Tag: বন বিভাগ

  • সুন্দরবনে বনদস্যুদের সঙ্গে বনরক্ষীদের সংঘর্ষ, উদ্ধার ৪ অপহৃত জেলে

    সুন্দরবনে বনদস্যুদের সঙ্গে বনরক্ষীদের সংঘর্ষ, উদ্ধার ৪ অপহৃত জেলে

    এবিএনএ: বাগেরহাটের সুন্দরবনে বনদস্যুদের সঙ্গে বনরক্ষীদের গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় দস্যুদের কবল থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় চার জেলেকে উদ্ধার করা হয়। পাশাপাশি দস্যুদের ফেলে যাওয়া একটি বন্দুক ও এক রাউন্ড গুলিও জব্দ করেছে বন বিভাগ।

    বুধবার (১৩ মে) সকালে সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের কোকিলমনি এলাকার সিঙারটেক এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। বন বিভাগের দাবি, অভিযানের মুখে দস্যুরা পালিয়ে যায় এবং তাদের ব্যবহৃত একটি ট্রলার ঘটনাস্থলে রেখে যায়।

    উদ্ধার হওয়া জেলেরা হলেন— শরণখোলা উপজেলার সোনাতলা গ্রামের আবদুল বারেক খান, একই এলাকার মো. হাসান, খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলার নাছিম এবং দাকোপ উপজেলার ইরাক শেখ।

    সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. রেজাউল করিম চৌধুরী জানান, শেলারচর টহল ফাঁড়ি ও স্মার্ট টিম যৌথভাবে সিঙারটেক এলাকায় নিয়মিত টহলে ছিল। এ সময় বনদস্যুদের উপস্থিতি টের পেয়ে অভিযান চালানো হয়। বনকর্মীদের উপস্থিতি বুঝতে পেরে দস্যুরা প্রথমে গুলি ছোড়ে। পরে আত্মরক্ষার্থে বনরক্ষীরাও পাল্টা গুলি চালায়।

    তিনি আরও জানান, বনরক্ষীরা দস্যুদের লক্ষ্য করে কয়েক রাউন্ড গুলি ছুড়লে তারা দ্রুত এলাকা ত্যাগ করে পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থল থেকে চার জেলেকে উদ্ধার করা হয়। তাদের হাত-পা বাঁধা ছিল বলে জানিয়েছে বন বিভাগ।

    বর্তমানে উদ্ধার হওয়া জেলেরা শেলারচর টহল ফাঁড়ির হেফাজতে রয়েছেন। প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

    বন বিভাগের প্রাথমিক ধারণা, এ ঘটনায় জড়িত দস্যুরা কুখ্যাত শরীফ বাহিনীর সদস্য। সুন্দরবনে দস্যু দমনে বন বিভাগের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।

  • তেল সংকটে থমকে সুন্দরবনের পর্যটন, কোটি টাকার বুকিং বাতিল—হতাশায় শ্রমিক ও ব্যবসায়ীরা

    তেল সংকটে থমকে সুন্দরবনের পর্যটন, কোটি টাকার বুকিং বাতিল—হতাশায় শ্রমিক ও ব্যবসায়ীরা

    এবিএনএ,মোংলা : দেশজুড়ে চলমান জ্বালানি তেলের সংকটের সরাসরি প্রভাব পড়েছে বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনের পর্যটন খাতে। ডিজেলের অভাবে মোংলাসহ উপকূলীয় অঞ্চলে পর্যটকবাহী লঞ্চ ও নৌযান চলাচল প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছে। এতে পর্যটন শিল্পে নেমে এসেছে চরম স্থবিরতা।

    পর্যটন মৌসুমের মাঝামাঝি সময়ে এমন পরিস্থিতিতে বিপাকে পড়েছেন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা। আগাম বুকিং দেওয়া কোটি টাকার ট্রিপ বাতিল করতে হচ্ছে, ফলে পর্যটকদের টাকা ফেরত দিতে গিয়ে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন ট্যুর অপারেটররা।

