Tag: বিএনপি

  • বাগেরহাটে ভোটের চূড়ান্ত ফল: চার আসনে ক্ষমতার পালাবদল, জামায়াতের তিনটিতে জয়, বিএনপির একটিতে সাফল্য

    বাগেরহাটে ভোটের চূড়ান্ত ফল: চার আসনে ক্ষমতার পালাবদল, জামায়াতের তিনটিতে জয়, বিএনপির একটিতে সাফল্য

    এবিএনএ, বাগেরহাট: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গণনা শেষে বাগেরহাট জেলার চারটি সংসদীয় আসনের বেসরকারি ফল প্রকাশ করা হয়েছে। শুক্রবার ভোরে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা গোলাম মো. বাতেন তার দপ্তরে ফল ঘোষণা করেন। ঘোষিত ফলাফলে জেলার তিনটি আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীরা এবং একটি আসনে বিএনপির প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন।

    বাগেরহাট-১ (চিতলমারী–ফকিরহাট–মোল্লাহাট) আসনে জামায়াতে ইসলামীর মাওলানা মশিউর রহমান দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ১ লাখ ১৭ হাজার ৯৬৬ ভোট পেয়ে এগিয়ে থেকে জয় পান। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির কপিল কৃষ্ণ ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ১৪ হাজার ৫৯০ ভোট সংগ্রহ করেন।

    বাগেরহাট-২ (সদর–কচুয়া) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-এর প্রার্থী শেখ মঞ্জুরুল হক রাহাদ দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ১ লাখ ১৬ হাজার ৩৭০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। এই আসনে বিএনপির ব্যারিস্টার শেখ মোহাম্মাদ জাকির হোসেন ধানের শীষ প্রতীকে পান ৬৬ হাজার ২৭৪ ভোট।

    বাগেরহাট-৩ (মোংলা–রামপাল) আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল মনোনীত প্রার্থী ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৩ হাজার ৭১১ ভোট পেয়ে জয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের অ্যাডভোকেট আব্দুল ওয়াদুদ দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পান ৮৩ হাজার ৭০৫ ভোট।

    অন্যদিকে বাগেরহাট-৪ (মোরেলগঞ্জ–শরণখোলা) আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আব্দুল আলিম দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। এ আসনে বিএনপির প্রার্থী সোমনাথ দে ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৯৮ হাজার ৩২৬ ভোট।

    ফল ঘোষণার পর সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে সমর্থকদের মধ্যে উচ্ছ্বাস দেখা যায়। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং আনুষ্ঠানিক গেজেট প্রকাশের পর ফল চূড়ান্ত রূপ পাবে।

  • ভোট শেষ হতেই ফল জানতে চায় দেশ, বিলম্বে ‘ভ্রান্তি ছড়াতে পারে’—ইসিকে সতর্ক করলেন তারেক রহমান

    ভোট শেষ হতেই ফল জানতে চায় দেশ, বিলম্বে ‘ভ্রান্তি ছড়াতে পারে’—ইসিকে সতর্ক করলেন তারেক রহমান

    এবিএনএ: জাতীয় নির্বাচনের ফলাফল দ্রুত ঘোষণা না হলে জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে—এমন আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার ভোট প্রদান ও কয়েকটি ভোটকেন্দ্র ঘুরে দেখার পর গুলশানে নিজের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি নির্বাচন কমিশনের প্রতি দ্রুত ফল প্রকাশে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান।

    তারেক রহমান বলেন, ভোটাররা তাদের দেওয়া ভোটের ফল দ্রুত জানতে চান। ফল ঘোষণায় অযথা বিলম্ব হলে নানা গুজব ও ভুল ব্যাখ্যার সুযোগ তৈরি হয়। তাই স্বচ্ছতা বজায় রাখতে দ্রুত ও পরিষ্কারভাবে ফল প্রকাশ জরুরি।

    তিনি অভিযোগ করেন, ভোটের আগের দিন থেকেই দেশের বিভিন্ন এলাকায় অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার খবর পাওয়া গেছে। এ পরিস্থিতিতে ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আরও সক্রিয়ভাবে মাঠে থাকার অনুরোধ জানান বিএনপি চেয়ারম্যান।

