Tag: বিএনপি প্রার্থী

  • ভোরের আলো ফোটার আগেই কেন্দ্রে ভিড়, লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দিলেন বিএনপি প্রার্থী—কালো টাকার অভিযোগে সরগরম মোংলা-রামপাল

    ভোরের আলো ফোটার আগেই কেন্দ্রে ভিড়, লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দিলেন বিএনপি প্রার্থী—কালো টাকার অভিযোগে সরগরম মোংলা-রামপাল

    এবিএনএ,মোংলা : ভোরের আলো ফোটার আগেই মোংলা ও রামপাল উপজেলার একাধিক ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি চোখে পড়ে। নির্ধারিত সময়ের আগেই কেন্দ্রমুখী মানুষের ঢল নামে। অনেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করেন ভোট দেওয়ার জন্য।

    সকাল শুরু হতেই বিএনপি প্রার্থী নিজ কেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে সারিতে দাঁড়িয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। প্রার্থীর এমন উপস্থিতিতে কেন্দ্রে বাড়তি উৎসাহ ও আগ্রহ দেখা যায়। উপস্থিত ভোটাররা জানান, শান্ত পরিবেশে ভোট দিতে পারছেন বলে তারা সন্তুষ্ট।

    এদিকে নির্বাচন ঘিরে মোংলা-রামপাল এলাকায় ‘কালো টাকা’ ব্যবহারের অভিযোগ ঘুরপাক খাচ্ছে। বিভিন্ন মহল থেকে অভিযোগ ওঠায় বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনা তুঙ্গে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যেকোনো অনিয়ম ঠেকাতে টহল ও নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।

    ভোটকেন্দ্রগুলোতে পর্যাপ্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন রয়েছে। সার্বিক পরিস্থিতি শান্ত রাখতে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা তৎপর রয়েছেন। ভোটারদের নির্বিঘ্নে ভোট দিতে সহায়তা করতে কেন্দ্রভিত্তিক ব্যবস্থাপনাও জোরদার করা হয়েছে।

  • সকালেই ভোট দিলেন ব্যারিস্টার শেখ জাকির হোসেন, বললেন ‘নিরপেক্ষ ভোট হলে জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী’

    সকালেই ভোট দিলেন ব্যারিস্টার শেখ জাকির হোসেন, বললেন ‘নিরপেক্ষ ভোট হলে জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী’

    এবিএনএ, বাগেরহাট: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন বাগেরহাট-২ আসনের বিএনপি প্রার্থী ব্যারিস্টার শেখ জাকির হোসেন। বৃহস্পতিবার সকালে তিনি বাগেরহাটের খান জাহান আলী ডিগ্রি কলেজ ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে নিজের ভোট দেন। একই কেন্দ্রে তার স্ত্রী তাহমিনা লিমাও ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।

    ভোট দেওয়ার পর সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়ায় ব্যারিস্টার শেখ জাকির হোসেন বলেন, সকালে ভোটকেন্দ্রের যে পরিবেশ দেখেছেন তাতে ভোটাররা নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারবেন বলে তিনি আশাবাদী। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ভোটারদের উপস্থিতিও সন্তোষজনক এবং নির্বাচন যদি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন হয়, তাহলে ফলাফল তাদের অনুকূলে আসবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন।

    সকাল থেকেই ভোটারদের কেন্দ্রে উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। নারী ও পুরুষ ভোটাররা লাইনে দাঁড়িয়ে পর্যায়ক্রমে বুথে প্রবেশ করে ভোট প্রদান করছেন। শান্ত পরিবেশে ভোট দিতে পেরে অনেক ভোটার সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, দীর্ঘদিন পর নিরুপদ্রব পরিবেশে ভোট দিতে পারাটা স্বস্তিদায়ক।

    নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, খান জাহান আলী ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রে মোট ভোটার ২ হাজার ৫০ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৯৬৬ জন এবং নারী ভোটার ১ হাজার ৮৪ জন। চারটি বুথে একযোগে ভোটগ্রহণ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

  • চট্টগ্রামে বিএনপি প্রার্থী গুলিবিদ্ধের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ জামায়াত আমিরের—‘ফাউল গেমে যেন কেউ না জড়ায়’

    চট্টগ্রামে বিএনপি প্রার্থী গুলিবিদ্ধের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ জামায়াত আমিরের—‘ফাউল গেমে যেন কেউ না জড়ায়’

    এবিএনএ: চট্টগ্রাম-৮ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এরশাদ উল্লাহ গণসংযোগকালে সন্ত্রাসীদের গুলিতে আহত হওয়ার ঘটনায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান গভীর উদ্বেগ ও নিন্দা জানিয়েছেন। বুধবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে এই হামলায় দলের কর্মী সরোয়ার হোসেন বাবলা নিহত হন এবং আরও দুজন গুলিবিদ্ধ হন।