    প্রতি বছর এ সময় সুন্দরবনের করমজল, হারবাড়িয়া, কটকা, কচিখালী, দুবলা, আলোর কোল, নীলকমল ও আন্দারমানিকসহ জনপ্রিয় স্পটগুলোতে পর্যটকদের ভিড় থাকে। তবে এবার জ্বালানি সংকটে এসব এলাকা প্রায় ফাঁকা পড়ে আছে। নৌযান চালানোর মতো পর্যাপ্ত ডিজেল না থাকায় অনেক গন্তব্যে যাতায়াত বন্ধ হয়ে গেছে।

    খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মোংলাতেই শতাধিক পর্যটকবাহী লঞ্চ ও ট্যুর জাহাজ রয়েছে, যেগুলো সাধারণত ৩ থেকে ৪ দিনের ট্যুর পরিচালনা করে। কিন্তু বর্তমান সংকটে এসব ট্রিপ বাতিল করতে হচ্ছে। এতে শুধু ব্যবসায়ী নয়, পর্যটকদের ভ্রমণ পরিকল্পনাও ভেস্তে গেছে।

    পর্যটন খাতের সঙ্গে জড়িত প্রায় ৪ থেকে ৫ হাজার নৌযান মালিক এবং ১০ হাজারের বেশি শ্রমিক বর্তমানে কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। দীর্ঘদিন ধরে জাহাজ চলাচল বন্ধ থাকায় মালিকরা কর্মচারীদের বেতন দিতে হিমশিম খাচ্ছেন। অন্যদিকে শ্রমিকদের পরিবারে নেমে এসেছে চরম দুর্দশা।

    নৌযান চালকদের মতে, স্থানীয়ভাবে উচ্চমূল্যে অল্প পরিমাণ ডিজেল পাওয়া গেলেও তা দিয়ে দীর্ঘ পথ অতিক্রম করা সম্ভব নয়। মাঝপথে ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে গেলে গভীর বনে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়ে। এই ঝুঁকি এড়াতেই অনেকেই নৌযান চালাতে অনিচ্ছুক।

    সুন্দরবনের পর্যটন খাত থেকে সরকার প্রতি বছর উল্লেখযোগ্য রাজস্ব পায়। কিন্তু পর্যটক কমে যাওয়ায় বন বিভাগের আয় কমছে। পাশাপাশি হোটেল, মোটেল ও স্থানীয় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরাও মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়েছেন।

    সুন্দরবন করমজল বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাওলাদার আজাদ কবির জানান, পর্যটকের অভাবে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাচ্ছে বন বিভাগ। জনপ্রিয় পর্যটন স্পটগুলো এখন প্রায় জনশূন্য।

    এদিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শারমিন আক্তার সুমী জানিয়েছেন, তেল সংকট নিরসনে সরকার কাজ করছে এবং দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে বলে আশা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে অনিয়মের অভিযোগে মোংলা অয়েল ইনস্টলেশন থেকে তেল জব্দ এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

    স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে সুন্দরবনকেন্দ্রিক এই বিশাল অর্থনৈতিক খাত ধসে পড়তে পারে। তাই পর্যটন শিল্প ও সংশ্লিষ্ট মানুষের জীবন-জীবিকা রক্ষায় জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন সবাই।

  • সুন্দরবনে শুরু হলো মধু আহরণ মৌসুম: লক্ষ্যমাত্রা ১৮০০ কুইন্টাল, মৌয়ালদের আশা-আতঙ্ক একসাথে

    সুন্দরবনে শুরু হলো মধু আহরণ মৌসুম: লক্ষ্যমাত্রা ১৮০০ কুইন্টাল, মৌয়ালদের আশা-আতঙ্ক একসাথে

    এবিএনএ,বাগেরহাট : দেশের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনে শুরু হলো বহুল প্রতীক্ষিত মধু আহরণ মৌসুম। আজ (১ এপ্রিল) ভোর থেকেই আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে এই কার্যক্রম, যা চলবে আগামী ৩১ মে পর্যন্ত।

