Tag: বাগেরহাট রাজনীতি

  • মোংলায় বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফুঁসছে এলাকাবাসী, মানববন্ধন ও বিক্ষোভে সরব জনগণ

    মোংলায় বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফুঁসছে এলাকাবাসী, মানববন্ধন ও বিক্ষোভে সরব জনগণ

    এবিএনএ,মোংলা : মোংলার বুড়িরডাঙ্গা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হাবিবুর রহমান বিশ্বাসের চাঁদাবাজীর প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে ভুক্তভোগীসহ স্থানীয় শতশত নারী-পুরুষ। মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলার বুড়িরডাঙ্গা ইউনিয়নের দিগরাজ রাজারে বিএনপি নেতা হাবিবের বিরুদ্ধে এ মানববন্ধনের আয়োজন করে বুড়িরডাঙ্গা ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণ। এ মানববন্ধনে বুড়িরডাঙ্গা ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে আসা নারী-পুরুষেরা অংশ নেন।

    মানববন্ধন শেষে সেখানে তারা বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন।
    মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন বুড়িরডাঙ্গা ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি মোঃ জুলফিকার আলী, উপজেলা যুবদল নেতা শেখ জিহাদুল ইসলাম মৃদুল, বুড়িরডাঙ্গা ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মনি পাটোয়ারী, উপজেলা মহিলা দলের প্রচার সম্পাদক নুর নাহার বেগম।
    এ সময় বক্তারা বলেন, হাবিব একজন চিহ্নিত চাঁদাবাজ। সে এখানকার ঘের ও জমি দখল করছে। তেল পাম্প, হোটেল ও দেকানপাট থেকে প্রতিনিয়ত চাঁদা নিচ্ছে। আর সে প্রতিনিয়ত মদ্যপান করে মাতাল অবস্থায় থাকে। স্থানীয় নারীদেরকে কুপ্রস্তাবসহ গালিগালাজ ও অপমান অপদস্ত করে থাকে। এই চাঁদাবাজকে আগামী ৪৮ ঘন্টার মধ্যে সভাপতির পদ থেকে বহিস্কৃত করতে হবে। অন্যথায় আমরা বুড়িরডাঙ্গা ইউনিয়নবাসী আগামীতে আরো কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবো। আমরা এ বিষয়ে দ্রুত উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
    এ বিষয়ে উপজেলা বিএনপির সভাপতি আঃ মান্নান হাওলাদার ও সাধারণ সম্পাদক আবু হোসেন পনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও আমাদের মোংলা-রামপালের এমপি এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী লায়ন ডক্টর শেখ ফরিদুল ইসলাম নির্বাচনের আগে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে, কোনভানেই চাঁদাবাজী, দখল, সন্ত্রাসী ও মাদক বরদাস্ত করা হবেনা। আমরা সেই প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন চাই, চাঁদাবাজ হাবিবকে দলীয় পদ থেকে বহিষ্কার চাই।
  • বাগেরহাটের তিন আসনে মনোনয়নপত্র নিলেন সাবেক এমপি সেলিম

    বাগেরহাটের তিন আসনে মনোনয়নপত্র নিলেন সাবেক এমপি সেলিম

    এবিএনএ: আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাগেরহাট জেলার তিনটি সংসদীয় আসনে নতুন করে রাজনৈতিক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। বিএনপি দলীয় সাবেক সংসদ সদস্য এম এ এইচ সেলিমের পক্ষে একযোগে তিনটি আসন থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা হয়েছে।

    সোমবার (২২ ডিসেম্বর) দুপুরে বাগেরহাট জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে সাবেক এমপি সেলিমের বড় ছেলে মেহেদী হাসান মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন। জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার মো. মোত্তালেব হোসেনের কাছ থেকে তিনি বাগেরহাট-১ (ফকিরহাট-মোল্লহাট-চিতলমারী), বাগেরহাট-২ (সদর-কচুয়া) এবং বাগেরহাট-৪ (শরণখোলা-মোরেলগঞ্জ) আসনের মনোনয়নপত্র গ্রহণ করেন।

    মনোনয়নপত্র সংগ্রহ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মেহেদী হাসান বলেন, আমরা বাগেরহাটের তিনটি সংসদীয় আসন থেকেই মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছি। আমার বাবার জন্য সবাই দোয়া করবেন, যেন তিনি আবারও মানুষের কল্যাণে কাজ করার সুযোগ পান। তবে মনোনয়নপত্র স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নাকি কোনো রাজনৈতিক দলের হয়ে নেওয়া হয়েছে—সে বিষয়ে তিনি স্পষ্ট কোনো বক্তব্য দেননি।

    এদিকে বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, দলটির পক্ষ থেকে বাগেরহাট-১ আসনে কপিল কৃষ্ণ মণ্ডল, বাগেরহাট-২ আসনে ব্যারিস্টার শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেন, বাগেরহাট-৩ আসনে শেখ ফরিদুল ইসলাম এবং বাগেরহাট-৪ আসনে সোমনাথ দে-কে দলীয় প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।

    অন্যদিকে, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকেও প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। এর মধ্যে বাগেরহাট-২ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী হিসেবে শেখ মঞ্জুরুল হক রাহাত, বাগেরহাট-১ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মুজিবুর রহমান শামীম এবং বাগেরহাট-২ আসনে খেলাফত মজলিসের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে অ্যাডভোকেট বালী নাসের ইকবালের নাম উঠে এসেছে।

    এই পরিস্থিতিতে বাগেরহাট-১, বাগেরহাট-২ ও বাগেরহাট-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী পরিবর্তনের দাবিতে স্থানীয় নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ, মশাল মিছিলসহ নানা কর্মসূচি পালন করছেন। স্থানীয় নেতাদের অভিযোগ, বাগেরহাট-১ ও বাগেরহাট-৪ আসনে বিএনপির মনোনীত দুই প্রার্থী অতীতে আওয়ামী লীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছিলেন। এ কারণে তারা ওই প্রার্থীদের প্রত্যাখ্যান করছেন বলে জানিয়েছেন।