Tag: বাংলা বিনোদন

  • লবণহীন পান্তায় দিন কেটেছে ডা. এজাজুল ইসলামের, সংগ্রামী শৈশবের অজানা গল্প

    লবণহীন পান্তায় দিন কেটেছে ডা. এজাজুল ইসলামের, সংগ্রামী শৈশবের অজানা গল্প

    এবিএনএ: বাংলাদেশের বিনোদন অঙ্গনের পরিচিত মুখ এবং একই সঙ্গে একজন পেশাদার চিকিৎসক ডা. এজাজুল ইসলাম। পর্দায় যাকে সবসময় হাস্যোজ্জ্বল চরিত্রে দেখা যায়, বাস্তব জীবনে তার শৈশব কেটেছে অভাব আর সংগ্রামের মধ্য দিয়ে—সেই অজানা গল্পই সম্প্রতি প্রকাশ্যে এনেছেন তিনি।

    এক সাক্ষাৎকারে ডা. এজাজুল জানান, তার ছোটবেলার দিনগুলো মোটেও স্বচ্ছল ছিল না। মাসের প্রায় ১০ থেকে ১২ দিন সকালের নাস্তা হিসেবে পান্তা ভাতই ছিল ভরসা। তখনকার দিনের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, এখন ডায়াবেটিসের কারণে অল্প পরিমাণে পান্তা খেতে হলেও, আগে এক গামলা পান্তা অনায়াসেই খেতেন তিনি। কারণ পান্তা এমন এক খাবার, যা তৃপ্তির জন্য বেশি খেতে হয়।

    বর্তমানে শুটিংয়ের ব্যস্ততায় মাঝে মধ্যে কাজের জায়গাতেই পান্তা খাওয়ার সুযোগ হয় বলে জানান তিনি। বাসায় আলাদা করে পান্তার আয়োজন খুব একটা হয় না। সম্প্রতি কিংবদন্তি অভিনেতা আফজাল হোসেনের একটি নাটকের শুটিং সেটে সকালে পান্তা ভাত খাওয়ার স্মৃতিও শেয়ার করেন ডা. এজাজুল।

    শৈশবের অভ্যাসের কথাও উঠে আসে তার কথায়। তিনি বলেন, ছোটবেলায় যা খেয়ে বড় হওয়া যায়, সেটাই একসময় প্রিয় হয়ে ওঠে। সকালে পান্তা ভাত খাওয়া তখন বাধ্যতামূলক ছিল। এমনকি লবণেরও তীব্র সংকট ছিল সেই সময়। অনেক দিন লবণ ছাড়াই পান্তা ভাত খেয়ে দিন কাটাতে হয়েছে তাদের।

    কাঁচা মরিচ আর পেঁয়াজ দিয়ে পান্তা খাওয়াই ছিল তার সবচেয়ে প্রিয়। তবে লবণ না থাকলে সেই খাবারও যেন অপূর্ণ লাগত। খাদ্যের অভাব যে কতটা প্রকট ছিল, সে কথাও অকপটে স্বীকার করেন তিনি।

    গ্রামের জীবনযাপনের স্মৃতি তুলে ধরে ডা. এজাজুল বলেন, তিন দিন পরপর বসা ছোট বাজার থেকে এক টাকায় সবজি কিনে তিন দিন চলতে হতো তাদের। নদীর পাড়ে বাড়ি হওয়ায় মাছের অভাব ছিল না, নিজেরাই মাছ ধরতেন—সেই স্মৃতিও আজও স্পষ্ট তার মনে।

    সংগ্রাম, ত্যাগ আর পরিশ্রমের ভেতর দিয়ে গড়ে ওঠা এই জীবনই আজকের সফল ডা. এজাজুল ইসলামকে তৈরি করেছে—যার গল্প অনুপ্রেরণা জোগায় অসংখ্য মানুষের।

  • বিয়ের মাত্র দুই মাসেই সুখবর, জন্মদিনে মা হওয়ার ঘোষণা অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কার

    বিয়ের মাত্র দুই মাসেই সুখবর, জন্মদিনে মা হওয়ার ঘোষণা অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কার

    এবিএনএ: মডেল ও অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা জামানের জীবনে এসেছে নতুন আনন্দের বার্তা। বিয়ের মাত্র দুই মাস পার হতেই ভক্তদের সঙ্গে ভাগ করে নিলেন সুখবর—তিনি মা হতে যাচ্ছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই খবর প্রকাশের পর থেকেই অভিনয়প্রেমীদের মধ্যে শুরু হয়েছে আলোচনা।

