Tag: বলিউড গসিপ

  • বাবা–মায়ের বিচ্ছেদের গুঞ্জন: অবশেষে মুখ খুললেন গোবিন্দকন্যা টিনা আহুজা

    বাবা–মায়ের বিচ্ছেদের গুঞ্জন: অবশেষে মুখ খুললেন গোবিন্দকন্যা টিনা আহুজা

    এবিএনএ: বলিউড অভিনেতা গোবিন্দ এবং তার স্ত্রী সুনীতা আহুজার দীর্ঘদিন ধরেই বলিউডের অন্যতম সুখী দম্পতি হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তবে সম্প্রতি তাদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে নানা গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে। বিশেষ করে দাম্পত্য সম্পর্কে দূরত্ব তৈরি হয়েছে—এমন আলোচনা এখন বলিউড অঙ্গনে বেশ আলোচিত।

    এই পরিস্থিতির মধ্যেই বিষয়টি নিয়ে প্রথমবারের মতো প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন তাদের মেয়ে Tina Ahuja। সাম্প্রতিক এক মন্তব্যে তিনি জানান, গত দুই বছর তাদের পরিবারের জন্য মোটেও সহজ সময় ছিল না। বিভিন্ন চড়াই-উতরাইয়ের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে পুরো পরিবারকে।

    টিনা বলেন, পারিবারিক নানা জটিলতা ও পরিস্থিতির কারণে তাদের জীবনে বেশ কিছু কঠিন মুহূর্ত এসেছে। তবে এসব পরিস্থিতির মধ্যেও পরিবার হিসেবে একে অপরকে বোঝার চেষ্টা করছেন তারা।


    নারী দিবসে মাকে ঘিরে টিনার বার্তা

    আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে মাকে উদ্দেশ করে সামাজিক মাধ্যমে একটি আবেগঘন বার্তা দেন টিনা। সেখানে তিনি লিখেছেন, অনেক নারী অন্যদের জন্য এতটাই ব্যস্ত থাকেন যে নিজেদের জন্য সময় বের করতে পারেন না।

    মেয়ের এই বার্তাকে কেন্দ্র করে নতুন করে আলোচনার সৃষ্টি হয়। অনেকেই মনে করছেন, টিনার এই কথার মধ্য দিয়ে তার বাবা-মায়ের সম্পর্কের টানাপোড়েনের ইঙ্গিত মিলেছে।

    অন্যদিকে টিনার এই মন্তব্যের জবাবে সুনীতা আহুজা বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে তিনি সংসারের দায়িত্ব একাই সামলেছেন। এখন তিনি নিজের জীবন ও স্বপ্নের দিকেও কিছুটা মনোযোগ দিতে চান।


    গোবিন্দর প্রতিক্রিয়া

    এই প্রসঙ্গে অভিনেতা গোবিন্দও নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন। তার দাবি, সুনীতা বিভিন্ন জায়গায় তার নাম উল্লেখ করে যেভাবে মন্তব্য করছেন, তা তার পেশাগত জীবনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

    গোবিন্দ আরও বলেন, এমন পরিস্থিতিতে তরুণ শিল্পীরা ভবিষ্যতে তার সঙ্গে কাজ করতে দ্বিধায় পড়তে পারেন। এজন্য স্ত্রীর কিছু মন্তব্যের জন্য তিনি প্রকাশ্যে দুঃখ প্রকাশও করেছেন।

    সব মিলিয়ে, দীর্ঘদিনের এই তারকা দম্পতির সম্পর্ক নিয়ে এখনো নানা জল্পনা চলছে। যদিও পরিবার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিচ্ছেদের ঘোষণা এখনো দেওয়া হয়নি।

  • বিমানে হৃতিক–কারিনার ‘ঘনিষ্ঠতা’ বিতর্ক: গুঞ্জনের নেপথ্যে যে অজানা সত্য সামনে এল