    বন বিভাগের পরিকল্পনা অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে সুন্দরবন থেকে মোট ১ হাজার ৮০০ কুইন্টাল মধু এবং ৯০০ কুইন্টাল মোম সংগ্রহের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা ও চাঁদপাই রেঞ্জে ৭০০ কুইন্টাল মধু এবং ৩০০ কুইন্টাল মোম আহরণের লক্ষ্য রয়েছে। অন্যদিকে, পশ্চিমাঞ্চলের খুলনা ও সাতক্ষীরা রেঞ্জে নির্ধারিত হয়েছে ১১০০ কুইন্টাল মধু ও ৬০০ কুইন্টাল মোম সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা।

    এবার আগাম বৃষ্টির কারণে খুলনা ও সাতক্ষীরা অঞ্চলে খলিসা, গরান, পশুর ও হারগোজাসহ বিভিন্ন গাছে ব্যাপক ফুল ফুটেছে। ফলে ওইসব এলাকায় মৌমাছির উপস্থিতি বেড়েছে এবং মধু উৎপাদনের সম্ভাবনাও উজ্জ্বল। তবে পূর্বাঞ্চলের শরণখোলা ও চাঁদপাই রেঞ্জে তুলনামূলক কম বৃষ্টি এবং কম গাছপালা থাকার কারণে সেখানে মৌসুমের শুরুতেই পর্যাপ্ত মধু পাওয়া যাচ্ছে না। এজন্য ওই অঞ্চলের মৌয়ালরা কয়েকদিন পর থেকে সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু করবেন।

    মৌসুম শুরুর আগেই মৌয়ালরা নৌকা মেরামত এবং প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম প্রস্তুত করে রেখেছেন। দলবদ্ধভাবে বনে প্রবেশ করে তারা প্রথমে খলিসা, গরান ও পশুর গাছের ফুল থেকে মধু সংগ্রহ করবেন। পরে পর্যায়ক্রমে কেওড়া ও ছইলা ফুলের মধু আহরণ করা হবে।

    গত বছরের অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে, পূর্ব সুন্দরবনের দুই রেঞ্জ থেকে প্রায় ৬৫০ কুইন্টাল মধু ও ২০০ কুইন্টাল মোম সংগ্রহ করা হয়েছিল। মৌয়ালদের মতে, বন বিভাগের অনুমতি, রাজস্ব ও অন্যান্য খরচ মিলিয়ে প্রতিজনের প্রায় ১২ থেকে ১৩ হাজার টাকা ব্যয় হয়। তবে মধু বিক্রি করে তারা উল্লেখযোগ্য লাভ করতে সক্ষম হন।

    শরণখোলার মৌয়ালরা জানান, গত মৌসুমে তাদের প্রতিটি সদস্য প্রায় দুই মণ করে মধু পেয়েছিলেন, যা বিক্রি করে ভালো আয় হয়েছে। এবারও তারা আশাবাদী, তবে বনদস্যুদের তৎপরতা বৃদ্ধি পাওয়ায় তাদের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে। অপহরণের ঝুঁকি থাকায় তারা নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন।

    বন বিভাগ জানিয়েছে, মধু আহরণের জন্য মৌয়ালদের ১৪ দিনের পাস দেওয়া শুরু হয়েছে। একইসঙ্গে তাদের জন্য ১০টি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—মৌমাছি তাড়াতে আগুন বা রাসায়নিক ব্যবহার নিষিদ্ধ, বনজ সম্পদের ক্ষতি না করা, নদীতে বিষ প্রয়োগ না করা এবং বন্যপ্রাণী শিকার থেকে বিরত থাকা। এসব নির্দেশনা অমান্য করলে কঠোর শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে।

    বিভাগীয় বন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এবার গাছে ফুলের আধিক্য থাকায় মধু উৎপাদন বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে এবং মৌয়ালদের সহায়তায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

    তবে জুন মাস থেকে তিন মাসের জন্য সুন্দরবনে সব ধরনের বনজ সম্পদ আহরণে নিষেধাজ্ঞা থাকায় মৌসুমের পুরো সময়জুড়ে মধু সংগ্রহ সম্ভব হয় না। বিশেষ করে সুন্দরী ও গেওয়া গাছের ফুল থেকে মধু সংগ্রহের সুযোগ না থাকায় উৎপাদনে প্রভাব পড়ে।

    সব মিলিয়ে আশা ও শঙ্কার মধ্যেই শুরু হলো সুন্দরবনের ঐতিহ্যবাহী মধু আহরণ মৌসুম। মৌয়ালদের চোখ এখন নিরাপদ ও সফল একটি মৌসুমের দিকে।