    বৃহস্পতিবার রাতে নিজের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে জামায়াত আমির বলেন, “চট্টগ্রামে একজন নির্বাচনী প্রার্থী ও তার সহকর্মীদের ওপর সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে একজনকে হত্যা করা হয়েছে—এটি অত্যন্ত নিন্দনীয়। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রকৃত অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে শাস্তি দেওয়া জরুরি।”

    তিনি আরও বলেন, “এ ধরনের দুঃখজনক ঘটনা নিয়ে কেউ যেন ‘ফাউল গেম’ খেলতে না পারে, সে বিষয়ে সকলকে সতর্ক থাকতে হবে। কারণ, এমন সুযোগে অপরাধীরা আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে, যা সমাজ ও রাজনীতির জন্য বিপজ্জনক।”

    জামায়াত আমির মনে করেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যে সহিংসতা শুরু হয়েছে তা দেশের গণতান্ত্রিক পরিবেশের জন্য অশনিসংকেত। তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়।

    চট্টগ্রাম-৮ আসনে এরশাদ উল্লাহ বিএনপির প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পাওয়ার পর থেকেই এলাকায় প্রচারণায় ব্যস্ত ছিলেন। কিন্তু বুধবারের এই হামলার ঘটনায় নির্বাচনী এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং রাজনৈতিক অঙ্গনে উত্তেজনা বৃদ্ধি পায়।

  • চট্টগ্রামে বিএনপি প্রার্থী এরশাদ উল্লাহ গুলিবিদ্ধ, সহযাত্রী নিহত—বিস্ফোরক উত্তেজনা নির্বাচনী এলাকায়

    চট্টগ্রামে বিএনপি প্রার্থী এরশাদ উল্লাহ গুলিবিদ্ধ, সহযাত্রী নিহত—বিস্ফোরক উত্তেজনা নির্বাচনী এলাকায়

    এবিএনএ: চট্টগ্রামে নির্বাচনী প্রচারণার সময় ভয়াবহ গুলিবর্ষণের ঘটনায় বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও দলের মহানগর আহ্বায়ক এরশাদ উল্লাহ গুরুতর আহত হয়েছেন। বুধবার সন্ধ্যায় নগরীর পূর্ব বায়েজিদ চালিতাতলী এলাকায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে তিনি গুলিবিদ্ধ হন। ঘটনাস্থলেই দলের কর্মী সরোয়ার হোসেন বাবলা (৪৩) নিহত হন এবং অপর একজন শান্ত আহত হন।

    চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার (উত্তর) আমিরুল ইসলাম জানিয়েছেন, “এরশাদ উল্লাহ গণসংযোগের সময় হামলার শিকার হন। আহতদের দ্রুত এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়, যেখানে সরোয়ার মারা যান। ঘটনাটি তদন্তাধীন, আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

    পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নিহত সরোয়ার হোসেন বাবলা পুলিশের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী ছিলেন এবং তার বিরুদ্ধে খুন ও চাঁদাবাজিসহ একাধিক মামলা রয়েছে।

    স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা জানান, বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে এরশাদ উল্লাহ দলীয় প্রচারণায় বের হন। মাগরিবের নামাজ শেষে মসজিদ থেকে বের হওয়ার সময় দুর্বৃত্তরা হঠাৎ এলোপাথাড়ি গুলি চালায়। এতে এরশাদ, সরোয়ার ও স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক শান্ত গুলিবিদ্ধ হন।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, হামলাকারীরা আগে থেকেই প্রচারণার মিছিলে মিশে ছিল। হঠাৎ তারা গুলি ছোড়ে, ঘটনাস্থলেই সরোয়ার নিহত হন। পরে আহতদের হাসপাতালে নেওয়া হয়।

    ঘটনার খবর পেয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, “এ ধরনের হামলার উদ্দেশ্য নির্বাচনী অচলাবস্থা সৃষ্টি করা। তবে আমাদের ধৈর্য ও সাহস নিয়ে এগোতে হবে।”

    হামলার প্রতিবাদে চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ডে ও বোয়ালখালী এলাকায় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনগুলোর বিক্ষোভ হয়। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এরশাদ উল্লাহ আশঙ্কামুক্ত থাকলেও আহত শান্তের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে।

    এদিকে, ঘটনাটি নিয়ে যোগাযোগ করা হলেও বায়েজিদ বোস্তামী থানার ওসি জসিম উদ্দিন ফোন ধরেননি বলে জানা যায়।