Tag: বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর

  • রাতে ঢাকায় হঠাৎ ঝড়ের শঙ্কা, ৫০ কিমি বেগে দমকা হাওয়া ও বজ্রবৃষ্টির সতর্কতা

    রাতে ঢাকায় হঠাৎ ঝড়ের শঙ্কা, ৫০ কিমি বেগে দমকা হাওয়া ও বজ্রবৃষ্টির সতর্কতা

    এবিএনএ: রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় রাতে ঝড়ো আবহাওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। সংস্থাটি জানিয়েছে, ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে, সঙ্গে থাকতে পারে বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনাও।

    সোমবার (২৭ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৭টা থেকে পরবর্তী ছয় ঘণ্টার জন্য দেওয়া পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, এ সময় ঢাকার আকাশ আংশিক মেঘলা থেকে সাময়িকভাবে মেঘাচ্ছন্ন হতে পারে। আবহাওয়ার এই পরিবর্তনের সঙ্গে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টিপাত হতে পারে।

    পূর্বাভাসে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে সাধারণত ঘণ্টায় ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হতে পারে। তবে অস্থায়ীভাবে পশ্চিম কিংবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে দমকা হাওয়া বয়ে গিয়ে এর গতি ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।

    আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সন্ধ্যা ৬টায় ঢাকার তাপমাত্রা ছিল ২৭ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ওই সময়ে বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৭৮ শতাংশ।

    আজ রাজধানীতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ২৮ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং দিনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত ছয় ঘণ্টায় ঢাকায় উল্লেখযোগ্য কোনো বৃষ্টিপাত হয়নি বলেও জানানো হয়েছে।

    এদিকে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামীকাল সূর্যোদয় হবে ভোর ৫টা ২৭ মিনিটে এবং সূর্যাস্ত সন্ধ্যা ৬টা ২৬ মিনিটে। আবহাওয়ার আকস্মিক পরিবর্তনের কারণে রাতে অপ্রয়োজনে বাইরে না যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

  • ঝড়-বৃষ্টির সতর্কবার্তা: ঢাকাসহ ২০ অঞ্চলের নদীবন্দরে সংকেত জারি

    ঝড়-বৃষ্টির সতর্কবার্তা: ঢাকাসহ ২০ অঞ্চলের নদীবন্দরে সংকেত জারি

    এবিএনএ: দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আকস্মিক ঝড়ো আবহাওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। রাজধানী ঢাকাসহ অন্তত ২০টি অঞ্চলের ওপর দিয়ে দমকা হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টি হতে পারে বলে জানানো হয়েছে।

    শনিবার রাত ১টা পর্যন্ত অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া পূর্বাভাসে এই সতর্কতা জারি করা হয়। সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোর নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত প্রদর্শনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    আবহাওয়াবিদদের মতে, পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে বয়ে আসা ঝড়ো হাওয়ার গতি ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। এর সঙ্গে থাকতে পারে বজ্রপাত ও স্বল্পমেয়াদি বৃষ্টিপাত।

    যেসব অঞ্চল এই ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে সেগুলো হলো—রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, মাদারিপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট।

    এই পরিস্থিতিতে নদীপথে চলাচলকারী নৌযানগুলোকে সতর্কতার সঙ্গে চলাচলের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সাধারণ মানুষকে ঝড়ের সময় নিরাপদ স্থানে অবস্থান করার আহ্বান জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

  • বৃষ্টিবলয় ‘গোধূলি’র প্রভাবে আবহাওয়ার রূপ বদল, ১০ অঞ্চলে ৮০ কিমি বেগে ঝড়ের সতর্কতা

    বৃষ্টিবলয় ‘গোধূলি’র প্রভাবে আবহাওয়ার রূপ বদল, ১০ অঞ্চলে ৮০ কিমি বেগে ঝড়ের সতর্কতা

    এবিএনএ: বৃষ্টিবলয় ‘গোধূলি’র প্রভাবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ঝড়ো হাওয়া ও বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে। এর মধ্যেই আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, দেশের অন্তত ১০টি অঞ্চলের ওপর দিয়ে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৮০ কিলোমিটার বেগে ঝড় ও বজ্রসহ বৃষ্টি বয়ে যেতে পারে।

    রোববার (১৫ মার্চ) সকাল ৯টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য জারি করা এক সতর্কবার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।

    সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, রংপুর, পাবনা, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এর সঙ্গে বজ্রপাতসহ বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনাও রয়েছে।

    এ কারণে এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ২ নম্বর পুনঃ ২ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত প্রদর্শনের নির্দেশ দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

    অন্যদিকে সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, একটি লঘুচাপের বর্ধিতাংশ বর্তমানে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও আশপাশের এলাকায় অবস্থান করছে। একই সময়ে মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে সক্রিয় রয়েছে।