    বিমানে হৃতিক–কারিনার ‘ঘনিষ্ঠতা’ বিতর্ক: গুঞ্জনের নেপথ্যে যে অজানা সত্য সামনে এল

    এবিএনএ: বলিউডের আলোচিত জুটিগুলোর মধ্যে হৃতিক রোশন ও কারিনা কাপুরের নাম বরাবরই আলাদা করে উঠে আসে। এক সময় তাদের সম্পর্ক নিয়ে তৈরি হওয়া নানা গুঞ্জন আবারও নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রে এসেছে। বিশেষ করে বিমানে তাদের ‘ঘনিষ্ঠতা’ নিয়ে ছড়ানো একটি পুরোনো খবর ফের সামাজিক মাধ্যমে ঘুরপাক খাচ্ছে।

    হৃতিক ও কারিনা ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে একাধিক সফল সিনেমায় একসঙ্গে কাজ করেন। পর্দার রসায়ন থেকেই বাস্তব জীবনেও তাদের প্রেমের গল্প ছড়াতে শুরু করে। সেই সময় একটি প্রভাবশালী ম্যাগাজিনে দাবি করা হয়, বিমানে ভ্রমণের সময় দুজনকে বেশ ঘনিষ্ঠ মুহূর্তে দেখা গেছে। প্রকাশের পরই খবরটি বলিউডে তীব্র চাঞ্চল্য সৃষ্টি করে।

    তবে এই গুজবের বিরুদ্ধে তখনই সরব হন হৃতিকের বাবা ও খ্যাতিমান পরিচালক রাকেশ রোশন। তিনি স্পষ্ট করে জানান, খবরটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, হৃতিক ও কারিনা লন্ডনে একটি সিনেমার শুটিংয়ে অংশ নিতে গিয়েছিলেন, আর সেই সময় তিনি নিজেই শুটিং সেটে হঠাৎ হাজির হয়েছিলেন। ফলে বিমানে কোনো গোপন ঘটনার প্রশ্নই ওঠে না।

    এ প্রসঙ্গে হৃতিক রোশনও নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছিলেন। তিনি বলেন, তার পরিবার ও তৎকালীন স্ত্রী তার ওপর সম্পূর্ণ আস্থা রাখেন। তাই এ ধরনের গুজব তাদের সম্পর্কে কোনো প্রভাব ফেলে না। তবে কারিনার নাম এভাবে জড়িয়ে পড়ায় ব্যক্তিগতভাবে তিনি দুঃখ প্রকাশ করেছিলেন।

    দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও বলিউডে তারকাদের পুরোনো সম্পর্কের গল্প যে এখনো দর্শকের কৌতূহল জাগায়, এই বিতর্ক তারই প্রমাণ।

  • বলিউডে ফের দাম্পত্য সংকটের গুঞ্জন—এবার অভিষেক ও ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনকে ঘিরে

    বলিউডে ফের দাম্পত্য সংকটের গুঞ্জন—এবার অভিষেক ও ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনকে ঘিরে

    এবিএনএ: সাম্প্রতিক সময়ে বলিউডের আকাশে ফের ডানা মেলেছে অভিষেক বচ্চন ও ঐশ্বরিয়া রাইয়ের বিচ্ছেদের জল্পনা। বেশ কয়েক বছর ধরেই তাঁদের সম্পর্ক নিয়ে নানা আলোচনা-সমালোচনা চলছে। তবে এবার এই জল্পনা আরও জোরালো হয়েছে ঐশ্বরিয়ার পদবি পরিবর্তনের ঘটনায়।

    ভারতের বিভিন্ন নামী সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, সদ্য কিছুদিন আগে ঐশ্বরিয়া রাই নিজের নাম থেকে ‘বচ্চন’ পদবিটি সরিয়ে পুরনো ‘রাই’ পদবিতে ফিরেছেন। এই পরিবর্তন চোখে পড়তেই আবারও শুরু হয়েছে নানান কানাঘুষো। শুধু তাই নয়, শোনা যাচ্ছে, তিনি বর্তমানে তাঁর মায়ের বাড়িতে অবস্থান করছেন। শাশুড়ি জয়া বচ্চন ও ননদ শ্বেতা বচ্চনের সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েনের কারণেই এই সিদ্ধান্ত।

    সম্প্রতি আকাশ আম্বানি ও শ্লোকার বিবাহোৎসবে ঐশ্বরিয়াকে একা কন্যা আরাধ্যাকে সঙ্গে নিয়ে আলাদাভাবে উপস্থিত হতে দেখা যায়। অভিষেক ছিলেন না সেই অনুষ্ঠানে। এই ঘটনা আরও উস্কে দিয়েছে তাঁদের সম্পর্ক ভাঙনের গুঞ্জন।