  • লোকালয়ে ছাগল গিলে ফেলেছিল বিশাল অজগর! সুন্দরবনে অবমুক্ত

    লোকালয়ে ছাগল গিলে ফেলেছিল বিশাল অজগর! সুন্দরবনে অবমুক্ত

    এবিএনএ,বাগেরহাট: সুন্দরবন থেকে লোকালয়ে এসে আস্ত ছাগল গিলে খেয়ে ঝোপের মধ্যে পড়ে ছিল বিশাল এক অজগর। ছাগলের মালিক তার নিখোঁজ ছাগল খুঁজতে গিয়ে দেখতে পান এই দৃশ্য। পরে সুন্দরবন সুরক্ষায় নিয়োজিত ভিলেজ টাইগার রেসপন্স টিম (ভিটিআরটি) ও কমিউনিটি পেট্রলিং গ্রুপের (সিপিজি) সদস্যদের খবর দিলে তারা গিয়ে অজরটি উদ্ধার করে বনবিভাগের কাছে হস্তান্তর করেন।

    ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার সুন্দরবন সংলগ্ন দক্ষিণ রাজাপুর গ্রামে। অজগর সাপে ছাগল গিলে খাওয়ার খবর মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়ার পর শত শত মানুষ জড়ো হন সেখানে। পরে অজগরটি সুন্দরবেন অবমুক্ত করে বনবিভাগ।

    সুন্দরবনের ওয়াইল্ড টিমের শরণখোলা ফিল্ড ফেসিলিটেটর মো. আলম হাওলাদার জানান, দক্ষিণ রাজাপুর গ্রামের দিনমজুর সোহরাব ফরাজীর পোষা ছাগলটি আগেরদিন সোমবার বাড়ির কাছাকাছি বনসংলগ্ন চরে ঘাস খেতে যায়। কিন্তু ওইদিন ছাগলটি আর ফিরে আসেনি। পরেরদিন খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বনের কাছাকাছি একটি ঝোপের মধ্যে ছাগল খেয়ে অজগরটি পড়ে থাকতে দেখেন। পরে খবর পেয়ে ভিটিআরটি ও সিপিজি সদস্যরা গিয়ে অজরটি উদ্ধার করে বনবিভাগের দাসের ভারাণী টহল ফাঁড়িতে হস্তান্তর করেন। সুন্দরবন থেকে অজগরটি খাবারের সন্ধানে লোকালয়ে চলে এসেছিল। ১৮ ফুট লম্বা অজগরটির ওজন প্রায় ৫০ কেজি। আর গিলে খাওয়া ছাগলটির ওজন হবে ২০ কেজির মতো। ছাগলটি খেয়ে অজগরটি নড়াচড়া করতে পারছিল না।

    সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) মো. শরীফুল ইসলাম জানান, ছাগল খেয়ে অজগরটি কিছুটা অসুস্থ ছিল। তবে সতর্কতার সাথে অজগরটি উদ্ধার করেন প্রশিক্ষিত পরিবেশ কর্মীরা। দুপুর ১টার দিকে অজগর সাপটি সুন্দরবনের দাসের ভারাণী টহল ফাঁড়ির বনে অবমুক্ত করা হয়েছে।

  • মাছের ঘেরে আতঙ্ক! ১২ ফুটের বিশাল অজগর উদ্ধার, গভীর রাতে সুন্দরবনে অবমুক্ত

    মাছের ঘেরে আতঙ্ক! ১২ ফুটের বিশাল অজগর উদ্ধার, গভীর রাতে সুন্দরবনে অবমুক্ত

    এবিএনএ,বাগেরহাট: বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার রায়েন্দা বাজার এলাকায় একটি মাছের ঘের থেকে প্রায় ১২ ফুট লম্বা একটি অজগর সাপ উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে সেচ দিতে গিয়ে ঘেরের ভেতরে বিশাল আকৃতির সাপটি দেখতে পান এক স্থানীয় ঘের মালিক। মুহূর্তে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লে তিনি বন বিভাগকে বিষয়টি জানান।