    এই পরিস্থিতির প্রভাবে ময়মনসিংহ, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু এলাকায় এবং রংপুর, রাজশাহী, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

    এছাড়া দেশের কোথাও কোথাও বিচ্ছিন্নভাবে শিলাবৃষ্টিও হতে পারে বলে পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে।

    আবহাওয়া অধিদপ্তর আরও জানিয়েছে, এই আবহাওয়াগত পরিস্থিতির কারণে সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমে যেতে পারে।

  • আগামী ৫ দিন দেশে বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা, কোথাও দমকা হাওয়ার সতর্কতা

    আগামী ৫ দিন দেশে বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা, কোথাও দমকা হাওয়ার সতর্কতা

    এবিএনএ: দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আগামী পাঁচ দিন বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে Bangladesh Meteorological Department। পশ্চিমবঙ্গ ও পার্শ্ববর্তী এলাকার উপর অবস্থানরত লঘুচাপের বর্ধিতাংশের প্রভাবে এই আবহাওয়া পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। কোথাও কোথাও দমকা হাওয়াও বইতে পারে।

    শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে সংস্থাটি জানায়, মৌসুমি স্বাভাবিক লঘুচাপ বর্তমানে Bay of Bengal-এর দক্ষিণাংশে অবস্থান করছে। এর প্রভাবে দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি ও বজ্রপাতের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

    প্রথম দিনের পূর্বাভাস

    প্রথম দিনে Rangpur Division, Dhaka Division, Mymensingh DivisionSylhet Division-এর কিছু কিছু স্থানে অস্থায়ী দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টিপাত হতে পারে। এছাড়া Rajshahi Division, Khulna Division, Barishal DivisionChattogram Division-এর দুই-একটি জায়গায় একই ধরনের আবহাওয়া দেখা যেতে পারে। এ সময় দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।

    দ্বিতীয় দিনের পরিস্থিতি

    শনিবারও দেশের কয়েকটি বিভাগে একই ধরনের আবহাওয়া অব্যাহত থাকতে পারে। রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু জায়গায় বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এ সময় দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমলেও রাতের তাপমাত্রা কিছুটা বাড়তে পারে।

    তৃতীয় দিনের সম্ভাবনা

    রোববার রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু স্থানে বৃষ্টি হতে পারে। পাশাপাশি রংপুর, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দুই-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বজ্রপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এ সময় দিন ও রাতের তাপমাত্রা কিছুটা কমতে পারে।

    চতুর্থ ও পঞ্চম দিনের পূর্বাভাস

    সোমবার ও মঙ্গলবার দেশের প্রায় সব বিভাগের দুই-একটি স্থানে বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। আবহাওয়া দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এই সময় তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। তবে পঞ্চম দিনে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।

    আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী কয়েক দিন বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। তাই বিশেষ করে খোলা জায়গায় কাজ করা মানুষ ও নৌযান চলাচলে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

    এদিকে শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে ঢাকা এ বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা ছিল প্রায় ৫৭ শতাংশ। সে সময় পশ্চিম বা দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৮ থেকে ১২ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হচ্ছিল। মাঝে মাঝে দমকা হাওয়ার গতি ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে বলেও জানানো হয়েছে।

    আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্যমতে, শনিবার ঢাকায় সূর্যোদয় হবে ভোর ৬টা ৯ মিনিটে এবং সূর্যাস্ত হবে সন্ধ্যা ৬টা ৭ মিনিটে।

  • সপ্তাহজুড়ে উষ্ণতার ঊর্ধ্বগতি: শীত সরে গিয়ে ফিরছে শুষ্ক আবহাওয়া

    সপ্তাহজুড়ে উষ্ণতার ঊর্ধ্বগতি: শীত সরে গিয়ে ফিরছে শুষ্ক আবহাওয়া

    এবিএনএ: উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের প্রভাবে আগামী কয়েক দিন দেশের আবহাওয়ায় বড় কোনো পরিবর্তন না এলেও ধীরে ধীরে উষ্ণতা বাড়তে পারে। পাঁচ দিনের বর্ধিত পূর্বাভাসে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর—এই সময়ে আকাশ আংশিক মেঘলা থাকলেও বৃষ্টির সম্ভাবনা খুবই কম, আর সার্বিকভাবে আবহাওয়া থাকবে শুষ্ক।

    পূর্বাভাস অনুযায়ী, ভোরের দিকে দেশের নদী অববাহিকা এলাকায় কোথাও কোথাও হালকা কুয়াশা দেখা দিতে পারে। শুরুতে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় স্থির থাকলেও সপ্তাহের শেষভাগে উভয় তাপমাত্রাই ধাপে ধাপে বাড়ার ইঙ্গিত রয়েছে।