    গত বছরের নভেম্বরে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার রাকিবুল হাসানের সঙ্গে পারিবারিক আয়োজনে বিয়ে করেন প্রিয়াঙ্কা। বিয়ের পর থেকেই ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে বেশ খোলামেলা ছিলেন তিনি। সংসারজীবন নিয়ে সন্তুষ্টির কথাও বিভিন্ন সময় প্রকাশ করেছেন এই অভিনেত্রী।

    বুধবার (১৪ জানুয়ারি) নিজের জন্মদিনে জীবনের নতুন অধ্যায়ের কথা জানিয়ে প্রিয়াঙ্কা বলেন, এটি তার জন্য বিশেষ একটি দিন। জন্মদিনের আনন্দের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে মাতৃত্বের অনুভূতি। তিনি জানান, এই খবর প্রকাশ করতে পেরে তিনি যেমন আনন্দিত, তেমনি কিছুটা লজ্জাবোধও করছেন।

    অভিনেত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, চিকিৎসকদের ধারণা—চলতি বছরের জুলাই মাসে তাদের সংসারে নতুন অতিথির আগমন ঘটতে পারে।

    প্রিয়াঙ্কা জামান মিডিয়ায় যাত্রা শুরু করেন বিজ্ঞাপনচিত্রের মাধ্যমে। এরপর নাটক ও ভিজ্যুয়াল কনটেন্টে কাজ করে ধীরে ধীরে নিজেকে একজন সম্ভাবনাময় অভিনয়শিল্পী হিসেবে তুলে ধরেন। সাবলীল অভিনয়, আত্মবিশ্বাসী উপস্থিতি এবং স্বাভাবিক অভিব্যক্তির কারণে অল্প সময়েই দর্শকের নজর কাড়তে সক্ষম হন তিনি।

  • ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট সিজন ৫’ এবার ইউটিউবেও ফ্রিতে! কবে কোথায় দেখা যাবে জানুন বিস্তারিত

    ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট সিজন ৫’ এবার ইউটিউবেও ফ্রিতে! কবে কোথায় দেখা যাবে জানুন বিস্তারিত

    এবিএনএ:  বাংলা ধারাবাহিক নাটকের জগতে ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’ নামটি এখন একটি পরিচিত ব্র্যান্ড। নির্মাতা কাজল আরিফিন অমির এই নাটকটি তার চরিত্র, সংলাপ ও মজাদার উপস্থাপনার জন্য তরুণ প্রজন্মের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে।

    এই ধারাবাহিকের প্রথম চারটি সিজন ইউটিউবে প্রকাশ পেয়ে বিপুল সাড়া ফেললেও, পঞ্চম সিজনটি শুরুতে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম ‘বঙ্গ’-তে মুক্তি পায়, যা দর্শকদের অনেকের জন্য ছিল হতাশার কারণ। কারণ ইউটিউব দর্শকদের অনেকেই নাটকটি অর্থ খরচ করে ওটিটিতে দেখতে চাননি। ফলে সিজন ৫ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তেমন আলোচনা দেখা যায়নি।

    তবে ভক্তদের জন্য সুখবর দিয়েছেন নির্মাতা অমি। ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট সিজন ৫’ এবার ইউটিউবেও ফ্রিতে দেখা যাবে! নাটকটির নতুন পর্বগুলো প্রতি বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিটে সম্প্রচারিত হবে বুম ফিল্মস ইউটিউব চ্যানেলে।

    অমি বলেন, “অনেকেই নাটকটি ইউটিউবে দেখতে চান। দর্শকদের ভালোবাসা এবং আগ্রহের কথা মাথায় রেখেই আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, ধারাবাহিকটি ইউটিউবেও উন্মুক্ত করা হবে। প্রোমো ভিডিও দিয়েই বুম ফিল্মস ছয় লাখ সাবস্ক্রাইবার পেয়েছে—এটাই প্রমাণ করে দর্শক কতটা অপেক্ষায় আছে।”

    ইতোমধ্যে ‘বঙ্গ’ অ্যাপে সিজন ৫-এর প্রথম আটটি পর্ব মুক্তি পেয়েছে এবং সেখানেও ভালো সাড়া পেয়েছে বলে জানান নির্মাতা। এবার ইউটিউবের পাশাপাশি টেলিভিশনেও আসছে নাটকটি।

    চ্যানেল আই তে ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট সিজন ৫’ সম্প্রচার শুরু হবে ১০ জুলাই থেকে। প্রতি বৃহস্পতি ও শুক্রবার রাত ৭টা ৫০ মিনিটে মূল প্রচার এবং রাত ৩টা ৪০ মিনিটে প্রথম পুনঃপ্রচার ও পরদিন সকাল ১১টা ৩০ মিনিটে দ্বিতীয় পুনঃপ্রচার দেখানো হবে।