    তার বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, মানুষ নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারলে কোনো অপচেষ্টা সফল হবে না। ভোটগ্রহণ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হলে ফলাফল মেনে নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি। তবে ভোটে কারচুপি বা ফল নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হলে সেটি গ্রহণযোগ্য হবে না বলে সতর্ক করেন।

    সবশেষে তারেক রহমান বলেন, শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনই গণতন্ত্রকে শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে পারে।

  • বাগেরহাটে ভোটকেন্দ্রকে কেন্দ্র করে বিএনপি–জামায়াত সংঘর্ষ, আহত ১৯

    বাগেরহাটে ভোটকেন্দ্রকে কেন্দ্র করে বিএনপি–জামায়াত সংঘর্ষ, আহত ১৯

    এবিএনএ, বাগেরহাট :  বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার সকালে ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার পর সাউথখালী ইউনিয়নের ১ নম্বর সোনাতলা গ্রামে সংঘর্ষের ফলে অন্তত ১৯ জন আহত হয়েছেন।

    আহতদের মধ্যে জামায়াতের সাব্বির, তরিকুল, সোবহান, নাজমা ও ফরিদাসহ ১৫ জন এবং বিএনপির রফিকুল ও ছিদ্দিকসহ ৪ জন রয়েছে। আহতদের শরণখোলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এলাকা জুড়ে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

    একই সময় বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার বিছট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রীয় এলাকায় দেশীয় অস্ত্রসহ নাহিদ নামে এক যুবককে আটক করেছে যৌথ বাহিনী। তার কাছ থেকে রামদা উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়াও হাড়িখালী কাঠের পোল এলাকার ফার্নিচারের দোকান থেকে ছয়টি হাসুয়া, তিনটি করাত, তিনটি চাকু, একটি বড় হাতুড়ি ও সাতটি লোহার হাতুড়ি উদ্ধার করা হয়েছে।

    লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মো. আব্দুর রউফ বলেন, আসন্ন নির্বাচনের সময় নাশকতার উদ্দেশ্যে এসব অস্ত্র মজুদ করা হয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে।

    পুলিশ সুপার হাসান চৌধুরী জানান, কেউ কোনো ধরনের অপরাধের চেষ্টা করলে তাকে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বাগেরহাট জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা গোলাম মো. বাতেন বলেন, “শরণখোলায় ছোটখাটো সংঘর্ষ হয়েছে, তবে ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণভাবে চলার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তৎপর রয়েছে।”

  • মেহেরপুরের চার ভোটকেন্দ্রে সংঘর্ষ ও হামলা, আহত ১৭, একজন আটক

    মেহেরপুরের চার ভোটকেন্দ্রে সংঘর্ষ ও হামলা, আহত ১৭, একজন আটক

    এবিএনএ, মেহেরপুর : মেহেরপুরে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় দুইটি আসনের চারটি ভোটকেন্দ্রে পৃথক হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে জামায়াতের ১৬ জন ও বিএনপির ১ জন কর্মী আহত হয়েছেন। পুলিশের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। একজনকে আটক করা হয়েছে।

    সূত্র জানিয়েছে, সকালে মেহেরপুর-২ আসনের গাংনী উপজেলার সাহারবাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দিতে যাওয়ার সময় ভোটারদের বাধাদানের কারণে বিএনপি ও জামায়াত নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। এতে জামায়াতের ১০ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে ৬ জনকে মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    একই সময়ে গাংনী উপজেলার ছাতিয়ান কেন্দ্রে কেন্দ্রের বাইরে হামলার অভিযোগ ওঠে। সংঘর্ষে জামায়াতের আরও ৪ জন আহত হন। তাদের মধ্যে ৩ জনকে গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

    সকাল সাড়ে ১০টার দিকে গাংনী উপজেলার খাসমহল গ্রামে আরেকটি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে বিএনপির একজন কর্মী আহত হন।

    অন্যদিকে মেহেরপুর-১ আসনের চাঁদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দেওয়ার পর বাড়ি ফেরার পথে বিএনপি নেতাকর্মীদের হামলায় জামায়াত সমর্থক ২ জন আহত হয়েছেন। এই ঘটনায় একজন বিএনপি কর্মীকে আটক করেছে পুলিশ।