    সিনপটিক পরিস্থিতির ব্যাখ্যায় আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের একটি বর্ধিতাংশ বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গ ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় অবস্থান করছে। অন্যদিকে মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ রয়েছে দক্ষিণ বঙ্গোপসাগর-এ, যার একটি অংশ উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত। এই দুই ব্যবস্থার প্রভাবে দেশে শুষ্ক আবহাওয়া বজায় থাকতে পারে।

    আগামী ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে আংশিক মেঘলা আকাশ থাকলেও বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। শনিবার থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত প্রতিদিনই একই ধাঁচের আবহাওয়া বিরাজ করার কথা জানানো হয়েছে—শুষ্ক পরিবেশ, ভোরে হালকা কুয়াশা এবং ধীরে ধীরে উষ্ণতা বাড়ার প্রবণতা। কোনো কোনো দিনে দিনের তাপমাত্রা সামান্য ওঠানামা করতে পারে, তবে সামগ্রিকভাবে উষ্ণতার ঊর্ধ্বগতি অব্যাহত থাকার আভাস দিয়েছে সংস্থাটি।

    আবহাওয়াবিদদের মতে, শীতের শেষপ্রান্তে এ ধরনের শুষ্ক ও উষ্ণ প্রবণতা স্বাভাবিক। তাই দিনের বেলা রোদে বের হলে হালকা পানিশূন্যতা এড়াতে পানি পান বাড়ানো এবং সকালে কুয়াশাচ্ছন্ন এলাকায় চলাচলে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

  • রাতে বাড়তে পারে শীতের অনুভূতি, ঢাকাবাসীর জন্য আবহাওয়া অধিদপ্তরের নতুন সতর্কবার্তা

    রাতে বাড়তে পারে শীতের অনুভূতি, ঢাকাবাসীর জন্য আবহাওয়া অধিদপ্তরের নতুন সতর্কবার্তা

    এবিএনএ: রাজধানী ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকায় সন্ধ্যার পর থেকে রাতের দিকে শীতের আমেজ কিছুটা বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। তাপমাত্রা সামান্য কমে যাওয়ায় রাতে ঠান্ডা অনুভূত হতে পারে বলে পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে।

    বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টা থেকে পরবর্তী ছয় ঘণ্টার জন্য দেওয়া পূর্বাভাসে জানানো হয়, এ সময় ঢাকাসহ আশপাশের এলাকার আকাশ অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। একই সঙ্গে আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

    আবহাওয়া অফিসের তথ্যমতে, এই সময়ে উত্তর অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬ থেকে ১২ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হতে পারে, যা রাতের শীতল অনুভূতিকে আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।

    সন্ধ্যা ৬টায় ঢাকার তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ২৪ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ওই সময় বাতাসের আর্দ্রতার মাত্রা ছিল ৫৮ শতাংশ। আজ রাজধানীতে দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা উঠেছে ২৮ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমেছে ১৯ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।

    এদিকে গত ছয় ঘণ্টায় ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় কোনো বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়নি। আগামীকাল বৃহস্পতিবার সূর্যোদয় হবে ভোর ৬টা ৩৭ মিনিটে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

  • শীত আরও কয়দিন? কুয়াশা নিয়ে নতুন পূর্বাভাস দিল আবহাওয়া অধিদপ্তর

    শীত আরও কয়দিন? কুয়াশা নিয়ে নতুন পূর্বাভাস দিল আবহাওয়া অধিদপ্তর

    এবিএনএ: দেশজুড়ে শীত ও কুয়াশার প্রভাব আরও কিছুদিন অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। সংস্থাটির পূর্বাভাস অনুযায়ী, সারাদেশে আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকবে এবং রাতের শেষভাগ থেকে সকাল পর্যন্ত বিভিন্ন এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা দেখা দিতে পারে।

    শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, বর্তমানে উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের একটি বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় অবস্থান করছে। একই সময়ে মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে, যার প্রভাব উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত।

    প্রথম দিনের পূর্বাভাসে জানানো হয়, সারাদেশে আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে, তবে বৃষ্টির কোনো সম্ভাবনা নেই। রাতের শেষভাগ থেকে সকাল পর্যন্ত কোথাও কোথাও কুয়াশা পড়তে পারে। এ সময় রাত ও দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

    রোববার (২৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৬টা থেকে দ্বিতীয় দিনের পূর্বাভাসেও একই ধরনের আবহাওয়া বিরাজ করতে পারে। আকাশ আংশিক মেঘলা থাকলেও সারাদেশে শুষ্ক আবহাওয়া বজায় থাকবে। শেষরাত থেকে সকাল পর্যন্ত কুয়াশা পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এদিন রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে, তবে দিনের তাপমাত্রায় তেমন পরিবর্তন হবে না।

