Tag: বাংলা সিনেমা

  • “দেখা যাক কী হয়!” — পূজা চেরির বিয়ে নিয়ে মুখ খুললেন অবশেষে

    “দেখা যাক কী হয়!” — পূজা চেরির বিয়ে নিয়ে মুখ খুললেন অবশেষে

    এবিএনএ:  শারদীয় দুর্গাপূজার রঙিন আবহে ভক্তদের সঙ্গে একাত্ম হয়ে অংশ নিয়েছেন ঢালিউড অভিনেত্রী পূজা চেরি। সিঁদুর খেলায় অংশ নেওয়ার সময় গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন তিনি—যেখানে উঠে আসে তার মাকে নিয়ে আবেগঘন বার্তা এবং বিয়ে প্রসঙ্গেও কিছু খোলামেলা মন্তব্য।

    গতকাল বিজয়া দশমীতে রাজধানীর একটি পূজামণ্ডপে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন পূজা। জানতে চাওয়া হয়, দেবী দুর্গার কাছে কী প্রার্থনা করেছেন তিনি?

    পূজা জানান, “আমার মা—যিনি এখন আর এই পৃথিবীতে নেই, তার আত্মার শান্তির জন্য প্রার্থনা করেছি। চাই, তিনি যেখানেই থাকুন, ভালো থাকুন। আমরা সব সময় নিজেদের জন্য চাই, কিন্তু মা কেমন আছেন, সেটা ভাবি না। আজ তাকে বলেছি—‘তুমি যেন ভালো থাকো।’”

    ➤ বিয়ে প্রসঙ্গে কী বললেন পূজা চেরি?

    দর্শক-অনুরাগীদের কাছে বহুদিন ধরেই আলোচনার বিষয় পূজার বিয়ে। এবার সেই প্রসঙ্গেও কথা বলেন তিনি।

    “একজন আমাকে সিঁদুর পরিয়ে দিচ্ছিলেন, তখন বললেন, ‘প্রার্থনা করি যেন পরের পূজায় স্বামীসহ আসতে পারো।’ কথাটা শুনে একটু হাসলাম… তারপর ভাবলাম—দেখা যাক কী হয়! চিন্তার বিষয় চিন্তা করে দেখা যাবে,” বলেন পূজা চেরি।

    শিশুশিল্পী থেকে শুরু করে বর্তমানে নায়িকা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করা পূজা এখন তরুণ প্রজন্মের পছন্দের অভিনেত্রীদের একজন।

    ➤ পূজায় তারকাদের উপস্থিতি

    ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন পূজামণ্ডপে এবার দেখা গেছে অনেক তারকা মুখ। পূজা চেরি ছাড়াও ছিলেন অন্যান্য জনপ্রিয় অভিনেতা-অভিনেত্রীরা, যারা পূজোর আনন্দে ভক্তদের সঙ্গে সময় কাটান।

  • ‘আমি এখনও শিখছি, প্রতিনিয়ত ভুল করি’ অকপট তমা মির্জা

    ‘আমি এখনও শিখছি, প্রতিনিয়ত ভুল করি’ অকপট তমা মির্জা

    এবিএনএ: বাংলা চলচ্চিত্রে প্রায় দেড় যুগ ধরে কাজ করে আসছেন চিত্রনায়িকা তমা মির্জা। দীর্ঘ সময় ধরে দর্শকের ভালোবাসা পেলেও এখনো নিজেকে শিক্ষানবিশ ভাবেন তিনি।

    সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে অকপটভাবে জানিয়েছেন নিজের অভিনয় অভিজ্ঞতা ও সীমাবদ্ধতার কথা। তমা বলেন,
    “আমি এখনো শিখছি। মনে হয় কিছুই পারি না, প্রতিনিয়ত ভুল করছি। আরও ভালো করার চেষ্টা করছি, দেখা যাক সামনে কী হয়।”

    অভিনয়ের পাশাপাশি গান নিয়েও কথা বলেন এই অভিনেত্রী। তার ভাষায়, ফাঁকা সময়ে সিনেমা দেখা বা গান শোনা তার অন্যতম প্রিয় কাজ। তবে শ্রোতা হিসেবে গানকে ভালোবাসলেও নিজের কণ্ঠ নিয়ে সন্তুষ্ট নন তিনি।

    তিনি বলেন,
    “রোমান্টিক গান, স্যাড সং, কাওয়ালি—সবই আমার ভালো লাগে। কিন্তু আমি গান গাইতে পারি না। আমার কণ্ঠ খুবই খারাপ। এটা আসলে গড গিফটেড জিনিস। আল্লাহ আমাকে গান করার ক্ষমতা দেননি, তবে অভিনয়ের সামান্য দক্ষতা দিয়েছেন। সেটাই দিয়ে চেষ্টা করছি মানুষের মন জয়ের।”

