Tag: বাংলাদেশ বনাম পাকিস্তান

  • এশিয়া কাপ সুপার ফোরে বাংলাদেশের সময়সূচি প্রকাশ, কবে কাদের মুখোমুখি টাইগাররা

    এশিয়া কাপ সুপার ফোরে বাংলাদেশের সময়সূচি প্রকাশ, কবে কাদের মুখোমুখি টাইগাররা

    এবিএনএ:  এশিয়া কাপ টি-টোয়েন্টি ২০২৫–এর গ্রুপপর্ব প্রায় শেষের পথে। যদিও শুক্রবার ভারত ও ওমানের ম্যাচ বাকি রয়েছে, তবে এরই মধ্যে নিশ্চিত হয়ে গেছে সুপার ফোরের চার দলের নাম ও পূর্ণাঙ্গ সূচি। ফলে আজকের ম্যাচটি কেবল আনুষ্ঠানিকতাই বলা যায়।

    আবুধাবিতে অনুষ্ঠিত শেষ ম্যাচে আফগানিস্তানকে ৬ উইকেটে হারিয়ে গ্রুপ ‘বি’-এর শীর্ষে উঠে এসেছে শ্রীলঙ্কা। এতে আফগানিস্তানের বিদায় নিশ্চিত হয় এবং বাংলাদেশের সুপার ফোরে জায়গা পাকা হয়। অন্যদিকে গ্রুপ ‘এ’ থেকে জায়গা করে নিয়েছে ভারত ও পাকিস্তান।

    সুপার ফোর পর্ব শুরু হবে আগামী ২০ সেপ্টেম্বর এবং চলবে ২৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। প্রতিটি দল অপর তিন প্রতিপক্ষের বিপক্ষে একটি করে ম্যাচ খেলবে। এরপর শীর্ষ দুই দল মুখোমুখি হবে ফাইনালে, যা অনুষ্ঠিত হবে ২৮ সেপ্টেম্বর।

    লিটন দাসের নেতৃত্বে বাংলাদেশ তিনটি ম্যাচ খেলবে। ২০ সেপ্টেম্বর দুবাইয়ে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে নামবে টাইগাররা। এরপর একই ভেন্যুতে ২৪ সেপ্টেম্বর ভারতের বিপক্ষে এবং ২৫ সেপ্টেম্বর পাকিস্তানের বিপক্ষে মাঠে নামবে বাংলাদেশ। প্রতিটি ম্যাচ শুরু হবে বাংলাদেশ সময় রাত ৮টা ৩০ মিনিটে।

  • হোয়াইটওয়াশের স্বপ্ন ভেঙে ধস, পাকিস্তানের কাছে ৭৪ রানে হার টাইগারদের

    হোয়াইটওয়াশের স্বপ্ন ভেঙে ধস, পাকিস্তানের কাছে ৭৪ রানে হার টাইগারদের

    এবিএনএ: সিরিজ জয় নিশ্চিতের পর তৃতীয় ও শেষ টি-২০ ম্যাচে হোয়াইটওয়াশের লক্ষ্যে মাঠে নামে বাংলাদেশ। তবে পাঁচটি পরিবর্তন করে একাদশে ‘নতুনত্ব’ আনতেই ঘটে যায় বিপর্যয়। ব্যাটিং লাইনআপ মুখ থুবড়ে পড়ে মাত্র ১৬.৪ ওভারে ১০৪ রানে অলআউট হয় স্বাগতিকরা।

    বৃহস্পতিবার মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে ফিল্ডিং নেন অধিনায়ক লিটন দাস। তবে নতুন বলের সুবিধা নিতে ব্যর্থ হয় বাংলাদেশের বোলাররা। পাকিস্তানের উদ্বোধনী জুটি শাহিবজাদা ফারহান ও সাঈম আইয়ূব মিলে যোগ করেন ৮২ রান। ফারহান ৪১ বলে ৬৩ রানের দুর্দান্ত ইনিংসে ৬টি চার ও ৫টি ছক্কা মারেন। সাঈম করেন ১৫ বলে ২১ রান।

