Tag: বরিশাল

  • ডেঙ্গুতে একদিনে রেকর্ড ৮৪৫ জন হাসপাতালে ভর্তি, আরও ৪ জনের মৃত্যু

    ডেঙ্গুতে একদিনে রেকর্ড ৮৪৫ জন হাসপাতালে ভর্তি, আরও ৪ জনের মৃত্যু

    এবিএনএ:  দেশে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে নতুন করে ৮৪৫ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। একই সময়ে মারা গেছেন আরও চারজন। এ বছর একদিনে সর্বাধিক রোগী ভর্তির রেকর্ড এটি।

    এর আগে ২১ সেপ্টেম্বর একদিনে ৭৪০ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হওয়ার তথ্য দিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

    মৃত্যু ও আক্রান্তের সর্বশেষ চিত্র

    গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া চারজনের মধ্যে দুজন নারী ও দুজন পুরুষ। তারা চিকিৎসাধীন ছিলেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল ও ডিএনসিসি ডেডিকেটেড কভিড-১৯ হাসপাতালে।

    বর্তমানে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ডেঙ্গুতে ভর্তি রয়েছেন ২ হাজার ২৩০ জন রোগী। এর মধ্যে ঢাকার বাইরে ভর্তি আছেন ১ হাজার ৪৮৪ জন এবং ঢাকার ভেতরে ৭৪৬ জন।

    বিভাগভিত্তিক পরিস্থিতি

    সর্বশেষ একদিনে নতুন ভর্তি রোগীদের মধ্যে বরিশালে সর্বাধিক ১৬৬ জন। ঢাকার মহানগরে ভর্তি হয়েছেন ২০৯ জন, ঢাকার অন্য অংশে ১৬৪ জন, খুলনায় ১০১ জন, চট্টগ্রামে ৯১ জন, রাজশাহীতে ৫৪ জন, ময়মনসিংহে ৩৭ জন, রংপুরে ১৭ জন এবং সিলেটে ৬ জন।

    চলতি বছরের পরিসংখ্যান

    ২০২৫ সালে এ পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৪৬ হাজার ৫১ জন, আর প্রাণ হারিয়েছেন ১৯২ জন। আক্রান্তের দিক থেকে বরিশাল বিভাগ শীর্ষে, আর মৃত্যুর দিক থেকে এগিয়ে ঢাকা মহানগর।

    বরিশালে আক্রান্ত ১৩ হাজার ৯৪ জন, মৃত্যুর সংখ্যা ২৮। ঢাকা মহানগরে আক্রান্ত ১২ হাজার ২৩৭ জন, তবে মৃত্যু হয়েছে সবচেয়ে বেশি—১১৯ জনের।

    মাসভিত্তিক সংক্ষিপ্ত পরিসংখ্যান

    • জানুয়ারি: ১,১৬১ জন আক্রান্ত, ১০ জন মৃত্যু

    • ফেব্রুয়ারি: ৩৭৪ আক্রান্ত, ৩ মৃত্যু

    • মার্চ: ৩৩৬ আক্রান্ত, কোনো মৃত্যু হয়নি

    • এপ্রিল: ৭০১ আক্রান্ত, ৭ মৃত্যু

    • মে: ১,৭৭৩ আক্রান্ত, ৩ মৃত্যু

    • জুন: ৫,৯৫১ আক্রান্ত, ১৯ মৃত্যু

    • জুলাই: ১০,৬৮৪ আক্রান্ত, ৪১ মৃত্যু

    • আগস্ট: ১০,৪৯৬ আক্রান্ত, ৩৯ মৃত্যু

    • সেপ্টেম্বর (২৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত): ১৪,৫৭৫ আক্রান্ত, ৭০ মৃত্যু