    মেহেরপুর পুলিশ সুপার উজ্জ্বল কুমার রায় জানিয়েছেন, “সংঘর্ষের পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। ভোটগ্রহণ সুষ্ঠুভাবে চলছে। হামলার ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।”

  • নৌকাবিহীন ব্যালটে আওয়ামী লীগের ‘কৌশলী ভোট’ হতে পারে নির্বাচন নির্ধারক

    নৌকাবিহীন ব্যালটে আওয়ামী লীগের ‘কৌশলী ভোট’ হতে পারে নির্বাচন নির্ধারক

    এবিএনএ: বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত আসে বৃহস্পতিবার, যখন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। দীর্ঘ দেড় দশকের শাসনকাল শেষে আওয়ামী লীগ সরাসরি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারছে না। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নিষেধাজ্ঞা ও শীর্ষ নেতাদের বিদেশে অবস্থানের কারণে দলটি এই নির্বাচনে অনুপস্থিত। তবে দেশের রাজনৈতিক সমীকরণে আওয়ামী লীগের বিশাল ভোটব্যাংক আজও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

    দলের কর্মী ও সমর্থকরা ভোট কেন্দ্রে কৌশলী বা ট্যাকটিক্যাল ভোট দিতে পারেন। নৌকা প্রতীক না থাকায় তারা নিজেরা ভোট কাকে দেবেন তা নির্ধারণ করছেন স্থানীয় নিরাপত্তা, প্রতিহিংসার ভয় ও রাজনৈতিক অস্তিত্ব রক্ষা করার ভিত্তিতে। সামাজিক মাধ্যমে “No Boat, No Vote” প্রচারণা দেখা গেছে, তবে বাস্তবে ভোট কেন্দ্রে উপস্থিতি ভিন্ন হতে পারে।

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই কৌশলী ভোট বিএনপি ও জামায়াতের নির্বাচনী কৌশলকে প্রভাবিত করবে। বিশেষ করে প্রথমবার ভোটদাতারা এবং বয়সে ৩৫–৪০-এর নিচের ভোটাররা নির্বাচনের ফলাফলে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবেন। বিএনপি ও জামায়াত বিভিন্ন এলাকায় নমনীয় অবস্থান গ্রহণ করেছে, যাতে আওয়ামী লীগের ভোটারদের আস্থা জাগানো যায়।

    রাজনৈতিক ইতিহাসে দেখা গেছে, প্রশাসনিকভাবে কোনো দলকে নিষিদ্ধ করা সম্ভব হলেও পুরোপুরি দমন করা যায় না। আওয়ামী লীগের সাধারণ সমর্থকরা নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক প্রভাব বজায় রাখতে ভোট কেন্দ্রে অংশ নিতে পারেন। ফলস্বরূপ, বিএনপি ও জামায়াতের মতো বড় দলগুলো এই ‘অন্যায় ও অনাথ’ ভোটারদের আকৃষ্ট করতে নানা কৌশল ব্যবহার করছে।

    খুলনা, গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর, শরীয়তপুর ও ফরিদপুরের মতো traditionally আওয়ামী অধ্যুষিত এলাকা এবার পরিবর্তিত চিত্র呈 করছে। বিএনপি ও জামায়াতের পোস্টার দৃশ্যমান। হিন্দু ভোটারদের কিছু অংশ নিরাপত্তা আশ্বাসে বিএনপির দিকে ঝুঁকছে। জামায়াতও কৌশলগতভাবে এই ভোটারদের মধ্যে সহমর্মিতার রাজনীতি ব্যবহার করছে।

    বিশ্লেষকরা বলছেন, আওয়ামী লীগের ভোটাররা এবার আবেগ নয়, বরং ‘অস্তিত্ব রক্ষা ও নিরাপত্তা’ ভিত্তিক কৌশলী ভোট দেবেন। ভোটাররা নিশ্চিত থাকবেন যে জয়ী প্রার্থী তাদের ওপর রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চালাবে না। নৌকাবিহীন ব্যালটে এই ভোটাররা যেদিকে ঝুঁকবেন, সেদিকেই নির্বাচনের পাল্লা ভারী হবে। তাই আগামী নির্বাচন শুধু জয়-পরাজয়ের নয়, বরং আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থান নির্ধারণেরও পরীক্ষা হবে।