    শুরুটা জমকালো করেই পাকিস্তান তুলে ফেলে ২০ ওভারে ১৭৮ রান। মাঝের ওভারগুলোয় হাসান নওয়াজ ১৭ বলে ৩৩ এবং মোহাম্মদ নওয়াজ ১৬ বলে ২৭ রানের ক্যামিও ইনিংস খেলেন।

    বাংলাদেশের পক্ষে বল হাতে সবচেয়ে সফল ছিলেন বাঁহাতি স্পিনার নাসুম আহমেদ, যিনি ৪ ওভারে ২২ রান দিয়ে নেন ২ উইকেট। তবে অন্য বোলাররা ছিলেন মার খাওয়া অবস্থায়—তাসকিন ৪ ওভারে ৩৮ রান দিয়ে ৩ উইকেট, শরিফুল ৩৯ রানে ১ উইকেট, সাইফউদ্দিন ১ উইকেট পেলেও রান দেন ২৮।

    জবাবে ব্যাট করতে নেমে ইনিংসের প্রথম বলেই উইকেট হারায় বাংলাদেশ। ওপেনার তানজিদ তামিম পেছনে ক্যাচ দেন, পরের ওভারে বিদায় নেন লিটন দাস (৮ বলে ৮)। এরপর একে একে সাজঘরে ফেরেন মেহেদী মিরাজ (১০), জাকের আলী (১), শেখ মেহেদি (০)। স্কোরবোর্ডে তখন মাত্র ২৫ রান, উইকেট ৫টি পড়ে গেছে।

    নাঈম শেখও দায়িত্ব নিতে ব্যর্থ হন, ১৭ বলে করেন মাত্র ১০ রান। শেষ দিকে সাইফউদ্দিন কিছুটা লড়াই করে ৩৪ বলে ৩৫ রানের হার না মানা ইনিংস খেলেন, মেরে দেন ২টি চার ও ২টি ছক্কা। তবে তা যথেষ্ট ছিল না পরাজয় এড়াতে।

    পাকিস্তানের বোলিং ছিল ধারালো—সালমান মির্জা ৪ ওভারে ৩ উইকেট (২০ রান), ফাহিম আশরাফ ২ ওভারে ২ উইকেট, মোহাম্মদ নওয়াজ ১.৪ ওভারে ৪ রান দিয়ে ২ উইকেট তুলে নেন।

    এই হারে সিরিজ ২-১ ব্যবধানে শেষ করল বাংলাদেশ। হোয়াইটওয়াশের যে সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল, সেটি ভেঙে শেষ হলো বড় ব্যবধানে পরাজয়ের মধ্য দিয়ে।

  • মাত্র ১১০ রানে গুটিয়ে পাকিস্তান, মুস্তাফিজের দুর্দান্ত রেকর্ডে উল্লসিত বাংলাদেশ

    মাত্র ১১০ রানে গুটিয়ে পাকিস্তান, মুস্তাফিজের দুর্দান্ত রেকর্ডে উল্লসিত বাংলাদেশ

    এবিএনএ:  টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে শুরু থেকেই দাপট দেখালো বাংলাদেশ। পাকিস্তানকে মাত্র ১১০ রানে গুটিয়ে দিল টাইগাররা। এই সংস্করণে বাংলাদেশের বিপক্ষে এটিই পাকিস্তানের সর্বনিম্ন দলীয় সংগ্রহ। আগের রেকর্ডটি ছিল ২০১৬ সালে মিরপুরে ১২৯ রান।

    ইনিংসের শেষ ওভারে তাসকিন আহমেদ একাই তিনটি উইকেট তুলে নিয়ে পাকিস্তানের ইনিংসে শেষ ছাপ টানেন। মাত্র ২২ রানে ৩ উইকেট নিয়ে ম্যাচের সেরা বোলারদের একজন হয়ে ওঠেন তিনি। তবে আলোচনার কেন্দ্রে মুস্তাফিজুর রহমান। ৪ ওভার বোলিং করে মাত্র ৬ রান দিয়ে ২ উইকেট শিকার করে তিনি আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে কম রান দেওয়া বোলিংয়ের রেকর্ড গড়েন।