    আগের বছরের তুলনা

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, ২০০০ সাল থেকে দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত ও মৃত্যুর তথ্য সংরক্ষণ করা হচ্ছে। এর মধ্যে ২০২৩ সাল সবচেয়ে ভয়াবহ ছিল। সে বছর ৩ লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন আক্রান্ত হয়েছিলেন এবং মারা যান ১ হাজার ৭০৫ জন। ২০২৪ সালে আক্রান্তের সংখ্যা নেমে আসে ১ লাখ ১ হাজার ৯৯৭-এ, আর মৃত্যুর সংখ্যা ছিল ৫৭৫।

    চলতি বছরের পরিসংখ্যান দেখে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এখনই কার্যকর উদ্যোগ না নিলে ২০২৩ সালের ভয়াবহতাকেও ছাড়িয়ে যেতে পারে ২০২৫ সালের ডেঙ্গু সংকট।

  • ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৫ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ছাড়াল ৩৯ হাজার

    ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৫ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ছাড়াল ৩৯ হাজার

    এবিএনএ: দেশে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব কমার কোনো লক্ষণ নেই। গত ২৪ ঘণ্টায় প্রাণঘাতী এই রোগে আরও পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৬১ জনে। একই সময়ে সারা দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ৬২২ জন রোগী।

    বুধবার স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, মৃতদের মধ্যে দুইজন বরিশাল বিভাগের বাসিন্দা। অন্য তিনজন মারা গেছেন ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন হাসপাতালে।

    একই সময়ে নতুন ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে বরিশাল বিভাগে সর্বোচ্চ ১৩১ জন। চট্টগ্রামে ৯৮ জন, ঢাকার বাইরের এলাকায় ১০৪ জন, ঢাকা উত্তর সিটিতে ১০০ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে ৯৯ জন, খুলনা বিভাগে ১৪ জন, ময়মনসিংহে ১৯ জন, রাজশাহীতে ৫১ জন এবং রংপুরে ৬ জন ভর্তি হয়েছেন।

    এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ৫০৮ জন রোগী চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। চলতি বছরে এখন পর্যন্ত মোট ৩৭ হাজার ৬৮৮ জন রোগী হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

  • ডেঙ্গুতে আরও ৫ জনের মৃত্যু, একদিনে হাসপাতালে ভর্তি ৬৩৬ রোগী

    ডেঙ্গুতে আরও ৫ জনের মৃত্যু, একদিনে হাসপাতালে ভর্তি ৬৩৬ রোগী

    এবিএনএ:  দেশজুড়ে ডেঙ্গুর প্রকোপ অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় (রোববার সকাল ৮টা থেকে সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) প্রাণঘাতী এ রোগে আরও ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৬৩৬ জন রোগী। সোমবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    সরকারি হিসেবে চলতি বছর এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৫৫-এ। আর এ বছর দেশে সর্বমোট আক্রান্ত হয়েছেন ৩৮ হাজার ৫২৭ জন।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল বিভাগ ও ঢাকা উত্তর সিটিতে ২ জন করে এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে।

    বর্তমানে দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন ১ হাজার ৮৪৪ জন ডেঙ্গু রোগী। এর মধ্যে ঢাকার বাইরের হাসপাতালে ভর্তি আছেন ১ হাজার ৯৮ জন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আক্রান্তের হার কমলেও মৃত্যু ঠেকাতে দ্রুত শনাক্তকরণ ও সময়মতো চিকিৎসা অত্যন্ত জরুরি।

  • ডেঙ্গুতে নতুন করে দুই প্রাণহানি, তিন দিনে মৃত্যু ৫ জনের

    ডেঙ্গুতে নতুন করে দুই প্রাণহানি, তিন দিনে মৃত্যু ৫ জনের

    এবিএনএ:  ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে দেশে আরও দুজনের মৃত্যু হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, বুধবার সকাল পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৪৪৫ জন এবং মারা গেছেন দুই নারী রোগী। এ নিয়ে সেপ্টেম্বর মাসের তিন দিনে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়ালো ৫ জনে, আর আক্রান্ত হয়েছেন মোট ১ হাজার ৪৭০ জন।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছরে ডেঙ্গুতে এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ১২৭ জন। তাদের মধ্যে ৭০ জন পুরুষ ও ৫৭ জন নারী। এ পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন ৩২ হাজার ৯৪৬ জন, যাদের মধ্যে ১৯ হাজার ৬৮৮ জন পুরুষ ও ১৩ হাজার ২৫৮ জন নারী।

    গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি চট্টগ্রাম (৯৮ জন) ও বরিশাল বিভাগে (৭৮ জন)। ঢাকার দক্ষিণে ভর্তি হয়েছেন ৮৭ জন, উত্তরে ৫৯ জন, ঢাকার বাইরে বিভাগে ৬৯ জন। এছাড়া ময়মনসিংহে ২৪ জন, রাজশাহীতে ২১ জন, রংপুরে ৬ জন এবং সিলেটে ৩ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন।

    বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, গত এক দিনে ৪১৭ জন রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। এ বছর এখন পর্যন্ত ৩১ হাজার ২৩০ জন ডেঙ্গুরোগী সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন।

    মৃতদের মধ্যে একজন ঢাকার দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকার ৩৫ বছরের নারী, যিনি চিকিৎসাধীন ছিলেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। অপরজন বরিশালের, তিনি চিকিৎসাধীন ছিলেন ২৫০ শয্যার বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে।

    উল্লেখ্য, চলতি বছরে জুলাই মাসে সর্বোচ্চ ৪১ জনের মৃত্যু হয় ডেঙ্গুতে। জুনে মারা যান ১৯ জন, জানুয়ারিতে ১০ জন, ফেব্রুয়ারিতে ৩ জন, এপ্রিলে ৭ জন ও মে মাসে ৩ জন। মার্চ মাসে কোনো মৃত্যু হয়নি। আগস্টে মৃত্যু হয় ৩৯ জনের।

  • বরিশালে ভাইয়ের চোখ উপড়ে নেওয়ার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত স্বপন বেপারী গ্রেপ্তার

    বরিশালে ভাইয়ের চোখ উপড়ে নেওয়ার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত স্বপন বেপারী গ্রেপ্তার

    এবিএনএ:  বরিশালের মুলাদী উপজেলায় চোখ উপড়ে নেওয়ার ভয়াবহ ঘটনায় জড়িত প্রধান আসামি স্বপন বেপারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উজিরপুর উপজেলার মসাং গ্রামে শ্বশুরবাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়।

    বরিশালের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শরিফুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, এ ঘটনায় রিপন বেপারীর বাবা আশেদ বেপারীসহ আটজনকে আসামি করে মামলা দায়েরের পরপরই পুলিশ অভিযান চালায়। মাত্র ১২ ঘণ্টার মধ্যেই মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

    পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারের পর স্বপন বেপারীকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

    ঘটনার সূত্রপাত হয় গত ২২ আগস্ট। রিপন বেপারী (৩৬) বাবার উপস্থিতিতে নিজের ভাইদের হাতে নির্মম নির্যাতনের শিকার হন। গচ্ছিত টাকা ও স্বর্ণালংকার ফেরত চাইতে গেলে স্বপন ও রোকন বেপারী মিলে রিপনের উপর হামলা চালায় এবং নৃশংসভাবে তার দুই চোখ উপড়ে নেয়।

    গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে দ্রুত বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

  • ডেঙ্গুতে আরও ৫ জনের মৃত্যু, একদিনে হাসপাতালে ভর্তি ৩১১ রোগী

    ডেঙ্গুতে আরও ৫ জনের মৃত্যু, একদিনে হাসপাতালে ভর্তি ৩১১ রোগী

    এবিএনএ:  ডেঙ্গু পরিস্থিতি আবারও ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে দেশে। গত ২৪ ঘণ্টায় আরও পাঁচজন রোগী প্রাণ হারিয়েছেন। এদের মধ্যে তিনজন ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে এবং দু’জন রাজশাহীতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। একই সময়ে নতুন করে ৩১১ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

    তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২৭ হাজার ৭৮২ জন। তাদের মধ্যে প্রাণ হারিয়েছেন ১১০ জন।

    বিভাগভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, বরিশাল বিভাগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি— ৯ হাজার ৩৭০ জন, যা মোট আক্রান্তের প্রায় ৩৩ শতাংশ। তবে মৃত্যুর দিক থেকে এগিয়ে ঢাকা মহানগর, যেখানে মৃত্যু হয়েছে ৬৩ জনের, যা মোট মৃত্যুর অর্ধেকেরও বেশি।

    বয়সভিত্তিক হিসেবে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন ১৬ থেকে ৩০ বছর বয়সীরা। এ বয়সে আক্রান্ত ১০ হাজারেরও বেশি রোগী, যা মোট সংক্রমণের ৩৬ শতাংশের কাছাকাছি। মৃত্যুও সবচেয়ে বেশি হয়েছে এই বয়সে— ৩১ জন।

    গত একদিনে ভর্তি হওয়া নতুন রোগীদের মধ্যে ঢাকায় ১১২ জন, বরিশালে ৮২ জন, ঢাকা বিভাগের বাইরে ৪২ জন, চট্টগ্রামে ৩৭ জন, রাজশাহীতে ২১ জন, খুলনায় ১৫ জন এবং ময়মনসিংহে ২ জন। তবে রংপুর ও সিলেটে কোনো নতুন রোগী ভর্তি হয়নি।

    বর্তমানে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ১ হাজার ২৯৩ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন আছেন। তাদের মধ্যে ঢাকার বাইরে ৮৫৩ জন এবং রাজধানীতে ৪৪০ জন।

    মাসভিত্তিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এ বছরের জানুয়ারিতে হাসপাতালে ভর্তি হন ১ হাজার ১৬১ জন এবং মৃত্যু হয় ১০ জনের। ফেব্রুয়ারিতে আক্রান্ত ৩৭৪ জন, মৃত্যু ৩ জন। মার্চে আক্রান্ত ৩৩৬ জন হলেও কোনো মৃত্যু হয়নি। এপ্রিলে আক্রান্ত ৭০১ জন ও মৃত্যু ৭ জন। মে মাসে আক্রান্ত ১ হাজার ৭৭৩ জন ও মৃত্যু ৩ জন। জুনে আক্রান্ত ৫ হাজার ৯৫১ জন এবং মৃত্যু ১৯ জন। জুলাই মাসে আক্রান্ত সর্বোচ্চ ১০ হাজার ৬৮৪ জন ও মৃত্যু ৪১ জন। চলতি আগস্টে এ পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন ৬ হাজার ৮০২ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ২৭ জনের।

    উল্লেখ্য, ২০০০ সাল থেকে ডেঙ্গু আক্রান্ত ও মৃত্যুর পরিসংখ্যান সংরক্ষণ করছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এর মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয় ২০২৩ সালে, যখন আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৩ লাখ ২১ হাজারের বেশি এবং মারা যান ১ হাজার ৭০৫ জন। ২০২৪ সালেও আক্রান্ত হন ১ লাখের বেশি মানুষ এবং মৃত্যু হয় ৫৭৫ জনের।

  • সারাদেশে আবারও বাড়ছে ডেঙ্গুর প্রকোপ, একদিনেই হাসপাতালে ভর্তি ৩৪৩ জন

    সারাদেশে আবারও বাড়ছে ডেঙ্গুর প্রকোপ, একদিনেই হাসপাতালে ভর্তি ৩৪৩ জন

    এবিএনএ:  বাংলাদেশে ডেঙ্গুর সংক্রমণ আবারও চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ৩৪৩ জন ডেঙ্গু রোগী। তবে এ সময়ের মধ্যে মৃত্যুর কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

    রোববার (৩ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বিভিন্ন বিভাগে নতুন আক্রান্তের সংখ্যা নিচের মতো:

    • বরিশাল বিভাগ (সিটি করপোরেশনের বাইরে): ১১১ জন

    • চট্টগ্রাম বিভাগ (সিটি করপোরেশনের বাইরে): ৫১ জন

    • ঢাকা বিভাগ (সিটি করপোরেশনের বাইরে): ৫৪ জন

    • ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন: ৬৪ জন

    • ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন: ৫৯ জন

    • ময়মনসিংহ বিভাগ (সিটি করপোরেশনের বাইরে): ৩ জন

    এছাড়া একই সময়ে ৩৩৭ জন রোগী চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত মোট ২০ হাজার ২৫৭ জন ডেঙ্গু রোগী সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ৩ আগস্ট পর্যন্ত সারাদেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২১ হাজার ৬৭০ জন। আক্রান্তদের মধ্যে ৫৮.৮% পুরুষ এবং ৪১.২% নারী

    ডেঙ্গুতে চলতি বছর এখন পর্যন্ত মোট মৃত্যু হয়েছে ৮৪ জনের। যদিও গত ২৪ ঘণ্টায় কোনো মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি।

    তুলনামূলকভাবে ২০২৪ সালে মোট আক্রান্ত হয়েছিলেন ১ লাখ ১ হাজার ২১৪ জন এবং মৃত্যুর সংখ্যা ছিল ৫৭৫ জন। আর ২০২৩ সালে ছিল সবচেয়ে ভয়াবহ চিত্র—তখন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছিলেন ৩ লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন এবং মৃত্যু হয়েছিল ১ হাজার ৭০৫ জনের।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তর দেশের নাগরিকদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে এবং মশা নিয়ন্ত্রণে ব্যক্তিগত ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান জানিয়েছে।

  • আগস্টে ডেঙ্গু পরিস্থিতি ভয়াবহ হতে পারে, জুলাইয়ে শনাক্ত সর্বোচ্চ রোগী

    আগস্টে ডেঙ্গু পরিস্থিতি ভয়াবহ হতে পারে, জুলাইয়ে শনাক্ত সর্বোচ্চ রোগী

    এবিএনএ:  বাংলাদেশে চলতি বছর ডেঙ্গু পরিস্থিতি উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। বিশেষ করে জুলাই মাসে আক্রান্তের সংখ্যা অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত মোট আক্রান্ত ছিলেন ১০ হাজার ২৬৯ জন, অথচ শুধু জুলাই মাসেই হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১০ হাজার ৪০৬ জন।

    সর্বশেষ বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৩৮৬ জন এবং মারা গেছেন দুজন পুরুষ। এ নিয়ে ২০২৫ সালে ডেঙ্গুতে মোট মৃত্যু দাঁড়িয়েছে ৮১ জনে। এর মধ্যে ৪৬ জন পুরুষ এবং ৩৫ জন নারী।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল বিভাগে (সিটি করপোরেশন ছাড়া) সর্বোচ্চ ১০৬ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। ঢাকার ভেতরে ৭৮ জন, চট্টগ্রামে ৬৪ জন, ঢাকা বিভাগের অন্যান্য অঞ্চলে ৬২ জন, রাজশাহীতে ৪৫ জন, খুলনায় ২৩ জন, ময়মনসিংহে ৫ জন এবং রংপুর বিভাগে ৩ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন।

    ডেঙ্গুতে সবচেয়ে বেশি মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে জুলাই মাসে—৩৯ জন। জুনে মারা গেছেন ১৯ জন, জানুয়ারিতে ১০ জন, ফেব্রুয়ারিতে ৩ জন, এপ্রিলে ৭ জন এবং মে মাসে মৃত্যু হয়েছে ৩ জনের।

    বিভাগভিত্তিক মৃত্যুর হিসাবে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে ঢাকায়—৪৬ জন। বরিশালে মারা গেছেন ১৬ জন। দক্ষিণাঞ্চলের এ বিভাগে ডেঙ্গুর প্রকোপ তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যাচ্ছে।