  • অসুস্থ রুহুল কবির রিজভীকে দেখতে হাসপাতালে গিয়েছেন তারেক রহমান

    অসুস্থ রুহুল কবির রিজভীকে দেখতে হাসপাতালে গিয়েছেন তারেক রহমান

    এবিএনএ: বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদকে দেখতে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে পৌঁছেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

    বুধবার রাত ৮টা ৫৫ মিনিটে পান্থপথের এই হাসপাতালে তিনি উপস্থিত হন। বিএনপি মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    রিজভী আহমেদকে গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার ব্যক্তিগত সহকারী আরিফুর রহমান জানিয়েছেন, জ্বর, ঠান্ডা ও শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যার কারণে তাকে ভর্তি করা হয়েছে।

    অসুস্থতার খবরের পর তারেক রহমান হাসপাতালে এসে নেতাকে স্বাস্থ্যের খোঁজ নেন। রিজভী সুস্থতার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া প্রার্থনা করেছেন।

    এই ঘটনায় বিএনপির পক্ষ থেকে নেতার দ্রুত সুস্থতা কামনা করা হচ্ছে এবং রাজনৈতিক অঙ্গনে শোক্তির পাশাপাশি সমর্থকেরাও তার আরোগ্য কামনা করছেন।

  • রেকর্ডের পথে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন: ৫০ দল, ১১৯ প্রতীক আর ২ হাজারের বেশি প্রার্থীর মহারণ

    রেকর্ডের পথে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন: ৫০ দল, ১১৯ প্রতীক আর ২ হাজারের বেশি প্রার্থীর মহারণ

    এবিএনএ: বাংলাদেশের সংসদীয় রাজনীতিতে নতুন অধ্যায় রচিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে। রাজনৈতিক দল নিবন্ধনের ইতিহাসে এবারই প্রথম এত বিপুলসংখ্যক দল ও প্রতীকের উপস্থিতিতে ভোট হচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের চূড়ান্ত তথ্যমতে, বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) ৫০টি নিবন্ধিত দল এবং স্বতন্ত্র মিলিয়ে মোট ২০২৮ জন প্রার্থী ১২ ফেব্রুয়ারির ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নেমেছেন।

    ভোটাররা এবার ব্যালটে দেখতে পাবেন ১১৯টি ভিন্ন ভিন্ন প্রতীক। ধানের শীষ, দাঁড়িপাল্লা, শাপলা কলিসহ পরিচিত প্রতীকের পাশাপাশি সংস্কার প্রস্তাব নিয়ে ‘হ্যাঁ’ ও ‘না’ ভোট দেওয়ার ব্যবস্থাও থাকছে—যা নির্বাচনী ইতিহাসে আরেকটি ব্যতিক্রমী সংযোজন।

    নির্বাচনে অংশগ্রহণ ও বর্জনের চিত্র
    বর্তমানে নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধিত দলের সংখ্যা ৬০টি। তবে আওয়ামী লীগের নিবন্ধন স্থগিত থাকায় দলটি ভোটে নেই। নিবন্ধিত আরও আটটি দল কোনো প্রার্থী দেয়নি। ইসির তালিকা অনুযায়ী সাম্যবাদী দল (এম.এল), কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ, ন্যাপ, ওয়ার্কার্স পার্টি, বিকল্পধারা বাংলাদেশ, তৃণমূল বিএনপি, বিএনএম ও তরিকত ফেডারেশনের প্রার্থী নেই।

    ২০২৪ সালের দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে যেখানে ২৮টি দল ও ৬৯টি প্রতীক ছিল, সেখানে এবারের অংশগ্রহণ ও প্রতীকের সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ—যা ভোটের মাঠকে আরও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ করে তুলেছে।