    দীর্ঘ ক্যারিয়ারের পরও এমন সরল স্বীকারোক্তি প্রমাণ করে, তমা মির্জা এখনও নিজেকে উন্নত করার চেষ্টায় আছেন।

  • ‘সাবা’ আমাকে নতুন করে বাঁচতে শিখিয়েছে: মেহজাবীন

    ‘সাবা’ আমাকে নতুন করে বাঁচতে শিখিয়েছে: মেহজাবীন

    এবিএনএ:  অনেক দিন ধরে দর্শক ও ভক্তরা অপেক্ষা করছিলেন মেহজাবীন চৌধুরীর বড় পর্দায় অভিষেকের জন্য। টেলিভিশন নাটক, বিজ্ঞাপন ও ওয়েব সিরিজে দাপটের পর এবার তিনি হাজির হয়েছেন পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে। সেই ছবির নাম ‘সাবা’। এই সিনেমাই তাঁকে শিখিয়েছে সাহস আর নতুন করে বাঁচার মানে।

    ‘সাবা’র কাহিনি এক তরুণীর জীবনসংগ্রামকে কেন্দ্র করে। বাবাকে হারানোর পর অসুস্থ মাকে নিয়ে টিকে থাকার লড়াই, দুঃখ, আনন্দ ও সম্পর্কের টানাপোড়েন ফুটে উঠেছে সিনেমাটিতে। পরিচালক মাকসুদ হোসেন ও ত্রিলোরা খানের যৌথ চিত্রনাট্যে নির্মিত এই ছবির অনুপ্রেরণা এসেছে বাস্তব জীবন থেকে। আর সেই চরিত্রকেই জীবন্ত করেছেন মেহজাবীন।

    মেহজাবীন জানান, চিত্রনাট্য পড়েই তাঁর ভেতরটা নাড়া দিয়েছিল। সহজ অথচ গভীর গল্প তাঁকে নতুন করে ভাবিয়েছে। তাঁর কথায়, “আমি আসলে ততটা সাহসী নই, কিন্তু সাবা আমাকে সাহসী হতে শিখিয়েছে।”

    সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে ছবির ট্রেলার। অল্প সময়ের মধ্যেই সেটি সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোচনার ঝড় তোলে। মা-মেয়ের সম্পর্ক, আবেগ আর সংগ্রামের বাস্তবচিত্র দর্শকদের আবেগাপ্লুত করেছে। অনেকে ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার সঙ্গে মিল খুঁজে পেয়েছেন।

    ছবিতে মায়ের চরিত্রে অভিনয় করেছেন রোকেয়া প্রাচী এবং অঙ্কুর চরিত্রে আছেন মোস্তফা মনোয়ার। তাঁদের সঙ্গে মেহজাবীনের প্রথম কাজটিও দর্শকদের আগ্রহ বাড়িয়েছে।

    আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও আলোচনায় এসেছে ‘সাবা’। টরন্টো থেকে শুরু করে বুসান, রেড সি, ওসাকা, গোথেনবার্গসহ একাধিক চলচ্চিত্র উৎসবে ছবিটি প্রদর্শিত হয়েছে। বেঙ্গালুরু উৎসবে এশিয়ান সিনেমা প্রতিযোগিতা বিভাগে পুরস্কারও জিতেছে।

    মেহজাবীন বলেন, “বিদেশি দর্শকরাও হাসির দৃশ্যে হেসেছে, কান্নার দৃশ্যে কেঁদেছে। তখন বুঝেছি, মানুষের আবেগ সারা পৃথিবীতেই এক।”

    অবশেষে পূজা উপলক্ষে ছবিটি মুক্তি পাচ্ছে দেশের প্রেক্ষাগৃহে। মেহজাবীনের বিশ্বাস, এটাই সঠিক সময় বাংলাদেশের সিনেমাকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুনভাবে পরিচিত করার। তাঁর মতে, গল্প আর প্রতিভা দিয়ে বাংলাদেশি সিনেমা বিশ্বজুড়ে জায়গা করে নিতে সক্ষম।

    ‘সাবা’ শুধু একটি সিনেমা নয়—এটি মা-সন্তানের সম্পর্কের আবেগঘন যাত্রা। আর মেহজাবীনের কাছে এটি জীবনের এক নতুন অধ্যায়, যা তাঁকে করেছে আরও সাহসী, আরও মানবিক।

