Tag: বিক্ষোভ মিছিল

  • ছাত্রনেতা মাসুম হত্যার প্রতিবাদে শরণখোলায় বিক্ষোভ ও মানববন্ধন

    ছাত্রনেতা মাসুম হত্যার প্রতিবাদে শরণখোলায় বিক্ষোভ ও মানববন্ধন

    এবিএনএ,শরণখোলা(বাগেরহাট): শরণখোলায় ছাত্রদল নেতা আরিফুল ইসলাম মাসুমকে নৃশংসভাবে হত্যা করার প্রতিবাদে এবং হত্যায় জড়িতদের ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী। ৬ মার্চ (শুক্রবার) সকালে উপজেলার সাউথখালী ইউনিয়ন এর খুড়িয়াখালী গ্রামে নিহত মাসুমের বাড়ির সামনে এ বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। বিক্ষোভ মিছিলে প্রায় পাঁচ শতাধিক নারী ও পুরুষ অংশ নেয়। উল্লেখ্য গত ১ মার্চ রাতে মাসুমকে হত্যা করা হলে অভিযুক্তদের মধ্যে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয় এবং বাকী আসামীরা পালিয়ে যায়।

    মানববন্ধনে অংশ নেওয়া এলাকাবাসীরা বলেন, মাসুমের হত্যায় যারা জড়িত তারা পূর্বে বনদস্যুতার সাথে যুক্ত ছিলো। বর্তমানেও পালিয়ে যাওয়া আসামীরা সুন্দরবনে অবস্থান করছে এবং রাতে তারা তাদের নিজেদের বাড়ীতে থাকে। এ ব্যাপারে প্রশাসনের কোনো তৎপরতা নেই বলে এলাকাবাসীরা অভিযোগ করেন।

    নিহত মাসুমের পরিবার জানায়, আসামীর পরিবারের নারীরা সন্ধ্যা হলেই ধারালো দা নিয়ে রাস্তায় বের হয়। গতকাল রাতে নিহত মাসুমের বড় ভাইকে একা পেয়ে দা- বটি নিয়ে তেড়ে আসে অভিযুক্ত আসামী পরিবারের দুই নারী সদস্য। পরবর্তীতে পুলিশ ঘটনাস্থলে আসলে ওই নারীরা পালিয়ে যায় এবং ঘটনাস্থল থেকে একটি ধারালো বটি উদ্ধার করে।

    এ ব্যাপারে শরণখোলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামিনুল হক বলেন, অভিযুক্ত আসামীরা ঘটনার পর থেকে এলাকা থেকে পালিয়েছে। তবে তাদেরকে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে আমাদের বিশেষ অভিযান চলছে।

  • জনরায় উপেক্ষা মানেই ফ্যাসিবাদের পথে হাঁটা—বায়তুল মোকাররমে ১১ দলের তীব্র হুঁশিয়ারি

    জনরায় উপেক্ষা মানেই ফ্যাসিবাদের পথে হাঁটা—বায়তুল মোকাররমে ১১ দলের তীব্র হুঁশিয়ারি

    এবিএনএ: নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা ও অভিযোগের প্রতিবাদে রাজধানীর বায়তুল মোকাররম প্রাঙ্গণে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে কড়া বার্তা দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী–এর নেতারা। দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরোয়ার বলেন, সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের রায় উপেক্ষা করা হলে তার পরিণতি ফ্যাসিবাদের মতোই ভয়াবহ হতে পারে।

    ১১ দলীয় ঐক্যের ব্যানারে আয়োজিত কর্মসূচিতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা অংশ নেন। বক্তারা অভিযোগ করেন, নির্বাচনের আগে ও পরে অনিয়ম, সহিংসতা ও ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে জনগণের ভোটাধিকার ক্ষুণ্ন করা হয়েছে। ফল ঘোষণার প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তাঁরা বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন–এর কাছে দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান।

    সমাবেশে বক্তারা বলেন, গণভোটের মাধ্যমে সংস্কার ও গণতন্ত্রের পক্ষে জনগণ যে ম্যান্ডেট দিয়েছে, তা অগ্রাহ্য করলে রাজনৈতিক অস্থিরতা বাড়বে। নারী ও সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার অভিযোগ তুলে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আহ্বান জানানো হয়। পাশাপাশি সংসদের ভেতরে ও বাইরে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন নেতারা।

    বিক্ষোভ শেষে নেতারা বলেন, জনগণের প্রত্যাশা পূরণে নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা বন্ধ, নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দ্রুত বিচার নিশ্চিত না হলে রাজপথের কর্মসূচি আরও জোরদার করা হবে।