    এর আগে, পাকিস্তানের শুরুটা ছিল হতাশাজনক। ৫০ রান পূরণের আগেই তারা হারায় ৫ উইকেট। ফখর জামান ৪৪ রান করলেও রান আউট হয়ে ফিরতে হয় তাকে। খুশদিল শাহ করেন ১৭ রান। বাকিরা ছিলেন নড়বড়ে। শেখ মেহেদী, তানজিম সাকিব ও রিশাদ হোসেনের সুশৃঙ্খল বোলিংয়ে ধসে পড়ে পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইনআপ।

    বাংলাদেশের অধিনায়ক লিটন দাস টস জিতে পাকিস্তানকে ব্যাটিংয়ে আমন্ত্রণ জানান। নিজের সিদ্ধান্ত যে সঠিক ছিল, তা প্রমাণ করে দিয়েছেন তার বোলাররা। নতুন বল হাতে শেখ মেহেদী প্রথম ওভারেই সুযোগ তৈরি করেন, যদিও ক্যাচ ছাড়েন তাসকিন। পরের ওভারেই সেই ভুলের শোধ নেন তিনি সাইম আইয়ুবকে ফিরিয়ে।

    পাকিস্তানের অধিনায়ক সালমান আগা ৯ বলে করেন মাত্র ৩ রান। মোহাম্মদ হারিস, হাসান নওয়াজরা ছিলেন আরও ব্যর্থ। রান আউট, ক্যাচ আউট আর দুর্দান্ত ফিল্ডিংয়ের কারণে একের পর এক উইকেট হারায় সফরকারীরা।

    বাংলাদেশ একাদশে একমাত্র পরিবর্তন ছিল শরিফুল ইসলামের বদলে তাসকিন আহমেদের প্রত্যাবর্তন। সেই সিদ্ধান্তই দলের পক্ষে বড় সুবিধা বয়ে আনে। স্পিনারদের সঙ্গে পেসারদের দুর্দান্ত সমন্বয়ে গড়া একাদশ পাকিস্তানকে রীতিমতো ধসিয়ে দেয়।

    এই ম্যাচের আগে বাংলাদেশ ২১টি টি-টোয়েন্টিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে মাত্র ৩টি জয় পেয়েছিল। তবে শ্রীলঙ্কা সফরের সাফল্যের পর আত্মবিশ্বাসী বাংলাদেশ এবার শুরুতেই বার্তা দিল—তারা এবার ভিন্ন কিছু করতে প্রস্তুত।

    বাংলাদেশ একাদশ: লিটন দাস (অধিনায়ক), তানজিদ হাসান, পারভেজ হোসেন, তাওহিদ হৃদয়, শামীম হোসেন, জাকের আলি, শেখ মেহেদী, রিশাদ হোসেন, মুস্তাফিজ, তাসকিন, তানজিম।

    পাকিস্তান একাদশ: ফখর জামান, সাইম আইয়ুব, মোহাম্মদ হারিস, হাসান নওয়াজ, সালমান আগা (অধিনায়ক), মোহাম্মদ নওয়াজ, খুশদিল শাহ, ফাহিম আশরাফ, আব্বাস আফ্রিদি, সালমান মির্জা, আবরার আহমেদ।

  • সিরিজ বাঁচাতে মরিয়া বাংলাদেশ, লাহোরে টস হেরে ফিল্ডিংয়ে টাইগাররা

    সিরিজ বাঁচাতে মরিয়া বাংলাদেশ, লাহোরে টস হেরে ফিল্ডিংয়ে টাইগাররা

    এবিএনএ:

    লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে আজ বাঁচা-মরার লড়াইয়ে মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ। সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচে জয় ছাড়া কোনো পথ নেই টাইগারদের সামনে। কিন্তু শুরুটা আশানুরূপ হলো না—টস হেরে প্রথমে ফিল্ডিং করতে হচ্ছে লিটন দাসের দলকে।

    সিরিজের প্রথম ম্যাচে ৩৭ রানে পরাজিত হয়ে ১-০ ব্যবধানে পিছিয়ে আছে বাংলাদেশ। ফলে আজকের ম্যাচে হার মানেই সিরিজ হাতছাড়া। সেই চাপ নিয়েই মাঠে নামছে টাইগাররা।