  • “১৬ বছর বয়সে মা হওয়া বাড়াবাড়ি ছিল” – খোলামেলা স্বীকারোক্তি শ্রাবন্তীর

    “১৬ বছর বয়সে মা হওয়া বাড়াবাড়ি ছিল” – খোলামেলা স্বীকারোক্তি শ্রাবন্তীর

    এবিএনএ: মাত্র দশ বছর বয়সেই অভিনয়ের দুনিয়ায় পা রাখেন জনপ্রিয় টালিউড অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়। দ্রুতই নিজেকে নায়িকা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করলেও, জীবনের শুরুর দিকেই তিনি এক ভিন্ন অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হন। মাত্র ১৬ বছর বয়সে বিয়ে এবং এর এক বছর পর সন্তান জন্ম দেন তিনি। এই ঘটনা তাকে বারবার আলোচনায় এনেছে এবং আজও প্রশ্নবাণে পড়তে হয় তাকে।

    সম্প্রতি আনন্দবাজার পত্রিকাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে শ্রাবন্তী খোলামেলাভাবে বলেন, “তখন আমি ক্লাস টেনে পড়ি, আর আমার প্রথম সিনেমা ‘চ্যাম্পিয়ন’ মুক্তি পায়। এরপর ক্লাস ইলেভেনে পড়ার সময় মা হই। অনেকেই এটাকে অস্বাভাবিক মনে করে, কেউ কেউ বলে ‘এঁচোড়ে পাকা’। সমালোচনাও হয়েছিল প্রচুর।”

    তিনি যোগ করেন, “আসলে তখন বয়স খুবই কম ছিল। ১৬ বছর বয়সে মা হওয়া সত্যিই বাড়াবাড়ি। তবে একদিক দিয়ে সুবিধাও ছিল। কারণ সন্তান হওয়ার কয়েক বছরের মধ্যেই আমি আবার অভিনয়ে ফিরতে পেরেছিলাম। মাত্র ২১ বছর বয়সেই আবার ক্যারিয়ারে ঝাঁপিয়ে পড়ি।”

    অল্প বয়সের অভিজ্ঞতা হয়তো তাকে কঠিন করে তুলেছে, তবে নায়িকা হিসেবে নিজের অবস্থান তিনি শক্তভাবেই ধরে রেখেছেন। এখনো সমান তালে কাজ করে যাচ্ছেন। আসছে দুর্গাপূজায় মুক্তি পাচ্ছে তার নতুন ছবি ‘দেবী চৌধুরাণী’, যা নির্মিত হয়েছে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের উপন্যাস অবলম্বনে। দীর্ঘদিন পর এই ছবিতে আবারও জুটি হয়েছেন প্রসেনজিৎ ও শ্রাবন্তী।

    নতুন সিনেমা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে শ্রাবন্তী বলেন, “আমাদের প্রত্যেকের মধ্যেই ‘দেবী চৌধুরাণী’র শক্তি আছে। পরিস্থিতি মানুষকে লড়াই করতে শেখায়, জন্মের সঙ্গে সঙ্গে কেউ তা শিখে আসে না।”

  • কবিতা থেকে চলচ্চিত্রে নজরুল: বিদ্রোহী কবির অজানা রূপ

    কবিতা থেকে চলচ্চিত্রে নজরুল: বিদ্রোহী কবির অজানা রূপ

    এবিএনএ:  জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামকে আমরা সবাই চিনি বিদ্রোহী কবি, গীতিকার, সুরকার আর গল্পকার হিসেবে। কিন্তু তাঁর বহুমুখী প্রতিভার আরেকটি অধ্যায় অনেকটাই অজানা থেকে গেছে—চলচ্চিত্র জগত। তিনি ছিলেন একাধারে অভিনেতা, পরিচালক, প্রযোজক, কাহিনিকার, গীতিকার এবং সংগীত পরিচালক। বলা যায়, সিনেমার প্রতিটি অঙ্গনেই তাঁর পদচিহ্ন অম্লান হয়ে আছে।

    চলচ্চিত্রে নজরুলের প্রথম পদচারণা

    ত্রিশের দশকে নজরুল যোগ দেন ম্যাডান থিয়েটার্সে ‘সুর ভাঙারি’ পদে। এই দায়িত্ব ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এখান থেকেই চলচ্চিত্রে তাঁর নিয়মিত সম্পৃক্ততা শুরু হয়। তিনি শুধু গান লেখেন বা সুর দেননি, সহশিল্পীদের অভিনয় শেখাতেন, উচ্চারণ শোধরাতেন এবং সংগীতে দিকনির্দেশনা দিতেন।