    ঐশ্বরিয়া এখনও এ বিষয়ে মুখ খোলেননি। তবে অভিষেক বচ্চন সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে বিরক্তি প্রকাশ করে বলেন, “আমি যতই সত্যি বলি না কেন, মানুষ তাতে বিশ্বাস করবে না। কারণ, নেতিবাচক খবরেই সবাই আগ্রহী। ব্যক্তিগত বিষয়গুলো ব্যাখ্যা করেও লাভ নেই। যাঁরা আমার জীবনের অংশ নন, তাঁদের জবাব দেওয়ার কোনও প্রয়োজন মনে করি না।”

    অভিষেকের এই বক্তব্যে আরও একবার স্পষ্ট, তাঁদের সম্পর্ক নিয়ে বাইরে থেকে করা জল্পনা তাঁর পছন্দ নয়। কিন্তু তাতে গুজব থেমে নেই। বরং দিন দিন তা আরও ঘনীভূত হচ্ছে।

    বলা যায়, বলিউডের এই তারকা জুটির ব্যক্তিগত জীবনের জটিলতা এবার যেন সত্যিই প্রকাশ্যে আসতে চলেছে।

  • “সিঙ্গল মাদার” নই, সন্তানদের অভিভাবক আমরা দুজনেই: স্পষ্ট বক্তব্য এশা দেওলের

    “সিঙ্গল মাদার” নই, সন্তানদের অভিভাবক আমরা দুজনেই: স্পষ্ট বক্তব্য এশা দেওলের

    এবিএনএ:  বলিউড অভিনেত্রী হেমা মালিনী-কন্যা এশা দেওল সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে তার ব্যক্তিগত জীবন এবং মাতৃত্ব সম্পর্কে স্পষ্ট বক্তব্য তুলে ধরেছেন। অভিনেত্রী জানান, স্বামী ভরত তখতানির সঙ্গে বিচ্ছেদ হলেও তিনি নিজেকে ‘সিঙ্গল মাদার’ হিসেবে মনে করেন না।

    ২০১২ সালে হিরে ব্যবসায়ী ভরত তখতানির সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন এশা। তাদের দুই কন্যা সন্তান রয়েছে, রাধ্যা মিরা। দীর্ঘদিনের সম্পর্ক শেষ হয় গত বছর, এবং তারা যৌথভাবে একটি বিবৃতিতে বিচ্ছেদের কথা ঘোষণা করেন।

    সম্প্রতি একটি মিডিয়া ইভেন্টে “সিঙ্গল মাদার” শব্দটি উল্লেখ করে সাংবাদিকের প্রশ্নে এশা সরাসরি জানান, ‘‘আমি নিজেকে কখনই একক মা বলে ভাবি না। আর আমার প্রাক্তন সঙ্গীকেও তেমন ভাবতে দিই না। আমরা একসাথে না থাকলেও মা-বাবা হিসেবে আমাদের দায়িত্বে কোনও ঘাটতি নেই।’’

    এশা আরও বলেন, ‘‘সম্পর্ক ভেঙে গেলেও আমাদের সন্তানদের প্রতি ভালোবাসা কর্তব্য একই রকম রয়েছে। জীবন যেমনই হোক, মা-বাবা হিসেবে আমরা পাশে আছি সবসময়।’’

    প্রথমদিকে ডিভোর্স নিয়ে মুখ খুলতে চাননি তারা। কিন্তু ‘গদর ২’-এর সাকসেস পার্টির পর থেকেই গুঞ্জন শুরু হয় এবং ধীরে ধীরে প্রকাশ্যে আসে তাদের সম্পর্কের অবনতি।

    দিল্লি টাইমসকে দেওয়া এক বিবৃতিতে এশা ভরত বলেন, ‘‘আমরা যৌথ সিদ্ধান্তে আলাদা হয়েছি। এই সিদ্ধান্তের পেছনে আমাদের দুই সন্তানের ভবিষ্যৎ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিবেচ্য বিষয় ছিল।’’

    তাদের এই সিদ্ধান্ত এখন বলিউডে সহঅভিভাবকত্বের ইতিবাচক উদাহরণ হয়ে উঠেছে।