    প্রার্থী বিন্যাস ও দলীয় শক্তিমত্তা
    ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপির ২৮৮ জন প্রার্থী লড়ছেন। জামায়াতে ইসলামী দাঁড়িপাল্লায় ২২৪ জন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখায় ২৫৩ জন এবং জাতীয় পার্টির লাঙলে ১৯২ জন প্রার্থী রয়েছেন।
    এ ছাড়া গণ অধিকার পরিষদের ট্রাকে ৯০ জন, সিপিবির কাস্তেতে ৬৫ জন, বাসদের মইয়ে ৩৯ জন, খেলাফত মজলিসের রিকশায় ৩৪ জন, এনসিপির শাপলা কলিতে ৩২ জন, আমার বাংলাদেশ পার্টির ঈগলে ৩০ জনসহ আরও কয়েকটি দলের প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আছেন।

    ১৪ দলীয় জোটের শরিকরা আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচন বর্জনের কথা বললেও চূড়ান্ত তালিকায় জাসদের ছয়জন প্রার্থীর নাম দেখা যাচ্ছে—এ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা চলছে।

    সংক্ষিপ্ত ইতিহাসে ফিরে দেখা
    স্বাধীনতার পর থেকে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ, ভোটের হার ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট বারবার বদলেছে। ১৯৭৩ সালের প্রথম নির্বাচন থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন পর্যন্ত নানা সময় বর্জন, বিতর্ক ও অংশগ্রহণের ভিন্ন ভিন্ন চিত্র দেখা গেছে। সর্বশেষ ২০২৪ সালের নির্বাচনের পর রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের মধ্য দিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়, যা বর্তমান নির্বাচনী ব্যবস্থাকে নতুন বাস্তবতায় দাঁড় করিয়েছে।

    সব মিলিয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শুধু একটি ভোট নয়—এটি বাংলাদেশের নির্বাচনী ইতিহাসে রেকর্ডসংখ্যক দল, প্রতীক ও প্রার্থীর অংশগ্রহণে এক অনন্য মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত হতে যাচ্ছে।

  • ভোটের আগমুহূর্তে অনৈতিক লেনদেন ও সহিংসতার ছায়া: জামায়াতের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ বিএনপির

    ভোটের আগমুহূর্তে অনৈতিক লেনদেন ও সহিংসতার ছায়া: জামায়াতের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ বিএনপির

    এবিএনএ: নির্বাচনের ঠিক আগের দিন সৈয়দপুর বিমানবন্দরে বিপুল অঙ্কের নগদ অর্থসহ জামায়াত নেতার আটকের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভোটের পরিবেশ নষ্টের অভিযোগ তুলেছে বিএনপি। দলটির দাবি, নির্বাচনের আগে এ ধরনের অর্থ বহন ও বিতরণের চেষ্টা স্পষ্টভাবে আচরণবিধি লঙ্ঘনের শামিল এবং এটি ভোট কেনার ইঙ্গিত দেয়।

    বুধবার বিকেলে রাজধানীর গুলশানে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে কমিটির মুখপাত্র ও দলের চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন এসব অভিযোগ তুলে ধরেন। তিনি বলেন, দুর্নীতিবিরোধী স্লোগান দিয়ে যারা মাঠে নেমেছে, তাদের পক্ষ থেকে অর্থের প্রলোভন দেখানো চরম ভণ্ডামির উদাহরণ।

    ভোটার পরিচয় যাচাইয়ের দাবি
    সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি সম্ভাব্য জাল ভোটের আশঙ্কা তুলে ধরে ভোটার পরিচয় নিশ্চিত করার আহ্বান জানায়। মাহদী আমিন বলেন, কিছু এলাকায় ধর্মীয় পোশাক ব্যবহার করে ভোটকেন্দ্রে অনুপ্রবেশের তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। নারীদের মর্যাদা ও পর্দার প্রতি সম্মান রেখেই সন্দেহজনক ভোটারের পরিচয় যাচাইয়ের জন্য এনআইডি বা পাসপোর্টের ছবির সঙ্গে মিল রেখে মুখমণ্ডলের প্রয়োজনীয় অংশ যাচাই করা উচিত। এ কাজ নারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তা বা নারী এজেন্টের উপস্থিতিতে সম্পন্ন করার দাবি জানান তিনি।