    অভিনেতা নজরুল

    ১৯৩৩ সালে পিরোজ ম্যাডান প্রতিষ্ঠিত পায়োনিয়ার ফিল্মসের ‘ধ্রুব’ সিনেমায় দেবর্ষি নারদের চরিত্রে অভিনয় করেন নজরুল। নারদকে সাধারণত এক বৃদ্ধ, জটাধারী চরিত্রে উপস্থাপন করা হলেও নজরুল সেটিকে ভেঙে দেন। তিনি নারদকে ফুটিয়ে তোলেন এক তরুণ, সুদর্শন, প্রাণবন্ত রূপে। সমালোচনার মুখেও তিনি বলেন—“নারদ চিরতরুণ, আমি সেই রূপটাই দেখাতে চেয়েছি।” একই ছবির গান ও সংগীত পরিচালনার দায়িত্বও পালন করেন তিনি।

    পরিচালক ও কাহিনিকার নজরুল

    নজরুল নিজেই পরিচালনা করেছিলেন ‘ধূপছায়া’ চলচ্চিত্র এবং দেবতা বিষ্ণুর চরিত্রে অভিনয়ও করেন। ১৯৩১ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘জামাইষষ্ঠী’ ছবিতে ছিলেন সুরকার, আর একই সময়ে ‘জলসা’ ছবিতে নিজের লেখা কবিতা আবৃত্তি করেছিলেন।

    ১৯৩৯ সালে মুক্তি পাওয়া ‘সাপুড়ে’ সিনেমার কাহিনি ও সুরকার ছিলেন নজরুল। বেদেদের জীবনকাহিনির ওপর ভিত্তি করে নির্মিত এ ছবির জন্য তিনি সরাসরি বেদে সম্প্রদায়ের সঙ্গে মিশে তথ্য সংগ্রহ করেছিলেন। এ ছবির হিন্দি সংস্করণেও যুক্ত ছিলেন তিনি।

    সুরকার নজরুলের অবদান

    ১৯৩৫ সালের ‘পাতালপুরী’, ১৯৩৬ সালের ‘গৃহদাহ’, ১৯৩৭ সালের ‘গ্রহের ফের’ এবং *‘বিদ্যাপতি’*সহ একাধিক চলচ্চিত্রে সংগীত পরিচালনা ও সুর করেছেন নজরুল। ‘বিদ্যাপতি’ ছবিতে তাঁর সুরারোপিত বৈষ্ণব পদ এখনো অনন্যসাধারণ হিসেবে বিবেচিত হয়।

    ১৯৩৮ সালে শরৎচন্দ্রের কাহিনি অবলম্বনে নির্মিত ‘গোরা’ চলচ্চিত্রে রবীন্দ্রসংগীত নিয়ে বিতর্ক হলে রবীন্দ্রনাথ নিজেই নজরুলকে সমর্থন করেন এবং বলেন—“আমার গান কেমন গাইতে হবে, সেটা নজরুলের চেয়ে ভালো আর কে জানবে?”

    প্রযোজক নজরুল

    ১৯৪১ সালে শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হকের পৃষ্ঠপোষকতায় নজরুল ‘বেঙ্গল টাইগার্স পিকচার্স’ নামে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। এখান থেকে বেশ কিছু উদ্যোগ নেওয়া হলেও অসুস্থতার কারণে সেগুলো শেষ পর্যন্ত থেমে যায়।

    মৃত্যুর পরও সিনেমায় নজরুল

    ১৯৭৬ সালে নজরুলের মৃত্যু হলেও তাঁর গান ও সাহিত্য অবলম্বনে অসংখ্য চলচ্চিত্র নির্মিত হয়েছে। ‘জীবন থেকে নেয়া’ ছবিতে ‘কারার ঐ লৌহকপাট’ কিংবা ‘নবাব সিরাজউদ্দৌলা’ ছবিতে ‘পথহারা পাখি কেঁদে ফেরে একা’—এসব নজরুলসংগীতের ব্যবহার দর্শকদের হৃদয়ে স্থায়ী আসন করে নিয়েছে।

    উপসংহার

    কবিতা, গান ও সাহিত্যের মতো চলচ্চিত্রেও নজরুলের অবদান ছিল বৈপ্লবিক। তাঁর প্রতিভার বহুমাত্রিক প্রকাশ আমাদের মনে করিয়ে দেয়, তিনি শুধু বিদ্রোহী কবিই নন, ছিলেন এক অনন্য শিল্পস্রষ্টা—বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে এক আলোকবর্তিকা।

