Tag: বিচার দাবি

  • মিথ্যা অভিযোগে নাম জড়িয়ে অপপ্রচার! বাগেরহাটে সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগীর ক্ষোভ ও বিচার দাবি

    মিথ্যা অভিযোগে নাম জড়িয়ে অপপ্রচার! বাগেরহাটে সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগীর ক্ষোভ ও বিচার দাবি

    এবিএনএ, বাগেরহাট:মিথ্যা অভিযোগ ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচারের বিরুদ্ধে বাগেরহাটে সংবাদ সম্মেলন করে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন চিতলমারী উপজেলার বাসিন্দা বাবুল শেখ। শনিবার দুপুরে বাগেরহাট প্রেসক্লাব–এর সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এই সংবাদ সম্মেলনে তিনি লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন এবং অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্তের দাবি তোলেন।

    বাবুল শেখ জানান, সম্প্রতি পিরোজপুর জেলার নাজিরপুর উপজেলার মাটিভাঙ্গা ইউনিয়নের আতুলনগর গ্রামে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে হামলা, ভাঙচুর ও প্রতিমা ভাঙার ঘটনায় বিভিন্ন গণমাধ্যমে তার নাম জড়িয়ে সংবাদ প্রকাশ হয়েছে। তিনি দাবি করেন, এসব খবর সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যমূলক। ঘটনার দিন ও সময়ে তিনি কিংবা তার ছেলে কেউই ঘটনাস্থলে ছিলেন না; এমনকি ওই স্থান তার ব্যক্তিগতভাবে পরিচিতও নয়।

    লিখিত বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিনের জমি বিরোধকে ঘিরে পরিকল্পিতভাবে তাকে ফাঁসানোর চেষ্টা চলছে। তার স্ত্রীর মালিকানাধীন ২৮ শতক জমি দেখাশোনার দায়িত্ব প্রায় ১৭ বছর আগে ধ্রুব বিশ্বাসের কাছে ন্যস্ত করেছিলেন। ব্যবসায়িক কারণে দীর্ঘদিন এলাকার বাইরে থাকায় জমির নিয়মিত তদারকি সম্ভব হয়নি—এই সুযোগে একটি পক্ষ সাজানো অভিযোগ এনে তাকে আসামি করার অপচেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

    সংবাদ সম্মেলনে বাবুল শেখ অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে তাকে বিভিন্ন মামলায় জড়িয়ে হয়রানি করার চেষ্টা চলছে। তিনি এসব অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা জানান এবং নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।

  • হাদি হত্যার বিচার দাবিতে চট্টগ্রামে শাহ আমানত সেতুর মুখে অবরোধ

    হাদি হত্যার বিচার দাবিতে চট্টগ্রামে শাহ আমানত সেতুর মুখে অবরোধ

    এবিএনএ,চট্টগ্রাম: শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যার বিচার ও জড়িতদের গ্রেফতারের দাবিতে চট্টগ্রামের শাহ আমানত সেতুর মুখে অবরোধ কর্মসূচি পালন করেছেন ইনকিলাব মঞ্চের স্থানীয় কর্মী-সমর্থকরা।

    রোববার (২৮ ডিসেম্বর) দুপুর ২টার পর সংগঠনটির কয়েকশ নেতা-কর্মী সেতুর মুখে অবস্থান নেন। পরে ধীরে ধীরে কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা বাড়তে থাকে। শুরুর দিকে সেতুর মুখে সড়কের এক পাশে অবস্থান নিলেও পরে উভয় পাশে অবস্থান নেন তারা। এতে চট্টগ্রামের সঙ্গে কক্সবাজার, বান্দরবান,ও দক্ষিণ চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলার গণপরিবহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। সেতুর দুই পাশে শত শত যানবাহন আটকা পড়ে। এতে ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা।

    ইনকিলাব মঞ্চ চট্টগ্রামের আহ্বায়ক রাফসান রাকিব বলেন, কেন্দ্রঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে শাহ আমানত সেতুর মুখে অবস্থান নিয়ে অবরোধ কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। সন্ধ্যা পর্যন্ত এ কর্মসূচি চলবে।

  • সাংবাদিক তুহিন হত্যার প্রতিবাদে জবিসাসের জোরালো অবস্থান, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি

    সাংবাদিক তুহিন হত্যার প্রতিবাদে জবিসাসের জোরালো অবস্থান, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি

    এবিএনএ:  গাজীপুরে খুন হওয়া দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ পত্রিকার সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিন হত্যার তীব্র নিন্দা জানিয়ে মানববন্ধন করেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি (জবিসাস)। শুক্রবার জুমার নামাজের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ভাস্কর্য চত্বরে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

    জবিসাস নেতৃবৃন্দ বলেন, একটি স্বাধীন গণমাধ্যম রাষ্ট্রের মেরুদণ্ড। একজন সংবাদকর্মীকে নির্মমভাবে হত্যা করা মানে শুধু একটি প্রাণের অবসান নয়, বরং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং জনগণের জানার অধিকারকে ভয় দেখানো।

    দপ্তর সম্পাদক ও দৈনিক যুগান্তরের প্রতিনিধি সাকেরুল ইসলাম বলেন, “তুহিনকে হত্যা করা শুধু একজন সাংবাদিককে স্তব্ধ করার চেষ্টা নয়, এটি গোটা সমাজ ও গণতন্ত্রের ওপর আঘাত। আমরা দ্রুত বিচার চাই।”

    সহসভাপতি ও দ্য ডেইলি সানের প্রতিবেদক আসাদুল ইসলাম বলেন, “সাংবাদিকদের ওপর বারবার হামলা প্রমাণ করে যে রাষ্ট্র জনগণের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হচ্ছে। এসব অপরাধ বিচার না পেলে গণমাধ্যম চুপ হয়ে যাবে।”

    সভাপতি ও দৈনিক সমকালের সাংবাদিক ইমরান হুসাইন বলেন, “আমরা কলম চালাই অন্যায়ের বিরুদ্ধে। অথচ আজ সেই কলমকেই থামিয়ে দিতে চায় দুর্বৃত্তরা। এভাবে চলতে থাকলে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা চরম হুমকিতে পড়বে।”

    মানববন্ধনটি সঞ্চালনা করেন জবিসাসের সাংগঠনিক সম্পাদক ও কালের কণ্ঠের প্রতিনিধি মো. জুনায়েত শেখ। উপস্থিত ছিলেন অর্থ সম্পাদক নুর আলম (নয়া দিগন্ত), কার্যনির্বাহী সদস্য আব্দুল্লাহ আল মামুন (আমার সংবাদ), আব্দুর রাকিব (দ্য নিউ নেশন), রাকিবুল ইসলাম (আমাদের সময়), রাকিব মাদবর (ডেইলি স্টার) প্রমুখ।

    তাঁরা সবাই তুহিন হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত এবং হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। বক্তারা বলেন, সাংবাদিকরা চুপ থাকলে দুর্নীতি, দমন-পীড়ন, স্বৈরতন্ত্র আরও বেড়ে যাবে।


    এই হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার না হলে সাংবাদিক সমাজের মধ্যে উদ্বেগ ও আতঙ্ক বাড়বে, যা রাষ্ট্রীয় গণতন্ত্রের জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াবে।