    এই সিজনে প্রতিটি পর্বের দৈর্ঘ্য হবে ২০ মিনিট এবং বরাবরের মতো এবারও কাবিলা, পাশা, হাবু ও শিমুলদের চরিত্রে থাকছেন মারজুক রাসেল, জিয়াউল হক পলাশ, চাষী আলম, শিমুল শর্মা, লামিয়া লামসহ আরও অনেকে।

    নির্মাতা আশাবাদী, দর্শকরা ইউটিউব, ওটিটি ও টিভি—সব মাধ্যমেই ব্যাচেলর পয়েন্ট উপভোগ করবেন এবং এই সিজনও জনপ্রিয়তার রেকর্ড গড়বে।

  • অভিনয়ে প্রতিনিয়ত নিজেকে ভাঙছেন সামিরা খান মাহি, একের পর এক ভিন্ন চরিত্রে চমক

    অভিনয়ে প্রতিনিয়ত নিজেকে ভাঙছেন সামিরা খান মাহি, একের পর এক ভিন্ন চরিত্রে চমক

    এবিএনএ:  পরিণত ও গুণী অভিনয়শিল্পী হওয়ার আকাঙ্ক্ষায় নিজের প্রতিভাকে প্রতিনিয়ত শান দিচ্ছেন সামিরা খান মাহি। সেই প্রচেষ্টারই ধারাবাহিকতায় তিনি এখন নিজেকে ভেঙে নতুন রূপে দর্শকের সামনে হাজির হচ্ছেন। তাঁর সাম্প্রতিক নাটকগুলোই যেন সেই প্রমাণ বহন করছে।

    ‘আদরে রেখো’ নাটকে সামিরা হাজির হয়েছেন এক জেদি নারীর চরিত্রে, যে নিজের ইচ্ছাতেই সন্তান ধারণে অনাগ্রহী এবং প্রয়োজনে স্বামীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদে-ও রাজি। তবে জীবনের মোড় ঘোরে একটি অপ্রত্যাশিত গর্ভধারণের পর, যার মাধ্যমে শুরু হয় গল্পের টানটান উত্তেজনা। নাটকটি পরিচালনা করেছেন সজীব খান, এবং মাহির বিপরীতে অভিনয় করেছেন আরশ খান।

    এদিকে, আর্ক ফিল্মসের ইউটিউব চ্যানেলে সম্প্রচারিত ‘মেমোরি লস’ নামক নাটকে সামিরা অভিনয় করেছেন এক সৌন্দর্য সচেতন, খুঁতখুঁতে স্বভাবের তরুণীর ভূমিকায়। নাটকটি পরিচালনা করেছেন ইমরাউল রাফাত এবং তাঁর বিপরীতে ছিলেন নিলয় আলমগীর।

    অন্যদিকে বাংলাভিশনের ড্রামা বিভাগ সম্প্রতি প্রচার করেছে মাহির আরও একটি নাটক ‘খাঁটি প্রেমিক’। এখানে তিনি হয়েছেন সুজানা নামের এক প্রবাসী তরুণী, যিনি প্রথমে বাংলাদেশি পাত্রে আগ্রহী হলেও সিরাজ নামের এক যুবকের সঙ্গে পরিচয়ের পর তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি বদলে যায়। এই নাটকটিও নিলয়ের সঙ্গে করেছেন মাহি এবং নির্মাণে ছিলেন মহিন খান।

    তবে এখানেই শেষ নয়। ‘হারিয়ে খুঁজি’ (নির্মাতা: পথিক সাধন), ‘কখনো কখনো’ (নির্মাতা: সকাল আহমেদ) এবং ‘হিটার’ (নির্মাতা: মজুমদার শিমুল) নামক তিনটি নাটকে সম্পূর্ণ নতুন ধরনের তিনটি চরিত্রে দেখা গেছে মাহিকে। প্রত্যেকটি নাটকে তাঁর অভিনয় প্রশংসিত হয়েছে দর্শক মহলে।

    নিজের এই অভিনয় যাত্রা সম্পর্কে সামিরা খান মাহি বলেন, “আমি চেষ্টা করি এমন গল্প ও চরিত্র বেছে নিতে যা আমার অভিনয় দক্ষতাকে চ্যালেঞ্জ জানায়। দর্শকদের নতুন রূপে ধরা দেওয়ার মধ্য দিয়েই নিজেকে পরিপূর্ণ অভিনেত্রী হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।”

    সামিরার এই নিরন্তর প্রচেষ্টা নিঃসন্দেহে তাঁকে বাংলা নাট্যাঙ্গনের এক শক্তিশালী ও পরিপক্ব নাম হিসেবে প্রতিষ্ঠা করছে।