  • প্রিন্স রূপে ফিরছেন শাকিব খান, ঢাকাই সিনেমায় শুরু নতুন অধ্যায়

    প্রিন্স রূপে ফিরছেন শাকিব খান, ঢাকাই সিনেমায় শুরু নতুন অধ্যায়

    এবিএনএ:  আবারও ভক্তদের জন্য নতুন চমক নিয়ে হাজির হচ্ছেন ঢালিউড কিং শাকিব খান। বহুল প্রতীক্ষিত তারকা-অভিনীত সিনেমা প্রিন্স আগামী ঈদুল ফিতরে মুক্তি পেতে যাচ্ছে। শনিবার নিজের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে সিনেমাটির প্রথম পোস্টার শেয়ার করেন শাকিব খান। মুহূর্তের মধ্যেই তা ভাইরাল হয়ে যায় সামাজিকমাধ্যমে।

    পোস্টারে দেখা যাচ্ছে—ঢাকার ব্যাকড্রপে বন্দুক হাতে একদল মানুষ দাঁড়িয়ে আছে। আর তাদের মাঝে দুহাতে পিস্তল উঁচিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন মূল চরিত্র। পোস্টারের ট্যাগলাইন— Once Upon a Time in Dhaka। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে নতুন ঘোষণাও—“শহর চিনবে তার আসল নায়ককে।”

    ছবিটি পরিচালনা করছেন আবু হায়াত মাহমুদ। এটি হতে যাচ্ছে তার প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র। এর আগে তিনি শতাধিক নাটক ও ডকু-ফিল্ম নির্মাণ করেছেন।

    ঘোষণা অনুযায়ী, সিনেমাটি মুক্তি পাবে ২০২৬ সালের ঈদুল ফিতরে। এ কারণে ঢালিউডে শাকিব ভক্তদের মধ্যে ইতিমধ্যেই বাড়ছে আগ্রহ।

  • নায়িকার চরিত্রে প্রথমবার রুনা খান, আসছে নতুন সিনেমা ‘চলচ্চিত্র: দ্য সিনেমা’

    নায়িকার চরিত্রে প্রথমবার রুনা খান, আসছে নতুন সিনেমা ‘চলচ্চিত্র: দ্য সিনেমা’

    এবিএনএ:  ছোটপর্দা থেকে বড়পর্দা— দুই মাধ্যমেই ভিন্ন ভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করে নিজের আলাদা অবস্থান তৈরি করেছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী রুনা খান। এবার প্রথমবারের মতো তিনি অভিনয় করতে যাচ্ছেন সিনেমার নায়িকা চরিত্রে। ছবিটির নাম ‘চলচ্চিত্র: দ্য সিনেমা’। নির্মাণের দায়িত্বে আছেন পরিচালক আলী জুলফিকার জাহেদী।

    পরিচালক জানিয়েছেন, ছবির কেন্দ্রীয় চরিত্রে রুনা খানকে নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যেই তাঁর সঙ্গে চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে। অন্য শিল্পীদের চূড়ান্ত করার কাজও প্রায় শেষ পর্যায়ে। বছরের শেষ দিকে শুটিং শুরুর পরিকল্পনা রয়েছে, আর তার আগে সব ধরনের প্রস্তুতি শেষ করবেন তিনি।

    রুনা খান বলেন, “দর্শক সবসময় আমাকে নানা ধরনের চরিত্রে দেখে অভ্যস্ত। এবার ভিন্নভাবে পর্দায় হাজির হওয়ার ইচ্ছে থেকেই নায়িকা চরিত্রে অভিনয় করছি। চাই দর্শক নতুনভাবে আমাকে আবিষ্কার করুক।”

    তিনি আরও জানান, ‘চলচ্চিত্র: দ্য সিনেমা’ মূলত এক নায়িকার বাস্তব জীবনের গল্প ঘিরেই তৈরি হচ্ছে। পর্দার আড়ালে অভিনেতাদের সুখ-দুঃখ, সংগ্রাম ও আবেগ— সেসব দিক দর্শকের সামনে তুলে ধরাই ছবিটির মূল উদ্দেশ্য। তাঁর বিশ্বাস, পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজটি শেষ করতে পারলে এটি হবে দর্শকের মনে দাগ কেটে যাওয়ার মতো একটি চলচ্চিত্র।