  • জাকসু নির্বাচন বর্জনের পর ছাত্রদলের বিক্ষোভে উত্তাল জাহাঙ্গীরনগর ক্যাম্পাস

    জাকসু নির্বাচন বর্জনের পর ছাত্রদলের বিক্ষোভে উত্তাল জাহাঙ্গীরনগর ক্যাম্পাস

    এবিএনএ:  জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু) নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেওয়ার পরপরই বিক্ষোভে নামে ছাত্রদল। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে তারা বিক্ষোভ মিছিল বের করে।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মিছিলটি নতুন কলাভবনের সামনে থেকে শুরু হয়ে নির্বাচন কমিশনের কার্যালয়ের সামনে দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন চত্বর পর্যন্ত যায়।

    এ সময় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা স্লোগান দেন— “বয়কট বয়কট, জাকসু বয়কট”, “প্রহসনের জাকসু, মানি না, মানবো না”

    মিছিল চলাকালে ক্যাম্পাসে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ছাত্রদল দাবি করে, নির্বাচন ছিল অনিয়ম ও কারচুপিতে ভরা, তাই শিক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় তাদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।

  • ডাকসু নির্বাচনে ভোট কারচুপির অভিযোগে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল

    ডাকসু নির্বাচনে ভোট কারচুপির অভিযোগে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল

    এবিএনএ: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে ভোট কারচুপির অভিযোগ তুলে ছাত্রদল বিক্ষোভ মিছিল করেছে। মিছিলের নেতৃত্বে ছিলেন ভিপি প্রার্থী আবিদুল ইসলাম আবিদ

    মঙ্গলবার সন্ধ্যায় টিএসসি থেকে শুরু হয়ে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে মিছিলটি। ছাত্রদলের নেতা ও কর্মীরা স্লোগান দেন, “নির্বাচনে কারচুপি, মানি না মানব না।”

    আবিদুল ইসলাম অভিযোগ করেন, “বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নির্বাচনে ভোট কারচুপি করেছে। স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স দেওয়া হয়নি। ভোট গণনার দুই ঘণ্টা পার হওয়ার পর ছাত্রদলের এজেন্টদের ভোট গণনা কক্ষে ঢোকার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। সুষ্ঠু তদন্ত ছাড়া আমরা নির্বাচনী ফলাফল মেনে নেব না।”

    উল্লেখ্য, প্রায় ৬ বছর পর অনুষ্ঠিত হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) এবং হল সংসদ নির্বাচন। ভোটগ্রহণ শুরু হয় সকাল ৮টা থেকে এবং বিরতিহীনভাবে চলে বিকাল ৪টা পর্যন্ত।

  • ষড়যন্ত্র হলে রাজপথেই জবাব দেবে বিএনপি: স্বেচ্ছাসেবক দলের হুঁশিয়ারি

    ষড়যন্ত্র হলে রাজপথেই জবাব দেবে বিএনপি: স্বেচ্ছাসেবক দলের হুঁশিয়ারি

    এবিএনএ:  রাজনৈতিক অস্থিরতা, প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তা এবং ষড়যন্ত্রমূলক তৎপরতার বিরুদ্ধে রাজপথে সরব হয়ে উঠেছে বিএনপির সহযোগী সংগঠন স্বেচ্ছাসেবক দল। মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল ও সংক্ষিপ্ত সমাবেশ থেকে দলটির নেতারা হুঁশিয়ারি দেন—বিএনপি ও তাদের নেতাদের বিরুদ্ধে যে কোনো ষড়যন্ত্র রাজপথেই প্রতিহত করা হবে।

    বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব-উন-নবী খান সোহেল সমাবেশে বলেন, “সন্ত্রাস ও খুনের কোনো দল বা আদর্শ থাকে না। মিটফোর্ড হত্যাকাণ্ডকে পুঁজি করে বিএনপির বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। আগে নিজের মুখ আয়নায় দেখুন, তারপর অন্যের দিকে আঙুল তুলুন।”

    তিনি আরও বলেন, “যদি কোনো মহল বিএনপি ও তার নেতাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে, তবে সে ষড়যন্ত্র রুখে দেওয়া হবে রাজপথেই। আমাদের ধৈর্যের সীমা পরীক্ষা করবেন না। ধৈর্যের বাঁধ ভাঙলে পরিস্থিতি ভয়াবহ হতে পারে।”

