Tag: বাজেট বিশ্লেষণ

  • নতুন বাজেটে কোন কোন জিনিসের দাম বাড়বে বা কমবে? জেনে নিন বিস্তারিত তালিকা

    নতুন বাজেটে কোন কোন জিনিসের দাম বাড়বে বা কমবে? জেনে নিন বিস্তারিত তালিকা

    এবিএনএ, ঢাকা:

    আগামী অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। সোমবার বিকেলে অর্থ মন্ত্রণালয়ে উক্ত বাজেট পেশ করা হয়। এই বাজেটে বহু পণ্যের ওপর কর কাঠামো পুনর্বিন্যাসের কারণে দাম বাড়তে বা কমতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    নতুন প্রস্তাবনায় এমন কিছু পণ্য রয়েছে, যেগুলোর ওপর অতিরিক্ত শুল্ক বা ভ্যাট বসানো হয়েছে। আবার কিছু পণ্যের কর হ্রাসের ফলে সেগুলোর দাম কমে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    🔺 যেসব পণ্যের দাম বাড়তে পারে:
    সিগারেট, সাবান ও শ্যাম্পু, অনলাইন কেনাকাটা, রড, গৃহস্থালি প্লাস্টিক পণ্য, দেশীয় মোবাইল ফোন, বলপয়েন্ট কলম, হেলিকপ্টার সার্ভিস, দেশীয় ওয়াশিং মেশিন ও মাইক্রোওভেন, ইলেকট্রিক ওভেন, ব্লেন্ডার ও রাইস কুকার, ব্লেড, লিফট, ফোর-স্ট্রোক থ্রি-হুইলার, ওটিটি কনটেন্ট, কমার্শিয়াল ভবনের স্পেস, বিভিন্ন ধরণের পেপার ও বোর্ড, সুতা ও স্ক্রু-বল্ট, সার্জিক্যাল কিটস, শিপ স্ক্র্যাপ, সিমেন্ট শিট, ব্যাটারি, সেট-আপ বক্স ইত্যাদি।

    🔻 যেসব পণ্যের দাম কমার সম্ভাবনা:
    চিনি, স্যানিটারি ন্যাপকিন, আইসক্রিম, ভূমি নিবন্ধন ফি, ইনসুলিন ও ক্যানসারের ওষুধ, দেশীয় ই-বাইক, কম্পিউটার মনিটরের বড় ভার্সন, উড়োজাহাজ ভাড়া, লিথিয়াম ব্যাটারি, মাটির পাত্র ও কাগজের প্লেট প্রভৃতি।

    সরকার বলছে, এই বাজেটের মাধ্যমে দেশীয় শিল্পকে উৎসাহিত করা এবং আমদানি নির্ভরতা কমানো হবে। একইসঙ্গে জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

    এই পরিবর্তনগুলো বাজারে কীভাবে প্রভাব ফেলবে, তা নির্ভর করবে চূড়ান্ত অনুমোদনের পর কার্যকর হওয়া নীতির ওপর।

  • “অবাস্তব বাজেট নিয়ে কঠোর সমালোচনা আমীর খসরুর: রাজস্ব ঘাটতির শঙ্কা”

    “অবাস্তব বাজেট নিয়ে কঠোর সমালোচনা আমীর খসরুর: রাজস্ব ঘাটতির শঙ্কা”

    এবিএনএ, ঢাকা:

    বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, নতুন অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত বাজেটটি মূলত আগের সরকারের নীতিরই প্রতিফলন এবং এতে মৌলিক অর্থনৈতিক ভুল রয়েছে। তার মতে, রাজস্ব আয় ও বাজেটের আকারের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করা হয়নি, যা একটি বাজেট তৈরির সময় মূল বিবেচ্য হওয়া উচিত ছিল।

    আজ সোমবার বাজেট ঘোষণার পর প্রতিক্রিয়ায় তিনি এসব কথা বলেন।

    তিনি বলেন, বর্তমান আর্থিক বাস্তবতায় ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকার বাজেট বাস্তবায়ন করা সরকারের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হবে। রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ না হলে এই বাজেট বাস্তবে রূপ দেওয়া সম্ভব হবে না।

    সরকারের উচিত ছিল বাস্তবতার আলোকে আরও সংক্ষিপ্ত বাজেট উপস্থাপন করা। এ বাজেটে যে ধরনের উচ্চাকাঙ্ক্ষা দেখানো হয়েছে, তা বর্তমান অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে বাস্তবসম্মত নয় বলেও উল্লেখ করেন আমীর খসরু।

    এদিন বিকেলে বাংলাদেশ টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচারে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকার বাজেট উপস্থাপন করেন। প্রস্তাবিত বাজেটে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে মোট ৫ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকা, যার মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) মাধ্যমে আসবে ৪ লাখ ৯৯ হাজার কোটি এবং অন্যান্য উৎস থেকে ৬৫ হাজার কোটি টাকা।