    সোমবার (২৬ জানুয়ারি) সন্ধ্যা থেকে তৃতীয় দিনে দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। কোথাও কোথাও কুয়াশা দেখা দিতে পারে। এই সময়ে রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমলেও দিনের তাপমাত্রা প্রায় স্থিতিশীল থাকবে।

    মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৬টা থেকে চতুর্থ দিনে আংশিক মেঘলা আকাশসহ শুষ্ক আবহাওয়া অব্যাহত থাকতে পারে। শেষরাত থেকে সকাল পর্যন্ত কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে। এদিন রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা কিছুটা কমতে পারে।

    বুধবার (২৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যা থেকে পঞ্চম দিনেও একই ধরনের আবহাওয়া বজায় থাকতে পারে। কোথাও কোথাও কুয়াশা পড়তে পারে এবং রাত ও দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী পাঁচ দিনের পরেও দেশের আবহাওয়ায় বড় ধরনের কোনো পরিবর্তনের সম্ভাবনা আপাতত নেই।

  • বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ ঘনীভূত হওয়ার আভাস, বাড়তে পারে বৃষ্টিপাত

    বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ ঘনীভূত হওয়ার আভাস, বাড়তে পারে বৃষ্টিপাত

    এবিএনএ: উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন উড়িষ্যা উপকূলে অবস্থানরত লঘুচাপটি ধীরে ধীরে ঘনীভূত হচ্ছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। বুধবার সন্ধ্যায় প্রকাশিত সর্বশেষ আবহাওয়া পূর্বাভাসে বলা হয়, আগামী পাঁচ দিনে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টিপাত ও দমকা হাওয়ার প্রবণতা বাড়বে।

    আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্যমতে, আজ বুধবার সন্ধ্যা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেটের কিছু এলাকায় দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। রংপুর, ময়মনসিংহ, ঢাকা ও রাজশাহীর কয়েকটি স্থানে বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টি হতে পারে। এ সময় সারাদেশে কোথাও কোথাও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে।

    বৃহস্পতিবার থেকে ধীরে ধীরে বৃষ্টিপাত আরও বিস্তৃত হতে পারে। শুক্রবার সন্ধ্যার পর থেকে খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেটের বহু স্থানে এবং রংপুর, ঢাকা, রাজশাহী ও ময়মনসিংহের কিছু জায়গায় ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণের আশঙ্কা করা হচ্ছে। একইসঙ্গে দেশের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত কমতে পারে।

    শনিবার ও রবিবারও দেশের বেশিরভাগ অঞ্চলে বৃষ্টি চলবে বলে পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে বিশেষ করে রংপুর, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের মাত্রা তুলনামূলক বেশি হতে পারে।

    আবহাওয়া অফিস আরও জানিয়েছে, আগামী পাঁচ দিনের শেষ দিকে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা আরও বাড়তে পারে, যা সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবন ও কৃষি কার্যক্রমে প্রভাব ফেলবে।

  • তিন বিভাগে ভারী বৃষ্টির আভাস, সারাদেশেই হতে পারে বৃষ্টি

    তিন বিভাগে ভারী বৃষ্টির আভাস, সারাদেশেই হতে পারে বৃষ্টি

    এবিএনএ:  বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর আগামী কয়েক দিনে টানা বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিয়েছে। বিশেষ করে রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগে ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা করা হচ্ছে। পাশাপাশি দেশের প্রায় সব বিভাগেই হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি হতে পারে বলে জানানো হয়েছে।

    বুধবার আবহাওয়া অফিসের আবহাওয়াবিদ খো. হাফিজুর রহমান জানান, বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা পর্যন্ত রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের বহু এলাকায় বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া রাজশাহী, ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং খুলনা ও বরিশালের দু’এক স্থানে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি হতে পারে।

    আগামী শুক্রবার থেকে রোববার পর্যন্ত একই ধারা অব্যাহত থাকবে। এসব দিনে রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে সারাদেশের দিন ও রাতের তাপমাত্রা খুব বেশি পরিবর্তিত হবে না, কেবল শুক্রবার দিনে তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।

    রবিবার সকাল ৯টা থেকে সোমবার সকাল পর্যন্ত রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেটের অধিকাংশ জায়গায় এবং ঢাকা, রাজশাহী ও চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক স্থানে বৃষ্টিপাত বাড়বে। এ সময় বরিশাল ও খুলনা বিভাগের কিছু এলাকাও বৃষ্টির আওতায় আসতে পারে।

    আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী পাঁচদিনের শুরুতে সারাদেশেই বৃষ্টির প্রবণতা আরও বৃদ্ধি পাবে। এর ফলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে স্বাভাবিক জনজীবন ও পরিবহন ব্যবস্থায় প্রভাব পড়তে পারে।