    জুলাইয়ে রোগী সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় আশঙ্কা তৈরি হয়েছে আগস্টের পরিস্থিতি নিয়ে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এখনই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নিলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে।

    জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কীটতত্ত্ববিদ ড. কবিরুল বাশার বলেন, “২০০০ সাল থেকে ডেঙ্গু বাংলাদেশে শুরু হলেও আজও এটি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি। এর পেছনে রয়েছে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার ঘাটতি। মশা নিধন কার্যক্রমে বাস্তবায়নহীনতা ও সমন্বয়ের অভাবই সংক্রমণ বাড়ার মূল কারণ।”

    তিনি আরও বলেন, “আগস্টে পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক হতে পারে। এখনই নতুন পরিকল্পনা ও তা দ্রুত বাস্তবায়ন না করলে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে।”

  • অস্বাভাবিক জোয়ারে ডুবে গেছে বরিশালসহ দক্ষিণাঞ্চল, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ

    অস্বাভাবিক জোয়ারে ডুবে গেছে বরিশালসহ দক্ষিণাঞ্চল, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ

    এবিএনএ:  বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপের প্রভাবে দক্ষিণাঞ্চলের নদীগুলোর পানি হঠাৎ করেই বিপৎসীমার ওপরে প্রবাহিত হওয়ায় জনজীবনে চরম দুর্ভোগ নেমে এসেছে। আজ শুক্রবার দুপুরের পর বরিশাল নগরীর সদর রোডসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকা পানির নিচে চলে যায়।

    নগরীর পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া কীর্তনখোলা নদীতে অস্বাভাবিক জোয়ারের ফলে আশপাশের বাসাবাড়ি ও সড়কগুলো হাঁটু সমান পানিতে তলিয়ে গেছে। বিশেষ করে ভাটিখানা, পলাশপুর ও সাগরদি ধান গবেষণা রোডের বাসিন্দারা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

    বরিশাল পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-প্রকৌশলী তাইজুল ইসলাম জানান, বিকেল ৩টার পর দক্ষিণাঞ্চলের মেঘনা, তেতুলিয়া ও কীর্তনখোলাসহ সব নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বিকেল ৪টা ৪০ মিনিটে কীর্তনখোলার পানি ছিল বিপৎসীমার ৩০ সেন্টিমিটার ওপরে।

    তবে ভাটা শুরু হলে পানি সরে যাবে বলে আশ্বস্ত করেছেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা।

    কুয়াকাটা ও বরগুনার পাথরঘাটা থেকেও একই ধরনের প্লাবনের খবর পাওয়া গেছে। সাগরে প্রচণ্ড জোয়ার ও তীব্র বাতাসের কারণে তীরবর্তী এলাকাগুলো তলিয়ে যায়।

    নিম্নচাপের কারণে গতকাল রাত থেকেই বরিশাল ও আশপাশে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি শুরু হয়, যা আজ সারাদিন ধরে চলে। ছুটির দিন হওয়ায় বেশিরভাগ মানুষ ঘরে থাকলেও দুপুরের পর হঠাৎ দমকা বাতাস শুরু হয়।

    বরিশাল আবহাওয়া অফিসের পর্যবেক্ষক মিলন হাওলাদার জানান, আজ বিকেল ৩টায় ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ১০ কিলোমিটার বেগে বাতাস বয়ে গেছে এবং আগের ২৪ ঘণ্টায় ২১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

    আগামী ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল ও খুলনা বিভাগে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

    বরিশাল নদী বন্দরের কর্মকর্তা শেখ সেলিম রেজা জানান, নদীতে পানি স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেড়েছে। যদিও এখনো লঞ্চ চলাচল বন্ধ করা হয়নি, তবে গতকাল থেকেই স্পিডবোট চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে।

    এমন পরিস্থিতিতে উপকূলীয় এলাকার মানুষজন আতঙ্কে রয়েছেন এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় স্থানীয় প্রশাসনের দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