    সৈয়দপুর বিমানবন্দর প্রসঙ্গ ও অবৈধ লেনদেনের অভিযোগ
    তিনি বলেন, টানা কয়েক দিন ব্যবসায়িক কার্যক্রম স্থবির থাকার পরও বিপুল অঙ্কের অর্থ বহনের যুক্তি গ্রহণযোগ্য নয়। শুধু সৈয়দপুর নয়, ঢাকা-১৫, কুমিল্লা, নোয়াখালী ও খুলনাসহ বিভিন্ন এলাকায় অবৈধ আর্থিক লেনদেনের খবর বিএনপি পাচ্ছে বলে জানান তিনি।

    এছাড়া অভিযোগ করা হয়, কিছু এলাকায় ভোটারদের বাড়িতে গিয়ে মোবাইল আর্থিক সেবার নম্বর ও ভোটার আইডির তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা চলছে। বিএনপির দাবি, ধর্মীয় আবেগ বা অর্থের প্রলোভন দেখিয়েও ভোটারদের বিভ্রান্ত করা সম্ভব হয়নি।

    সহিংসতা ও জাল সিলের অভিযোগ
    বিএনপির নেতারা আরও বলেন, কয়েকটি এলাকায় ভোটারদের ভয়ভীতি দেখাতে দেশীয় অস্ত্র ও অবৈধ সামগ্রী জড়ো করা হচ্ছে। বগুড়ার নন্দীগ্রামে সংঘর্ষে স্থানীয় এক বিএনপি নেতার আহত হওয়ার ঘটনায় ন্যায়বিচারের দাবি জানান তারা। লক্ষ্মীপুরে জাল সিল উদ্ধারের ঘটনায় গ্রেপ্তার ব্যক্তির জবানবন্দি উল্লেখ করে দলটি দাবি করে, পরিকল্পিতভাবে ভুয়া সিল তৈরির প্রক্রিয়া চলছিল।

    ভোটার ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের প্রতি আহ্বান
    আগামীকালের নির্বাচনে জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে ভোটারদের সকালেই কেন্দ্রে যাওয়ার আহ্বান জানায় বিএনপি। একই সঙ্গে নির্বাচন কমিশন ও সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি নিরপেক্ষ ভূমিকা পালনের দাবি জানিয়ে দলটি শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটাধিকার প্রয়োগের আহ্বান জানিয়েছে।

  • কারা কোথায় ভোট দেবেন? ১২ ফেব্রুয়ারির আগে বিএনপির হেভিওয়েটদের ভোটকেন্দ্রের তালিকা প্রকাশ

    কারা কোথায় ভোট দেবেন? ১২ ফেব্রুয়ারির আগে বিএনপির হেভিওয়েটদের ভোটকেন্দ্রের তালিকা প্রকাশ

    এবিএনএ: আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। দেশজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশের পাশাপাশি ভোটারদের মধ্যে রয়েছে কৌতূহল ও উত্তেজনা। শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে নির্বাচন কমিশন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ব্যস্ত সময় পার করছে। এই প্রেক্ষাপটে বিএনপির শীর্ষ নেতারা কে কোথায় ভোট দেবেন—তা নিয়ে সাধারণ মানুষের আগ্রহ তুঙ্গে।

    দলীয় সূত্র জানিয়েছে, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান রাজধানীর গুলশান এলাকার ভোটার হিসেবে গুলশান মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে ভোট দেবেন। গুরুত্বপূর্ণ এই কেন্দ্রটিতে নির্বাচন দিনে দেশি-বিদেশি গণমাধ্যম ও পর্যবেক্ষকদের উপস্থিতি থাকার কথা।

    বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নিজ জেলা ঠাকুরগাঁওয়ে ভোট দেবেন। তিনি ঠাকুরগাঁও সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে সশরীরে উপস্থিত থেকে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন বলে জানা গেছে। তার ভোট ঘিরে স্থানীয় নেতাকর্মী ও ভোটারদের মধ্যে আলাদা উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে।

    ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় দলের স্থায়ী কমিটির একাধিক নেতা ভোট দেবেন। প্রবীণ নেতা মির্জা আব্বাস রাজধানীর শাহজাহানপুরে অবস্থিত মির্জা আব্বাস মহিলা ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রে ভোট দেবেন। কেরানীগঞ্জে বাবু গয়েশ্বর চন্দ্র রায় আরাকুল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। নরসিংদীর পলাশে ড. আব্দুল মঈন খান চারনগরদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দেবেন।