  • নায়ক-পরিচালক অবাক! নিজেরাই জানতেন না ‘জলরঙ’ সিনেমা মুক্তির খবর

    নায়ক-পরিচালক অবাক! নিজেরাই জানতেন না ‘জলরঙ’ সিনেমা মুক্তির খবর

    এবিএনএ:  সরকারি অর্থে নির্মিত ‘জলরঙ’ সিনেমা এবার আসছে প্রেক্ষাগৃহে। তবে চমকপ্রদ বিষয় হলো, সিনেমার মুখ্য অভিনেতা সাইমন সাদিক, নায়িকা উষ্ণ হক ও পরিচালক কবিরুল ইসলাম রানা কেউই এই মুক্তির বিষয়ে কিছু জানেন না। প্রযোজকের পক্ষ থেকে বুধবার ট্রেলার প্রকাশ করে মুক্তির ঘোষণা দেওয়া হলেও মূল কলাকুশলীরা বিষয়টি জেনেছেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।

    সাইমন সাদিক বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন এবং প্রায় এক বছর ধরে প্রবাসেই আছেন। তিনি বলেন, “সিনেমা হল তো দূরের কথা, ছবির মুক্তির খবরটাও আমার জানা ছিল না।”

    পরিচালক রানাও একই সুরে জানান, ছবির প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির খবর তিনি ফেসবুকে দেখেছেন। তাঁর মতে, “প্রযোজকরা অনেক সময় সেন্সর পেলেই নিজেকে সবকিছুর কর্তৃপক্ষ মনে করেন। অথচ মুক্তির আগে পরিচালকের সঙ্গে পরামর্শ করাই উচিত।”

    তাঁর আরও মত, দেশের বর্তমান রাজনৈতিক অস্থিরতায় সিনেমা মুক্তি দেওয়া যুক্তিযুক্ত নয় এবং প্রচারণা ছাড়া ছবির ব্যবসায়িক ক্ষতিও হতে পারে।

    খবর রয়েছে, অনেক শিল্পী ও কলাকুশলীর পারিশ্রমিক এখনও বাকি। পরিচালক রানা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, মুক্তির পর প্রযোজক এই বকেয়া মিটিয়ে দেবেন।

    ‘জলরঙ’ প্রথম মুক্তি পেয়েছিল ওটিটি প্ল্যাটফর্ম আইস্ক্রিনে, তবে সেটি তেমন জনপ্রিয়তা পায়নি। নির্মাতা মনে করেন, সিনেমার বিস্তৃত দর্শকপ্রাপ্তির লক্ষ্যে এটি হলে মুক্তি পাচ্ছে, শুধুমাত্র নিয়ম রক্ষার্থে নয়।

    ছবির প্রযোজক দেলোয়ার হোসেন দিলুর সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তিনি ফোন ধরেননি এবং কোনো বার্তারও উত্তর দেননি।

    ২০২০-২১ অর্থবছরে সরকার থেকে ৬০ লাখ টাকা অনুদান পেয়েছিল ‘জলরঙ’। মানব পাচারের প্রেক্ষাপটে নির্মিত এই সিনেমাটি সেন্সর ছাড়পত্র পায় ২০২৩ সালে। এরপর কোরবানির ঈদে প্রচারণা ছাড়াই এটি ওটিটিতে মুক্তি দেওয়া হয়।

    সাইমনের বিপরীতে অভিনয় করেছেন উষ্ণ হক। এটি তাঁর বড় পর্দায় প্রথম কাজ হলেও এর আগে আরও দুটি সিনেমায় অভিনয় করেছিলেন, যেগুলো মুক্তি পায়নি। মজার বিষয় হলো, ‘জলরঙ’ দিয়েই অভিষেক হলেও তিনিও সিনেমার মুক্তির বিষয়ে কিছু জানেন না। বর্তমানে তিনি শোবিজ থেকে অনুপস্থিত, তাঁর বর্তমান অবস্থান সম্পর্কেও কেউ অবগত নন।

    ছবির অন্যান্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন শহীদুজ্জামান সেলিম, মাসুম আজিজ, ফারজানা সুমি, ফারজানা রিক্তা, রাশেদ মামুন অপু, আশীষ খন্দকার, জয়রাজ, এলিনা শাম্মি, খালেদা আক্তার কল্পনা ও রাশেদা চৌধুরী প্রমুখ।

  • দশ ছবিতে জয়া আহসানের অনন্য যাত্রা: প্রতিটি ফ্রেমেই ভিন্ন আলোকে নায়িকা

    দশ ছবিতে জয়া আহসানের অনন্য যাত্রা: প্রতিটি ফ্রেমেই ভিন্ন আলোকে নায়িকা

    এবিএনএ:  ঈদের উৎসবে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে জয়া আহসান অভিনীত দুটি বহুল আলোচিত ছবি—‘তাণ্ডব’ ও ‘উৎসব’। চলতি মাসের তৃতীয় সপ্তাহে ভারতে আসছে তার আরেক ছবি ‘ডিয়ার মা’। এরইমধ্যে তিনি ব্যস্ত কলকাতার একটি নতুন সিনেমা ‘আজও অর্ধাঙ্গিনী’র শুটিংয়ে। আজ ১ জুলাই, এই গুণী অভিনেত্রীর জন্মদিন। দিনটিতে ভক্তদের পক্ষ থেকে ভালোবাসা ও শুভেচ্ছায় সিক্ত হচ্ছেন তিনি।

