম্পর্কের দৃষ্টিকোণ থেকে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও সম্প্রসারিত হবে’। ভারত স্পষ্টভাবে ইসরায়েলকে তার কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক মিত্র হিসেবে ধরে রাখছে, এমনকি অনেক দেশ ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ আনলেও।

    এটি ছিল গত কয়েক সপ্তাহের মধ্যে দুই দেশের মধ্যে একাধিক কূটনৈতিক উদ্যোগের অংশ। এর আগে, দিল্লির মেয়র ও বিজেপি নেতা রাজা ইকবাল সিং ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূত রুভেন আজার-এর সঙ্গে বৈঠকে মিলিত হন। সেই বৈঠকে ভারতের পক্ষ থেকে গাজায় ইসরায়েলের পাশে থাকার সংকল্প পুনর্ব্যক্ত করা হয়।

    রাজা ইকবাল সিং বলেন,

    “ভারত ও ইসরায়েলের মধ্যে বন্ধুত্ব, সহযোগিতা এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধার উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে এক শক্তিশালী সম্পর্ক।”

    এমন এক সময়ে যখন গাজায় প্রতিদিন মানবিক বিপর্যয়ের খবর আসছে, তখন ভারত সরকার ও বিজেপির নেতাদের এই অবস্থান আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে আলোচনা সৃষ্টি করেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারত তার মধ্যপ্রাচ্য নীতি ও কৌশলগত সামরিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকেই ইসরায়েলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়াচ্ছে।