    সমাবেশ শেষে বিকেল ৫টায় নয়াপল্টন থেকে মিছিল শুরু হয়ে কাকরাইল, মৎস্য ভবন হয়ে শাহবাগ মোড় গিয়ে শেষ হয়। সেখানেই সোয়া ৬টার দিকে ১৫ মিনিটের অবস্থান কর্মসূচি পালন করে স্বেচ্ছাসেবক দল। এর ফলে শাহবাগ মোড়ে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। আশপাশের এলাকায় সৃষ্টি হয় ভয়াবহ যানজট।

    বিক্ষোভে স্বেচ্ছাসেবক দলের বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা ব্যানার-ফেস্টুন ও পতাকা নিয়ে অংশ নেন। বৃষ্টিকে উপেক্ষা করে তাঁরা স্লোগানে স্লোগানে গর্জে ওঠেন।

    সংক্ষিপ্ত সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি এস এম জিলানী এবং সঞ্চালনায় ছিলেন সাধারণ সম্পাদক রাজীব আহসান। বক্তব্য দেন বিএনপির স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরফত আলী সপু, সাবেক সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুল হাসান ও ফখরুল ইসলাম রবিন।

    বক্তারা সরকারের বিরুদ্ধে ‘রাষ্ট্রীয় ষড়যন্ত্র’ ও ‘প্রশাসনিক সহায়তায় বিরোধী দল দমন’ করার অভিযোগ তুলে এর বিরুদ্ধে দেশজুড়ে আন্দোলনের প্রস্তুতির আহ্বান জানান।

  • চট্টগ্রামে জামায়াতের উত্তাল বিক্ষোভ: বর্বর হত্যাকাণ্ড ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ

    চট্টগ্রামে জামায়াতের উত্তাল বিক্ষোভ: বর্বর হত্যাকাণ্ড ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ

    চট্টগ্রামে জামায়াতের উত্তাল বিক্ষোভ: বর্বর হত্যাকাণ্ড ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ

    চট্টগ্রাম প্রতিনিধি:
    সাম্প্রতিক মিডফোর্ডের বীভৎস হত্যাকাণ্ডসহ দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়া সন্ত্রাস, খুন ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে জোরালো প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। সংগঠনের চট্টগ্রাম মহানগরীর বিভিন্ন থানায় অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে সরকারের প্রতি খুনিদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আহ্বান জানানো হয়।

    সদরঘাট থানা জামায়াতের উদ্যোগে আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন অধ্যাপক মুহাম্মদ আব্দুল গফুর। বিকেলে মাদারবাড়ি পাম্প মসজিদ এলাকা থেকে শুরু হওয়া মিছিলটি প্রধান সড়ক ঘুরে কদমতলী মোড়ে গিয়ে সমাবেশে রূপ নেয়।

    সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও মহানগরী সহকারী সেক্রেটারি মোহাম্মদ উল্লাহ। আরও উপস্থিত ছিলেন সদরঘাট জামায়াতের সেক্রেটারি সরওয়ার জাহান সিরাজী, সহকারী সেক্রেটারি ফজলে এলাহী শাহিন, কবির আহমদ ও শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের থানা সভাপতি আব্বাস উদ্দিন।

    বক্তারা বলেন, অতীতে সন্ত্রাস ও দমননীতির বিরুদ্ধে দেশের মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়ে স্বৈরশাসকের পতন ঘটিয়েছে। তারা হুঁশিয়ার করে বলেন, বর্তমানেও কেউ যদি সন্ত্রাস ও স্বৈরতন্ত্র কায়েমের চেষ্টা করে, জনগণ তা মেনে নেবে না। বর্বর খুন, চাঁদাবাজি, দখল ও ধর্ষণের বিরুদ্ধে জাতীয় প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান তারা।

    অন্যদিকে, কোতোয়ালী থানায় জামায়াত আয়োজিত আরেকটি প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয় আন্দরকিল্লা শাহী জামে মসজিদের সামনে। থানা আমীর আমির হোছাইনের সভাপতিত্বে মিছিল-পূর্ব বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট চিকিৎসক ও চট্টগ্রাম-৯ আসনের মনোনীত প্রার্থী ডা. এ. কে. এম. ফজলুল হক।

    বক্তব্য দেন অধ্যাপক আবদুজ জাহের, সেক্রেটারি মোস্তাক আহমেদ, হামীদুল ইসলাম, ছাত্রশিবির নেতারা মিনহাজ উদ্দীন ও আবরার হোসাইন। স্থানীয় ওয়ার্ড নেতৃবৃন্দসহ শতাধিক জনতা এই বিক্ষোভে অংশগ্রহণ করেন।

    এই মিছিল আন্দরকিল্লা থেকে শুরু হয়ে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে জামালখান মোড়ে শেষ হয়।