    খবর পেয়ে বন বিভাগের কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান। সতর্কতার সঙ্গে অজগরটিকে নিয়ন্ত্রণে এনে রাতেই সুন্দরবন–এর শরণখোলা রেঞ্জ অফিসের আশপাশের নিরাপদ এলাকায় অবমুক্ত করা হয়। উদ্ধারকাজে স্থানীয়রাও সহযোগিতা করেন।

    শরণখোলা রেঞ্জের কর্মকর্তারা জানান, সুন্দরবনসংলগ্ন এলাকায় বসতি ও জলাশয় থাকায় খাবারের সন্ধানে বন্যপ্রাণী মাঝে মাঝে লোকালয়ে ঢুকে পড়ে। অজগরটি সম্ভবত শিকারের খোঁজে ঘেরের দিকে চলে এসেছিল।

    বন বিভাগ স্থানীয়দের উদ্দেশে সতর্কবার্তা দিয়েছে—এ ধরনের ঘটনায় আতঙ্কিত না হয়ে দ্রুত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানাতে। এতে মানুষ ও বন্যপ্রাণী—উভয়েরই নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়।

  • সুন্দরবনের বনদস্যু ও জলদস্যু দমন হবে আমার প্রথম কাজ: সোমনাথ দে

    সুন্দরবনের বনদস্যু ও জলদস্যু দমন হবে আমার প্রথম কাজ: সোমনাথ দে

    এবিএনএ,মোঃ শাহাদাত হোসাইন, শরণখোলা, বাগেরহাট: আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলা  বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের আয়োজনে ধানের শীষের পক্ষে  নির্বাচনী  জনসভা সভা  অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৭ ফেব্রুয়ারি বিকাল ৪ টায়  উপজেলার রায়েন্দা সরকারি পাইলট হাই স্কুল মাঠে  হাজার নেতা কর্মী নির্বাচনী  মিছিলসহ  জনসভায় মিলিত হয়।

    উপজেলা বিএনপির সভাপতি আনোয়ার হোসেন পঞ্চায়েতের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক বেলাল হোসেন মিলনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাগেরহাট-৪ আসনের বিএনপির মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী সোমনাথ দে। তিনি বলেন, আপনারা আমাকে ধানের শীষে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করলে আমি  এমপি নির্বাচিত হয়ে সুন্দরবন থেকে বনদস্যু, জলদস্যু দমন সহ সুন্দরবনের জেলেদের ও বাওয়ালিদের কাজ করার ক্ষেত্র তৈরি করা হবে। এ ছাড়া তিনি আরো বলেন এই এলাকা থেকে চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও ঘের দখল ইত্যাদি দূর করার চেষ্টা করব। এ সময বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, শরণখোলা উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি খান মতিয়ার রহমান, উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আঞ্জুমান আরা আলো, শরণখোলা  উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোল্লা ইসাহাক আলী।

    এছাড়া আরো বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মহিউদ্দিন বাদল , বিএনপি নেতা তালুকদার মধু, শহিদুল আলম লিটন, অহিদুজ্জামান বাবু ,  উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মোল্লা ইব্রাহিম,সদস্য সচিব আল- আমিন খান , যুবদল নেতা আবুল হোসেন, শহিদুল  ইসলাম সোহাগ , মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম দলের সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলাম, ছাত্রদল নেতা মামুন গাজী ও শামীম শিকদার।

  • সুন্দরবনে আতঙ্ক: জেলেদের নৌকায় হানা, দুই জেলেকে তুলে নিলো জাহাঙ্গীর বাহিনী

    সুন্দরবনে আতঙ্ক: জেলেদের নৌকায় হানা, দুই জেলেকে তুলে নিলো জাহাঙ্গীর বাহিনী

    এবিএনএ,মোঃ শাহাদাত হোসাইন, শরণখোলা (বাগেরহাট): পূর্ব সুন্দরবনের টিয়ারচর এলাকা থেকে বনদস্যু জাহাঙ্গীর বাহিনী দুই জেলেকে অপহরণ করেছে। শনিবার দিবাগত মধ্য রাতে এ ঘটনা ঘটেছে বলে খবর পাওয়া গেছে।