    টস জিতে পাকিস্তান অধিনায়ক ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন। এদিন দুই দলের একাদশেই এসেছে পরিবর্তন। বাংলাদেশ দল থেকে বাদ পড়েছেন শেখ মেহেদি হাসান, তার জায়গায় দলে ফিরেছেন অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজ। অন্যদিকে, চোটের কারণে পাকিস্তান একাদশে নেই ফখর জামান, তার পরিবর্তে ওপেনিংয়ে এসেছেন শাহিবজাদা ফারহান।

    বাংলাদেশের একাদশ:
    তানজিদ হাসান তামিম, পারভেজ হোসেন ইমন, লিটন দাস (অধিনায়ক), তাওহিদ হৃদয়, জাকের আলি অনিক (উইকেটরক্ষক), শামীম হোসেন পাটোয়ারী, মেহেদী হাসান মিরাজ, রিশাদ হোসেন, তানজিম হাসান সাকিব, হাসান মাহমুদ ও শরিফুল ইসলাম।

    ক্রিকেটপ্রেমীদের চোখ এখন লাহোরের মাঠের দিকে। এই ম্যাচে কি টাইগাররা ঘুরে দাঁড়াতে পারবে? উত্তরের অপেক্ষায় কোটি ভক্ত।

  • নাহিদ রানা যাচ্ছেন না পাকিস্তান সফরে – শেষ মুহূর্তে চমক ক্রিকেট দলে

    নাহিদ রানা যাচ্ছেন না পাকিস্তান সফরে – শেষ মুহূর্তে চমক ক্রিকেট দলে

    এবিএনএ: 

    আসন্ন পাকিস্তান সফরের জন্য ঘোষিত তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে স্কোয়াডে থাকলেও, শেষ মুহূর্তে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছেন বাংলাদেশ দলের উদীয়মান পেসার নাহিদ রানা। নিরাপত্তা সংশয়ের কারণে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি—এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের চেয়ারম্যান নাজমূল আবেদীন ফাহিম।

    নাহিদের পাশাপাশি, দলের ফিল্ডিং কোচ জেমস প্যামেন্ট ও টিম ট্রেনারও পাকিস্তানে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। অন্যদিকে, বর্তমানে আইপিএলে খেলা মোস্তাফিজুর রহমান দলীয় সফরে অংশ নেবেন বলে নিশ্চিত করা হয়েছে।

    এর আগে, পাকিস্তান সুপার লিগ (পিএসএল) চলাকালে পেশোয়ার জালমির হয়ে খেলার সময় পাকিস্তানেই অবস্থান করছিলেন নাহিদ। একই সময় লাহোর কালান্দার্সের হয়ে খেলছিলেন রিশাদ হোসেনও। কিন্তু সীমান্ত উত্তেজনা ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ফলে টুর্নামেন্টটি স্থগিত হয়ে গেলে, উভয় খেলোয়াড়কে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনা হয়।

    এ বিষয়ে ফাহিম বলেন,

    “পাকিস্তানে নাহিদের অভিজ্ঞতা খুব একটা স্বস্তিদায়ক ছিল না। সম্ভবত সেই কারণেই সে সরে দাঁড়িয়েছে। তার মধ্যে মানসিক অস্থিরতা রয়েছে।”

    তিনি আরও জানান,

    “প্যামেন্ট ও ট্রেনারও একই পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি চান না। তবে পাকিস্তান সর্বোচ্চ নিরাপত্তা দিচ্ছে এবং বাংলাদেশের পক্ষ থেকেও একটি পর্যবেক্ষণ দল পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করবে।”

    অন্যদিকে, রিশাদ হোসেন পাকিস্তানে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন দলের স্বার্থে, যদিও তিনিও একই রকম পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছেন পিএসএল চলাকালে।

    বোলিং বিভাগ নিয়ে কিছুটা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ফাহিম।

    “ব্যাটিং দারুণ হচ্ছে। তবে বোলিং নিয়ে এখনো কিছু কাজ করতে হবে। আশা করছি ভালো একটা সিরিজ হবে।”

    উল্লেখ্য, পাকিস্তান সফরের সূচি অনুযায়ী প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে ২৮ মে, এরপর ৩০ মে ও ১ জুন দ্বিতীয় ও তৃতীয় ম্যাচ। তিনটি ম্যাচই লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে রাত ৯টায় শুরু হবে (বাংলাদেশ সময়)।