  • ডেঙ্গুর দাপটে হাসপাতাল ভরছে, জুলাইয়ের প্রথম তিন দিনে ভর্তি ১১৬০ জন

    ডেঙ্গুর দাপটে হাসপাতাল ভরছে, জুলাইয়ের প্রথম তিন দিনে ভর্তি ১১৬০ জন

    এবিএনএ: সারা দেশে ফের বাড়তে শুরু করেছে এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গুর প্রকোপ। গত তিন দিনে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এক হাজারেরও বেশি মানুষ। শুধু আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ৩৫৮ জন নতুন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এবং একজন মারা গেছেন।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত বুধবার একদিনেই ভর্তি হয়েছিলেন ৪১৬ জন, যা চলতি বছরের সর্বোচ্চ একদিনে ভর্তি। ফলে জুলাই মাসের প্রথম তিন দিনেই রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১১৬০ জনে। চলতি বছর এখন পর্যন্ত মোট আক্রান্ত হয়েছেন ১১ হাজার ৪৫৬ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ৪৫ জনের।

    সবচেয়ে বেশি রোগী ভর্তি হয়েছে বরিশাল বিভাগে—১৫০ জন। ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন এলাকায় ভর্তি ৭৮ জন এবং অন্যান্য বিভাগে যথাক্রমে ঢাকা বিভাগে ৪৫ জন, চট্টগ্রামে ৩২ জন, রাজশাহীতে ২৯ জন, খুলনায় ১৪ জন, ময়মনসিংহে ৫ জন এবং সিলেটে ২ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ৩২৯ জন।

    চীন দিল ১৯ হাজার ডেঙ্গু শনাক্তকরণ কিট

    ডেঙ্গু শনাক্তকরণে সহায়তার অংশ হিসেবে চীন সরকার বাংলাদেশকে ১৯ হাজার ‘কম্বো কিট’ দিয়েছে, যেগুলোর মাধ্যমে একসঙ্গে এনএস-১, আইজিজি ও আইজিএম পরীক্ষা করা যাবে। বৃহস্পতিবার সকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাখালী কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে এসব কিট হস্তান্তর করা হয়।

    অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. মো. আবু জাফরের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. সায়েদুর রহমান। তিনি জানান, ডেঙ্গুর হটস্পট এলাকায় দ্রুত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দল, অ্যাম্বুলেন্স ও ডায়াগনস্টিক কিট পাঠানো হবে।

    তার দাবি, “পরিস্থিতি এখনো নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তবে সময়মতো চিকিৎসা না নেওয়ার কারণে অনেকে জটিলতায় পড়ছেন।”

    তিনি আরও জানান, বর্তমানে দেশে ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া, ইনফ্লুয়েঞ্জা সহ চারটি ভাইরাস সক্রিয়। সাধারণ জ্বর ভেবে রোগীরা দেরিতে হাসপাতালে আসছেন, যা চিকিৎসা জটিল করছে।

    অতীত রেকর্ড ভেঙে নতুন আশঙ্কা?

    ২০২৪ সালে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন ১ লাখ ১ হাজার ২১১ জন এবং মারা গিয়েছিলেন ৫৭৫ জন। তবে সবচেয়ে ভয়াবহ ছিল ২০২৩ সাল, যেখানে আক্রান্ত হয়েছিল ৩ লাখ ২১ হাজারের বেশি এবং মৃত্যু হয়েছিল ১ হাজার ৭০৫ জনের। ২০২২ সালেও আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১ লাখ ১ হাজারের বেশি।

    স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পরিস্থিতি এখনই নিয়ন্ত্রণে আনতে না পারলে এ বছরও ডেঙ্গু ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। তাই জনসাধারণকে সচেতন থাকার পাশাপাশি বাসাবাড়ি ও আশপাশ পরিষ্কার রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

    সরকারি সূত্রে জানানো হয়েছে, এ বছর ‘ভেক্টর কন্ট্রোল প্রোগ্রাম’ আরও জোরদার করা হবে এবং স্বাস্থ্যখাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।