    বিভাগ ও জেলা পর্যায়ে বিএনপির প্রভাবশালী নেতাদের ভোটও স্থানীয় রাজনীতিতে গুরুত্ব পাচ্ছে। কুমিল্লার দাউদকান্দিতে ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন গয়েশপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দেবেন। চট্টগ্রামে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী মুন্সিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দেবেন। কক্সবাজারের পেকুয়ায় সালাহউদ্দিন আহমদ উপজেলা সরকারি মডেল জিএমসি ইনস্টিটিউট কেন্দ্রে ভোট দেবেন।

    উত্তরাঞ্চলে সিরাজগঞ্জে ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু সালেহা ইশহাক সরকারি বালিকা বিদ্যালয় কেন্দ্রে এবং দক্ষিণে ভোলার লালমোহনে হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম আব্দুল ওয়াহাব সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দেবেন। দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে অধ্যাপক এ জেড এম জাহিদ হোসেন মতিহারা সরকারি হাইস্কুল কেন্দ্রে ভোটাধিকার প্রয়োগের প্রস্তুতি নিয়েছেন।

    দলীয় মিডিয়া সেল জানিয়েছে, প্রতিটি কেন্দ্রে পরিবেশ স্বাভাবিক থাকলে নেতারা নির্ধারিত সময়েই ভোট দেবেন। নেতাদের ভোটকেন্দ্রে উপস্থিতি শুধু নাগরিক দায়িত্ব পালন নয়—দলীয় কর্মী-সমর্থকদের মনোবল জোগাতেও ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

  • আগামী দিনে সরকার হবে জনগণের কাছে দায়বদ্ধ : তারেক রহমান

    আগামী দিনে সরকার হবে জনগণের কাছে দায়বদ্ধ : তারেক রহমান

    এবিএনএ: জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে বিএনপির চেয়ারপারসন তারেক রহমান বলেছেন, জনগণের সমর্থনে সরকার গঠিত হলে রাষ্ট্র পরিচালনা হবে জনগণের কাছে জবাবদিহির ভিত্তিতে। তিনি জানান, দুর্নীতির বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ কঠোর অবস্থান নেওয়া হবে এবং আইনের শাসন কার্যকরভাবে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে। এটাই তাঁর ব্যক্তিগত অঙ্গীকার ও দলের প্রতিশ্রুতি।

    তিনি বলেন, রাষ্ট্র ও সরকারকে জনগণের কাছে দায়বদ্ধ রাখার বিকল্প নেই—কারণ জনগণই রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস। আসন্ন নির্বাচনে ভোট দিয়ে নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানিয়ে তিনি ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ার অনুরোধ করেন। তরুণ ভোটারদের উদ্দেশে বলেন, প্রথম ভোট গণতন্ত্র ও জবাবদিহির পক্ষে দেওয়া হোক।

    ভোটের পর নির্বাচিত প্রতিনিধিরা এলাকার মানুষের দায়িত্ব নেবেন—এ কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এমপিরা দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করছেন কি না, তা নজরদারিতে রাখা হবে। রাষ্ট্র পরিচালনায় ন্যায়বিচারকে মূলনীতি হিসেবে ধরে এগোনোর কথাও বলেন তিনি।

    দলীয় প্রস্তুতির প্রসঙ্গে তারেক রহমান জানান, রাজনৈতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়নে দীর্ঘদিন ধরে মাঠপর্যায়ে কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। দেশের প্রতিটি অঞ্চলের সমস্যা ও সম্ভাবনা বোঝার চেষ্টা করেছেন বলেও উল্লেখ করেন। প্রবাসে থাকার সময়ও দেশের মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রাখার কথা তুলে ধরেন তিনি।

    অতীতের শাসনামলে বিএনপির কিছু অনিচ্ছাকৃত ভুলত্রুটির জন্য দেশবাসীর কাছে দুঃখ প্রকাশ করে তিনি বলেন, সেই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে অর্জনগুলোকে ভিত্তি করে বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নিরাপদ বাংলাদেশ গড়াই লক্ষ্য। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে আসন্ন নির্বাচনে জনগণের সমর্থন কামনা করেন বিএনপি চেয়ারপারসন।