    এই বিশেষ দিনে আমরা ফিরে দেখছি তার অভিনয়জীবনের ১০টি অনন্য ছবি ও সেগুলোর পেছনের গল্প—

    1. শুরুটা গোপালগঞ্জ থেকে:
      জয়া আহসানের জন্ম গোপালগঞ্জে। মুক্তিযোদ্ধা এ এস মাসউদের কন্যা জয়া শৈশবে ছিলেন নাচ, গান ও চিত্রাঙ্কনের প্রতি আগ্রহী।

    2. নাটক থেকে বড় পর্দায়:
      প্রথমে ছোটপর্দা, এরপর সিনেমায় অভিষেক ২০০৪ সালে মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর ‘ব্যাচেলর’-এর মাধ্যমে। এই ছবিই তাকে নতুনভাবে চিনিয়েছিল দর্শককে।

    1. গেরিলার গৌরব:
      ২০১১ সালে ‘গেরিলা’ চলচ্চিত্রে বিলকিস বানু চরিত্রে অনবদ্য অভিনয় তাকে এনে দেয় জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি।

    2. পুরস্কারের ঝুলিতে সাফল্য:
      তিনি পাঁচবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারসহ ফিল্মফেয়ার ও বাচসাসের মতো মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার লাভ করেছেন।

    1. বাংলাদেশ-ভারত দুই বাংলাতেই জনপ্রিয়তা:
      গেরিলার সাফল্যের পর জয়া নিয়মিত হয়ে ওঠেন কলকাতার সিনেমায়। ‘বিসর্জন’, ‘রাজকাহিনি’, ‘কণ্ঠ’ ও ‘এক যে ছিল রাজা’ উল্লেখযোগ্য।

    2. উল্লেখযোগ্য সিনেমা তালিকা:
      ‘ব্যাচেলর’, ‘ডুবসাঁতার’, ‘গেরিলা’, ‘দেবী’, ‘ক্রিসক্রস’, ‘জিরো ডিগ্রি’, ‘বিজয়া’, ‘খাঁচা’, ‘পুত্র’, ‘ঈগলের চোখ’—প্রতিটিই আলাদা পরিচয় বহন করে।

    1. কান উৎসবের পদচারণা:
      ২০১৩ সালে কান চলচ্চিত্র উৎসবে আমন্ত্রিত হন। একই বছর তিনি কলকাতার ছবিতে অভিষেক করেন ‘আবর্ত’-এর মাধ্যমে।

    1. প্রযোজক হিসেবে আত্মপ্রকাশ:
      অভিনয়ের পাশাপাশি ‘দেবী’ সিনেমাটি প্রযোজনা করেন, যা বাণিজ্যিকভাবেও সফল হয়।

     

    1. ব্যক্তিগত অধ্যায়:
      ১৯৯৮ সালে তিনি বিয়ে করেন মডেল ও অভিনেতা ফয়সাল আহসানকে। ২০১১ সালে তাঁদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়।

    2. জয়ার অনন্যতা:
      নিজের অভিনয়শৈলী, চরিত্রে মিশে যাওয়ার ক্ষমতা এবং পেশাদারিত্বের মাধ্যমে জয়া আহসান বাংলা সিনেমার অনন্য মুখ হয়ে উঠেছেন।


    জয়ার এই দীর্ঘ ও বৈচিত্র্যময় পথচলা শুধু সিনেমার পর্দায় নয়, দর্শকদের মনেও এক আলাদা স্থান তৈরি করে নিয়েছে। জন্মদিনে তার প্রতি রইল শ্রদ্ধা ও শুভেচ্ছা।

  • ‘কলেজপ্রেমিকা’ থেকে অ্যাকশন হিরোইন: কেমন করে বদলে গেলেন তাসনিয়া ফারিণ?

    ‘কলেজপ্রেমিকা’ থেকে অ্যাকশন হিরোইন: কেমন করে বদলে গেলেন তাসনিয়া ফারিণ?