    পূর্ব সুন্দরবন বন বিভাগের শেলারচর থেকে অপহৃত জেলেদের মহাজন মোঃ মিজান বহদ্দার রবিবার দুপুরে মোবাইল ফোনে বলেন, শনিবার (১০ জানুয়ারী) দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে সুন্দরবনের টিয়ারচর এলাকায় নদীতে মাছ ধরারত অবস্থায় তার জেলেদের নৌকায় চড়াও হয় বনদস্যু জাহাঙ্গীর বাহিনী। তার দুই জন জেলেকে দস্যুরা তাদের ট্রলারে উঠিয়ে নিয়ে যায়। দস্যুরা মুক্তিপণের জন্য তাদের সাথে যোগাযোগের জন্য অন্য জেলেদের কাছে মোবাইল ফোন নম্বর দিয়ে গেছে। অপহৃত জেলেরা হচ্ছেন,সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনি উপজেলার খাজুরা এলাকার আবু হানিফ (৩২) ও খায়রুল ইসলাম (৩০)। জেলে অপহরণের ঘটনায় শেলারচরের জেলেদের মাঝে আতংক দেখা দিয়েছে বলে মিজান বহদ্দার জানিয়েছেন।

    শেলারচরের মৎস্য ব্যবসায়ী খুলনার আরিফ হোসেন মিঠু জানান, গোটা সুন্দরবনে বনদস্যুদের তান্ডবে এখন জেলে মৎস্যজীবিরা দিশেহারা। দস্যুদের নীরবে বিকাশের মাধ্যমে চাঁদার টাকা দিয়ে জেলেদের মাছ ধরতে হচ্ছে। দস্যুদের আগে টাকা না দিলে জেলেদের অপহরণ করছে দস্যুরা। এমন কি গত মাসে তার ৪ জন জেলেকে অপহরণ করে জাহাঙ্গীর বাহিনী। দুই লাখ টাকা মুক্তিপণ দিয়ে তার জেলেদের মুক্ত করে এনেছেন জানিয়ে ব্যবসায়ী মিঠু সুন্দরবনে দস্যু দমনে র‍্যাব ও কোষ্টগার্ডের অভিযান জোরদারের দাবী জানিয়েছেন।

    সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের শেলারচর ফরেষ্ট টহল ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফরেষ্টার আঃ সবুর টিয়ারচরে দুই জেলেকে অপহরণের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের শরণখোলা রেঞ্জের নবাগত রেঞ্জ কর্মকর্তা (এসিএফ) মোঃ শরীফুল ইসলাম টিয়ারচরে জেলে অপহরণের বিষয়টি শুনেছেন বলে জানিয়েছেন।

     

  • নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে সুন্দরবনে কাঁকড়া পাচার: বিপুল পরিমাণ কাঁকড়াসহ ৫ ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

    নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে সুন্দরবনে কাঁকড়া পাচার: বিপুল পরিমাণ কাঁকড়াসহ ৫ ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

    এবিএনএ,বাগেরহাট: সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে সুন্দরবনের গভীর এলাকা থেকে সংগৃহীত বিপুল পরিমাণ কাঁকড়াসহ পাঁচজন কাঁকড়া ব্যবসায়ীকে আটক করেছে কোস্টগার্ড পশ্চিম জোন, মোংলা।

    গোপন তথ্যের ভিত্তিতে শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) রাতভর পরিচালিত অভিযানে সুন্দরবন সংলগ্ন দাকোপ উপজেলার কালাবগি এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় ১২ মন ২৫ কেজি বা প্রায় ৪৯০ কেজি অবৈধভাবে আহরিত কাঁকড়া জব্দ করা হয়, যার বাজারমূল্য আনুমানিক ৫ লাখ ৩৯ হাজার টাকা।

    শনিবার (১০ জানুয়ারি) দুপুরে কোস্টগার্ড পশ্চিম জোনের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মো. মুনতাসীর ইবনে মহসিন বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, কাঁকড়ার প্রজনন মৌসুম চলাকালীন সময়ে নিষেধাজ্ঞা ভঙ্গ করে এসব কাঁকড়া সংগ্রহ ও মজুত করা হচ্ছিল।