    এবিএনএ: ছোটপর্দার চেনা মুখ তাসনিয়া ফারিণ, যিনি এতদিন ছিলেন গল্পের আবেগঘন মুহূর্তে মাতানো সেই সাদামাটা প্রেমিকা, হঠাৎ করেই হয়ে উঠলেন পর্দার অ্যাকশন গার্ল। ঈদে মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমা ‘ইনসাফ’-এ তাঁর চরিত্র ‘জাহান খান’, শুধু গ্ল্যামার নয়, ফুটিয়ে তুলেছে কঠিন শারীরিক ও মানসিক পরিশ্রমের এক সাহসী রূপ।

    তাসনিয়ার এই রূপান্তর অনেকের কাছেই অবিশ্বাস্য লেগেছে। শাড়ি পরে অ্যাকশন দৃশ্যে নিজেকে মেলে ধরার পাশাপাশি আইটেম গানে নেচেছেন সাবলীলভাবে। এমন রূপে আগে কখনও দেখা যায়নি তাঁকে। নাটকের চেনা গণ্ডি পেরিয়ে তিনি প্রমাণ করেছেন, নারী অভিনয়শিল্পীরাও অ্যাকশনধর্মী বাণিজ্যিক সিনেমার কেন্দ্রীয় চরিত্র হতে পারেন।

    ফারিণ থেকে জাহান: প্রস্তুতির গল্প

    ‘ইনসাফ’ সিনেমায় ফারিণের চরিত্রটি ছিল শারীরিকভাবে চ্যালেঞ্জিং। নিজেকে প্রস্তুত করতে নিতে হয়েছে স্টান্ট প্রশিক্ষণ, নাচের ক্লাস এবং নিয়মিত শারীরিক ট্রেনিং। ফারিণ জানান, স্ক্রিপ্ট পড়েই বুঝেছিলেন, চরিত্রটি ব্যতিক্রমী। তিনি এ চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত ছিলেন এবং নিজেকে গড়েছেন পরিচালক সঞ্জয় সমাদ্দারের নির্দেশনায়।

    ফারিণ বলেন, ‘‘জাহান চরিত্রে অভিনয় করার আগে আমাকে দিনের পর দিন ফাইট রিহার্সাল করতে হয়েছে। শুটিং চলাকালীন আহতও হয়েছি কয়েকবার। কিন্তু কখনো থামিনি। কারণ আমি জানতাম, এই চরিত্রে নিজেকে গড়তে পারলেই এক নতুন অধ্যায় শুরু হবে আমার ক্যারিয়ারে।’’

    পরিচালকের দৃষ্টিতে ‘জাহান’ চরিত্রে ফারিণ

    পরিচালক সঞ্জয় সমাদ্দার শুরুর দিকে কিছুটা দ্বিধায় ছিলেন—ফারিণ পারবেন তো? কিন্তু যখনই অভিনেত্রী দৃঢ় কণ্ঠে রাজি হন, পরিচালক আশ্বস্ত হন। শুটিংয়ের সময় ফারিণ যেভাবে নিজেকে উজাড় করে দিয়েছেন, তাতে সঞ্জয় রীতিমতো মুগ্ধ।

    তিনি বলেন, “ফারিণ নিজে থেকে ইনিশিয়েটিভ নিয়েছে। অ্যাকশন রিহার্সাল, নাচের প্র্যাকটিস—সব কিছুই করেছে নিজের চেষ্টায়। সিনেমা হলে দর্শকের প্রতিক্রিয়া বলছে, সে পেরেছে। বিশেষ করে নারী দর্শকদের কাছে সে একদম অন্যরকমভাবে গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে।”

    ফারিণ কি বাণিজ্যিক সিনেমায় নিয়মিত হবেন?

    প্রশ্ন উঠেছে—এই সাফল্যের পর কি ফারিণ নিয়মিত হবেন বাণিজ্যিক সিনেমায়? নাকি ফিরে যাবেন নাটক বা ওটিটিতে? উত্তরে ফারিণ বলেন, “আমি সবসময় নতুন কিছু করতে ভালোবাসি। নাটক থেকে ওটিটিতে এসেছি, ওখানে সফল হয়ে এখন সিনেমায় এসেছি। এই নতুন প্ল্যাটফর্মেও আমি নিজেকে গড়তে চাই। তবে চরিত্রে ভিন্নতা চাই।”

    উপসংহার

    তাসনিয়া ফারিণ প্রমাণ করেছেন, নাটকের মিষ্টি প্রেমিকা চরিত্রের বাইরেও তাঁর পরিধি অনেক বিস্তৃত। ‘ইনসাফ’ সিনেমার মধ্য দিয়ে তিনি শুধু নিজের ভিন্ন রূপ নয়, বাংলা বাণিজ্যিক সিনেমার নারী চরিত্রগুলোকেও নতুনভাবে চিনিয়ে দিয়েছেন।