    আটককৃত ব্যবসায়ীরা হলেন— তরুণ সরকার, মনজুর ঢালী, মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর গাজী, মাসুম বিল্লাহ ও মোহাম্মদ আজাদ সানা। তারা সবাই খুলনা জেলার দাকোপ উপজেলার কালাবগি এলাকার বাসিন্দা।

    জব্দকৃত কাঁকড়া ও আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

    উল্লেখ্য, কাঁকড়ার প্রজনন সুরক্ষায় প্রতি বছর জানুয়ারি থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সুন্দরবনে কাঁকড়া শিকার, পরিবহন ও বেচাকেনা সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ থাকে।

  • সুন্দরবনে সশস্ত্র দস্যুদের হাতে রিসোর্ট মালিকসহ তিন পর্যটক অপহৃত

    সুন্দরবনে সশস্ত্র দস্যুদের হাতে রিসোর্ট মালিকসহ তিন পর্যটক অপহৃত

    মাসুদ রানা,এবিএনএ,মোংলা: সুন্দরবনে রিসোর্ট মালিকসহ  তিন পর্যটক অপহৃত হয়েছেন। সুন্দরবনের চাঁদপাই রেঞ্জের ঢাংমারী এলাকার কেনুর খাল হতে তাদের অপহরন করেছে সশস্ত্র বনদস্যু বাহিনী।
    শুক্রবার (২ জানুয়ারি) বিকালে এ ঘটনা ঘটলেও কথিত রির্সোট সংগঠন এ নিয়ে লুকোচুরিসহ নানা নাটকীয়তার জন্ম দিচ্ছে। অপহৃত দুই পর্যটক রাজধানী ঢাকার বাসিন্দ বলে জানা গেলোও তাদের পরিচয় পুরোপুরি নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। রির্সোট সংগঠনের নেতারা রির্সোট মালিকসহ দুই পর্যটককে ছাড়িয়ে আনতে দস্যুদের সঙ্গে দেনদরবার করছে বলে জানা গেছে। তবে অপহরনের শিকার পর্যটকদের ভাগ্যে কি জুটেছে তা নিশ্চিত করে কেউ জানাতে পারেনি।
    বনবিভাগ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, শুক্রবার (২ জানুয়ারি)  চার পর্যটক ঢাকা থেকে সুন্দরবনে ঘুরতে আসেন। এদিন দুপুরে তারা সুন্দরবনের ঢাংমারী এলাকায় অবস্থিত ‘রিসোর্ট গোলকানন’ এ বুকিং নিয়ে রাত যাপনের জন্য ওঠেন। পরে বিকালে গোলকানন রিসোর্ট মালিক শ্রীপতি বাছাড়সহ চার পর্যটক নৌকায় চড়ে বনের ছোট খালে ঘুরতে বের হন।
    রিসোর্ট সংলগ্ন ওই খাল হতে  পর্যটকদের তুলে নেয় সশস্ত্র দস্যুরা। রাতে দুই নারী পর্যটককে রিসোর্টে ফিরিয়ে দেয় দস্যুরা। তবে রিসোর্ট মালিক ও দুই পুরুষ পর্যটককে জিম্মি করে রাখে। জিম্মি থাকা পর্যটকদের কাছে দস্যুরা মুক্তিপন দাবি করেছে। তবে মুক্তিপন হিসেবে কত টাকা দাবি করেছে তারা, তা জানা যায়নি।
     এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন রিসোর্ট মালিকের ছোট ভাই উত্তম বাছাড়।
    এদিকে এ ঘটনা শুনেছেন বলে জানিয়েছেন বনবিভাগের ঢাংমারী স্টোশন কর্মকর্তা সুরজিৎ চৌধুরী। তবে কোন দস্যু বাহিনী এ পর্যটকদের অপহর করেছে তা নিশ্চিত করে জানাতে পারেননি।
    বনে পর্যটক অপহরনের ঘটনায়, শনিবার (৩ জানুয়ারি) দিনব্যাপী রিসোর্ট এলাকায় কোন ট্যুর নৌযান কিংবা পর্যটক যাতায়াত করেনি। পর্যটাদের মধ্যে আতংক ছড়িয়ে পড়েছে বলে জানিয়েছন স্থানীয়রা।
    দাকোপ থানা পুলিশের তথ্য মতে, অপহৃত দুই পর্যটক মো: সোহেল ও জনি বলো জানানো হয়েছে।
    এ প্রসঙ্গে খুলনা জেলার দাকোপ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: আতিকুর রহমান জানান, সুন্দরবনে অপহৃত রিসোর্ট মালিক ও দুই পর্যটককে উদ্ধারে থানা ও নৌপুলিশ এবং কোস্টগার্ড যৌথ অভিযান চালাছে।
  • সুন্দরবনের অভয়ারণ্যে নিষেধাজ্ঞা অমান্য: তিন ট্রলারসহ ১৩ জেলে আটক, জব্দ জাল ও ডিঙ্গি

    সুন্দরবনের অভয়ারণ্যে নিষেধাজ্ঞা অমান্য: তিন ট্রলারসহ ১৩ জেলে আটক, জব্দ জাল ও ডিঙ্গি

    এবিএনএ, শরণখোলা: সুন্দরবনের সুপতি অভয়ারণ্যের খালে অবৈধভাবে মাছ ধরার সময় বনরক্ষীদের হাতে তিনটি ট্রলারসহ ১৩ জেলে আটক হয়েছে। জব্দ করা হয়েছে মাছ ধরার জাল ও ৬টি ডিঙ্গি নৌকা। আটক জেলেদের আদালতের মাধ্যমে বাগেরহাট জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

    বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের শরণখোলা রেঞ্জের সুপতি ফরেষ্ট ষ্টেশন কর্মকর্তা ফরেষ্ট রেঞ্জার মোঃ ফয়সাল আহমেদের নেতৃত্বে বনরক্ষীরা শনিবার সন্ধ্যায় সুপতি ষ্টেশনের আওতাধীন বড়কটকা খালে নিয়মিত টহলের সময় একটি ট্রলারের জেলেদের অবৈধভাবে মাছ ধরতে দেখে এগিয়ে যায়। বনরক্ষীরা ৯ জেলেসহ একটি ট্রলার আটক করে। এ সময় আরও ৬টি ডিঙ্গি ও মাছ ধরার জাল জব্দ করেন বনরক্ষীরা।

    আটক জেলেরা হচ্ছেন, শরণখোলা উপজেলার বগী গ্রামের আলাউদ্দিন পঞ্চায়েত (৩০), রেজাউল হাওলাদার (২৫) ও মোঃ রাকিব হাওলাদার (২৫); বাগেরহাটের গোপালকাঠী গ্রামের লিটন সরদার (৪৮), মিলন সরদার (৩৫) ও জলিল শেখ (৪৫); শরণখোলা উপজেলার চালিতাবুনিয়া গ্রামের জাফর হাওলাদার (৩৮) ওরবিউল ইসলাম (২৩); পিরোজপুর জেলার কালিকঠি গ্রামের জালাল হাওলাদার (৩০)।

    অপরদিকে, একই দিন সন্ধ্যায় বনরক্ষীরা সুপতির পোতারখাল এলাকায় টহলের সময় দুইটি ট্রলারসহ ৪ জেলেকে আটক করেন। আটক জেলেরা হচ্ছেন, পাথরঘাটা জেলার সাহেরাবাদ গ্রামের বিজন হালদার (৩৫), শিশির হালদার (৩৫), ইসা খান (২৬) ও সাত্তার খন্দকার (৪৫)। এ সময় জব্দ করা হয়েছে মাছ ও কাকড়া।

    সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের শরণখোলা রেঞ্জের সুপতি ফরেষ্ট ষ্টেশন কর্মকর্তা ফরেষ্ট রেঞ্জার মোঃ ফয়সাল আহমেদ বলেন, আটক জেলেরা সুপতি অভয়ারণ্য কেন্দ্রের আওতাধীন খালে অবৈধভাবে মাছ ধরছিলো। আটক জেলেদের বিরুদ্ধে দুইটি পৃথক বন মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার আসামী জেলেদের শনিবার দুপুরে বাগেরহাট আদালতে পাঠানো হয়। আদালত তাদের বাগেরহাট জেল হাজতে প্রেরণ করেছে।